ঢাকা | শনিবার | ২০শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ৫ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪০ হিজরী | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    সরকারের সাফল্যের ৪ বছরপূর্তি আজ
    এনবিএস | Friday, January 12th, 2018 | প্রকাশের সময়: 9:01 am

    সরকারের সাফল্যের ৪ বছরপূর্তি আজসরকারের সাফল্যের ৪ বছরপূর্তি আজ

    আব্দুল্লাহ-আল-মাসুম:
    আজ ১২ জানুয়ারি। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ৪ বছর আগে এদিন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারি দল আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে। আজ ৪ বছরপূর্ণ হলো বর্তমান সরকারের। পঞ্চম বছরে পা রাখছে সরকার। চলমান বছরটি নির্বাচনের বছর। সরকারের চার বছর পূর্তির দিনে প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির তুলনামূলক বিবেচনা প্রাসঙ্গিক। সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব-নিকাশ করলে গত চার বছরের বর্তমান সরকারের পাল্লা সফলতায় ভারী আর ব্যর্থতার পাল্লা কম। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, অর্থনৈতিক উন্নয়নে দৃশ্যমান অর্জন রয়েছে।

    ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দেশের সাধারণ নির্বাচনে দলটি জোটগত ভাবে বিজয়ী হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩৪টি, জাতীয় পার্টি ৩৪টি এবং আওয়ামী লীগের শরিক ওয়াকার্স পার্টি ৬ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ পাঁচটি আসনে বিজয়ী হয়ে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিএনপি-জামায়াত জোট। দেশজুড়ে ভয়াল নাশকতা, ধ্বংসযজ্ঞ, নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা ও লাগাতার অবরোধ-হরতালের নামে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়ে পুরো দেশকেই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয় তারা । দৃঢ়তার সাথে এসব মোকাবেলা করে শান্তি ফিরিয়ে আনা ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্ব সেই চ্যলেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করে। নানা কারণেই সরকারের গত ৪ বছর ছিল ঘটনাবহুল। দেশীয়-আন্তর্জাতিক রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে এই ৪ বছরে শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষিত এবং কার্যকর হয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্র বন্দরসহ অন্যান্য মেগাপ্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে সরকার।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বিশ্বশান্তির অগ্রদূত জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ২০১৭ সালের শ্রেষ্ঠ অর্জন:-

    বছরের শেষে বাঙালির জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর ‘ঐতিহাসিক দলিল’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছল বাংলাদেশ। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলগুলো অর্জনে সাফল্য দেখিয়েছে। বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটেছে নিম্ন আয় থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে। এ ছাড়াও ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে। দেশের অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সাফল্য আজ বিশ্ব স্বীকৃত। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদন ও সূচকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশের চিত্রটি বারবার তুলে ধরা হয়েছে। মানবিক কারণে পার্শ্ববর্তী দেশের লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা এখন ‘বিশ্ব মানবতার জননী।’ জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে (এইচডিআই) তিন ধাপ অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৫ সালের সূচকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৩৯। এর আগে ২০১৪ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪২। 

    গতবছর ৩০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহু প্রতীক্ষিত দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্রুৎ কেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন, যার মাধ্যমে দেশ বিশ্ব পারমাণবিক জগতে প্রবেশ করেছে। ফেনী জেলার মহীপালে দেশের প্রথম ছয় লেনের ফ্লাইওভারের কাজ নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হয়েছে এবং গত ৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী গত ১০ ডিসেম্বর যশোরে নবনির্মিত ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’-এর উদ্বোধন করেন, যা দেশের আ্ইটি সেক্টরে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

    বিদায়ী বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো পরিচালন মুনাফা ভালো করেছে। দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকার পরিচালন মুনাফা করেছে। অগ্রণী ব্যাংক ৯৬২ কোটি ও রূপালী ব্যাংক ৫১১ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে। জনতা ব্যাংকও ১ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিচালন মুনাফা করেছে বলে জানা গেছে। আর বছরজুড়ে আলোচনায় থাকা বেসিক ব্যাংক ২০১৬ সালে ১৫ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করে। চলতি বছর ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা ৫০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১০৮.১৪ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে। ২০১৬ সালে ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা ছিল ৬৫.০৫ কোটি টাকা। এটিও বর্তমান সরকারের একটি বড় সাফল্য ছিল।

    ২০১৭ সালে বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান:

    মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ- ১৩৯ তম, মানব সম্পদ সূচকে বাংলাদেশ-১১১তম, সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ-১৪৬ তম শীর্ষ দেশ নরওয়ে, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ-১২৮তম শীর্ষ দেশ হংকং, জাতিসংঘ ঘোষিত ১৫ বছর মেয়াদি (২০১৬-৩০) টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সূচক বাস্তবায়নে ১৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম, শীর্ষ দেশ-সুইডেন, গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ-৮৪ তম শীর্ষ দেশ-নরওয়ে, বিশ্ব শান্তির সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৩ তি দেশের মধ্যে ৮৪ তম। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ভিত্তিক ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক অ্যান্ড পিস প্রকাশিত ২০১৭ সালের গ্লোবাল পিস ইনডেক্স অনুযায়ী ভারত, পাকিস্তান ও নেপালকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার তৃতীয় সবচেয়ে শান্তির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে।, বিশ্বে সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ -১১০তম শীর্ষ দেশ-নরওয়ে, শিশু অধিকার সূচকে বাংলাদেশ-৮৭তম শীর্ষ দেশ পর্তুগাল, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশ-৯৯তম, অর্থনৈতিক সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশ-১০৬ তম, বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সুচকে বাংলাদেশ -১১৪ শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড, ফিফা রেংকিং এ বাংলাদেশ-১৯৬ শীর্ষ দেশ জার্মানি, বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশ- ১৫ তম–শীর্ষ দেশ মালয়েশিয়া। ২০১৭ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে (বিশ্ব ক্ষুধাসূচক) দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর ৯০-এ থাকা বাংলাদেশের এবারের অবস্থান ১১৯টি দেশের মধ্যে ৮৮তম। একটি দেশের মানুষ কী পরিমাণ বা কোন মাত্রায় ক্ষুধার্ত থাকে, তার ওপর ভিত্তি করে এই ইনডেক্স তৈরি করা হয়। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে (জিসিআই) বাংলাদেশ সাত ধাপ এগিয়ে ৯৯তম অবস্থানে স্থান পেয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান গত অর্থবছরের তুলনায় সাত ধাপ এগিয়েছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৬। 

    সরকারের ৪ বছরের অন্যতম বড় অর্জন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ এর ভিশনারী এ্যাওয়ার্ড পুরস্কৃত অর্জন। এ ছাড়াও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) ও ইন্টার  পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিও) নির্বাচনে বাংলাদেশের দুই প্রার্থী স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর বিজয়। ১৮৮টি দেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন।

    ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল স্যাটেলাইট অর্গানাইজেশন-এর মহাপরিচালক এবং হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল ও ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন-এর নির্বাচনেও বিজয়ী হয় বাংলাদেশ।

    ২০১৬ সালে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অগ্রগতির  সংক্ষিপ্ত বিবরণ:-

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বিশ্বশান্তির অগ্রদূত জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপে জঙ্গি দমন ছিল ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ সালেই দেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দমন করা হয়েছে।'

    নিজস্ব অর্থয়নে পদ্মা সেতু:-

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের আশা আকাঙ্খা আর স্বপ্ন পদ্মা সেতু। যা বার বার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার। কিন্তু সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজস্ব অর্থায়নে শুরু হয়েছে ৬.১৫ কিলোমিটারের দীর্ঘ পদ্মা সেতু। যার প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন আমরা কারো কাছে মাথা নোয়াবার জাতি নয়। আমরা সেই জাতি, যে জাতি সম্পর্কে জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না’। অর্থনীতিবিদদের মতে, পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    বিদ্যুৎ খাতে সফলতা:-

    বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে তখন বিদ্যুতের অবস্থা রাতের অন্ধকারের মতোই ছিল। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ প্ল্যান্টগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৯৩১ মেগাওয়াট। বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে ২০১৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ৯ হাজার মেগাওয়াট। সরকার প্রায় নতুন ৩৫ লাখ সংযোগ দিতে সক্ষম হয়েছে। ৬৫টি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় ১৬ হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট। দেশের ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

    শিক্ষাক্ষেত্রে সফলতা:-

    বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন সাফল্য এনেছে। বছরের প্রথম দিনে সকল প্রাইমারি, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই বিতরণ সারা বিশ্বে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। সরকার দেশের প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেছে। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি প্রণয়নের মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সবার মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ব্যবস্থা করে সরকার হচ্ছে শিক্ষা আইন। ২৪ হাজার স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম তৈরি করে দেয়া হয়েছে। সব শিক্ষাস্তরে তথ্যপ্রযুক্তিকে আলাদা বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ছাত্রীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠন করে স্নাতক পর্যন্ত উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এসেছে পরিবর্তন। বর্তমানে দেশে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন প্রত্যেক জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

    যোগাযোগ খাতে সফলতা:-

    সড়ক যোগাযোগ সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড, বিআরটিসি, বিআরটিএ এবং সেতু বিভাগের মাধ্যমে দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিস্তা সেতু, বরিশালে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু, শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর সুলতানা কামাল সেতু, শাহ আমানত শাহ সেতু, শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, বান্দরবানে রুমা ও থানচি সেতু, রংপুরে যমুনেশ্বরী সেতুসহ আরো বেশ কয়েকটি সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

    মিরপুর থেকে সেনানিবাসের ওপর দিয়ে বিমানবন্দর সড়কে ফ্লাইওভার, কুড়িল ফ্লাইওভার, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, মগবাজার ফ্লাইওভার ও বনানী রেলক্রসিংয়ের ওভারপাস নির্মাণ এই সরকারের একটি বড় সাফল্য। জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর হয়ে ঢাকা বাইপাস সড়ক নির্মিত হয়েছে। সাভার-নবীনগর মহাসড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ, ঢাকা-ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগীয় শহরের সড়ক, চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক, নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম বন্দর সংযোগ উড়ালসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সংযুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে। সড়কের ক্ষয়ক্ষতি এবং দুর্ঘটনা হ্রাসে ৬টি ওভারলোড কন্ট্রোল স্টেশন কার্যকর করাসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ১১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সড়ক বাক প্রশস্তকরণ ও সরলীকরণসহ ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-কক্সবাজার সড়কের আরো ৬টি স্পট সরলীকরণের কাজ চলমান রয়েছে। কাঁচপুর-আমিন বাজার ব্রিজের নিচে সার্কুলার ডাইভার্সন সড়ক নির্মিত হয়েছে। যা যানজট নিরসনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

    স্বাস্থ্য খাতে সফলতা:-

    স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর মান উন্নয়নেও জোর দিয়েছে সরকার। সংবিধানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারদের কমপক্ষে দুই বছর নিজ এলাকায় চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হবে। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুহার অনেক হ্রাস পেয়েছে। গড় আয়ু ৭০.৭ বছর হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে। ১২৭৭৯ কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। হাসপাতালের সংখ্যা ১৬৮৩টি থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫০১টি। ১৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র স্থাাপন করা হয়েছে। শিশুমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করার কারণে এমডিজি পুরস্কার লাভ করে বাংলাদেশ।

    বিবিধ:-

    বর্তমান বাংলাদেশ সরকার তার রাষ্ট্রের প্রাপ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতন। যার ফলে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আদালতে আবেদনের মাধ্যমে ভারত ও মায়ানমারের কাছ থেকে প্রাপ্য বিরাট জলরাশির ওপর কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়েছে। ফলে ব্লু-ইকোনোমিতে নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। সরকারের সাফল্যের তালিকার রয়েছে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে ৬৮ বছরের পুরনো ছিটমহল সমস্যার সমাধান। আইসিটি পার্ক গঠন হয়েছে গাজীপুরে। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬.৩০ কোটি ছাড়িয়েছে। আইসিটি খাত থেকে অচিরেই ডলার আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জাতীয় তথ্য বাতায়ন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই সরকারের আমলে প্রায় ৭৫ লাখের অধিক বেকার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো করা হয়েছে।

    নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং সংসদের স্পিকার নারী। নিয়োগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম নারী ভিসি। পুলিশ, সেনাবাহিনী বর্ডার গার্ড নারী সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশের ব্যাংক রিজার্ভ ২৯ কোটি বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। যা রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। সরকারি ব্যাংকসমূহে চাকরি আবেদন বিনামূল্যে করে দিয়েছে সরকার। এসব উন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ ‘সাউথ-সাউথ এওয়ার্ড’ ইত্যাদি পুরস্কার লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    পরিশেষে বলছি, সফলতা অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই সরকারের উন্নয়ন সম্পর্কে আমাদের জনগণকে জানাতে হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে হবে জনসাধারণের কাছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে পৃথিবীর অন্যান্য বড় বড় দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিজেদের যোগ্যতার জানান দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আমাদের ছোট্ট এই দেশকে পৃথিবীর বুকে বারবার করেছে সম্মানিত। সরকারের উন্নয়নের এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং হাতে হাত রেখে কাজ করে যেতে হবে।

    সাবমেরিন শক্তিতে বলীয়ান স্বদেশ:-

    বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বিরাট পরিবর্তনের বছর ২০১৬। থ্রি- ডাইমেনশনাল (থ্রি-ডি) সমন্বিত প্রতিরক্ষা কৌশলে বলীয়ান হওয়ার পথে বাংলাদেশ নৌবাহিনী’কে সরকার দুটি সাব-মেরিন উপহার দিয়েছে। বন্ধুরাষ্ট্র চীন থেকে সংগৃহীত সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমা পাহারা দেয়া এবং অনুপ্রবেশকারী শত্রুকে ঘায়েল করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা  রাখতে পারবে।

    গত ২২ ডিসেম্বর সাবমেরিন দুটি চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে এসে পৌছায়।  সাবমেরিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, চীন থেকে দুটি সাবমেরিন সংগ্রহের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক শক্তি হিসাবে যাত্রা শুরু করলো।

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য প্রস্তুতকরা এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন। যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭ দশমিক ৬ মিটার। সাবমেরিন দুটি টর্পেডো ও মাইন দ্বারা সু-সজ্জিত যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনে আক্রমণ করতে সক্ষম।

    দেশে তৈরি বড়মাপের যুদ্ধজাহাজ:- 

    গেল বছর জাতিকে আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান করেছে এমন আরেকটি ঘটনা হল খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত প্রথমবারের মত বড়মাপের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ। ৮ শতাধিক কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্য যে দুটি ‘লার্জ পেট্রোল ক্রাফট-এলপিসি’ নির্মাণ করছে তার প্রথমটি গত ২৯ ডিসেম্বর সকালে লঞ্চিং করেন নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ-ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর  ৬ সেপ্টেম্বর ‘কিল-লে’র মাধ্যমে এ দুটি এলপিসি’র নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন।

    প্রায় ২১০ ফুট দৈর্ঘ ও ৩০ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ১৪ফুট গভীরতার এসব সমর নৌযান ঘন্টায় প্রায় ২৫নটিক্যাল মাইল বা প্রায় ৪৭কিলোমিটার বেগে গভীর সমুদ্র সহ উপকুলের লক্ষস্থলে চলতে সক্ষম হবে। এসব যুদ্ধ জাহাজ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর বহরে যুক্ত হলে তা দেশের ত্রীমাত্রিক নৌবাহিনী গঠন সহ সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেবে। এমন প্রতিটি প্রতিটি যুদ্ধ জাহাজে ৭০ জন করে নৌ সেনা ও নাবিক থাকছে। জাপানের নৌ জরিপ ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ক্লাস এনকেকে’র তত্বাবধানে চীনা কারগরি সহযোগীতায় নির্মিত এ যুদ্ধ জাহাজটিতে ১টি ৭৯.২০ মিলিমিটার কামান ছাড়াও আরো একটি ৩০মিলিমিটার অনুরূপ কামান সংযোজন করা হচ্ছে। টর্পোডো ও মিসাইল সমৃদ্ধ এসব যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে খুলনা শিপইয়ার্ড সমর শিল্পে উপমহাদেশের বিশষ অবস্থান করে নিতে যাচ্ছে। এসব যুদ্ধ জাহাজ থেকে ১৫কিলোমিটার দুরে সমুদ্র থেকে আকাশে ও ভূমিতে শত্রুর লক্ষস্থলে আঘাত হানার মত মিসাইল সহ অত্যাধুনিক সমর সরঞ্জাম সংযোজন করা হচ্ছে। এছাড়াও যুদ্ধজাহাজ দুটিতে ১টি করে ট্রাকিং রাডার, দুটি করে নেভিগেশন রাডারস ও ১টি হাল মাউন্টড সোনারসহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করা হচ্ছে।

    গরীবের সংখ্যা কমেছে:-

    অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক সুসংবাদ দেয় যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব?্যাহত থাকায় বাংলাদেশে ‘অতিদরিদ্র’ মানুষের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ১২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক জানায় দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অর্জন প্রশংসনীয়, এমনিক ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানের চেয়েও ভালো।

    নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন:-

    ২০১৬ সালের শুধু নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসেরই বড় ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত খানকে পরাজিত করে মেয়র পদে নির্বাচিত হলেও দেশের রাজনীতি বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেছেন, প্রার্থী নয়, আসলে বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ! নির্বাচনী কেন্দ্রের একটায়ও সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ভোট কারচুপির অভিযোগও কেউ উত্থাপন করতে পারেনি। ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সে নির্বাচনে ৬৩ শতাংশেরও বেশী ভোট পড়েছিল। প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে, প্রার্থীরা সংযমী হলে এবং ভোটাররা সাগ্রহে ভোট কেন্দ্রে গেলে একটা নির্বাচন কতখানি শান্তিপূর্ণ আর সুশৃঙ্খল হতে পারে তার উদাহরণ হয়ে রইবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। বিগত দিনে নানা নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় হতাশ বাংলাদেশের মানুষের মনে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে এই নির্বাচন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পড় দেশের মানুষ আশা করছেন, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সরকার এমনভাবেই সফলকাম হবে।

    ২০১৫ সালও ছিল অর্জনের বছর। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়েছে।

    নোবেল পুরস্কার যে ছয়টি বিষয়ে দেয়া হয়, সেখানে পরিবেশ নেই। তবে জাতিসংঘের পরিবেশ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ আখ্যা পেয়ে থাকে পরিবেশের নোবেল হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বছর পরিবেশ বিষয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেই পুরস্কার অর্জন করেন।

    শুধু তাই নয়, ২০১৫ সালে ভারতের সাথে স্থল সীমানাচুক্তি বাস্তবায়ন ছিল এই সরকারের অন্যতম অর্জন। এর আগে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলায়ও বিজয়ী হয় বাংলাদেশ । শিক্ষা, বিদ্যুৎ, আইসিটি, কৃষি, অর্থনীতি সবক্ষেত্রেই সরকারের অগ্রযাত্রা এ বছরও অব্যাহত থাকে।

    দেশের অর্থনীতিবিধরা মনে করেন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দুর্নীতি-সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের তকমা মুছে ফেলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। 

    বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য-আয়ে দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ উন্নত দেশে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail