ঢাকা | শনিবার | ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ | ৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart



    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    নির্বাচন নয় নির্বাসন
    এনবিএস | Thursday, November 1st, 2018 | প্রকাশের সময়: 12:58 pm

    নির্বাচন নয় নির্বাসননির্বাচন নয় নির্বাসন

    – মাকসুদা লিমা –

    ১৯৭১ সাল। এই বিশেষ সালটি চেনেনা এমন কোন মানুষ নেই বাংলাদেশের বুকে। ধীরে ধীরে আলোচনা-সমালোচনার ৪৭ বছর ১৯৭১ সাল থেকে আজ ২০১৮। এই পর্যন্ত বাংলার মাটিতে দেশের জন্য রাজনৈতিক কারণে হাজারো বাঙ্গালিকে রক্ত দিতে হয়েছে। ঝগড়া বিবাদ, মারামারি, হানাহানি, হত্যা, গুম এই সব ছাড়া দেশের মানুষ একটি দিনও সুন্দর সকালটাকে গ্রহণ করতে পারে না। এর জন্যই কি বাঙালি জাতি তাদের রক্ত বিসর্জন দিয়েছিল। তার ফলে তারা কি পেল এ আমরা ভেবে দেখিনা। যেই দেশের মানুষ আজও ঠিকমত তিনবেলা আহার পায় না। বেকার জীবন নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায়। কিছু আমলাদের জন্য শিক্ষার মূল্যায়ন হয় না এ দেশে। এর নাম বাংলাদেশ।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর বেশি দেরি নেই। দরজার কাছে ঠকঠক করে কড়া নাড়ছে। চারদিকে সাজা সাজ রব বয়ে বেড়াচ্ছে মিটিং মিছিল, সভা, জনসভা ইত্যাদি। রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ সবাই এই বিষয়টি নিয়ে উত্তাপ। সকল গণমাধ্যম ও এর সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা এই একটি বিষয় নিয়ে অতি ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিটি জেলা, গ্রাম, শহর, অলিতে গলিতে মানুষের মুখে মুখে নির্বাচনের আলাপ চারিতা। নির্বাচনকে ঘিরে যেমনিভাবে আনন্দ বিরাজ করছে ঠিক অপর দিকে ভয়ভীতিও কাজ করছে। নির্বাচন তখন আর নির্বাচনের আনন্দ পরিবেশ নিয়ে আসে না। আসে নির্বাসনকে ঘাড়ে নিয়ে। 

    বিএনপি, প্রায় এক যুগ ধরে সরকার ও সংসদের বাইরে অবস্থান করছে। দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী। মামলার বোঝা নিয়ে দলটির হাল যিনি ধরবেন তিনি হলেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় সাজা হওয়ায় দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। দলটির অনেক নেতা কর্মীও বিভিন্ন মামলায় কারাগারে। তাদরেও মাঠে নামার সুযোগ নেই। 

    নির্বাচনের সেই চিরচেনা পরিবেশ এখন এখন প্রকৃতপক্ষে বোঝা যাচ্ছে না। নির্বাচনমূলত সাধারণ মানুষরে কাছে একপ্রকার উৎসবের উপলক্ষ। সেই উৎসব উৎসব পরিবেশটা গড়ে উঠছে না। সাধারণ মানুষ আসলে সেই মুখরিত জাতীয় নির্বাচনের অপেক্ষায়। এখন বেশিকিছু সময় বাকি আছে, হয়ত সেই পরিবেশ গড়ে উঠবে নির্বাচনের আগেই। পাশাপাশি নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নিরাপদ হয়, মানুষ সেটাও আশা করে। মানুষের নিরাপত্তার আশ্বাস থাকতে হবে। তাদের ভোট প্রদান করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।

    বর্তমানে নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল গণমাধ্যমেও আলোচনায় সব পক্ষের অংশগ্রহণে সমান সুযোগের বিষয়টি উঠে এসেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপক্ষ এবং দেশের যত রাজনৈতিক ছোট বড় দল আছে সব পক্ষের জন্য সমান সুযোগের ভিত্তিতেই হওয়া উচিৎ। তবেই মানুষ বাংলাদেশের জন্য একজন সঠিক প্রার্থীকে বেছে নিতে পারবেন। দেশের শান্তি বজায় আসবে।

    আমি মনে করি একটি দেশের নির্বাচন কমিশনকে একজন ফুটবল রেফরি অথবা ক্রিকেটের আম্পেয়ারের ভূমিকা পালন করা উচিৎ, নির্বাচনের মাঠে যাকে ঘিরে থাকবে না কোন সংশয়, কোন আলোচনা-সমালোচনা। চেষ্টা করতে হবে সব দলের অংশগ্রহণে কিভাবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগণকে উপহার দেওয়া যায়। জনগনের আস্থা অর্জন করতে পারলে নির্বাচনও সঠিক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

    বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম দেয়া হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। সত্য বলতে কি এই দেশে গণতন্ত্রের উপস্থিতি এখন আর পাওয়া যায়, না গণতন্ত্র বলতে আমরা যেটা বুঝি বা জানি- জনগণের মতামত ও সংগঠনের অবাধ অধিকারকে স্বীকার করা হয়। আব্রাহাম লিংকনের মতে “গণতান্ত্রিক সরকার হল সেই সরকার, যে সরকার জনগণেরই সরকার, জনগণের জন্য গঠিত সরকার”। কিন্তু বর্তমানে এই গণতন্ত্র হয়ে গেছে ধনী ও অভিজাতদেরই নিরস্ত স্বার্থ রক্ষার তন্ত্র। মূলত পাকিস্তানের শাসক আইয়ুব খান ষাটের দশকে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। তিনি বলেছেন, জনগণই শেখর বা মূল শক্তি। সুতরাং জনগণই সরাসরি ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবে।

    বিবেচনা করলে দেখা যায়, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন দিয়ে প্রমাণ করা যায় না, যেমনিভাবে একটি ছাত্র ভালো ছাত্র কিনা এটা শুধু তার পরীক্ষার নম্বর বা গ্রেড দেখে প্রমাণ করা যায় না। তেমনি গণতন্ত্রকে চিনতে হলে সেখানে চেতনার বিষয় রাষ্ট্র ও সমাজের গঠন এগুলি থাকতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য নির্বাচন খুবই জরুরী, যার কারণে এই নির্বাচনের আয়োজন।

    কারণ ইচ্ছে করলেই যে কারোর হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া যায় না। তাতে দেশ রক্ষা, জনগণের অধিকার আদায় এগুলি কিছুই সঠিকভাবে হবে না। তাই জনগণ যাকে এই দেশের জন্য যোগ্য মনে করবেন, তাকেই নির্বাচিত করবেন, তাদের ভোটের মাধ্যমে।

    তাই প্রথমেই ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। কোন কিছু নিয়মের বাইরে হলে প্রকৃত শান্তি আসবে না। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন না হলে সেটা নির্বাসনই হবে। সেটা দেশের জনগণ চাইবেও না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এখন জোড় যার মুল্লুক তার। যত যাই বলা হোক, সঠিক সময় সঠিক কাজটি  হতে হবে। একটি নিরপক্ষে নির্বাচনই একটি দেশের বা রাষ্ট্রের সুফলতা বয়ে আনতে সাহায্য করে। আর এই জন্য কাজ করতে হবে সবাইকে। সেটা সবার অর্থাৎ বর্তমানে যারা দেশ পরিচালনা করছেন, ভবিষ্যতে যারা করবেন এবং সকল স্তরের জনগণের। 

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail