ঢাকা | রবিবার | ১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ৩ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    একুশ : বাঙালীকে ঘরে ফিরিয়েছিল
    এনবিএস | Thursday, February 21st, 2019 | প্রকাশের সময়: 1:04 pm

    একুশ : বাঙালীকে ঘরে ফিরিয়েছিলএকুশ : বাঙালীকে ঘরে ফিরিয়েছিল

    – রণেশ মৈত্র –

    বহুমুখী এবং অসীম তাৎপর্যে ভরা মহান একশে ফেব্রুয়ারি। কিন্তু সেই তাৎপর্যের বহুমুখিনতা নিয়ে আজও খুব একটা গবেষণা হয়েছে তা নিয়ে আমার মনে সংশয় রয়েছে। যদি তা হয়ে থাকে তবে তার সংক্ষিপ্তসার বাংলা ও ইংরেজীতে রচনা করে আমাদের মাধ্যমিক স্তর থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার উচ্চতম স্তর পর্যপ্ত পাঠ্যসূচীভুক্ত আবশ্যক বিষয়ে পরিণত করা প্রয়োজন। যেসব তুচ্ছ রাজনৈতিক বিষয়কে কেন্দ্র করে আমরা ইতিহাস বিকৃতি, বিভ্রান্তি প্রভৃতির সম্মুখীন হামেশাই হয়ে থাকি এবং যার অনিবার্য পরিণতি স্বরূপ দেশটা সংঘাত-সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে যেসব প্রতিরোধক ব্যবসা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরী বলে আমার কাছে মনে হয়-তার মধ্যে এটিকেই আমি প্রধানমত বলে বিবেচনা করি। কারণ আমাদের যেসব ঐতিহাসিক বিজয় ও অর্জন তার শুধু দিনপঞ্জিমূলক বর্ণনা দ্বারা কখনই তার প্রকৃত তাৎপর্য কারও পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব নয়। আর বিজয়ের ওই সংগ্রামের তাৎপর্যগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে হৃদয়ঙ্গম করতে পারি তবে অবশ্যই আমরা দেশের প্রচলিত নোংরা ধরনের বা ক্ষতিকর কোন প্রকার ইতিহাস বা তথ্য বিকৃতির কবলে পড়ব না-সেগুলোকে ঘৃণার সঙ্গেই প্রত্যাখ্যান করব। কারণ ওই বিজয় ও অর্জন ও তার তাৎপর্য বাঙালী জাতির জীবনে এক নতুন সংস্কৃতি, নতুন মননশীলতার জন্ম দিয়েছে।

    এবার আমার মূল বক্তব্যে চলে আমি। একুশ বলতে যে আমরা মহান একুশে ফেব্রুয়ারি এবং ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনকে বুঝে থাকি বা বুঝিয়ে থাকি তা তো সবারই জানা। তাই অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের আন্দোলন আমাদের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন। তাই আমরা ওই আন্দোলনকে প্রাণের আবেগে ও আদরে ‘একুশ’ বলেও অভিহিত করে থাকি এবং দিব্যি কোটি কোটি বাঙালীও ‘একুশ’ বললেই একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনকে বুঝে থাকেন।

    যা হোক, এ আন্দোলনের সূচনা ১৯৫২ সালের একুশ ফেব্রুয়ারিতে ঘটেনি বরং তা ঘটেছে মার্চ, ১৯৪৮-এ। যখন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, যিনি পাকিস্তান গণপরিষদের অন্যতম নেতৃস্থানীয় সদস্য ছিলেন, তখন তিনি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে তাঁর ভাষণদানকালে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দানের আবেদন জানান স্পীকারের মাধ্যমে। তাঁর এই প্রস্তাবটি পেশের পর দেখা গেল তৎকালীন সরকারী দল মুসলিম লীগের নেতা ও সদস্যদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা। তখন লিডার অব দ্য হাউস ছিলেন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী, বাঙালী মুসলিম লীগ নেতা খাজা নাজিমুদ্দিন, নূরুল আমিনসহ অনেকেই বিপ্তকণ্ঠে ধীরেন দত্তকে ‘পাকিস্তানের দুশমন’, ‘ইসলামের শত্রু’ এবং ‘রাষ্ট্রবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেন। অতঃপর ধীরেন দত্ত পাকিস্তান এয়ারলাইনসযোগে পূর্ব বাংলায় ফিরে আসেন। কিন্তু অধিবেশনের ঘটনাবলী ঢাকার সংবাদপত্র মারফত পূর্ব বাংলায় জানাজানি হয়-তীব্র প্রতিক্রিয়ারও সৃষ্টি হয়। ব্বিুব্ধ হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ। তারা ঢাকা বিমানবন্দরে তাঁকে বীরোচিত সংবর্ধনা জানান এবং লিয়াকত আলী-নাজিম উদ্দিনের বাংলা ভাষা ও বাঙালীবিরোধী বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন।

    মুসলিম লীগের সরকারী নেতাদের ওই উক্তির প্রতিবাদ জানাতে দেশব্যাপী প্রতিবাদ দিবস পালনের আহ্বান জানালে প্রদেশব্যাপী নির্দিষ্ট তারিখে ছাত্র সমাজের নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। সর্বত্র জারি হয় ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা কিন্তু ছাত্র সমাজ ওই নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই সর্বত্র মিছিল বের করে। মিছিলগুলো থেকে অথবা মিছিলের আগে ও পরে ব্যাপক ধরপাকড় হয় প্রদেশব্যাপী। এটিই হলো ভাষা আন্দোলনের সূচনা এবং প্রতিবছর ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালন করে এসেছে ছাত্র সমাজ পূর্ব বাংলাব্যাপী। ওই ১৯৪৮ এই পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্রষ্টা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ঢাকায় আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে। ওই সমাবর্তন উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে। সেখানে বক্তৃতা প্রসঙ্গে তিনি বলে ওঠেন, ঁৎফঁ ধহফ ঁৎফঁ ধষষড়ি ংযধষষ নব ঃযব ংঃধঃব ষধহমঁধমব ড়ভ চধশরংঃধহ. তৎŸণাৎ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের সচেতন অংশ গর্জে ওঠে। বলে দঘড়দ. জিন্নাহ থমকে যান। এতে আগুনে ঘৃতাহুতি হলো। ভাষা আন্দোলন ক্রমান্বয়ে তীব্রতা পেতে লাগল। এরই মাত্র চার বছর পর ঘটে গেল ঐতিহাসিক একুশে ফেব্রুয়ারি এবং তার মর্মান্তিক ঘটনাবলি ১৯৫২ সালে।

    কিন্তু এই আন্দোলনের পর্যালোচনায় দেখা যায়, পাকিস্তানের সৃষ্টি হয়েছিল তদানীন্তন অবিভক্ত ভারতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের কবলমুক্ত করে স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন যখন তীব্র হয়ে ওঠে এবং অপ্রতিহত গতি অর্জন করে তখন ওই আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ তার হাতে থাকা শেষ এবং মোŸম অস্ত্রটি ছোড়ে। সেই অস্ত্রটি ছিল সা¤প্রদায়িকতা আর এই অস্ত্র দিয়ে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে ব্যাপক সা¤প্রদায়িক দাঙ্গাও ঘটানো হয় পূর্ববঙ্গসহ ভারতবর্ষের নানাস্থানে তদানীন্তন অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতাতেও সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা ও রক্তের হোলিখেলা চালানো হয়েছিল। তখন স্বাভাবতই হিন্দু-মুসলমান উভয় স¤প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ এবং অনাস্থার সৃষ্টি হয়। আর এই বিষয়টিই ছিল ব্রিটিশ বেনিয়াদের কাম্য। পরিস্থিতির সুযোগ নিতে তারা বিন্দুমাত্র দেরি না করে মুসলিম লীগকে দিয়ে দ্বিজাতিতত্ত্ব নামে এক জঘন্য সা¤প্রদায়িক তত্ত্ব হাজির করে এবং মুসলিম লীগকে দিয়ে পাকিস্তান নামে ভারতীয় মুসলিমদের একটি পৃথক আবাসস্থল অর্থাৎ পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিকে তীব্র করে তোলানো হয়। আর তারই পরিণতিতে সা¤প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি আরও দানা বাঁধে উভয় স¤প্রদায়ের মধ্যে- প্রতিষ্ঠিত হয় সা¤প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তানের যার মাধ্যমে উভয় দেশেই বরং সা¤প্রদায়িকতা এক স্থায়ীরূপ লাভ করেথবিশেষত পাকিস্তানে।

    পাকিস্তানের যে বাংলা ভাষা বিরোধিতা তা ওই সা¤প্রদায়িকতার কারণেই। সে দেশের শাসকগোষ্ঠীর বক্তব্য ছিল দুটি। প্রথমত বাঙালী বলে কোন জাঁতি নেই। আছে মুসলমান জাতি-আর হিন্দু জাতি। দ্বিতীয়টি হলো বাংলা ভাষাথসাহিত্য সংস্কৃতি তাই বাঙালীর নয় (যেহেতু বাঙালী নামে কোন জাঁতি তাদের মতে নেই) সেগুলো হলো হিন্দুর ভাষা ও সংস্কৃতি। তাই বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা যাবে না কারণ পাকিস্তান হলো মুসলিম রাষ্ট্র। বস্তুত দ্বিজাতিতত্ত্বের যে আদর্শিক ব্যাখ্যা তার সঙ্গে বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিরোধিতা তো সঙ্গতিপূর্ণই ছিল। পরিণতিতে কি দাঁড়াল?

    পরিণতিতে দাঁড়াল-আমরা কেউ বাঙালী থাকলাম না। হলাম মুসলমান আর হিন্দু। তা হলো মৌলিক অর্থে আমাদের কারও নিবাস দাঁড়াল মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে আবার অন্যান্যের গয়া-কাশী-বৃন্দাবনে। বাংলাদেশ তো কারও দেশ থাকল না ওই আদর্শিক তথাকথিত দ্বিজাতিতাত্ত্বিক ব্যাখ্যানুযায়ী।

    ভাষা আন্দোলন তার বিরুদ্ধে, ওই ধারণার বিরুদ্ধে, ওই আদর্শের বিরুদ্ধে, দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরুদ্ধে, ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাকে প্রত্যাখ্যান করে জাতির আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী বললথ ধর্ম নয় ভাষাই আমাদের জাতীয়তার মৌল ভিত্তি। একটি জাঁতি গঠনে যে যে উপাদানের প্রয়োজন- ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, চলন-বলন, ধর্ম প্রভৃতি সব মিলিয়েই তা হয়ে থাকে। ধর্ম সেখানে প্রধান বা একমাত্র উপাদান নয়। আর বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালী সংস্কৃতি সবই তো হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নির্বিশেষে সমস্ত বাঙালীর মিলিত সৃষ্টি বাঙালী জাতির তা অমূল্য জাতীয় সম্পদ।

    পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী স্বভাবতই উপর্যুক্ত মত, নীতি, আদর্শ বা বক্তব্যের সঙ্গে আদৌ একমত হতে পারেনি। বরং এ আন্দোলন থামানোর কৌশল হিসেবে তারা বেছে নেয় বাঙালী নির্যাতনের পথ, বাঙালি শোষণের পথ, বাঙালিকে অনগ্রসর করে চিরদিনের মতো একটি পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী হিসেবে মরার মতো বেঁচে থাকতে বাধ্য করার পথ।

    কিন্তু বাঙালী জাঁতি মাথা নোয়াবার নয়। বরং তারা বলে উঠল, বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটিথবুঝে নিক দুর্বৃত্ত।

    তাই শোষকেরা শাসকেরা যতই বেশি বেশি করে অত্যাচার নির্যাতনের পথ বেছে নিলথ বাঙালী পাইলো
    তোদের বাঁধন যতই শক্ত হবে
    মোদের বাঁধন টুটবো
    ওগো
    তোদের ততই বাঁধন টুটবে।

    বস্তুত এ নির্যাতন ও শোষণের মাধ্যমে বিভাজনটা আরও তীব্র হয়ে উঠল। বাঙালী বুঝল ওরা ধর্মে বা ধর্মের বিশ্বাসের ক্ষেত্রে মুসলমান হলেও বাঙালী মুসলমানের আপন তারা নয়।
    ভাষা আন্দোলনের যে মৌল ধারণা আদর্শগত মূল ভিত্তিথসেটাই আরও দৃঢ় হলো। বাঙালীরা আরও বেশি করে স্বদেশ-চিন্তায় নিমগ্ন হলো- বাংলাদেশ-বাংলা ভাষা-বাঙালী-সংস্কৃতি-কৃষ্টি সব কিছুকে আঁকড়ে ধরল তীব্রভাবে। তার উপলব্ধিতে কাজ করল দেশটা আমাদের সবার। এবং আমরাও এ দেশের জন্যইথ এ মাটির জন্য … মাটির পরে ঠেকাই মাথা …

    তাই বাঙালী ঘরে ফিরলথদেশে ফিরল। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন তাদের ঘর চেনাল-একুশই তাই আমাদের ঘরে ফিরিয়েছিল। এখানেই একুশের সর্বোচ্চ সার্থকতা।
    E-mail: [email protected]

    [সংকলিত]


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail