ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৯ জুলাই, ২০১৮ | ৪ শ্রাবণ, ১৪২৫ | ৫ জিলক্বদ, ১৪৩৯ | সন্ধ্যা ৭:৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    আপনি জানেন কি একাধিকবার বিশ্বকাপ চুরির পরও যেভাবে বারবার উদ্ধার করা হয়েছে
    এনবিএস | Monday, June 25th, 2018 | প্রকাশের সময়: 6:01 pm

    আপনি জানেন কি একাধিকবার বিশ্বকাপ চুরির পরও যেভাবে বারবার উদ্ধার করা হয়েছেআপনি জানেন কি একাধিকবার বিশ্বকাপ চুরির পরও যেভাবে বারবার উদ্ধার করা হয়েছে


    সেই ১৯৩০ সালে শুরু। উরুগুয়েতে প্রথমবার ট্রফির আসর বসে। আর সেবারই উদ্বোধনী দেশ হিসেবে প্রথমবার ট্রফি জয়ের ইতিহাস রচিত হয়। মাঝের এই ৮৮ বছরে বিশ্বকাপ ফুটবল অনেক কিছু দেখছে। আর তার সঙ্গে জড়িত অনেক রোমাঞ্চকর কাহিনী। সারা পৃথিবীতে নানা ধরণের খেলা আছে। আর তাতে সেরার সেরা টুর্নামেন্টও হয়। কিন্তু, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে বিশ্বকাপ ফুটবলের ধারাকাছে তার কোনওটাই নেই। এমনকী, বিশ্বক্রীড়ার মহাকুম্ভ হিসেবে পরিচিত অলিম্পিক গেমস’কেও ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ মাত দিয়ে যায়। ক্রেজ এতোটাই।

    এতো বড়ো মাপের ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট, ফলে তার ট্রফিটাও তেমনই দমদার মাপের হওয়া চাই। আর এই কারণেই বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি দেখতেও একেবারে অন্যরকম। আর এর পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান অনুরাগীদের উন্মাদনা।বলতে পারবেন কি, বিজয়ী দল কোন ট্রফিটা পায়? বিশ্বসেরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজয়ী টিম কোনটি ট্রফিটি ধরে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে? এই ট্রফি তৈরিই বা কে করেছিল? ট্রফি কি বদল হয়েছে একবারও?

    অনেক প্রশ্ন…আর তার উত্তরগুলি পেতে গেলে আমাদের ইতিহাসের পাতায় পিছিয়ে যেতে হবে। সেই শুরুতে…১৯৩০ সালে!

    প্রথমে বিশ্বকাপ ট্রফিকে এই নামেই ডাকা হতো। ফিফার ইতিহাসের তৃতীয় সভাপতি ছিলেন জুলস রিমেট। এই ফরাসী ব্যক্তিটির হাত ধরেই বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্ম। ফিফার সভাপতি থাকাকালীন ১৯২৯ সালে বিশ্ব ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ নামে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারটিকে তিনি তুলে ধরেন এবং এগিয়ে নিয়ে যান। তার একবছর পরই প্রথম বিশ্বকাপের আসর বসে। রিমেট ফিফায় ৩৩ বছর রাজত্ব করেছেন। শুরু ১৯২১ সালে। আর তাঁর এই দীর্ঘ শাসন কালেরই উৎকৃষ্টতম ফসল ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল।

    জুলস রিমেট ট্রফিটির ডিজাইন তৈরি করেছিলেন আবেল লাফলর। গ্রিক দেবী নাইকি’কে তাতে ফুটিয়ে তোলা হয়। নাইকি হলেন গ্রিক রূপকথার জয়ের দেবী। আর জুলস রিমেট ট্রফিটি তিনিই ধরে আছেন। সেই ভাবেই ট্রফিটি তৈরি হয়েছিল। ট্রফিটি খাঁটি রুপো দিয়ে তৈরি হয়। তার ওপরে সোনার প্লেটিং করা হয়। বিশ্বকাপ নামটা তখন লোকজনের মুখে মুখে সব সবে উঠতে শুরু করে। তবে, শুরুতে এই ট্রফিকে বলা হতো ‘গোল্ডেন গডেস’।

    ১৯৩০, ১৯৩৪ ও ১৯৩৮-এর পর ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন হয়নি। কারণ, ওই সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ছিল পৃথিবী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে আবার যখন টুর্নামেন্ট শুরু হয়, তখন ট্রফির নাম বদলে রাখা হয় ‘জুলস রিমেট’।

    উদ্বোধনী বিশ্বকাপ জেতে উরুগুয়ে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন ইতালি। চতুর্থবার আবার ট্রফি আসে উরুগুয়ের ঘরে। এরপরের চার বারের মধ্যে তিনবার ট্রফি জেতে ব্রাজিল। ১৯৫৪ সালে প্রথমবার ট্রফি জেতে পশ্চিম জার্মানি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে যেমন প্রভাব ফেলেছিল, তেমনই বিশ্বকাপ ফুটবলেও প্রভাব ফেলে।

    ১৯৩৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ইতালি বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম শক্তি ছিল। সেই কারণে এই ট্রফি নিয়ে চিন্তা ছিল তাদের মধ্যেও। ফিফার তৎকলীন সহ-সভাপতি ছিলেন ইতালীয়। ওতোরিনো বরাচি ঠিক করেন, তিনি গোপনে ট্রফিটি সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কোথাও লুকিয়ে রাখবেন। যাতে হিটলারের নাজি বাহিনী কোনওভাবেই তার হদিশ না পায়। খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়, কোনও এক ব্যাঙ্কের ভল্টে তা সুরক্ষিত রাখা আছে। কিন্তু, বরাচি তাঁর বিছানার বালিশের তলায় ট্রফিটি লুকিয়ে রাখতেন।

    বিশ্বকাপ ফুটবল এই ঘটনারও স্বাক্ষী। ১৯৬৬ সালের কথা। সেবার ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপের আসর বসে। তার চার মাস আগের কথা। ওয়েস্টমিনস্টার সেন্ট্রাল হলে ট্রফিটি দর্শকদের উদ্দেশে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টা কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকলেও ট্রফিটি খোয়া যায়। আর তারপরেই আসে ১৫ হাজার পাউন্ডের মুক্তিপণের হুমকি। এই নিয়েও নানান জল্পনা রয়েছে। তবে, কোনও কারণে যদি চুরি যাওয়া ট্রফিটি উদ্ধার না করা যায়, সেই উদ্দেশে রাতারাতি একটি রেপ্লিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় হয়।

    আর ওদিকে পুরো পুলিশ বাহিনী ট্রফি খুঁজতে নামিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত পিকল্স নামের এক কুকুর ট্রফিটি উদ্ধার করে দক্ষিণ লন্ডনের একটি স্থান থেকে। তাঁর মালিক ডেভ করবেট সেটি ফিফাকে ফেরৎ দেওয়ায় তাঁকে ৬ হাজার পাউন্ড পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

    আর পিকল্সের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে তার খাবার যোগান দেওয়ার দায়িত্বভার গ্রহণ করে ফিফা। সবটাই বিনা পয়সায়। এই গল্প সে সময় দারুণ রকম সাড়া ফেলে দেয়। যাইহোক, রেপ্লিকাটি তো বানানো হয়েই গিয়েছিল তার মধ্যে। সেটি আড়াই লক্ষ পাউন্ডের বিনিময়ে কিনে নেয় ফিফা।

    ১৯৭০ সালে আসল ট্রফিটি ব্রাজিলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর তার কারণ হলো ফিফার সেসময়কার নিয়ম অনুযায়ী কোনও দেশ তিনবার ট্রফি জিতলে আসল ট্রফিটি সেই দেশকেই দিয়ে দেওয়া হবে পুরস্কার হিসেবে। ফলে, নতুন করে আরেকটি ট্রফি তৈরি করাতে হয় ফিফাকে। ১৯৩০-১৯৭০, জুল রিমেট ট্রফি এই পর্যন্ত বিশ্বকাপের আসরে ছিল। এদিকে, ১৯৮৩ সালে ব্রাজিল থেকে সেই ট্রফিটি চুরি যায়। আজ পর্যন্ত তা উদ্ধার হয়নি। কেউ বলেন, যারা চুরি করেছিল, তারা সেটিকে গলিয়ে ফেলেছে বিক্রির উদ্দেশে, পাছে ধরা পড়ে যায়। আবার কেউ বলেন, কোথাও সেটি গোপনে নিলামে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। যাইহোক, দ্বিতীয়বার চুরি যাওয়ার পর রেপ্লিকা তৈরি হয় আরও একটি। সেটি ব্রাজিলের কাছে আছে।

    ১৯৭০ সালে জুলস রিমেট ট্রফি যেহেতু ব্রাজিলকে পুরস্কার হিসেবে দিয়ে দেওয়া হয়, সেই কারণে নতুন ট্রফি তৈরি হয় আরও একটি। ১৯৭৪ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সেই ট্রফিটিই আমরা দেখে আসছি। অনেকগুলি ডিজাইন জমা পড়ার পর তার থেকে বাছাই করা হয় সেরা ডিজাইনটি। বিখ্যাত ইতালিয়ার ভাস্কর্য শিল্পী সিলভিও গাজানিগা দু’টি ডিজাইন জমা দিয়েছিলেন।

    তার মধ্যে থেকে প্রথমটি ফিফা বেছে নেয়। গাজানিগা যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেই জিডিই বারতোনিকেই ফিফা ট্রফিটি তৈরির বরাত দেয়। পরে গাজানিগা উয়েফা কাপ আর উয়েফা সুপার কাপের ডিজাইন তৈরি করেন। আর বারতোনি সংস্থা অলিম্পিকের মেডেল তৈরি করছে বহুবার।

    ইতালির মিলান শহরে বারতোনি সংস্থাটি স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেম এমিলিও বারতোনি। সেটা ছিল ১৯০০ সাল। ১৯৪৪ সালে এই সংস্থাটি আংশিক কিনে নেন ডক্টর ইউজিনিও লোসা। তার কয়েক বছর পুরোপুরি মালিকানা হাতে তুলে নেন তিনি। বিশ্বকাপের যে ট্রফিটি আমরা দেখি, সেটি দু’জন মানুষ ধরে আছেন। ওটা সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক। ফুটবলকে নিয়ে দুই মানুষ একসঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন।

    পাঁচ কেজি ওজনের ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে বর্তমান ট্রফিটি তৈরি। আর বলের মতো অংশটি শক্তপোক্ত হলেও, তা ফাঁপা। কারণ, ফাঁপা না হলে ট্রফির ওজন আরও বেড়ে যেত এবং ফুটবলারদের পক্ষে তা তোলাও মুশকিল হতো। আর ট্রফির নিচের দিকে বিজয়ীদের নাম খোদাই করার জায়গা রয়েছে। সেই স্থানটি ২০৩৮ সালেই পূরণ হয়ে যাওয়ার কথা। আর তারপর আরও একটি নতুন ট্রফি তৈরি করাতে হবে ফিফা’কে।

    আগে বিজয়ী দল আসল ট্রফিটি তাদের কাছেই রাখত পরবর্তী সংস্করণের ফাইনাল ম্যাচ পর্যন্ত। কিন্তু, এখন আর তা হয় না। আসল ট্রফির বদলে তাদের সোনার মোড়া ব্রোঞ্জের রেপ্লিকা দেওয়া হয়। সেই রেপ্লিকা বারতোনি সংস্থাই তৈরি করে আসছে। আর আসল ট্রফি’টি পরিষ্কার ও সংরক্ষণও তাদের শিল্পীদের হাতেই হয়। আসল ট্রফিটি জুরিখে ফিফার সদর দপ্তরে ফিফা ওয়ার্ল্ড ফুটবল মিউজিয়ামে সযত্নে রাখা থাকে। ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ট্রফি ট্যুরের সময়ই একমাত্র তা বাইরের আলো দেখে। আর বিশ্বকাপ ফাইনালের পরই চ্যাম্পিয়ন টিমের সদস্যদের হাতের ছোঁয়া পেয়ে আবার তা সযত্নে মিউজিয়ামেই ঠাঁই নেয়। চুরির ভয়ে ফিফা কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ।

    ২০১০ সালে স্পেন বনাম নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বিশ্বকাপ ফাইনালের দিন এক ব্যক্তি আসল ট্রফিটিকে বারেন্টিনা (কাতালান মুকুট) পরানোর চেষ্টা করে নিরাপত্তার বেড়াজাল পেরিয়ে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আর জরিমানাও করা হয় সামান্য।তো এই হলো ৮৮ বছরের ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস। গোল্ডেন গডেস থেকে জুলস রিমেট, তার থেকে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ…!

     

    মোবাইলে কিভাবে সরাসরি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখবেন জেনে নিন। এখানে ক্লিক করুন….

     

    ফুটবলের সবগুলো ম্যাচ দেখতে নিচের Channel-গুলোতে ক্লিক করুন

    Channel 1   –   Channel 2   –   Channel 3

    Channel 4   –   Channel 5   –   Channel 6

     

    খেলার স্কোর-কার্ড দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন…

     

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম.এ. হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : ম.খ. ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। সেল: ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail