ঢাকা | রবিবার | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৫ | ১২ মুহাররম, ১৪৪০ | দুপুর ১:২৩ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    কোটি টাকার প্রকল্প তিন মাসেই বন্ধ
    এনবিএস | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ | প্রকাশের সময়: ১২:৩৭ অপরাহ্ণ

    কোটি টাকার প্রকল্প তিন মাসেই বন্ধকোটি টাকার প্রকল্প তিন মাসেই বন্ধ

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে, বাংলাদেশ রুরাল ওয়াটার সাপ্লাই আ্যন্ড স্যানিটেশন প্রকল্প চালু হওয়ার তিনমাস পর আবার বন্ধ হয়ে গেছে।
    ফলে সংযোগ পেয়েও এ প্রকল্প থেকে নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন মহম্মদপুর উপজেলার শতাধিক পরিবার। স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে জনকল্যাণকর এই প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বলে অভিযোগ করেছেন অধিকাংশ গ্রাহক।

    আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে মহম্মদপুর উপজেলা সদর ও বিনোদপুর ইউনিয়নে এক কোটি ত্রিশ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি সরবরাহ প্রকল্পটি কোন কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। চার বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো নিয়মিতভাবে পানি সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে পাম্প ব্যবহৃত না হওয়ায় ঘন জঙ্গলে আচ্ছাদিত হয়ে ক্রমাগত নষ্ট হচ্ছে পাম্প স্টেশন এবং এর মূল্যবান সব যন্ত্রপাতি।

    ২০১৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে রুরাল ওয়াটার সাপ্লাই আ্যন্ড স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় গ্রামে গ্রামে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেয়। মহম্মদপুর ও বিনোদপুর ইউনিয়নের ৮টি গ্রামের ১৮০ জন গ্রাহকের জন্য এক কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজটি শেষ হয় ওই বছরের জুন মাসে। প্রকল্পে মাটির নিচ দিয়ে আট কিলোমিটার পানি সরবরাহ পাইপ, ১০হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি রিজার্ভ ট্যাংক ও দু’টি পাম্প স্টেশন স্থাপন করা হয়।

    উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালে মহম্মদপুর উপজেলার ৬০ ভাগ নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক পাওয়া যায়। জরিপকারী সংস্থা আর্সেনিকযুক্ত নরকুপ লালরং করে চিহিৃত করে। এসব নলকূপের পানি পান বিপজ্জনক হলেও বিকল্প কোনো উৎস না থাকায় নিরুপায় হয়ে মানুষ এই পানি পান করতে থাকেন। এর ফলে ক্রমাগত আর্সেনিকে আক্রান্ত হতে থাকে এলাকার মানুষ। অন্যদিকে- পানি সরবরাহ কাজ চলাকালে ঠিকাদার মিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহারের অভিযোগ ওঠে। তারপরও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঠিকাদার কাজ শেষ করে বিল তুলে নিয়ে যান।

    তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কাজ শেষ হওয়ায় চারবছর পর স্থানীয়দের চাপের মুখে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে গ্রাহক পর্যায়ে পানি সরবরাহ শুরু করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। মাত্র তিনমাস চালু থাকার পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কার্যক্রম। উপজেলা সদরের অভ্যন্তরে অবস্থিত পাম্প স্টেশনটি এখন ঘন জঙ্গলে ঢেকে আছে। ভেঙ্গে গেছে মাটির নিচে পানি সরবরাহ পাইপের নিয়ন্ত্রণ সুইচের ঢাকনা। অনেক জায়গায় পাইপে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেইসাথে নষ্ট হচ্ছে রিজার্ভ ট্যাংক ও পাম্প স্টেশনের মূল্যবান যন্ত্রপাতি। ফলে গ্রাহকদের কোন কাজেই আসছে কোটিটাকা ব্যয়ে নির্মীত পানি সাপ্লাই প্রকল্প বরং সংযোগ নেওয়া শতাধিক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বাধ্য হয়েই তারা আর্সেনিকযুক্ত পানি পানসহ গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করে যাচ্ছেন।

    জনস্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পে নিয়ম অনুযায়ী পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি গ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সভাপতি হন স্থানীয় সরকারদলীয় দুই নেতা। পানি সরবরাহ সংযোগ, পাম্প ও রিজার্ভ ট্যাংক রক্ষণা-বেক্ষণ, পাম্প চালকের বেতন ও বিদ্যুৎ বিল কমিটি পরিশোধ করবে। গ্রাহকরা নিজ খরচে সংযোগ নিয়ে প্রতিমাসে কমিটির কাছে হারে বিল পরিশোধ করবে। কিন্তু কমিটির কোনো কার্যক্রম চোঁখে পড়েনি। অন্যদিকে রশিদ না দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে বিল উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের অফিস সহকারী আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে। কানাইনগর গ্রামের প্রভাষক মশিউর রহমান, বাদশা মিয়া, মান্নান মিয়া, সরোয়ার শেখ, নায়েব আলী, হাফিজ শেখ, জাঙ্গালিয়া গ্রামের ইউনুচ মোল্যা, শামসেল শেখ অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে তিন মাসের বিলের টাকা অফিস সহকারী আতাউর রশিদ না দিয়ে নিয়ে গেছেন।

    অফিস সহকারী আতাউর মিয়া রশীদ না দিয়ে টাকা নেয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করে বলেন, উত্তোলিত টাকা দিয়ে বিদ্যুত বিল দেয়া হয়েছে।

    মহম্মদপুর পানি সরবরাহ প্রকল্পের সভাপতি সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী জানান, গ্রহকরা ঠিকমত বিদ্যুৎ বিল না দেয়ায় আপাতত পানি সাপ্লাই বন্ধ আছে। আবার এটা চালুর ব্যাপারে চেষ্টা চলছে।

    উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল আধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বিশ্বাস জানান, অফিসে জনবল কম থাকায় দেখভালের অভাবে প্রকল্পটি বন্ধ আছে তবে শিগগিরই চালু করা হবে।
    সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ


    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail