ঢাকা | শনিবার | ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৫ | ১১ মুহাররম, ১৪৪০ | রাত ১১:২৪ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    বছরের পর বছর আর ঝুলে থাকবে না অভিযোগ!
    এনবিএস | সোমবার, এপ্রিল ১৬, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

    বছরের পর বছর আর ঝুলে থাকবে না অভিযোগ!বছরের পর বছর আর ঝুলে থাকবে না অভিযোগ!

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা) অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ বছরের পর বছর ধরে আর ঝুলে থাকবে না। এখন থেকে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর’ (ডিআইএ) অভিযোগ পেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়। এর ভিত্তিতে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত ১৩ মার্চ এক সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (আইন ও অডিট) শামীম আল রাজিকে আহ্বায়ক করে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অডিট) মো. রাহেদ হোসেনকে সদস্য সচিব এবং অন্য দু’জন উপসচিবকে সদস্য করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাহেদ হোসেন বলেন, ‘ডিআইএর প্রতিবেদন নিষ্পত্তি নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা আছে। তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে অনেক প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের এমপিও স্থগিত করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধাও আটকে আছে।

    অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও কোনো কোনো শিক্ষক শাস্তি পেয়েছেন। এসব বিষয় মাথায় রেখে প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ তিনি জানান, কমিটির কাজ হলো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে কমিটি। এতে শিক্ষকরা হয়রানি থেকে রেহাই ও দোষী হলে দ্রুত শাস্তি পাবেন। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।

    সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিআইএর প্রতিবেদন বাস্তবায়ন করতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই সভায়। এগুলো হলো- প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী অবৈধভাবে এমপিও গ্রহণ বা আর্থিক দুর্নীতির অর্থ এক মাসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। জাল ও ভুয়া সনদে চাকরি করা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শাতে হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে এমপিও বন্ধ ও এক মাসের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে হবে।

    এতদিন ডিআইএর প্রতিবেদনের আলোকে মন্ত্রণালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্রডশিটের মাধ্যমে জবাব দিয়ে আসছিল। তারা দায়সারা জবাব দিত। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর যাচাই-বাছাই না করেই প্রতিষ্ঠানের জবাবের সঙ্গে একমত হয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাত। এর ফলে দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা ছাড় পেয়ে যেতেন। অবৈধভাবে সরকারের কোটি কোটি টাকা ভোগ করতেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এই পথ বন্ধ করতে মাউশির কাছে বিধি অনুযায়ী জবাব চাইবে কমিটি। এরপর এক মাসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করবে মন্ত্রণালয়।

    ডিআইএর যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের প্রধান শর্ত মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হলে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আমাদের পরিদর্শন প্রতিবেদনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো না কোনো অনিয়ম ধরা পড়ে। কর্তৃপক্ষের (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) কাছে সুপারিশ করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হতো না। ডিআইএর সুপারিশ বাস্তবায়নে কমিটি গঠন একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। সরকারের অর্থ অপচয় বন্ধ হবে।’

    সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিআইএর কর্মকর্তারা প্রশাসনিক, আর্থিক ও একাডেমিক- এ তিন বিষয়ে ৩৬ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করেন। ২০১৪ সাল থেকে শিক্ষকদের সনদও যাচাই করা হচ্ছে।

    তারা আরও জানান, মন্ত্রণালয়, মাউশি, এনটিআরসিএর এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে জাল সনদে এমপিভুক্ত হয়েছেন হাজারো শিক্ষক। গত আড়াই বছরে সাত শতাধিক জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষককে চিহ্নিত করেছেন ডিআইএর কর্মকর্তারা। এর মধ্যে কম্পিউটার, লাইব্রেরিয়ান ও বিএড- এই তিন বিষয়ের শিক্ষক বেশি। বেতন-ভাতা হিসেবে তারা প্রায় ১৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করে ডিআইএ। এ ছাড়া বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ফেরতেরও সুপারিশ করা হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয় ও মাউশির একটি চক্র অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্চা যায়। নতুন এ কমিটি গঠনের মাধ্যমে সেই সুযোগ আর থাকবে না বলে কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভেঙে দুটি বিভাগ করার আগে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি ডিআইএর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করত। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ’ এবং ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ’ নামে দুটি বিভাগ গঠন করা হয়। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ডিআইএর প্রতিবেদন পর্যালোচনায় কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে একজন যুগ্ম সচিবকে এই বিভাগের আইন ও অডিট শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সূত্র : সমকাল


    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail