আজই রায় কেন ?
Breaking News
Home » ২ শিরোনাম » আজই রায় কেন ?

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

আজই রায় কেন ?
এনবিএস | মঙ্গলবার, মে ১৫, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ১২:১৫ অপরাহ্ণ

আজই রায় কেন ?আজই রায় কেন ?

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আপিল বিভাগে বহাল থাকবে কি না তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

এই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বাতিল চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষ হওয়ার পর আজ রায়ের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কার্যতালিকার ৩ নম্বরে থাকা এই বিষটি আদালতের সামনে আসলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আরো কিছু বলবেন বলে একদিন সময় চান।

এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন,আজ কেন? এটা তো আজ রায়ের জন্য আছে। ওকে, এখনই যা বলার বলুন।

এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখনই বলা সম্ভব না, কাগজপত্র লাগবে তো। একটি দিন সময় দিন।’এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, আগামীকাল আমার একজন ব্রাদার (বিচারপতি) থাকতে পারবেন না।

এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদুর হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ১১টা ৩০ মিনিটে অ্যাটর্নি জেনারেলকে তার বক্তব্য উপস্থাপনে জন্য আদেশ দেন।

এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল আরেকটু সময় চাইলে আদালত ১২টায় সময় নির্ধারণ করেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে উপিস্থিত ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুবু হোসেন, জয়নুল আবেদীন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। রায়ের পর আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া, যার ওপর শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট চারটি দিক বিবেচনায় তাঁকে চার মাসের জামিন দেন।

এই জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে। শুনানি নিয়ে ১৪ মার্চ আপিল বিভাগ ওই জামিন স্থগিত করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলেন। অন্যদিকে, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা, যা সেদিন চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। পরে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল করে। ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে শুনানির জন্য ৮ মে দিন রাখেন আপিল বিভাগ।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Translate »