ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৬ জুন, ২০১৮ | ১২ আষাঢ়, ১৪২৫ | ১০ শাওয়াল, ১৪৩৯ | রাত ১:০৫ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    জেনে নিন কনডমের প্রকারভেদ
    এনবিএস | Tuesday, March 13th, 2018 | প্রকাশের সময়: 12:13 pm

    জেনে নিন কনডমের প্রকারভেদজেনে নিন কনডমের প্রকারভেদ

    বা কন্ডম৷ বাজারে বিভিন্ন রকমের গর্ভনিরোধকের চল রয়েছে৷ রয়েছে নানা ফ্লেভারে কন্ডম৷ কিন্তু, অনেকেই হয়তো জানে না, এসব কন্ডমের সুফল৷ ধারণা করা হয়, কন্ডম উৎপাদন পণ্যকে বাজারজাত করতেই এই সমস্ত চটক দিয়ে থাকে বাস্তবে কিন্তু তা নয়৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে যে সমস্ত কন্ডম পাওয়া যায় তার প্রত্যেক পৃথক সুফল রয়েছে৷

    সবটাই কিন্তু চটক নয় এক্কেবারে৷ কন্ডমের রকমফেরে পৃথক সুখানুভূতি রয়েছে৷ তেমন ১০ রকমের কন্ডম সম্পর্কে নিচে দেয়া হলো।

    ১. রিবস : এই জাতীয় কন্ডমের আউটার লেয়ারে রিবস থাকে৷ মহিলাদের স্টিমুলেশন বাড়ায় এই রিবস৷ ফলে, মহিলাদের orgasm তাড়াতাড়ি হয়৷ তাই, যৌনমিলনের চরম শিখরে পৌঁছতে এর জুড়ি মেলা ভার৷

    ২. লং লাস্টিং : নামেই স্পষ্ট যে এই ধরনের কন্ডমের মহিমা৷ অনেকেই শীঘ্রপতনের সমস্যায় ভোগেন৷ তাদের জন্য এই কন্ডম আদর্শ। কন্ডমের মাথায় এক ধরনের সলিউশন লাগানো থাকে৷ যা পুরুষাঙ্গকে কিছুক্ষণের জন্য অবশ করে দেয়৷ স্বাভাবিকভাবেই এরফলে অর্গাজম হতে সময় লাগে৷

    ৩. আন ফ্লেভারড : এই ধরনের কন্ডম সবচেয়ে জনপ্রিয়৷ অধিকাংশরাই নিরাপদ যৌনমিলনের জন্য এই বিশেষ ধরনের কন্ডম ব্যবহার করে থাকেন৷ কিন্তু এই ধরনের কন্ডম কীভাবে সংরক্ষণের পদ্ধতিটা জেনে নেওয়াটা খুবই সরকার৷ এটি ব্যবহার করার আগে অবশ্যই মেয়াদ যাচাই করে নেবেন৷ তা না হলে বিপদে পড়তে হতে পারে৷

    ৪. অ্যালো ভেরা : আমরা ভাল করেই জানি যে অ্যালো ভেরার অনেক রকমের গুণ আছে৷ ভাবছেন কন্ডমের সঙ্গে অ্যালো ভেরার সম্পর্কটা কোথায়? যদি কখনও এক টুকরো অ্যালো ভেরা কাটেন, তবে দেখতে পাবেন জেলির মতো পিচ্ছিল পদার্থ বেরুচ্ছে। তাই ন্যাচারল লুব্রিকেন্ট পেতে চাইলে এই কন্ডম ব্যবহার করুন ।

    ৫. ফ্লেভারড : বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভারড কন্ডম পাওয়া যায়৷ ভ্যানিলা, স্ট্রবেরি, চকোলেট, বাবল গাম, কফি যা চাইবেন তাই পাবেন৷ এই ধরনের কন্ডম ওরাল সেক্সের সময় STD বা sexually transmitted disease-এর আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে দেয়৷ 

    ৬. ডটেড : এই জাতীয় কন্ডমের গায়ে ছোট ছোট ডট থাকে৷ অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে, এই ধরনের কন্ডমই আদর্শ৷ বেশিরভাগ কন্ডমেই লুব্রিকেন্ট থাকে৷ তার সঙ্গে ডট থাকায় মিলন হয়ে ওঠে একেবারে মধুর৷

    ৭. আলট্রা থিন : অধিকাংশ পুরুষ কন্ডম ব্যবহার করতে পছন্দ করেন৷ তারা মনে করেন কন্ডমের কারণে স্বাভাবিক সুখানুভূতি পাওয়া যায় না । তাদের জন্য রয়েছে আলট্রা থিন কন্ডম৷ এই কন্ডম খুব পাতলা হয়৷ একেবারে ‘সুপার থিন’৷ যাতে মনে হবে ‘ন্যাচরাল ফিল’ পাচ্ছেন৷

    ৮. বিগ হেড : অধিকাংশ কন্ডোম মোটামুটি সবাইকে ফিট করে৷ কিছু পুরুষ আছেন যাদের বড় সাইজ চাই। তাদের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের কন্ডম বাজারে পাওয়া যায়৷ ভুল সাইজের কন্ডম ব্যবহার করা বন্ধ করা উচিত৷ কারণ, প্রয়োজনের তুলনায় ছোট সাইজের কন্ডম সহজেই ছিঁড়ে যেতে পারে৷ অজান্তেই ডেকে আনতে পারে বিপদ৷

    ৯. এক্সট্রা লুব্রিকেটেড : বহু মহিলা ড্রাই ভার্জিনার সমস্যায় ভোগেন৷ এই সমস্ত মহিলাদের এক্সট্রা লুব্রিকেটেড কন্ডম একেবারে আদর্শ৷ এই জাতীয় কন্ডমে নর্মাল কন্ডমের তুলনায় দু’গুণ বেশি লুব্রিকেন্ট দেওয়া থাকে৷ ফলে ঘর্ষণজনিত ব্যাথা কম হয়৷ পেইন ফ্রি সেক্স উপভোগ করা যায়।

    ১০. ওয়ার্ম : ওয়ার্ম এবং স্টেমি সেক্সের জন্য এই বিশেষ ধরনের কন্ডম৷ এই কন্ডমে ওয়ার্মিং এজেন্ট দিয়ে লুব্রিকেট করা হয়৷ ফলে, ব্যবহাকারীরা সহজেই আভাস পাবেন৷ আপনি এবার আপনার পছন্দ এবং প্রয়োজনমতো কন্ডমকে বেছে নিতে পারেন৷ অনুভব করতে পারেন যৌনমিলনের প্রকৃত সুখানুভূতি৷

    আরও পড়ুন  – অতিরিক্ত যৌনতা চায় যেসব দেশের সরকার! 

    মানুষের জীবনের অপরিহার্য বিষয়গুলোর একটি যৌনতা। শুধু দুই সঙ্গীর শারীরিক তৃপ্তিই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক বিষয়। সুস্থ স্বাভাবিক যৌনতা যেমন মানুষের জীবনে সুখ-শান্তি বজায় রাখতে বড় ভূমিকা নেয়, তেমনই জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের কোনো কোনো দেশে যৌনতার অভাব রয়েছে। সেসব দেশের মানুষের মধ্যে যৌনমিলনের হার বাড়াতে হবে বলে মতামত জানিয়েছে এক সমীক্ষা।

    জাপান-একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৭৫-এর পর থেকে জাপানে জন্মের হার লাগাতার নিম্নগামী। যা দেশের আর্থ-সামাজিক দিক থেকে একেবারেই সুখকর নয়। যে দেশে একগুচ্ছ পর্ন ওয়েবসাইট রয়েছে, সেখানে যৌনতার হার মোটেই বৃদ্ধি পায়নি। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫০ শতাংশ দম্পতি মাসে মাত্র একবার যৌনমিলনে আবদ্ধ হন। তাই জাপানের এখনই এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়া-ইতিমধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশের জনসাধারণকে যৌনতায় আসক্ত হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। রাশিয়ায় একটা বড় অংশের যুবকরা মদ্যপ হয়ে উঠছেন। উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনের কারণে অনেক সময় এইচআইভি-তে আক্রান্তও হচ্ছেন। নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা কমছে। ফলে ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে মানুষকে ভালবাসায় ফেরাতে মিউজিসিয়ানেরও ব্যবস্থা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট।
     
    রোমানিয়া- গত এক যুগ ধরে দেশটির জনসংখ্যার হার বেশ কম। ষাটের দশকে সন্তানহীন দম্পতিদের উপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, দম্পতিরা ভবিষ্যতের জন্য শ্রমিক দিয়ে না যেতে পারলে অর্থ দিয়ে যেতে হবে। আশির দশকে স্ত্রী-রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। তবে কোনোভাবেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি করা যায়নি।

    ডেনমার্ক- ডেনমার্কের জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আবার আরেক ধরনের নিয়ম চালু করেছিল সেখানকার প্রশাসন। বলা হয়েছিল, নিজের জন্য না হলেও ডেনমার্কের ভবিষ্যতের জন্য সন্তানের জন্ম দিতে হবে। এমনকী একটি ট্যুরিজম কোম্পানি অফার দিয়েছিল, কোনো অন্তঃসত্ত্বা মহিলা তাদের মাধ্যমে ট্যুর বুক করলে, সেই সন্তানের প্রথম তিন বছরের সব খরচ দেবে ওই কোম্পানি।

    সিঙ্গাপুর- বিশ্বের সবচেয়ে কম জন্মের হার এই দেশে। সে কারণে সেখানে কাপলদের জন্য ন্যাশনাল নাইটের মতো ইভেন্টের আয়োজন করে দেশের প্রশাসন। কাপলরা যাতে নির্বিঘ্নে যৌনমিলন ঘটাতে পারে, তার জন্য সিঙ্গল রুমের ব্যবস্থাও করা হয়।

    দক্ষিণ কোরিয়া- এই দেশও ভুগছে সেই একই সমস্যায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় মাসের একটি বুধবার সব অফিস সন্ধে সাতটাতেই বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছিল। সেই সময়টিকে ‘ফ্যামিলি ডে’ বলে চিহ্নিত করা হত। দম্পতিদের যৌন মিলনে উৎসাহী করে তুলতেই এমন উদ্যোগ।
    ইতালি- উন্নত এ দেশেও মানুষের মধ্যে যৌনতার উৎসাহ কম। কাজ এবং ডিজিটাল জীবনেই বেশি ব্যস্ত সেখানকার মানুষ।সুত্র :বিডি২৪লাইভ. কম

    আরও পড়ুন  – সেরা পাঁচ যৌনতার বিশ্বরেকর্ড !

    যৌনতা! তার আবার বিশ্বরেকর্ড! হ্যাঁ, পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে নথিভুক্ত হয়েছে যৌনসুখ সংক্রান্ত বিশ্বের নজিরবিহীন নানা তথ্য। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে পাঁচ-পাঁচটি বিশ্ব রেকর্ড৷ এই  প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল সেই পাঁচ ঐতিহাসিক ঘটনা।

    বিশ্বের বৃহত্তম অর্জি- অসাধারণ ঘটনাটির আয়োজক দেশ জাপান। অনুষ্ঠানটি এতই সুপরিচালিত হয়েছিল যে ২৫০ পুরুষ এবং ২৫০ মহিলা অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকে ইতিহাসের বৃহত্তম যৌনলীলা সুষ্ঠুভাবে উপভোগ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। গোটা অনুষ্ঠানটি কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল বলে প্রত্যেক যুগল একই সঙ্গে তীব্র শারীরিক সুখানুভূতির শরিক হতে পেরেছিলেন।

    দীর্ঘতম অর্গ্যাজম- ষাটের দশকে এই ব্যাপারে তৈরি হয় বিশ্বরেকর্ড৷ যা আজও অটুট। ১৯৬৬ সালে গবেষকদের পরীক্ষায় জানা যায়, মোট ৪৩ সেকেন্ড জুড়ে বিশ্বের দীর্ঘতম অর্গ্যাজম উপভোগ করেন এক নারী। ওই সময়ে মোট ২৫ বার তাঁর যোনিদ্বার সুখস্পর্শে সঙ্কুচিত হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    সর্বাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌনমিলন – চোখ কপালে তোলার মতো কৃতিত্বের অধিকারী আমেরিকান পর্নস্টার লিজা স্পার্কস। একদিনে মোট ৯১৯ জন পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলনে লিপ্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০০৪ সালে পোল্যান্ডে তৃতীয় বার্ষিক ওয়ার্ল্ড গ্যাংব্যাং চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।

    প্রবীণতম যৌনকর্মী- ৮৫ বছর বয়সেও যৌনতায় অরুচি নেই ব্রিটিশ যৌনকর্মী শীলা ভোগেল-ক্যুপের। প্রতি ঘণ্টায় তাঁর আয় ২৫০ পাউন্ড। দ্বিতীয় স্বামী মারা যাওয়ার পর দেহ ব্যবসায় নামেন ৮০ বছরের শীলা। সপ্তাহে অন্তত ১০ জন গ্রাহককে শারীরিক সুখ দিয়ে থাকেন আদ্যপান্ত পেশাদার অশীতিপর নারী।

    দীর্ঘতম পিউবিক হেয়ার- গোপনাঙ্গে দীর্ঘ রোমরাজির রেকর্ডের অধিকারী কেপটাউনের বাসিন্দা মাওনি ভি। তাঁর শরীরে এমন লোমের দৈর্ঘ্য ২৮ ইঞ্চি। জীবনে শেভ করেননি বলে এই লোমের বাহুসন্ধি বা বগলের লোমের দৈর্ঘ্য মোট ৩২ ইঞ্চি।

    আরও পড়ুন – যে কারণে পুরুষরা মহিলাদের শরীরে প্রতি কোনও আকর্ষণ অনুভব করে না

    পুরুষ মহিলাদের প্রতি শারীরিকভাবে দুর্বল হবে এটায় স্বাভাবিক। এ বিষয়ে মনোবিদরা বলেন, পুরুষরা স্বাভাবিক অবস্থায় কখনওই হাসিমুখে ঘনিষ্ঠতা উপেক্ষা করতে পারেন না। একথা আদি যুগ থেকে চলে আসছে যে সঙ্গম পুরুষদের কাছে সবসময়ই আকর্ষনীয়। তাই পুরুষরা না চাইলেও মহিলাদের যৌনতার ফাঁদে একবার না একবার পা দেবেন। একজন মেয়ের শরীর সবসময়ই প্রলোভনের হাতছানি দেয় পুরুষ মনকে।

    কিন্তু অনেক সময় পুরুষরা মেয়েদের প্রতি আর কোনও কিছু অনুভব করতে পারেন না। যার ফলে ভালোবাসার সঙ্গিনী বা পার্টনারের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে থেকে। ঠিক কী কী কারণে আপনার পুরুষ সঙ্গীটি মহিলাদের শরীরের প্রতি আর কোনও আকর্ষণ অনুভব করে না তা দেখে নেওয়া যাক।

    ১. যখন আপনার সঙ্গী আপনার শারীরিক ডাকে সারা দিচ্ছেন না তখন সবথেকে বেশি সম্ভবনা রয়েছে যে জিনিসটার, তা হল- আপনার সঙ্গী অন্য কোনও মহিলাদের কথা ভাবছেন। অন্য মহিলার শরীরের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করছে ৷

    ২. আপনার সঙ্গী হয়তো কোনও পরীক্ষামূলক আচরণ করতে চাইছেন নিজের সঙ্গেই। আর নিজের চাহিদার সেই পরীক্ষায় তিনি সফল হওটার জন্যই আপনাকে ‘না’ বলে দিচ্ছেন। আসলে তিনি দেখছেন নিজেকে তিনি আপনার থেকে বিরত রাখতে পারেন।

    ৩. আরও একটি সম্ভবনা আপনার সঙ্গীকে ঘনিষ্ঠ হওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে। আর তা হল আপনার সঙ্গীর নিজের যৌন চাহিদা বুঝতে পারা। হয়তো আপনার সঙ্গীর যৌন চাহিদা স্বাভাবিক নয়। তিনি সমকামীতার শিকার।

    ৪. আরও একটি সরল সম্ভবনার কথা বলেছেন মনোবিদরা। তা হল আপনার সঙ্গী আপনাকে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিতে চাইছেন তাঁকে আর সঙ্গমের অনুরোধ কখনওই না করতে।

    ৫. যে সময়ে আপনি সঙ্গমের প্রলোভন দেখাচ্ছেন সেই সময় আপনার সঙ্গী হয়তো নিজের সঙ্গেই সময় কাটাতে ইচ্ছুক আপনার সঙ্গে নয়।

    ৬. আপনার সঙ্গীর মনে সেই সময় হয়তো অন্য কোন নারীর শরীর ভাসছে। সেই তুলনায় আপনার শরীর প্রলোভিত করতে পারছে না তাকে।

    ৭. অতিরিক্ত হস্তমৈথুন হয়তো ইতিমধ্যেই আপনার সঙ্গীর অন্তরঙ্গতার চাহিদা নষ্ট করে দিয়েছে।

    ৮. সবসময়ই আপনার সঙ্গী যে আপনাকে সঙ্গমে স্বর্গসুখ দিতে সক্ষম হবেন এমন আশা করা আপনারও বোধহয় ঠিক নয়।

    ৯. আধুনিক যুগের স্মার্ট ফোন, ল্যপটপের রেডিয়েশন কমিয়ে দিচ্ছে আপনার সঙ্গীর স্পার্ম কাউন্ট৷

    ১০. হয়তো আপনার সঙ্গে আপনার সঙ্গীর যৌন পদ্ধতির মিল হচ্ছে না৷ আপনার সঙ্গী ধীরে ধীরে যৌনতার চরম মুহর্তে পৌঁছোতে পছন্দ করেন৷ কিন্তু আপনি ঠিক তার বিপরীত৷

    আরও পড়ুন – বিয়ে করছেন! কিন্তু রক্তপরীক্ষাটা করালেন না

    বিয়ের আগে রক্তপরীক্ষা করিয়েছেন, এরকম লোকের সংখ্যা হাতে-গোনা কয়েকজন। পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান মেলানোর পাশাপাশি রক্তপরীক্ষাও হয়ে উঠেছে বিয়ের অনিবার্য অংশ। কেননা-

    ১) এই রক্ত পরীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো ভবিষ্যতে সন্তান সুস্থ হবে কি না- তা দেখা। তাই হবু মা ও বাবার নির্দিষ্ট কিছু রক্তপরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

    ২) তাছাড়া দুজনের ব্লাডগ্রুপ এক রকম না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই  আগে থেকেই রক্তপরীক্ষা করিয়ে দেখে উচিত কার রক্তের গ্রুপ কী।

    ৩) এছাড়া ভবিষ্যতে যদি কোনো অসুখে বা দুর্ঘটনায় হঠাৎ করে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে ব্লাড গ্রুপ জানা থাকলে বাড়ির লোকজনকে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না।

    ৪) টিসি. ডিসি, ইএসআর , কোলেস্টেরল, আরএইচ ফ্যাক্টর, এইচআইভি, আয়রন লেভেল ইত্যাদি কিছু রুটিন পরীক্ষা ছেলে এবং মেয়ে উভয়েরই করানো উচিত। তাহলে প্রথম থেকেই একটা মেডিকেল হিস্ট্রি থাকবে।

    ৫) এছাড়াও থাইরয়েড, সুগার, থ্যালাসেমিয়া, এসটিডি (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ), হেপাটাইটিস বা টিউবারকিউলোসিসের মতো সমস্যা রয়েছে কি না তা জানার জন্য বিয়ের আগে রক্তপরীক্ষা আবশ্যক। যদি কেউ থ্যালাসেমিয়ার ক্যারিয়ার বা মেজর হন, তাহলে সে কীরকম জীবনসঙ্গী খুঁজবে এবং ভবিষ্যতে সন্তান পরিকল্পনা করতে পারবে কি না, বা সন্তান জন্মালেও সে কতটা সুস্থ হবে, সে সম্পর্কে আগে থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের গাইডলাইন থাকলে ভালো হয়।

    ৬) সর্বোপরি অনেকেই হয়তো বংশানুক্রমিক ভাবে কোনো রোগে আক্রান্ত। কিন্তু কোনো লক্ষণ না থাকায়, তা জানতে পারেননি। বিয়ের আগে এই সবকিছুই জেনে নেয়া প্রয়োজন।

    ৭) যদি পেলভিক ইনফেমেটারি ডিজিজের মতো কোনো যৌনসমস্যা থাকে, তাহলে কিন্তু সন্তান পরিকল্পনার সময় তা টের না পাওয়া গেলে পরে মারাত্মক জটিল হতে পারে পরিস্থিতি। তাই কোনোরকম ইগো বা ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ না রেখে, বিয়ের আগেই করিয়ে নিন প্রয়োজনীয় চেকআপ। পরে আফসোস করার থেকে সময় থাকতে থাকতেই সতর্ক হন।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম.এ. হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : ম.খ. ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। সেল: ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail