ঢাকা | রবিবার | ১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ৩ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৬ জিলহজ্জ, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    কলেজ সরকারি, শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরি বেসরকারি
    এনবিএস | Monday, February 11th, 2019 | প্রকাশের সময়: 10:59 am

    কলেজ সরকারি, শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরি বেসরকারিকলেজ সরকারি, শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরি বেসরকারি


    শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে গত বছরের আগস্টে একযোগে সারাদেশের ২৯৯টি বেসরকারি কলেজ সরকারি করা হয়। কিন্তু ওসব সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি বেসরকারিই রয়ে গেছে। পদ সৃষ্টি না হওয়ায় তাদের সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণ করা যায়নি। ২৯৯টি কলেজে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। তাদের অনেকেই গত ৫ মাসে অবসরে চলে গেছেন। আবার অনেকের অবসরের সময় আসন্ন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুসাওে ওসব কলেজে ডিগ্রি থাকলে প্রতিটি বিষয়ে ৩ জন, অনার্স থাকলে কমপক্ষে ৭ জন এবং মাস্টার্স থাকলে কমপক্ষে ১২ জন শিক্ষক থাকার কথা। তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কর্মচারীও থাকবে। কিন্তু অবসরজনিত কারণে পদ শূন্য হওয়ায় অনার্স স্তরে অনেক বিভাগে (বিষয়ে) পড়াচ্ছেন একজন মাত্র শিক্ষক। এতে কলেজগুলোর একাডেমিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


    সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সরকারি কলেজেবিহীন প্রতি উপজেলায় একটি করে বেসরকারি কলেজ সরকারীকরণের আওতায় সরকারের গত মেয়াদে মোট ৩২৪টি কলেজ সরকারি করা হয়। তার মধ্যে গত বছরের ১২ আগস্ট একই দিনে এক আদেশে ২৯৯টি কলেজ সরকারি হয়। ওই কলেজগুলোতে সরকারিভাবে শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃষ্টি না হওয়ায় কর্মরতরা কেউ আত্তীকরণ হতে পারেননি। ওসব কলেজের শিক্ষকের মর্যাদা এবং বদলি ও পদোন্নতি কীভাবে হবে তা নির্ধারণ করতেই দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যায়। পরে 'আত্তীকরণ বিধিমালা-২০১৮' নামে নতুন বিধি প্রণয়ন করে ওই ২৯৯টি কলেজ সরকারি করা হয়। তবে ৩২৪টি কলেজের বাকি কলেজগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা 'আত্তীকরণ বিধিমালা-২০০০' অনুসারে সরকারি হওয়ায় তাদের ক্ষেত্রে পদ সৃষ্টির জটিলতা তৈরি হয়নি। 


    নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ওসব কলেজের শিক্ষকরা সরকারি হওয়ার পর পিএসসির অধীনে পরীক্ষা দিয়ে ক্যাডারভুক্ত হতে পারবেন। আবার নন-ক্যাডার হিসেবেও থাকতে পারবেন। চাকরি সরকারি না হওয়ায় ওসব কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি ও আগের বেতন-ভাতাই চালু রাখা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে যাদের বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা আছে, তারা সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে পরীক্ষা দিয়ে বিসিএস ক্যাডারভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। যারা ক্যাডারভুক্ত হবেন, তারা বদলি হতে পারবেন। আর যারা পরীক্ষা দেবেন না, তারা নন-ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে নিজ নিজ কলেজেই চাকরি করতে থাকবেন। বদলিও হতে পারবেন না।


    সূত্র জানায়, সরকারি পদ সৃষ্টি করা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। ওই কাজে শিক্ষা, অর্থ, জনপ্রশাসন ও সচিব কমিটির অনুমোদন লাগে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইতিমধ্যে সরকারি হওয়া কলেজে পদ সৃজনের জন্য ৪টি কলেজের চারটি পৃথক মডেল ধরে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।  এখন যে মডেলটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাবে, তা অনুসরণ করে বাকি সব কলেজে পদ সৃষ্টি করা হবে। তাছাড়া প্রতিটি কলেজের প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মচারীর তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অনেক সময় প্রয়োজন। কারণ সরকারীকরণের সময় কতিপয় দুস্কৃতকারী লোক নানা কায়দায় সরকারি চাকরিতে অন্যায়ভাবে প্রবেশের সুযোগ খোঁজে।


    সূত্র আরো জানায়, বেসরকারি কলেজের শিক্ষক অবসরে গেলে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের সামান্য কিছু টাকা ছাড়া শিক্ষকরা বলতে গেলে কিছুই পাবেন না। অথচ সরকারি শিক্ষক হিসেবে অবসরে গেলে পেনশন পাওয়া যেত। তাছাড়া কলেজ সরকারি হওয়ায় সেখানে বেসরকারিভাবে আর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না। অথচ কলেজ সরকারি হওয়ার আদেশের পর অনেকেই অবসরে চলে যাওয়ায় অনেক পদ শূন্য হয়ে গেছে। ফলে শিক্ষক সংকটে অনেক কলেজেই রুটিনমাফিক ক্লাস চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। 


    এদিকে শিক্ষকরা বলছেন, প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করে তাদের আত্তীকরণে দেরি করা হচ্ছে। বছর পেরিয়ে গেলে অনেক শিক্ষকের চাকরিকালও কমে যাবে। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আত্তীকরণ বাস্তবায়নের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। চলতি মাসেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পদ সৃষ্টির ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে।


    অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক জানান, সরকারি হওয়া কলেজগুলোর জনবলের চারটি পৃথক প্যাটার্ন তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দেয়া হয়েছে। তারা যেটি অনুমোদন করবে, সেটিই অনুসরণ করা হবে। পাশাপাশি একাডেমিক সমস্যার বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।


    এ প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন জানান, জনপ্রশাসন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর সব শিক্ষক-কর্মচারীকে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে। তারপর তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে ক্যাডারভুক্তির জন্য বিধিমালায় যে পরীক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে, সেখানে সবাই পরীক্ষা দিতে পারবেন না। যেমন কারও বয়স যদি ৫৯ বছর হয়, তিনি তো আর পরীক্ষা দিতে যাবেন না। এ রকম কিছু বিষয় সম্পর্কে পৃথক আরেকটি বিধি করবে পিএসসি। তাতে নির্ধারণ করা হবে কারা কোন যোগ্যতা থাকলে ক্যাডারভুক্তির জন্য পরীক্ষা দিতে পারবেন।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail