ঢাকা | বুধবার | ২২ মে, ২০১৯ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ | ১৬ রমযান, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ সিইসির
    এনবিএস | Thursday, December 6th, 2018 | প্রকাশের সময়: 5:13 am

    নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ সিইসির  নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে সক্রিয় হওয়া তাগিদ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। সিইসি বলেছেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের দিকে সারা জাতি তাকিয়ে থাকেন নির্ভরতার দৃষ্টিতে। ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের হতে হবে ‘প্রএকটিভ ও ভাইব্রেট’। কমিটির সদস্যদের সজাগ ও সতর্ক উপস্থিতি নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনাদের কাছে ভোটার, প্রার্থীরা আসবেন সমস্যা বলবেন। আপনারা সমাধান দেবেন।  বুধবার (৫ ডিসেম্বর) অাগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।  তিনি বলেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের ভিজিবল হতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনারা ভিজিবল না। আপনারা কাজের মাধ্যমে তা এখনও করতে পারেন নি। সুযোগ হয় নি। এখনো গুছিয়ে উঠতে পারেন নি। আমাদের কাছে শত শত অভিযোগ আসছে। অথচ ওই অভিযোগ গুলো আমাদের কাছে না এসে আপনাদের কাছে যাবার কথা ছিল।  নূরুল হুদা বলেন, তাদের(ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্য) উপর দায়িত্ব পড়েছে, যারা সংসদ পরিচালনা করবেন তারা কিভাবে নির্বাচিত হন, তা দেখার। নির্বাচনী আচরণ বিধি দেখভালের সুযোগও। বিচারকদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  সিইসি বলেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির অর্থ হচ্ছে নির্বাচন পূর্ববর্তী কমিটি। ৩০০ আসনের পূর্ববর্তী পরিস্থিতি, অনিয়ম দেখার জন্য ১২২টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আচরণ বিধির ১৭ ধারায় বিচারকদের দায়িত্ব বলে দেয়া হয়েছে।  এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রথম ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি কাজ করে। তবে এবারই প্রথম ভালভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।  তিনি বলেন, এতে স্পষ্ট যে, আপনাদের সাথে ভোটারদের ও প্রার্থীদের পরিচয় নেই। পরিচিতি না হবার কারণে যে কোনো অভিযোগ সরাসরি নির্বাচন কমিশনে আসছে। আপনাদের কাছে যাচ্ছে না। এটা প্রত্যাশিত ছিল না। অভিযোগ আপনাদের কাছে যাবে। অভিযোগ শুনবেন। ব্যবস্থা নেবেন। আপনাদের তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো প্রার্থী তার প্রার্থীতা হারাতে পারে। যিনি আপনাদের কথা শুনবেন না, তাদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডে ১৯৩ ধারা মতে ৭ বছরের জেল হবে, মিথ্যে তথ্য দিলে ও আদেশ না মানলে ২২৮ ধারায় তাদের বিচার হবে।  সিইসি বলেন, কোড অব সিভিল প্রসিডিউর এর ১৯০৮ এর সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে মাঠে শক্ত অবস্থান নেবার কথা বলা হয়েছে। এই মাঠ আপনাদের চেম্বারের বাইরে। একে বারে প্রার্থী, ভোটার ও সমস্যার মুখোমুখি। আচরণ বিধি যারা লঙ্ঘন করবে তাদের মুখোমুখি। এটা অন্যরকম একটা দায়িত্ব। প্রত্যেকটা মানুষের ও সমস্যার কাছাকাছি থাকার ব্যবস্থা করা।  তিনি বলেন, ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের ‘প্রএকটিভ ভাইব্রেট’ হতে হবে। ৩০০ আসনে ১২২ টি জায়গায় আপনাদের এরিয়া ভাগ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে লোকজন আপনাদের কাছে সমস্যা উপস্থাপন করলে সমাধান দেবেন। আমরা আশা করেছিলাম। গত ২৫ নভেম্বর ইনকোয়ারি কমিটি গঠনের পর অত্যন্ত ১২২ টি তদন্ত করার কথা ছিল হয় নি। ২২টিও হয় নি। তবে হবে। আপনারা এবার ফিরে গিয়ে মানুষের অভিযোগ শুনবেন, সমাধান দেবেন। মানুষকে যেন ঢাকা পর্যন্ত আসতে না হয়।  নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন অাহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনের কমিশনার মাহবুব তালুকদার মো. রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী(অব:) ও নির্বাচনী প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউটেরর মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক।নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ সিইসির

    নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে সক্রিয় হওয়া তাগিদ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। সিইসি বলেছেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের দিকে সারা জাতি তাকিয়ে থাকেন নির্ভরতার দৃষ্টিতে। ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের হতে হবে ‘প্রএকটিভ ও ভাইব্রেট’। কমিটির সদস্যদের সজাগ ও সতর্ক উপস্থিতি নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনাদের কাছে ভোটার, প্রার্থীরা আসবেন সমস্যা বলবেন। আপনারা সমাধান দেবেন।

    বুধবার (৫ ডিসেম্বর) অাগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের ভিজিবল হতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনারা ভিজিবল না। আপনারা কাজের মাধ্যমে তা এখনও করতে পারেন নি। সুযোগ হয় নি। এখনো গুছিয়ে উঠতে পারেন নি। আমাদের কাছে শত শত অভিযোগ আসছে। অথচ ওই অভিযোগ গুলো আমাদের কাছে না এসে আপনাদের কাছে যাবার কথা ছিল।

    নূরুল হুদা বলেন, তাদের(ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্য) উপর দায়িত্ব পড়েছে, যারা সংসদ পরিচালনা করবেন তারা কিভাবে নির্বাচিত হন, তা দেখার। নির্বাচনী আচরণ বিধি দেখভালের সুযোগও। বিচারকদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সিইসি বলেন, ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটির অর্থ হচ্ছে নির্বাচন পূর্ববর্তী কমিটি। ৩০০ আসনের পূর্ববর্তী পরিস্থিতি, অনিয়ম দেখার জন্য ১২২টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আচরণ বিধির ১৭ ধারায় বিচারকদের দায়িত্ব বলে দেয়া হয়েছে।

    এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রথম ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি কাজ করে। তবে এবারই প্রথম ভালভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

    তিনি বলেন, এতে স্পষ্ট যে, আপনাদের সাথে ভোটারদের ও প্রার্থীদের পরিচয় নেই। পরিচিতি না হবার কারণে যে কোনো অভিযোগ সরাসরি নির্বাচন কমিশনে আসছে। আপনাদের কাছে যাচ্ছে না। এটা প্রত্যাশিত ছিল না। অভিযোগ আপনাদের কাছে যাবে। অভিযোগ শুনবেন। ব্যবস্থা নেবেন। আপনাদের তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো প্রার্থী তার প্রার্থীতা হারাতে পারে। যিনি আপনাদের কথা শুনবেন না, তাদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডে ১৯৩ ধারা মতে ৭ বছরের জেল হবে, মিথ্যে তথ্য দিলে ও আদেশ না মানলে ২২৮ ধারায় তাদের বিচার হবে।

    সিইসি বলেন, কোড অব সিভিল প্রসিডিউর এর ১৯০৮ এর সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে মাঠে শক্ত অবস্থান নেবার কথা বলা হয়েছে। এই মাঠ আপনাদের চেম্বারের বাইরে। একে বারে প্রার্থী, ভোটার ও সমস্যার মুখোমুখি। আচরণ বিধি যারা লঙ্ঘন করবে তাদের মুখোমুখি। এটা অন্যরকম একটা দায়িত্ব। প্রত্যেকটা মানুষের ও সমস্যার কাছাকাছি থাকার ব্যবস্থা করা।

    তিনি বলেন, ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের ‘প্রএকটিভ ভাইব্রেট’ হতে হবে। ৩০০ আসনে ১২২ টি জায়গায় আপনাদের এরিয়া ভাগ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে লোকজন আপনাদের কাছে সমস্যা উপস্থাপন করলে সমাধান দেবেন। আমরা আশা করেছিলাম। গত ২৫ নভেম্বর ইনকোয়ারি কমিটি গঠনের পর অত্যন্ত ১২২ টি তদন্ত করার কথা ছিল হয় নি। ২২টিও হয় নি। তবে হবে। আপনারা এবার ফিরে গিয়ে মানুষের অভিযোগ শুনবেন, সমাধান দেবেন। মানুষকে যেন ঢাকা পর্যন্ত আসতে না হয়।

    নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন অাহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনের কমিশনার মাহবুব তালুকদার মো. রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী(অব:) ও নির্বাচনী প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউটেরর মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail