ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২১ মার্চ, ২০১৯ | ৭ চৈত্র, ১৪২৫ | ১৩ রজব, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি: আমরা কি ভুলতে পারি
    এনবিএস | Thursday, February 21st, 2019 | প্রকাশের সময়: 12:47 pm

    রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি: আমরা কি ভুলতে পারিরক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি: আমরা কি ভুলতে পারি

    – এফ আই মাসুদ – 

    রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি। বাহান্নর মহান ভাষা আন্দোলন। রক্তে রাঙানোর ঐতিহাসিক দিনটি বাঙালি জাঁতি কোনো দিনই ভুলতে পারবে না, তা চোখ বুজেই বলে দেয়া যায়। স্মৃতিঘেরা এই দিনটির দিকে যদি আমরা পেছন ফিরে তাকাই তাহলে আমাদের চোখে ফুটে ওঠে প্রতিটি বছরের একুশে ফেব্রুয়ারির ভোররাতের চিত্র। শুধুমাত্র ঢাকা শহরের নয়, জেলা শহর নয়, উপজেলাগুলো এবং সেখান থেকে প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রাম সর্বত্র একুশের প্রভাতফেরি নগ্নপদে অসংখ্য তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধÑবৃদ্ধা সবাই ছুটে চলে নিজ নিজ এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে।

    ইতিহাসের ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠা করার ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্র মিছিলের ওপর বর্বর হামলা চালায় পুলিশ। আর পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা আরও অনেকে। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। পরপর আরও দু’দিন গুলি চলে মিছিলের ওপর। এর ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হয়। স্বাধীন সত্তা আর স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত হয় বাঙালির মনে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের মোড় ঘুরে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিজ ভূখ-ে নিজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির এদিনের ত্যাগ আর গৌরবের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয় শহীদ দিবস, ভাষা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ভাষা হিসেবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা মর্যাদা দেয়ার দাবি ওঠে। দাবি আদায়ের আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ পায় ১৯৫২ সালে এসে। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী আন্দোলন দমন করতে পুলিশ বাহিনীকে লেলিয়ে দেয় ছাত্র সমাজসহ আন্দোলনরত ভাষা সংগ্রামীদের ওপর। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। ঘনিয়ে আসে ২১ শে ফেব্রুয়ারি। সকাল ১০টায় মেডিকেল কলেজের আমতলায় সমবেত হয় শিক্ষার্থীরা। জরুরি আইন ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত নেয় ছাত্ররা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে ছাত্ররা মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। মেডিকেল কলেজের সংস্কার কাজের জন্য স্তূুুুুুপ করা ছিল ইট। পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এই ইট নিক্ষেপ করে তাদের ওপর। একপর্যায়ে পুলিশ বৃষ্টির মতো গুলি বর্ষণ করে ছাত্রদের ওপর।

    ১৯৪৭ সালে ইংরেজ শাসন শেষ হয়। পাকিস্তান নামে গঠিত হয় নতুন রাষ্ট্র। কিন্তু এতে বাঙালিদের কোনো সুবিধা হয় না। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালিদের বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাহ্যিক স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু কাজকর্মে নয়।

    একুশে ফ্রেব্রুয়ারিতে যে বর্বর হত্যাকা- সাধিত হয়েছিলো, তা স্বরণ করার জন্য প্রতি বছর ভাবগম্ভীর পরিবেশে শহীদ দিবস উদ্যাপন করা হয়। কিন্তু একুশে ফেব্রুয়ারি কেবল শহীদ দিবস পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বাঙালির জীবনের সবখানে তা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাই বাঙালিতে স্বাধিকার আন্দোলনে উদ্ধুদ্ধ করে। এরই মাধ্যমে বাঙালি আত্মসচেতন হয়ে ওঠে। তারা নিজেদের অধিকার আদায় করার জন্য লড়াই করতে প্রস্তুত হয়। একুশের প্রেরণা থেকেই ১৯৬৯ সালে দেশব্যাপী আন্দোলন হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বাঙালির সংগ্রামী চেতনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়। মাতৃভাষার মর্যাদা আদায় করতে গিয়ে বাঙালিদের মধ্যে একতা আসে। শোষণ থেকে মুক্ত হবার কথা তারা ভাবতে শেখে। বাঙালির জাতীয়তাবোধের বিকাশ ঘটে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই জাতীয়তাবোধ বিশেষভাবে কার্যকর হয়েছিলো। তাই বলা চলে, একুশে ফেব্রুয়ারি সংগ্রামের পথ ধরেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হয়েছে।

    একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটিই শুধু নয়, সমগ্র ফেব্রুয়ারি মাসকে এখন উৎসবের মাস হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আমাদের সংগ্রাম ও আন্দোলনগুলোর ইতিহাস যে একান্তই আমাদের সমগ্র জাতির ত্যাগ তিতিক্ষা, ঘাম ও রক্তদান এবং চরম গৌরবেরই ইতিহাস তা আমরা কি ভুলতে পারি। fimasud78@gmail.com

    [সংকলিত]

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন : +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail