ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ | ৫ রবিউস-সানি, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরির সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    আজ ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবস 
    এনবিএস | Thursday, December 6th, 2018 | প্রকাশের সময়: 3:52 pm

    আজ ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবস আজ ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবস 

    কুলেন্দু শেখর দাস,সুনামগঞ্জ – ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ হানাদারমুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের ১৫ই আগষ্ট মহান মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেরিগাঁও গ্রামে ভয়াবহ যুদ্ধ হয় তৎকালীন পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর সাথে এ সময় সম্মুখ যুদ্ধে অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন । এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আরো প্রায় দুই শতাধিক  মুক্তিযোদ্ধ শহীদ হয়েছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শহীদদের স্মরণে গণ-কবরগুলোতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের  দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। 

    উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের বেরিগাঁও ৫নম্বর সেক্টর ছিল ভারতের বালাট সাব সেক্টরের অধীনে। এখানে ’৭১ সালের ১৫আগস্ট ভোরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্থানী বাহিনীর সম্মুখে সমরে ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। জেলার অন্যতম যুদ্ধ ছিল এটি। এ যুদ্ধে অনেক পাকবাহিনীর সদস্যরা ও নিহত হন।
    এ যুদ্ধে ৮জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ২৬জন মুক্তিযোদ্ধাকে জীবিত ধরে নিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। ২জন মুক্তিযোদ্ধা পালিয়ে আসলেও  পরে  বেরিগাঁও ৫ নম্বর সেক্টরে আরো ২২জনকে মেরে ফেলে পাক বাহিনী।  শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের এনে সুরমা ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে গনকবর দেয় পাকিস্থানীরা । বাকীদের ধরে নিয়ে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা  সুনামগঞ্জের  আহসানমারা ফেরীঘাটে নিয়ে ২ জনকে গুলি করে নদীতে ফেলে দেয়। এলাকার মুক্তিকামী মানুষ পরে নদী থেকে নিহত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ তালেব ও কৃপেশ দাসের লাশ এনে দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার উজানীগাঁও গ্রামে তাদের সমাহিত করা হয়।  এছাড়াও হানাদার বাহিনীর সদস্যরা  জেলার ছাতকে ১৪ জন,দোয়ারাবাজারে ২৬ জন,জামালগঞ্জে ১০ জন,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ১২ জন,দিরাইয়ে ১৫ জন, জগন্নাথপুরে ১০ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৮ জন ও শাল্লা উপজেলায় ১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা। 
    এ যুদ্ধের পর অনেকেই মুগাই নদী পাড় হয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরবর্তীতে বর্ননা করেন ভয়াবহ স্মৃতির। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে গনকবর  হিসেবে উল্লেখযোগ্য নলুয়া গ্রামে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে। 
    স্বাধীনতা সংগ্রামের ৪৭ বছর পর ও সুনামগঞ্জ জেলার অসংখ্য যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এখনো অনেকেই পঙ্গু হয়ে, কেউ বা  রিক্রা চালিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করে  চলেছেন। কিন্তু  বিগত সরকার কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে তারা যথাযথ মূল্যায়ন পায়নি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন  হওয়ায় তাদের প্রত্যাশা অনেক বেশী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার তাদের অন্ন বন্ত্র বাসস্থান ও রেশনের ব্যবস্থা সহ সবধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করবে বিজয়ের মাসে এমনটাই প্রত্যাশা  করছেন জেলার যুদ্ধাহত সকল মুক্তিযোদ্ধারা।

    এ ব্যাপারে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদ বলেন,স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ পূর্ণ গঠনে যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্যস্ত ছিলেন স্বাধীনতার তিনবছরের মাথায় স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্রুরা ১৯৭১ সালের ১৫ই আগষ্ট তাকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্যে দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছিল। ফলে দেশের মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন অবহেলিত। কিন্তু জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্টিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতা প্রদানসহ নানান ধরনের সুযোগ সুবিধা সুষ্টি করেন। পাশপাশি তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করে জাতিকে কলংঙ্কমুক্ত করেন।

    এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল আহাদ বলেন,সুনামগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি  গৌরব উজ্জল গাথাঁ ইতিহাস ধারন করে আছে সারাদেশব্যাপী । এ জেলার দোয়াবাজার উপজেলার বাশঁতলা,তাহিরপুরের ট্যাকেরঘাট,সদর উপজেলার ডলুরা ও ধর্মপাশা উপজেলার বংশিকুন্ডা এই চারটি স্থানে মুক্তিযুদ্ধের বড় স্মৃতি স্থাপনা রয়েছে। বাশঁতলায় একটি পর্যটন স্মৃতি স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই স্মৃতি স্থাপনাগুলো সংরক্ষন করা গেলে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সুনামগঞ্জে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস ঐহিত্য সর্ম্পকে জানতে পারবে। এজন্য সরকার ও প্রশাসনের তরফ থেকে এই স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষন করা হবে বলে জানান। 
     

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৮

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার মাসুম ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ ৭৩৪৩৬২৩, +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail