ঢাকা | সোমবার | ২৩ এপ্রিল, ২০১৮ | ১০ বৈশাখ, ১৪২৫ | ৬ শাবান, ১৪৩৯ | সকাল ৭:৪৩ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • সংবাদপত্র


  • তিন মাসে ধর্ষিত ১৮৭
    এনবিএস | Monday, April 16th, 2018 | প্রকাশের সময়: 10:37 am

    তিন মাসে ধর্ষিত ১৮৭তিন মাসে ধর্ষিত ১৮৭

    জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে দেশে ১৮৭ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ধর্ষণের পর ১৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে আর আত্মহত্যা করেছেন দুইজন। এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে ২১ জনের ওপর। এর বাইরে যৌন হয়রানি ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২৭ জন। যৌন হয়রানির কারণে আত্মহত্যা করেন একজন। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) ত্রৈমাসিক পরিসংখ্যানে (এপ্রিলে প্রকাশিত) এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    ৯ এপ্রিল ঢাকার ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে এক নারী পোশাক কর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পুলিশ ওই বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে। রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলো বাসের চালক বাবু মল্লিক (২৪), গাড়ির মিস্ত্রি আবদুল আজিজ (৩০), বাসের সুপারভাইজার বলরাম (২০) এবং তাদের সহযোগী সোহেল (২২) ও মকবুল হোসেন (৩৮)। পুলিশ জানায়, ধামরাইয়ে শ্রীরামপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন ওই পোশাক কর্মী। রাত ৯টার দিকে কারাখানা ছুটি হলে ওই নারী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ঢাকাগামী যাত্রীসেবা পরিবহন নামের একটি বাস এলে এতে তিনি উঠে পড়েন। বাসটি শ্রীরামপুর থেকে পরের স্টেশনে কালামপুরে গেলে সব যাত্রী নেমে যায়। কিন্তু পোশাক কর্মী একাই বাসে থেকে যান। এ সুযোগে বাসের চালক বাবু ও মিস্ত্রি আবদুল আজিজ তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে টহল পুলিশ যাচ্ছিল। পোশাক শ্রমিকের চিৎকারে পুলিশ বাসটিকে থামানোর সংকেত দেয়। কিন্তু চালকের আসনে যিনি ছিলেন তিনি সংকেত অমান্য করে গাড়ি চালিয়ে যান। পুলিশ ৭ কিলোমিটার ধাওয়া করে বাসটিকে ইসলামপুর থেকে আটক করে এবং ওই নারীকে উদ্ধার করে। গেল বছর ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে বহুজাতিক কোম্পানির কর্মী রূপা খাতুন চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। দুর্বৃত্তরা তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে যায়। এ ঘটনার মামলার রায়ে আদালত বাসচালক হাবিবুর, চালকের সহকারী শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীরকে ফাঁসির আদেশ দেন। বাসের সুপার ভাইজার সফর আলীকে সাত বছরের কারাদ- দেওয়া হয়।

    পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি বরং ভয়াবহতা ক্রমেই বেড়ে চলছে। নারী নির্যাতনের এসব ঘটনায় জনগণ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নারী নিরাপত্তা জোট উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে দেশে নারীর নিরাপত্তা তার অধিকারকে ভুলুণ্ঠিত করছে। দেশে ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় মানবাধিকার কর্মীসহ সচেতন মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হচ্ছেন। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ১১ এপ্রিল ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে ক্রস ফায়ারের দাবি জানিয়েছেন।

    ২০১৭ সালে দেশে ১ হাজার ৮৮৭ নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ২০১৭ সালে ৪৯৩ ধর্ষণ, ৪৩০ হত্যা এবং ১৭৯টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’র এক বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সংগঠনটি ছয়টি জাতীয় পত্রিকার নারী নির্যাতনের সংবাদ বিশ্লেষণে এ তথ্য জানায়। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পত্রিকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শতকরা হিসাবে ধর্ষণ ২৬ শতাংশ এবং ২৩ শতাংশ আত্মহত্যার ঘটনা। সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকায়, যার পরিমাণ ৯৮৭। সংগঠনটি আরও জানায়, আসামিদের সাজা হচ্ছে ৩ শতাংশ, অব্যাহতি ৪১ শতাংশ, খালাস ৫৫ শতাংশ এবং নিষ্পত্তি ১ শতাংশ।

    ২০১৬ সালেও নারীর প্রতি সহিংসতায় ধর্ষণের ঘটনা ছিল উদ্বেগজনক। ২০১৬ সালে বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হন ৪ হাজার ৮৯৬ নারী ও কন্যাশিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৫০টি। বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত বলেন, নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি না বদলালে এ অভিশাপ থেকে সমাজ মুক্তি পাবে না। আর এ দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর ক্ষেত্রে সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে। এদিকে বিশ্বে প্রতি তিনজনে একজন নারী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার। অন্যদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ মেয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার, নারী উন্নয়ন সংগঠন সবাই মিলে কাজ করছে কিন্তু তারপরও এ ধরনের সহিংসতা বেড়েই চলছে। মহিলা আইনজীবী সমিতির তথ্য মতে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রতিদিন সারা দেশ থেকে চার থেকে পাঁচজন ধর্ষিতা ভর্তি হয়। প্রতি মাসে এ সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১৫০। সূত্র : আলোকিত বাংলাদেশ

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ, প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : আলম হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম.এ. হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : ম.খ. ইসলাম
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। সেল: ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    এনবিএস-এর লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি. - Privacy Policy l Webmail