রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতেও শিখে যাবে বাংলাদেশ’
Breaking News
Home » খেলা » রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতেও শিখে যাবে বাংলাদেশ’

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতেও শিখে যাবে বাংলাদেশ’
এনবিএস | বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ

রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতেও শিখে যাবে বাংলাদেশ’রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দৌড়াতেও শিখে যাবে বাংলাদেশ’

ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে মোট এগারোটি। যার মধ্যে পাঁচটিই অস্ট্রেলিয়ার দখলে। সর্বশেষ ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপেও জয় পেয়েছে মাইকেল ক্লার্কের অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭ সালে অ্যালন বর্ডারের হাত ধরে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় অস্ট্রেলিয়া। পাঁচবারের মধ্যে দুইবারই আসে রিকি পন্টিংয়ের হাত ধরে।

দ্বিতীয় বিশ্বকাপ আসে স্টিভ ওয়াহর নেতৃত্বে। ১৯৯৯ সালের অজি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ। ২০১৫ সালে যেন বাংলাদেশ দলের চেহারাই পরিবর্তন হয়ে যায়। ওয়াহর মতে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের মতো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন বড় রাস্তায় হাঁটছে বাংলাদেশ দল। ধীরে ধীরে দৌড়াতেও শুরু করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


বাংলাদেশ ক্রিকেটের খুব একটা খবর না রাখলেও গত বছর বাংলাদেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ নিশ্চয়ই দেখেছেন অজি সাবেক অধিনায়ক। সেই সিরিজ থেকেই ধারণা করেছেন বাংলাদেশ স্পিন বিভাগে খুবই শক্তিশালী। ওয়াহ জানিয়েছেন শুধু স্পিন দিয়ে ক্রিকেটে টিকে থাকা খুব কঠিন, স্পিনের পাশাপাশি পেস বোলিং করতে ও খেলতে শিখতে হবে বাংলাদেশকে।

‘অস্ট্রেলিয়া কিন্তু মাত্র কয়েক দিনে অস্ট্রেলিয়া দল হয়ে ‍উঠেনি, এতগুলো বিশ্বকাপ জেতেনি। ক্রিকেট ব্যাপারটাই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ও বাস্তবায়নের। হয়তো সেটারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বড় রাস্তায় উঠে গেছে। সেই রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে বাংলাদেশ দৌড়াতেও শুরু করবে বলে আমার বিশ্বাস। তারা ঘরের মাঠে বেশ শক্ত দল। এই ব্যাপারটাই বাইরের মাঠে নিয়ে যেতে হবে। আর পেস বোলিং করতে ও খেলতে শিখতে হবে। শুধু স্পিন দিয়ে লড়াই করে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি সেভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের খোঁজ না রাখতে পারলেও এই ব্যাপারগুলো অন্তত জানি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশ এখন আর নিশ্চয়ই দুর্বল প্রতিপক্ষ নয়। তারা জিততে শিখে গেছে। আমার মনে হয় না কোনো দলই এখন বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেয়। বিশেষ করে ঘরের মাঠে তাদের যারা দুর্বল ভাববে, তারা ভুল করবে। তবে তাদের টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে আরও ভাবা উচিত। তরুণ খেলোয়াড়দের সেভাবেই তৈরি করে তোলা উচিত।’

২০১১ সালে অধিনায়কত্ব হারানোর পর আবারো সেই মুকুট ফিরে পেয়েছেন সাকিব। দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে কাকে পছন্দ তার জানতে চাওয়া হলে, সাকিবের নামটাই বলেন ১৯৯৯ সালের অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Translate »