ঢাকা | বুধবার | ২০ মার্চ, ২০১৯ | ৬ চৈত্র, ১৪২৫ | ১২ রজব, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ফুলবাড়ীর এক সময়ের খরস্রোতা শাখা যমুনা নদীটি এখন মরা খাল
    এনবিএস | Wednesday, January 9th, 2019 | প্রকাশের সময়: 8:32 pm

    ফুলবাড়ীর এক সময়ের খরস্রোতা শাখা যমুনা নদীটি এখন মরা খালফুলবাড়ীর এক সময়ের খরস্রোতা শাখা যমুনা নদীটি এখন মরা খাল

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরস্রোতা শাখা যমুনা নদীটি এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। নদীর তলদেশ ভরে উঠেছে,সে কারনে বছরের বেশি ভাগ সময় এ নদীতে পানি থাকে না, কিছু কিছু যায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে, নদীর বুক চিরে পুরোদমে চলছে চাষাবাদ। অথচ এক সময় এই নদীই ছিল এই অঞ্চরের মানুষের জিবন-জীকার একমাত্র উৎস, এখন সে সব শুধুই স্মৃতি।

    ফুলবাড়ী উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া এই শাখা যমুনা নদিটি, দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার বিন্যাকুিড় নামক স্থানে ইছামতি নদি থেকে উৎপত্তি হয়ে জেলার ফুলবাড়ী, উপজেলা হয়ে, জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলা দিয়ে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ত্রিমোহনি যমুনা ও আত্রই নদিতে মিলিত হয়েছে। দিনাজপুর পানি উন্নায়ন বোর্ড জানিয়েছে, আকাঁ-বাকাঁ পথে এই নদিটির দৈর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন’শ কিলোমিটার, এর মধ্যে ফুলবাড়ী উপজেলায় রয়েছে প্রায় ২০ কিলোমিটার। এই নদিটি এক সময় এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতে একমাত্র মাধ্যম ছিলো।  এই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে নদির তীরে গড়ে উঠেছে শহর এবং হাজারো বসতি।

     এই নদির পানি দিয়ে এক সময় চলতো এই অঞ্চলের কৃষকের চাষাবাদ ও ঘর-গৃস্থালীর কাজ। এই নদির মাছ দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের মাছের চাহিদা পুরোন হতো, জিবীকা নির্বাহ করতো অনেক জেলে সম্প্রদয়েরা, সেই নদিটি এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। নদীটি দির্ঘ সময় সংস্কার না করায়, প্রতিবছর বন্যায় নদীর তলদেশে পলি জমে নদীটির নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে, নদীর পাড় দখল করে অনেকে গড়ে তুলেছে দালান কোটা, নদিতে ফেলছে ময়লা আবর্জনা নদীকে করছে দুষন । 

    সরজমিনে দেখা যায় নদীটিতে বছরে বেশিভাগ সময় পানি থাকেনা, নদীর বুক চিরে এখন বিভিন্ন রকমের ফসল চাষাবাদ করা হচ্ছে। ফসল উৎপাদন করতে নদীর পাড় কেটে জমি তৈরী করছে অনেকে, এই কারনে বন্যা আসলেই নদীতে পালির স্তর আরো বেশি করে জমে যাচ্ছে। এক সময় কৃষকরা নদীর পানি দিয়ে চাষাবাদ করলেও, এখন নদীতে পানি না থাকায় সেচপাম্প এর উপর নির্ভর করতে হচ্ছে কৃষকদের। নদি পাড়ের বাসীন্দারা বলছেন নদীতে পানির ধারন ক্ষমতা না থাকায়, বর্ষাকালে অল্প বৃষ্টিপাতে বন্যা হয়ে যায়, নদীর পানি ঘর-বাড়ীতে প্রবেশ করে এতে করে প্রতি বছল বন্যার সময় ঘরবাড়ী ধ্বংশ হয়ে যায়।

    নদী পাড়ের কৃষকেরা বলছেন, নদীতে পানি না থাকায় সেচ পাম্প দিয়ে চাষাবাদ করতে হচ্ছে, এতে উৎপাদন খরছ বাড়ছে তাই নদিটি দ্রুত খনন করা প্রয়োজন। তারা আরো বলেন নদীটি সময় মতো সংস্কার করা না হলে এক সময় বিলিন হয়ে যাবে এ নদী, তাই দ্রুত সংস্কার করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সমাজের সচেতন মানুষ। নদী পাড়ের বাসীন্দা চাঁদপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন এই নদিটির এক সময় প্রান ছিল সারা বছরে নদিতে পানি ছিল এই নদীর পানি দিয়ে ঘর-গৃস্থারীর কাজ ও জমির সেচ কাজ চলতো। এখন নদিতে পানি না থাকায় সেচপাম্প বসিয়ে পানি সেচ দিতে হচ্ছে এতেকওে পরিবেশ বিপর্য্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে, একই কথা বলেন চাদপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ইউনুছ আলী।

    নদী বাচাঁও আন্দোলনের ফুলবাড়ী নেতা পল্লী চিকিৎসক ওয়াজেদুর রহমান বাবলু বলেন, নদির সাস্থ্য ভাল থাকলে দেশের স্বাস্থ্য ও মানুষের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, নদিওর স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে গেলে, দেশের স্বাস্থ্য ও মানুষের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। এখন নদির স্বাস্থ্য ভাল নাই দেশে ও মানুষের স্বাস্থ্যও ভাল নাই। তিনি বলেন আমাদের প্রকুতি বিজ-বৈচিত্র সবেই নির্ভর করে নদির উপর, তাই নদিকে বাচাঁতে হবে, এই জন্য তিনি নদিটিকে উদ্ধার করার জন্য জোর দাবী জানান।

    এদিকে উপজেলা মৎস অধিদপ্তর জানিয়েছে, নদীতে পানি না থাকায় দেশি প্রজাতির মাছের বংশ হারিয়ে যাচ্ছে, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী সাধু পানিতে ২০১ প্রকার প্রজাতির মাছ থাকলেও, এই অঞ্চলে প্রায় ৫০ প্রকার মাছ আর দেখা যায়না।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছা: মাজনুন্নাহার মায়া বলেন, ২৬৫ প্রকার প্রজাতির মাছ সাধু পানিতে থাকে, এর মধ্যে এখন সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২০১ প্রকার মাছের বংশ রয়েছে, এর মধ্যে এই অঞ্চলে প্রায় ৫০ প্রকার প্রজতীর মাছ আর দেখা যায়না, বাকি মাছ গুলো চাষের মাধ্যমে বংশ ধরে রাখার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। তিনি বলেন নদিতে সারা বছর পানি না থাকায় দেশি প্রজাতীর মাছের বংশ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

    ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন, নদীর পানির বহমান রক্ষা করার জন্য সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছে,তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন এই প্রকল্পটি এই উপজেলাতেও শুরু হবে, এই প্রকল্পটি এই উপজেলায় শুরু হলে এই শাখা যমুনা নদিটির  সংস্কার করা হবে।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail