ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ৪ পৌষ, ১৪২৫ | ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    যেভাবে এলো তারেক, বাবরসহ অন্যদের নাম
    এনবিএস | Wednesday, October 10th, 2018 | প্রকাশের সময়: 1:35 pm

    যেভাবে এলো তারেক, বাবরসহ অন্যদের নামযেভাবে এলো তারেক, বাবরসহ অন্যদের নাম

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সরকারি কর্মকর্তা ও জঙ্গি নেতারা কীভাবে জোট বেঁধেছিলেন, তার বিস্তারিত উঠে এসেছে মামলার সম্পূরক চার্জশিটে। এতে বলা হয়, ২০০৪ সালের প্রথম দিকে হাওয়া ভবনে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে পরিচিত হন জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান। তিনি তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনার কথা জানালে আরও অনেকের উপস্থিতিতে তারেক রহমান তাকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    এর পর আগস্টের মাঝামাঝিতে আবার তাদের বৈঠক হয়। এতে বিএনপি ও জামায়াত নেতারা ছাড়াও দুটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান উপস্থিত ছিলেন। ওই হামলার পর সরকারি কর্মকর্তারা নানাভাবে হামলাকারীদের সহযোগিতা করেন। গ্রেনেড হামলার আগে-পরে বিএনপি-জামায়াতের নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের কী ভূমিকা ছিল, তা মামলাটি অধিকতর তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ সুপার আবদুল কাহার আকন্দের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিটে বিস্তারিত উঠে এসেছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলটির ৭ নেতা এবং ১৩ জন সরকারি কর্মকর্তা। অন্য আসামিরা জঙ্গিগোষ্ঠী হরকাতুল জিহাদের সদস্য।
    বিএনপির ৭ নেতা হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুুস সালাম পিন্টু, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক এমপি কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ ও হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ।

    সরকারি ১৩ কর্মকর্তা হলেন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম ও রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হক, সাবেক ডিসি (পূর্ব) মো. ওবায়দুর রহমান, সাবেক ডিসি (দক্ষিণখান) সাইদ হাসান, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব) সাইফুল ইসলাম ডিউক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, মেজর (অব) এটিএম আমিন, তৎকালীন অতিরিক্ত আইজিপি (পরে আইজিপি) খোদা বক্স চৌধুরী। তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়া ৩ তদন্ত কর্মকর্তা হলেন সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আবদুর রশীদ।

    সম্পূরক চার্জশিটে বলা হয়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর সহোদর মাওলানা তাজউদ্দিন পাকিস্তানের মাদ্রাসায় লেখাপড়াকালে কাশ্মীরভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা, তেহরিক-ই-জিহাদিল ইসলামী (টিজেই) এবং হিজবুল মুজাহিদীনের সঙ্গে জড়িত হয়। তার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
    ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এলে বিএনপির কুমিল্লার মুরাদনগরের এমপি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এবং চট্টগ্রামের এমপি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মাধ্যমে মুফতি হান্নানসহ জঙ্গিরা বিভিন্ন কাজকর্মে সহযোগিতা নেয়। মুফতি হান্নান কোটালীপাড়ায় ও ফরিদপুর কোতোয়ালি এলাকায় বোমা হামলার ঘটনায় হত্যা মামলার সহযোগী আসামিদের নিয়ে লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার চেষ্টা করে।

    বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলটির নেতাদের ভূমিকা সম্পর্কে চার্জশিটে বলা হয়, চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকায় শেখ হাসিনার ওপর সহজে আক্রমণ চালানোর সুযোগ থাকায় মুফতি হান্নানসহ হরকাতুল জিহাদের নেতাকর্মীরা মুরাদনগরের এমপি মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সহযোগিতায় ২০০৪ সালের প্রথম দিকে রাজধানীর বনানীতে ‘হাওয়া ভবন’ গিয়ে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরীর সঙ্গে পরিচিত হয় এবং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যাসহ তাদের (হরকাতুল) বিভিন্ন কাজকর্ম চালাবার জন্য সহযোগিতা চায়। তারেক রহমান উপস্থিত সবার সামনে তাদের কাজকর্মে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীরা জানতে পারে, সিলেটে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

    এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ফের তারা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী মুফতি হান্নান ২০০৪ সালের আগস্টের মাঝামাঝি একদিন মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা শেখ ফরিদ, মাওলানা তাজউদ্দিনসহ এনজিও সংগঠন আল-মারকাজুল ইসলামের অফিসে সমবেত হয়ে মারকাজুলের একটি মাইক্রোবাসযোগে মারকাজুলের মওলানা আবদুর রশিদকে সঙ্গে নিয়ে বনানীতে তারেক রহমানের অফিস ‘হাওয়া ভবনে’ যায়। সেখানে রশিদকে ভবনের নিচতলায় রেখে তারা দোতলায় তারেক রহমানের অফিসে যায়।

    সেখানে তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, তৎকালীন এনএসআইর ডিজি ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিম, তৎকালীন সিআইডির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার (পরে মেজর জেনারেল) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীর সঙ্গে ষড়যন্ত্রমূলক মিটিং করে এবং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলা করে হত্যার বিষয়ে সহযোগিতা চায়।
    তারেক রহমান সবার সামনে মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীদের সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সে অনুযায়ী ১৮ আগস্ট উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ধানম-ির সরকারি বাসায় মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা তাজউদ্দিন, মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সী মিটিং করেন এবং সেখানে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ ও ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ উপস্থিত থাকেন। তাদের উপস্থিতিতে আবদুস সালাম পিন্টু ও বাবর জানান, হানিফ ও আরিফ তাদের সব রকম সহযোগিতা করবেন এবং তাদের সব প্রশাসনিক সহযোগিতা থাকবে।

    চার্জশিটে আরও বলা হয়, হামলার সময় ও পরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউসংলগ্ন পশ্চিম পাশের এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (দক্ষিণ) ডিসি খান সাঈদ হাসান সহজে গ্রেনেড আক্রমণের সুবিধার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী তার দায়িত্বাধীন এলাকায় আয়োজিত আওয়ামী লীগের জনসভা ও র‌্যালির জন্য কোনো নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে আসামিরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
    বরং তিনি একটি মিথ্যা ডিউটি প্রোগ্রাম কন্ট্রোল রুমের ডায়েরিতে দেখান এবং ঘটনার পর নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপের মাধ্যমে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে ভিকটিমদের দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া তিনি ঘটনার পরদিন তার দায়িত্বাধীন এলাকা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে প্রাপ্ত তাজা আর্জেস গ্রেনেডসংক্রান্ত কোনো মামলা রুজুর ব্যবস্থা করেননি।

    জেলখানার মতো স্পর্শকাতর স্থানে আর্জেস গ্রেনেডের মতো মারণাস্ত্র পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে তিনি কোনো তদন্ত বা অনুসন্ধানের ব্যবস্থা করেননি। এমনকি তিনি ওই স্থান পরিদর্শনও করেননি। উপরন্তু গ্রেনেডটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে দ্রুত ধ্বংসের মাধ্যমে আলামত নষ্ট করেন। চার্জশিটে আরও বলা হয়, আসামি তৎকালীন পুলিশ কমিশনার ও পরবর্তীতে আইজিপি (অব) আশরাফুল হুদা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ঘটনার দিন তড়িঘড়ি বিদেশ গমন করেন। তিনি বিদেশ যাওয়ার প্রাক্কালে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে বলে যান সর্বপ্রকার নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    ঘটনার পর তিনি বিদেশ থেকে ফিরে ঘটনার সময় ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি বা এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কোনো প্রতিবেদন দেননি। পরে তিনি আইজিপি থাকাকালে মুফতি আবদুল হান্নান ও তার জঙ্গিগোষ্ঠীর অপতৎপরতা সম্পর্কে আগে থেকে অবহিত থাকার পরও এ মামলার প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।

    চার্জশিটে আসামি শহুদুল হক সম্পর্কে বলা হয়, তিনি ঘটনার সময় আইজিপির দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিরোধীদলীয় নেত্রীর উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা ও র‌্যালির নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার বিষয়ে কোনো প্রকার খোঁজখবর নেননি। তার অফিস থেকে আনুমানিক ৫০০ গজের মধ্যে ঘটনাস্থল, কিন্তু তিনি ঘটনার পর কোনো সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি।
    তিনি প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেননি। নিরাপত্তা বিধানের জন্য যারা দায়ী ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও কোনো বিভাগীয় তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি। এমনকি ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান ওই পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার উদ্যোগ নিতে চাইলে তিনি তা করতে দেননি। মুফতি হান্নান ও তার জঙ্গিগোষ্ঠীর অপতৎপরতা সম্পর্কে তিনি আগে থেকে অবহিত থাকা সত্ত্বেও এ মামলা সংক্রান্তে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।

    চার্জশিটে তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়া ৩ তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা সম্পর্কে বলা হয়, ২০০০ সালের জুলাই মাসে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনাকে বোমা পুতে হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সিআইডির এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান। এ ছাড়া শেখ হাসিনার ওপর অন্যান্য স্থানে হামলার মামলাও সিআইডিতে তদন্তাধীন থাকায় মুন্সী আতিকুর রহমান, এএসপি আবদুর রশিদ ও বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ভালোভাবে অবহিত ছিলেন, মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সী ও তার জঙ্গিগোষ্ঠী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালাচ্ছে।
    অথচ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তের প্রথম পর্যায় থেকে মুফতি হান্নানসহ অন্য অপরাধীদের বাঁচাবার উদ্দেশ্যে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে মুফতি হান্নান ও তার অন্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণ না করে জজ মিয়া নামক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে মিথ্যা, বানোয়াট স্বীকারোক্তি সৃজন করে আদালতে লিপিবদ্ধ করান। ২০০৫ সালের ৫ অক্টোবর মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সী র‌্যাব কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত বলে স্বীকার করলেও তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখাননি।

    উপরন্তু মুফতি হান্নানকে গ্রেপ্তারের পরও জজ মিয়ার মিথ্যা, বানোয়াট স্বীকারোক্তির সঙ্গে মিল রেখে নিরপরাধ আবুল হাসেম রানা ও শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করান। মুফতি হান্নান গ্রেপ্তার থাকার সময় আসামি শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল গ্রেপ্তার হয়। সে মুফতি হান্নানের কাছ থেকে গ্রেনেড সংগ্রহ করে ২০০৪ সালে সিলেটে (ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার) আনোয়ার চৌধুরীর ওপর একই প্রকার আর্জেস গ্রেনেড আক্রমণের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও তৎকালীন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি (পরে আইজিপি) আসামি খোদা বক্স চৌধুরী, বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সহযোগী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান জ্ঞাতসারে মামলায় প্রকৃত আসামিদের বাঁচাবার জন্য মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখাননি এবং অন্যান্য বোমা ও গ্রেনেড হামলার ঘটনায় স্বীকারোক্তি নেওয়া সত্ত্বেও এ মামলার ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করাননি। এ ছাড়া গ্রেনেড সরবরাহকারী হিসেবে আসামি মাওলানা তাজউদ্দিনের নাম তদন্তকালে প্রকাশ পেলেও তাকে গ্রেপ্তারের কোনো পদক্ষেপ নেননি।

    হামলায় গ্রেনেড সরবরাহকারী মাওলানা তাজউদ্দিনকে দেশের বাইরে চলে যেতে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডিউকসহ ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। তাদের ভূমিকা সম্পর্কে অভিযোগপত্রে বলা হয়, গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জ্ঞাতসারে হামলায় গ্রেনেড সরবরাহকারী মাওলানা তাজউদ্দিনকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পিএস-২ লে. কমান্ডার (অব) সাইফুল ইসলাম ডিউক, তার ভায়রা ভাই ডিজিএফআইর সিটিআইবির জিএসও-১ লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার এবং তৎকালীন সিটিআইবির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মেজর জেনারেল (অব) এটিএম আমিন মূল অপরাধীদের রক্ষার লক্ষ্যে বাদল নামীয় পাসপোর্ট দ্বারা তৎকালীন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়। এ ছাড়া তারা তাজউদ্দিনের ভাই আবদুস সালাম পিন্টুকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করার পর তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি ফজলুল কবিরকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়েছিলেন।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার মাসুম ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail