হলুদ খাবারের গুরুত্ব 
Breaking News
Home » জীবনধারা » হলুদ খাবারের গুরুত্ব 

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

হলুদ খাবারের গুরুত্ব 
এনবিএস | বুধবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

হলুদ খাবারের গুরুত্ব হলুদ খাবারের গুরুত্ব 

রোগের চিকিৎসায় হলুদের গুরুত্ব রয়েছে। বেশির ভাগ সময়ই খাদ্যতালিকায় সবুজ খাবার রাখার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়। কিন্তু অন্যান্য রঙের খাবারগুলোও কিন্তু শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। হলুদ রঙের সবজি, ফল বা মসলার কথাই যদি বলা হয়, তবে এগুলোও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং অস্টিও-আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে হলুদের ভুমিকার কথা একবাক্যে মেনে নিচ্ছেন চিকিৎসকেরাও। বিশেষজ্ঞদের মতে, হলুদের মতো ঘরোয়া টোটকার কোনো ব্যতিক্রম নেই।

আলু খেতেই যে কেবল সুস্বাদু তা নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। এতে রয়েছে নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, বি৬, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস। ফসফরাস আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

এক কাপ মিষ্টি কুমড়া রোজকার ভিটামিন এ’র চাহিদা পূরণে সহায়ক। ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। মিষ্টি কুমড়ায় আরো রয়েছে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি দূর করে ও শরীরকে দুর্বল হতে দেয় না।

ফল হিসেবে পাকা পেঁপে অনেকেরই প্রিয়। খেতে ভালো তো বটেই, এটি ফাইবার, ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক এ ফল ওজন কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে, চোখ ভালো রাখে, হজমে সহায়তা করে ও পেটে ব্যথা কমায়।

বছরে সবসময় যে ফলটি পাওয়া যায় তা হলো কলা। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এর মধ্যকার ম্যাঙ্গানিজ ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। কলাতে যে পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে, তা হূিপণ্ড সুস্থ রাখতে ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে, তারা কলা খেলে উপকার পাবেন। কারণ এ ফল পেট খুব ভালো পরিষ্কার রাখতে পারে।

ভুট্টায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও ই-সহ আরো অনেক খনিজ উপাদান। ভুট্টার হলুদ দানা ফাইবারে পরিপূর্ণ, যা হজমে সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে আরো রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

হলুদ ক্যাপসিকামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি ও অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট। এটি ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। এর মধ্যকার ফলেট লোহিত রক্তকণিকার পক্ষে সহায়ক একটি উপাদান। এর মধ্যকার ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে, শক্তি জোগায়, ত্বক সুন্দর রাখে ও ক্ষত সারাতে সহায়তা করে।

বাঙালির রোজকার রান্নায় হলুদের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। এর মধ্যকার ঔষধি গুণাগুণ থাকায় চিকিৎসা, রন্ধনপ্রণালী ও রূপচর্চায় এর ব্যবহার বহু আগে থেকেই প্রচলিত রয়েছে। হলুদে কারকিউমিন নামের একটি উপাদান রয়েছে, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক বলে পরিচিত। হলুদ রক্ত পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ত্বকের রঙ উন্নত করে, জীবাণু নাশ করে ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে।

সূত্র: হেলথলাইন

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Translate »