ঢাকা | রবিবার | ২১ জানুয়ারি, ২০১৮ | ৮ মাঘ, ১৪২৪ | ৩ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ | সকাল ৯:০৯ | English Version | Get Our App BN | বাংলা ইউনিকোড কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • সংবাদপত্র
  • Loading...
    • এনবিএস » মতামত » মাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনা: এডভোকেট হারুন-অর-রশীদ


    Loading...

    মাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনা: এডভোকেট হারুন-অর-রশীদ
    এনবিএস | Friday, January 12th, 2018 | প্রকাশের সময়: 7:09 pm

    মাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনা: এডভোকেট হারুন-অর-রশীদমাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনা

    -: এডভোকেট হারুন-অর-রশীদ :-

    ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। জোট সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন ১২ জানুয়ারি। এ চার বছরের মধ্যে অনেকগুলো অর্জনের মাঝে সবচেয়ে বড় অর্জন ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ শেখ হাসিনা। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনা বিশ্ববিবেককে নাড়া দেয়। তাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে তাঁকে বিশ্ববিবেক ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে আখ্যা দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে উল্লেখ করে খবর প্রচার করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল-৪।

    এছাড়াও আরো দুটি সংবাদমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে দুটি বিশেষণ যোগ করে। দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস তাঁকে ‘স্টার অব দ্য ইস্ট’ (প্রাচ্যের তারকা) আখ্যা দিয়েছে। 

    এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এশিয়ান এজ’ প্রধানমন্ত্রীকে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে ইহুদির রক্ষাকারী রাউল ওয়ালেনবার্গের সঙ্গে তুলনা করেছে। অভিনন্দনের সময় এ দুটি বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। হিটলার যখন লাখ লাখ ইহুদির ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, সে সময় রাউল ওয়ালেনবার্গ এক লাখ ইহুদিকে বাঁচিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সম্প্রতি পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে তাদের জীবনরক্ষা করেছেন। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন বলেই আজ বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। একইভাবে বলা যেতে পারে, বাংলাদেশের মহান স্থপতির রক্তে জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ আজকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতো না। বিশ্ব উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেত না। সেই গণমানুষের নেত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার, গণতন্ত্রের নেত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু গণতন্ত্রের মানসকন্যাই নয়, মানবতার জননী হিসেবে সারা বিশ্বে প্রশংসিত।

    তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে আবির্ভূত করেছেন তিনি। তিনি আজ বিশ্বনেত্রী। বঙ্গবন্ধুর মতো তার চরিত্রে মানুষের প্রতি বিশ্বাস, ভালোবাসা, সততা, দক্ষতা, ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতার বিশেষ গুণ বিদ্যমান। 

    সরল-সহজ সাদামাঠা জীবনের অধিকারী শেখ হাসিনার গোটা জীবন নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অতিক্রম হচ্ছে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী শেখ হাসিনা ছাত্রজীবন থেকেই বাঙালির অধিকার আদায়ের দাবিতে রাজপথে অগ্রণী সৈনিক। দূরদর্শিতার চিহ্ন যিনি ইতিমধ্যে রেখে চলেছেন সারা বিশ্বে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তির দর্শন, চেতনা আর মানবতাবাদী পদক্ষেপ সারা বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিশ্বব্যাপী শরণার্থী সমস্যা সমাধানের আলোকবর্তিকা হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছেন তিনি। শান্তিতে নোবেল জয়ীদের ভূমিকা যখন প্রশ্নবিদ্ধ তখন বিশ্বের মানচিত্রে শান্তির পতাকা হাতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। 

    সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে প্রশংসিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের মধ্যমণি ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার উদারতা ও মানবিকতা বিশ্ব নেতারা প্রশংসা করেছেন। বিশ্বের শক্তিশালী গণমাধ্যমগুলোও জননেত্রী শেখ হাসিনার উদারতাকে মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধিতে ভূষিত করেছে। 

    এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ সেপ্টেম্বর ছুটে গিয়েছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গারাও তাদের ভালোবাসার নিদর্শন দিচ্ছেন ভিন্নভাবে। নবজাতক শিশুর নাম রাখছেন বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা ও শেখ হাসিনা। তিনি শান্তির প্রতীক। শান্তিতে নোবেল জয়ীরা যখন অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন, সেখানে জননেত্রী শেখ হাসিনার শান্তির পতাকা উড়িয়ে চলছেন বিশ্ব দরবারে। দেশ ও বিদেশে মানুষের হৃদয়ের যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, তা নোবেলের চেয়ে শত কোটি গুণ বেশি দামি। কারণ মানুষের ভালোবাসার চেয়ে অন্য কিছু দামি হতে পারে না।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ই দেননি, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রথম মেয়াদে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে অশান্ত পাহাড়ে শান্তির বার্তা দিয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ সবাই ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। এ হত্যাকাণ্ডের ভিতর দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে অবস্থার পরিবর্তন হয় ১৯৮১ সালের ১৭ মে। সে দিন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন সর্বস্বহারা শেখ হাসিনা। কাণ্ডারিবিহীন, দিকভ্রান্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দেশে ফিরে আসেন তিনি। সে সময়ে দেশের বাইরে ছিলেন বলেই ঘাতকের বুলেট তখন তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ দেশের সব মানুষেরই ভরসা ছিল, একদিন ফিরবেন তিনি। পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেবেন দলকে, সর্বোপরি দেশকে। বাংলা মায়ের সন্তান তিনি। ফিরে এলেন আবার সেই মায়েরই কোলে।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নামের আগে-পরে কোনো বিশেষণ যোগ করার দরকার হয় না। এক কঠিন সংগ্রামের পথ বেয়ে নিজ প্রতিভায় বিকশিত তিনি। বিশ্বমানবের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত আজ তিনি। ৩৬ বছর ধরে একটানা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকা, তিন-তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া রূপকথার বিস্ময়কর কাহিনীর মতো যেন। তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। 

    শেখ হাসিনা নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং এই আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকার পদত্যাগে বাধ্য হয়। পিতার মতো দুর্জয় সাহস নিয়ে দেশের রাজনীতি ও জনগণের পক্ষে নিজের দৃঢ় অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন, যুদ্ধ করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো এগিয়ে চলছেন। বিদেশে থাকায় মধ্য রাতের হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যান পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ১৯ বার তাকে হত্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা জানে, শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বাংলাদেশের রাজনীতি নতুন বার্তা পেয়েছে। পথ হারানো জাতি দিশা পেয়েছে। সে কারণে গত ৩৬ বছর ধরে তাকে হত্যার জন্য বহুবার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বেঁচে গেছেন যেন অলৌকিকভাবে। 

    মহান স্রষ্টার সমস্ত কৃপা বুঝি তার প্রতি অপরিসীম, তাই ঘাতকের ঘৃণ্য তৎপরতা কাজে আসেনি। পিতার সাহস ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে আসন দিয়েছে। তার সবচেয়ে বড় সাফল্য, যুদ্ধের ময়দান থেকে হটে না যাওয়া। তার চারদিকে এখনো পরাক্রান্ত বহু শত্রু। যুদ্ধের ময়দানে একাই লড়ছেন উচ্চ করে শির। এক পা পিছু হটার নিদর্শন নেই। সাম্রাজ্যবাদের পদলেহন, স্বৈরাচারের কাছে আত্মসমর্পণ এবং দেশ ও জনগণের বিপদের মুহূর্তে দেশত্যাগ বা রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনাই নেই তার জীবনে। তাই তিনি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের একজন সফল রাজনৈতিক নেত্রী ও রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছেন। 

    শেখ হাসিনা যদি আওয়ামী লীগ ও দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ঘোর দুর্দিনে সম্পূর্ণ অভাবিত ও অপ্রত্যাশিতভাবে দেশের রাজনীতিতে চমক লাগিয়ে সব দ্বিধা, সংকোচ ও সংসারের বন্ধন ত্যাগ করে রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ পথে এসে না দাঁড়াতেন এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির পতাকা আবার সাহসের সঙ্গে ঊর্ধ্বে তুলে না ধরতেন, তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা আজ কী দাঁড়াত, তা ভাবতেও শঙ্কা হয়। এই তিনিই আজকের জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী এবং একই সঙ্গে বিশ্বনেত্রী, বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে নিজেকে সমাসীন করার জন্য প্রস্তুতি পর্ব সমাপন করে সমুখে শান্তি পারাবার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন দৃঢ় ও দীপ্ত পদক্ষেপে। ভূগোলের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল বিশ্ব ভাবনাকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত জানাতেও পিছ-পা নন। বিশ্বজুড়ে জঙ্গিবাদ, দ্বন্দ্ব, হানাহানি, সংঘাত, সংঘর্ষ; আক্রান্ত বারুদের ঝঙ্কারের বিপরীতে শান্তির বার্তা তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে যে জঙ্গিবাদের বিস্তার, তার নির্মূলে তিনি সোচ্চার। নিজ দেশের সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের তিনি দমন করছেন সাহসের সঙ্গে। নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক উচ্চতায় তিনি নিয়ে গেছেন, যে কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের জন্য রোল মডেল।

    জননেত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে সহজ-সরল মহত্ত্ব রয়েছে, যা সবার শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা আকর্ষণ করে। নানা ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হয়ে জাগ্রত তিনি। সমগ্র জাতিকে নিষ্ক্রিয়তা, নির্জীবতা, বিমূঢ়তা থেকে মুক্ত করার জন্য দীর্ঘ লড়াই তিনি অব্যাহত রেখেছেন। সংগঠক হিসেবে নিজ দলকে এবং দেশকে করে তুলেছেন গতিশীল। তিনি বাঙালির প্রতীক এবং পুরো দেশের প্রতিনিধি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। 

    ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হব। দেশের উন্নয়ন আর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি ভালো থাকলে বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে, দেশের উন্নয়নের চাকা ঘুরতে থাকবে। দেশবাসীর কাছে প্রার্থনা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন যেন সব বিপদ, আপদ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়তে পারেন এবং হেফাজতে রাখেন। কারণ আজকের বাস্তবতায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য। তিনি হচ্ছেন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, লাল-সবুজের পতাকা, সার্বভৌমত্ব ও বাঙালি জাতির রক্ষক।

    বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন তিনি। তিনি আছেন বলেই দেশে গণতন্ত্র আছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচ্ছে, রায়ও কার্যকর হয়েছে বেশ কয়েকজনের। ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। স্বাধীনতার শত্রুমুক্ত দেশের জন্য আজও তার নির্দেশ পুরো জাতিকে সাহসে উজ্জীবিত করে রেখেছে। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অগ্রসরতার নায়ক শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে আরও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন মাদার অব হিউম্যানিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    লেখক: এডভোকেট হারুন-অর-রশীদ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি এটর্নী জেনারেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বামনা উপজেলা শাখার সভাপতি ও নিউজ ব্রডকাষ্টিং সার্ভিসের (এনবিএস) উপদেষ্টা সম্পাদক।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস লিমিটেড (এনবিএস)
    ২০১৫ - ২০১৭

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ, প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : আলম হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম.এ. হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : ম.খ. ইসলাম
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbsnews.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। সেল: ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    এনবিএস-এর লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি. - Privacy Policy