ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদ
Breaking News
Home » ৩ শিরোনাম » ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদ

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদ
এনবিএস | মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ৬:১৫ অপরাহ্ণ

ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদ

আজ মঙ্গলবার (১৩ মার্চ ২০১৮) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক পরিষদ ও ফেনী অধিকার ফোরামের উদ্যোগে “গঙ্গাব্যারেজ নির্মাণ কর-বাংলাদেশ রক্ষা কর” “ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাই বাঁধ-বাংলাদেশের মরণ ফাঁদ” “ফেনী নদীর পানি লুট রুখে দাঁড়াও” দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন। বক্তব্য রাখেন, ফেনী অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন সেলিম, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক মোঃ হারুন অর রশিদ খান, দার্শনিক আবু মহি মুসা, ফেনী অধিকার ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আমানুল্লাহ মাহফুজ, সদস্য সচিব গোলাম মাওলা সোহাগ, শ্রমিক নেতা মোঃ এনামুল হক, গণঐক্য নেতা আরমান পলাশ, অধ্যাপক তারেক প্রমুখ।

নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বলেন, ভারত ৫৪টি যৌথ নদীতে বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশের পানি এক তরফা আগ্রাসন চালাচ্ছে। উজানে বাঁধ দিয়ে পানি লুটে নিয়ে ভারত ক্ষান্ত হয়নি তারা আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য জীবনঘাতি। ফারাক্কা-গজলডোবা বাঁধের প্রভাবে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পানির অভাবে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন, খাদ্যশস্য চাষাবাদ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন। ফারাক্কা-গজলডোবার ক্ষতি মোকাবেলা করতে, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানি সংরক্ষণ, চাষাবাদ, জীব বৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমরা গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছি। তিস্তা চুক্তি করে পানি পাওয়ার চেষ্টায় বারবার ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। 

ভারত তিস্তা চুক্তি নিয়ে কেন্দ্র-প্রদেশ তালবাহানার খেলা খেলছে। ৪৫ দিনের পরীক্ষামূলক ফারাক্কা ৪ যুগেও ক্ষান্ত হয়নি। ভারত একটি আধিপত্যবাদী আগ্রাসী শক্তি বিধায় দ্বিপাক্ষিক চেষ্টা সময়ক্ষেপন ছাড়া কিছুই নয়। তাই গঙ্গাব্যারেজ নির্মাণ করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানি সংরক্ষণ, চাষাবাদ, জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে দেশের মরুকরণ প্রতিরোধ এবং অবিলম্বে পানির ন্যায্যহিস্যা আদায়ে জাতিসংঘ পানি প্রবাহ আইনের ভিত্তিতে জাতিসংঘে বিল উত্থাপনের দাবীতে এবং বাংলাদেশের একক মালিকানার ফেনী নদীর পানি লুটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

ফেনী অধিকার আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন সেলিম বলেন, বাংলাদেশের শতভাগ মালিকানার ফেনী নদীর নো-ম্যানস্ল্যান্ডে পাম্প বসিয়ে পানি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে ভারত। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে পাইপ লাইনে এই নদীর পানি সরবরাহ করলে নগরবাসীর জীবন রক্ষা হবে। ফেনী নদীর পানি ফেনী সহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রক্ষা করবো।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Translate »