ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৭ জুলাই, ২০১৮ | ২ শ্রাবণ, ১৪২৫ | ৩ জিলক্বদ, ১৪৩৯ | বিকাল ৫:৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart

    • এনবিএস » Breaking News » গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, একদিনে ৭৯টি মামলা


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    বাংলা নববর্ষ ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
    এনবিএস | Saturday, April 14th, 2018 | প্রকাশের সময়: 12:01 am

    বাংলা নববর্ষ ও বর্তমান প্রেক্ষাপটবাংলা নববর্ষ ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

    -: মোঃ মিজানুর রহমান :- 

    পহেলা বৈশাখ-বাংলা নববর্ষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তা, চেতনা ও অনুভবে প্রবলভাবে বিরাজ করছে। আমাদের চিরায়ত জীবনের এক হৃদয়স্পর্শী দিনের শুরু হয় এই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে। পহেলা বৈশাখ আমরা পালন করি সর্বজনীন এক বর্ষবরণ উৎসব। এই দিন উৎসবের আমেজে ভাসে পুরো দেশ। এই উৎসব যেন আমাদের আপন জাতিসত্তার বা আপন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের। আমাদের জীবন আচরণের প্রতিকৃতিই হচ্ছে আমাদের সংস্কৃতি। আমাদের সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ যেভাবে এসেছে তা বিভিন্ন বই থেকে জানা যায় যে-হিন্দু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বারো মাস অনেক আগে থেকেই ছিল। এই সৌর পঞ্জিকা শুরু হয় গ্রেগরীয় পঞ্জিকার এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে। এই হিন্দু সৌর বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ আসাম, বঙ্গ, কেরালা, মণিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়– ও ত্রিপুরার সংস্কৃতির অংশবিশেষ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালন করা হতো। বর্তমান সময়ের মত তখনকার সময় পহেলা বৈশাখ পালিত হত না। তখনকার সময়ে পহেলা বৈশাখ পালিত হত ঋতুধর্মী উৎসব বা আর্তব উৎসব হিসেবে-যার মূল তাৎপর্য ছিল কৃষি। ইতিহাস থেকে জানা যায় কৃষি থেকেই পহেলা বৈশাখের উৎপত্তি। ভারতবর্ষে মোঘলরা তাদের শাসন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর (বাংলা যুক্ত হয় ১৫৭৬ সালে) মোঘল সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্যের খাজনা আদায় করত। হিজরী সন নির্ভর করত চাঁদের উপর। হিজরী সন অনুযায়ী কৃষিপণ্যের খাজনা আদায় করতে গিয়ে তা মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদের খাজনা দিতে হত। সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য খাজনা আদায় আরো সহজ করার জন্য মুঘল সম্রাট আকবর প্রাচীন বর্ষপুঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। মোঘল সম্রাট আকবরের আদেশে বাংলার বিখ্যাত জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহ উল্লাহ সিরাজী সৌরবর্ষ ও আরবী হিজরী সনের ভিত্তিতে নতুন বাংলা পঞ্জিকা তৈরি করেন। বাংলা সনের পঞ্জিকা তৈরি করেন ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ মার্চ মতান্তরে ১১ মার্চ থেকে। তবে সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সময়কাল থেকে অর্থাৎ ০৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ (হিজরী ৯৬৩ সন) থেকে এই বাংলা সনের কার্যকারিতা শুরু করা হয়। 


    আবার কোন কোন গবেষকদের মতে, জাহাঙ্গীরের সময় ইসলাম খানের নেতৃত্বে ১৬০৮ সালে বাংলা সন গণনা শুরু হয়েছিল। হিজরী সালের সঙ্গে ফসল তোলার সময় প্রতি বছর ১১ দিন করে সরে যায় , সেজন্য হিজরী সালের সংখ্যা ঠিক রেখে কিন্তু মাসগুলো শকাব্দ থেকে নিয়ে (অর্তাৎ সৌরমাস পরিবর্তন করে) আবুল ফজল প্রবর্তন করেছিলেন ‘ফসলি সাল’ এবং তা কেবল সুবে বাংলার জন্য নয়, গোটা আকবর সম্রাজ্যের জন্যই। যদিও এতে হিসেবের একটা গরমিল থেকেই যায়। এজন্য উত্তর ভারতের কোন কোন প্রদেশে এ সাল পহেলা বৈশাখে শুরু না হয়ে, শুরু হয় চান্দ্র আশ্বিনের পহেলা থেকে।


    যাই হোক এ কথা সত্য, সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু হয়। প্রথম দিকে এই সনের নাম ছিল  ‘ফসলি সন’। পরে এর নাম হয় ‘বঙ্গাব্দ বা বাংলাবর্ষ’। তখন প্রত্যেক কৃষককেই বাংলা বর্ষের বা বাংলা সনের হিসেবে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের আগেই তাদের সব খাজনা, শুল্ক ও মাশুল পরিশোধ করতে হত। চৈত্রের শেষ দিনের মধ্যে খাজনা আদায় হলে চৈত্রের শেষ দিনের পরের দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভুমির মালিকরা তাদের অঞ্চলের মানুষদের মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতে শুরু করেন। এ আপ্যায়ন উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। যার রূপ পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমানের এই পর্যায়ে এসেছে-পহেলা বৈশাখ ‘বাংলা নববর্ষ’। তৎকালীন সময়ে পহেলা বৈশাখের অন্যতম ঘটনা ছিল হালখাতা করা। হালখাতা হলো বছরের প্রথম দিন থেকে নতুন বছরের জন্য পুরানো হিসাব বই বন্ধ করে নতুন একটি হিসাব বই খোলা। পহেলা বৈশাখের হালখাতার দিনে দোকানিরা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করান। এই হালখাতার প্রথাটি আজো প্রচলিত।


    তবে আধুনিক নববর্ষ উদ্যাপনের খবর পাওয়া যায় প্রথম ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশরা বিজয় অর্জন করলে, সে বিজয় কামনা করে ১৯১৭ সালের পহেলা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরেও হত এই আয়োজন। ১৯৪৭ সালে আমাদের এই উপ-মহাদেশে দেশ ভাগের পর পাকিস্তানী আমলে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী পহেলা বৈশাখ পালনের বিষয়টি সু-নজরে দেখেন নি। ষাটের দশকের শেষদিকে আইয়ুব খানের শাসনামলে বাঙ্গালী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আক্রমন শুরু হয়েছিল। আর তখন থেকেই ঘটা করে আমাদের এ অংশে পহেলা বৈশাখ- ‘বাংলা নববর্ষ’ উদ্যাপন শুরু হয়। ঢাকায় পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু ছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ছায়ানট’। সংগঠনটি পহেলা বৈশাখে নতুন সূর্য ওঠার সাথে সাথে গানের মাধ্যমে নতুন বছরকে আহবান জানায়। আর যে স্থানটি থেকে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ছায়ানটের শিল্পীরা সম্মিলিত কণ্ঠে গান গেয়ে নতুন বছরকে আহবান জানায়, সে স্থানটির পরিচিতি বটমূল হলেও প্রকৃতপক্ষে তা অশ্বত্থ গাছ। 


    যাটের দশকে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর শোষণ- নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৬৭ সাল থেকে ‘রমনার বটমূলে’ ছায়ানটের এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। (এই নিবন্ধে উপরের দিকে হিসেবের গড়মিলের একটু উল্লেখ করা আছে) এক্ষেত্রে বাংলা সন সৌর সন হলেও খ্রিস্টীয় সৌর সনের সঙ্গে দিন-তারিখের পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে তৎকালীন-১৯৬৩ সালে বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে বাংলা সন সংস্কারের জন্য প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে সভাপতি করে তার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সদস্যরা আলোচনা-পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, বৈশাখ থেকে ভাদ্র প্রতি মাস ৩১ দিনে এবং আশ্বিন থেকে প্রতি মাস ৩০ দিনে গণনা করা হবে। তবে অধিবর্ষে চৈত্র মাস ৩০ দিনের স্থলে ৩১ দিন হবে। এতে খ্রিস্টীয় সালের সাথে বাংলা সনের আর কোন হের ফের হবে না। সেই থেকে আমাদের দেশে জাতীয়ভাবে এই বর্ষপুঞ্জি পালন করা হয়। অতঃপর ১৯৬৭ সাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলেই রমনার বটমূলে পহেলা বৈশাখের সকালে অনুষ্ঠিত হয় বাংলা নববর্ষ অর্থাৎ বর্ষবরণ অনুষ্ঠান-যা এখনও বর্ষবরণের প্রধান অনুষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত হয়। কালেক্রমে ঢাকার বৈশাখী উৎসবের সাথে যুক্ত হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। যে শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন ফুটে তোলা হয়। শোভাযাত্রার জন্য তৈরি করা হয় রং-বেরংয়ের বিভিন্ন রকমের মুখোশ আর বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি। অমাদের ঐতিহ্যের এ উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা জাতিসংঘের ইউনেস্কোয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে স্থান করে নিয়েছে। পহেলা বৈশাখ-বাংলা নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় উৎসব।


    বাংলাদেশের মানুষ এমনিতেই উৎসব বান্ধব। কিন্তু আজ মানুষ কতটা মুক্তভাবে উৎসব পালন করতে পারতেছে-তা প্রশ্নবিদ্ধ। কেননা, মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় দিনানিপাত করতেছে। ঘরে-বাইরে কোথাও মানুষ নিজেকে নিরাপদ মনে করেন না; এমনকি ভূমিষ্ট হওয়ার আগেই মায়ের উদরে থেকেও গুলিবিদ্ধ হতে হয়। মানুষের বাক স্বাধীনতা কোনঠাসিত, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র শৃঙ্খলিত, অধিকারসমূহ ভূ-লুণ্ঠিত। নিত্য খাদ্যদ্রব্যের দামের উর্ধ্বগতিতে মানুষের জীবন-যাপন আজ ওষ্ঠাগত। বাংলাদেশের  মানুষ আজ এসব থেকে মুক্তি চায়। বাংলাদেশে মানুষদের নিরাপদে জীবন-যাপনে, বাক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র, অধিকারসমূহ নিয়ে যিনি কথা বলেন-তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের মানুষের বা জনগণের মুক্তির বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য তিনি আজ মিথ্যা মামলায় ভূয়া, জালনথির যাতাকলে প্রহসনের বিচারের রায়ে কারাবন্দী। তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র তথা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার, আপোসহীন। নব্বইয়ের দশকে তিনি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করে আপোসহীন থেকে মানুষের ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 


    সময়ের আবহে আওয়ামীলীগের আন্দোলনের ফসল ১/১১ সরকার গংদের খপ্পরে এবং পরবর্তীতে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের সংবিধান সংশোধনে বা সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধান বাতিল করে দিয়ে ২০১৪ সালের ০৫ জানুয়ারীর বেশিরভাগই রাজনৈতিক দলবিহীন, ভোটারবিহীন-প্রার্থীবিহীন, দেশী বিদেশী সংস্থাদের পর্যবেক্ষণ বিহীন এক নির্বাচন করে ‘প্রশাসন’ নামক যন্ত্রের সহায়তায় ক্ষমতায় থেকে গণতন্ত্রকে পর্যবেষিত করেছে। তাই তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) আবারো যখন মানুষের নিরাপদ জীবন-যাপন, বাক-স্বাধীনতা, অধিকারসমূহ ফিরিয়ে দিতে, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সোচ্চার, আপোসহীন-তখন তাকে কারাগারে আবদ্ধ রেখে কণ্ঠরোধ করতে চায় ক্ষমতাসীনরা। কেননা, ক্ষমতাসীনরা তাকে ও তার বিপুল জনপ্রিয়তায় ভয় পায়। তিনি আজ শুধু আপোসহীন নেত্রীই নন, মানুষের অধিকার, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা নিয়ে কথা বলাতেই আপোসহীন দেশনেত্রী থেকে জনগণের মা-দেশমাতা তথা গণতন্ত্রের মা’য় পরিনত হয়েছেন। দেশের মানুষের অধিকার আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ও পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করার জন্য তিনি অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মা-বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী-দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া নোবেল পাওয়ার যোগ্যতম। বাংলাদেশের বর্তমান আবহে আজ জনগণের মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি ও তার মুক্তি একাকার। আজ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি, জনগণের মুক্তি। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দেশের স্বাধীনতার জন্য এবং তার পরবর্তীতে এই দেশের জনগণের অধিকার তথা গণতন্ত্রের জন্য তার অবদান অবশ্যই ইতিহাসে স্মরণীয়। দেশ তথা মা, মাটি, মানুষের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার কর্ম, অবদান, ত্যাগ বা যাই বলি না কেন তা জনগণ জানে এবং তার খাঁটি দেশপ্রেমের পরিচয় এই লেখকের লেখা নিম্নোক্ত চরণগুলোয় জনগণের মাঝে বা হৃদয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আজ লালিত হচ্ছে-


    চরণগুলো নিম্নরূপঃ
    “এক মাকে বলা হয়েছিল কি চান
    দেশ না-কি সন্তান
    মা বলেছিলেন-দেশ দেশ দেশ।
    এরপর….
    এরপর নেমেছিল দু’সন্তানের উপর অত্যাচার-নির্যাতন
    মা খোদার কাছে সঁপে দিলেন দু’সন্তান তখন
    এ দেশের কোটি কোটি সন্তান করে নিলেন আপন
    এ পরম দেশপ্রেমের আবেশ
    এখানেই গল্পের নয় তো শেষ।


    এরপর কেড়ে নিলো ওরা গণতন্ত্র-মানুষের অধিকার
    এ নিয়ে কথা বলাতেই ঠাঁই হলো মা’র কারাগার
    মা তবু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকার
    মা’র দিকে তাকিয়ে যে দেশ
    এখানেও গল্পের নয় তো শেষ।
    তারপর…
    তারপর যতই করুক ওরা মিথ্যা-ষড়যন্ত্রের খেলা
    থাকবেই আপোসহীন গণতন্ত্রের মা’য়ের পথচলা।।


    এবং তার (বেগম খালেদা জিয়া’র) মুক্তির জন্য জনগণ ধীরে ধীরে ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে-যতই জাতীয় সংসদ নির্বাচন এগিয়ে আসছে। কেননা, জনগণ উপরোক্ত ঐসব বিষয়ে মুক্তি পেয়েই বা মুক্ত করেই বা মুক্ত হয়েই প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রেক্ষাপটে-কোন দলীয় প্রধানের অধীনে নয়; নির্দলীয়, নিরপেক্ষ বা সহায়ক সরকার-যাই নাম হোক না কেন-তার অধীনে সবার এবং সব দলের অংশগ্রহণে উৎসবমূখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রার্থী বা দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে ক্ষমতায় দেখতে চায়। গণতান্ত্রিক পন্থায় যার প্রকৃত অর্থ-জনগণই ক্ষমতায় উৎস।

    লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

       

    Space For Advertisement

    (Spot # 2)

    Advertising Rate Chart


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম.এ. হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : ম.খ. ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। সেল: ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail