ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৯ আশ্বিন, ১৪২৭ | ৬ সফর, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৪ শিরোনাম » ইসরাইল ফসফরাস বোমা ব্যবহার করেছে দক্ষিণ লেবাননে


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    মুসলিম যুবক আগুন দিচ্ছেন চিতায়
    এনবিএস | Monday, July 6th, 2020 | প্রকাশের সময়: 7:54 pm

    মুসলিম যুবক আগুন দিচ্ছেন চিতায়মুসলিম যুবক আগুন দিচ্ছেন চিতায়

    অনলাইন ডেস্ক-

    ছবিটা আপাতদৃষ্টিতে খুব অদ্ভুত, অন্যরকম। ফেজ টুপি করা এক মুসলিম যুবক আগুন দিচ্ছেন চিতায়। এমন এক হিন্দুর সৎকার করছেন তিনি যাঁকে জীবিত অবস্থায় চিনতেনই না। আর এক মুসলমান যুবক ফুটপাথবাসী একটা দশ-এগারো বছরের মেয়ের হাতে তুলে দিচ্ছে তার মায়ের চিতাভস্ম। করোনায় মারা যাওয়া মায়ের শেষ কাজ করেছে মেয়েটিই। কিন্তু অপরিচিত যুবক পাশে দাঁড়িয়ে পুরো সময়টা ভাইয়ের মত আগলিয়েছেন কান্নায় ভেঙে পড়া নিতান্ত বালিকাটিকে। ছবিগুলি সবই মুম্বাইয়ের সব থেকে বড় মুসলিম সমাধিক্ষেত্র বড়া কবরস্থান- এর।

    প্রায় সাড়ে সাত একর জমি নিয়ে মুম্বাইয়ের বড়া কবরস্থান। বিরাট এই সমাধিক্ষেত্রের ইতিহাস আজকের নয়। নার্গিস, সুরাইয়া মেহেবুব খান থেকে কুখ্যাত ইয়াকুব মেমন সহ আরও অনেকেরই সমাধি এখানে থাকলেও এতদিন আর দশটা কবরস্থানের থেকে খুব বেশি আলাদা ছিল না জায়গাটি। একদিকে ছান্দোয়ারি হিন্দুদের শ্মশান আর অন্যদিকে পার্সি সমাধিক্ষেত্র দিয়ে ঘেরা এই কবরস্থানে এতদিন মুসলিমদেরই শুধু সমাধি দেওয়া হত। কিন্তু করোনা সবটাই ভাবালো অন্যরকমভাবে। মুম্বাইতে এই রোগে মৃত্যু যখন থাবা বসাচ্ছে তখনই কবররস্থানের অন্যতম ট্রাস্টি প্রাক্তন সাংবাদিক ইকবাল মামদানির কাছে খবর আসে বহু হিন্দু এই রোগে মারা যাচ্ছেন যাঁদের দাহ করা যাচ্ছে না কোথাও। হাসপাতাল থেকে এই রোগীদের আত্মীয়দের ফোন নম্বর নিয়ে যোগাযোগ করতে গিয়ে মামদানি দেখেন এঁদের কেউ কোয়রান্টিনে রয়েছেন আবার কেউ শুধুমাত্র সংক্রমণের ভয়ে মৃতদেহের ধারেকাছে আসতে নারাজ। পরমাত্মীয়ারা যখন প্রাণভয়ে ভুলে গেলেন সবটুকু, মৃত দেহগুলি যখন শুধুই বেনাম লাশ হয়ে যাওয়ার অপেক্ষা তখন করোনায় মৃত মুসলমানদের সঙ্গে সঙ্গে এঁদের সৎকারের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেন কবরখানার দায়িত্বে থাকা মুম্বাই জামা মসজিদ ট্রাস্ট। শহরের বিভিন্ন মুসলিম সমাধিক্ষেত্রগুলিতে হিন্দুদেরও সৎকার করার কাজ শুরু করেন তাঁরা। সমস্যা হয় হিন্দু সৎকারের বিধি নিয়ে। এই বিষয়ে এতদিন বিশেষ কিছুই তো জানতেন না তাঁরা। যোগাযোগ করা হয় হিন্দু পুরোহিতদের সঙ্গে। তাঁরাই বিধি বলে বলে দেন মুসলিমদের। সেই মতো একের পর এক নিয়ম মেনে মুখাগ্নি থেকে শুরু করে প্রতিটা কাজ করে যান তাঁরা। এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত ২০০ হিন্দু ব্যক্তির সৎকার করেছেন এঁরা।

    আসলে ভরসার, বিশ্বাসের কোনওদিন-ই কোনও ধর্ম হয়না। কিছুদিন আগে মুম্বাইয়েরই কুপার হাসপাতালে এক মহিলার মৃত্যু হয় করোনায়। লোকের বাড়িতে কাজ করতেন তিনি। ওশিয়ারা শ্মশানে তাঁকে যখন দাহ করা হয় তখন একটি পয়সাও নেই তাঁর চোদ্দ বছরের মেয়ের হাতে। শেষকৃত্যের টাকা মেটান মারুফ খান নামে এক ব্যক্তি। তাঁর কাছেই আছে এখন মেয়েটি। বাবার মতো স্নেহে যত্নে রাখছেন মেয়েটিকে। মাথার ওপর ছাদ দিয়েছেন, খাবার দিয়েছেন মেয়েটিকে।

    এমন ঘটনা উল্টোদিকেও আছে!কিছুদিন আগে মুম্বাইয়ের মালাদ-এর এক কবরস্থান করোনায় মৃত ৬৫ বছরের এক মুসলিম বৃদ্ধের মৃতদেহ সমাধি দিতে অস্বীকার করে। অনেক যুক্তি দেখায় তারা সমাধিতে অরাজি হওয়ার। শেষ পর্যন্ত পাশের এক হিন্দু শ্মশানে সৎকার হয় ওই ভদ্রলোকের। মৃতদেহের এতটুকু অসম্মান হতে দেননি হিন্দু শ্মশান কর্তৃপক্ষ।

    আসলে ভরসার বিশ্বাসের কোনও ধর্ম হয়না। ধর্ম হয়না মৃত্যুরও। কে কার মুখাগ্নি করছে, কে কার কবরে মাটি দিচ্ছে তুচ্ছ হয়ে যায় সব। যা কিছু সীমাবদ্ধতা সব জীবিতর…যা কিছু সংঙ্কীর্ণতা তাও জীবিতরই…


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use