ঢাকা | রবিবার | ১৯ মে, ২০১৯ | ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ | ১৩ রমযান, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    হাওড়ে বাঁধ নির্মাণ শেষ না হওয়ায় আতঙ্কে কৃষক
    এনবিএস | Friday, March 8th, 2019 | প্রকাশের সময়: 11:30 am

    হাওড়ে বাঁধ নির্মাণ শেষ না হওয়ায় আতঙ্কে কৃষকহাওড়ে বাঁধ নির্মাণ শেষ না হওয়ায় আতঙ্কে কৃষক

    হাওড়ে বাঁধ নির্মাণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেলেও এখনো বাঁধ নির্মাণ শেষ হয়নি। কিন্তু ইতিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আর আবহাওয়া অধিদপ্তর চলতি মার্চের শুরুর দিকেই আরো বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। ফলে হাওড়ের কৃষকদের মধ্যে বানের পানিতে ফলস হারানোর শঙ্কা বাড়ছে। তাদের মধ্যে বিগত ২০১৭ সালের অকালবন্যায় হাওড়ের ফসল হারানোর আতঙ্ক দানা বাঁধছে। এবার ৫০টি প্রকল্পের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। কিন্তু এখনো একটি প্রকল্পের কাজও সম্পন্ন না হওয়ায় উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিগুলোর (পিআইসি) সভাপতিরা আরো ১৫ দিন সময় চেয়েছেন। পুরো হাওড়জুড়েই একই চিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং কৃষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত ১৫ ডিসেম্বর হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাঁধের নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পাউবোর হিসাবের এখন পর্যন্ত ৮১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আর জেলা প্রশাসন ও কৃষকদের অধিকার আদায়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, এখন পর্যন্ত ৭০ শতাংশের বেশি কাজ এগোয়নি। চলতি অর্থবছর ৫৫৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে সুনামগঞ্জে ছোট-বড় ৩৭টি হাওড়ে ৪৫০ কিলোমিটার ফসল রক্ষাবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। তার মধ্যে সুনামগঞ্জ সদরে ৩ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার, বিশ্বম্ভরপুরে ১৫ দশমিক ২৩, তাহিরপুরে ৫৫ দশমিক ৪৩, ধরমপাশায় ৫৫ দশমিক ৯৪, জামালগঞ্জে ৬১ দশমিক ৮০, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ৩৬ দশমিক ২০, জগন্নাথপুরে ৩১ দশমিক ৮২, ছাতকে ৪ দশমিক ৩৬, দোয়ারাবাজারে ১০ দশমিক ২২, দিরাইয়ে ৭৪ দশমিক ২৬ ও শাল্লায় ৯৯ কিলোমিটারসহ বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।

    সূত্র জানায়, বিলম্বের পাশাপাশি এবার বাঁধের কাজের শুরু থেকে বিভিন্ন পিআইসির বিরুদ্ধে কাজে গাফিলতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। মেমন অভিযোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮টি কমিটি বাতিল করা হয়েছে। আর ভ্রাম্যমাণ আদালত ১১টি কমিটিকে জরিমানা করেছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার ধরমপাশা উপজেলার চন্দ্রসোনার থাল হাওড়ের দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগে বাতিল করা হয়। সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার চন্দ্রসানার থাল হাওড়ের ডুবাইল এলাকার বাঁধ সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বাঁধগুলোর একটি। সেটি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ১৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাঁধের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও শেষ হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ওই বাঁধের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতিকে উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার তাগিদ দেয়ার পরও কাজে গতি আসেনি।

    সূত্র আরো জানায়, বিগত ২০১৭ সালে অকালবন্যায় হাওড়ের ফসল রক্ষাবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ বোরো ফসল। সরকারি হিসাবে ওই বছর ফসল রক্ষাবাঁধ ভেঙে ১৫৪ হাওড়ের ২ লাখ ২৩ হাজার ৮২ হেক্টর জমির বোরো ফসল তলিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১ লাখ ৬১ হাজার হেক্টর জমির ফসল। ওই বছর ফসলহানির পর পরই বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

    এদিকে সুনামগঞ্জ পাউবোর কার্যালয়ের হিসাব মতে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুরো জেলায় প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তার মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৯টি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৭৬ শতাংশ ও জামালগঞ্জের ৫২টি প্রকল্পের ৮৩ শতাংশ। তাছাড়া তাহিরপুরে ৬৬টি প্রকল্পে ৮০, ধরমপাশায় ৮৭টি প্রকল্পে ৮২, বিশ্বম্ভরপুরে ১৬টি প্রকল্পে ৮৭, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৪০টি প্রকল্পে ৭২, শাল্লায় ১১৪টি প্রকল্পে ৭৮, দিরাইয়ে ১০১টি প্রকল্পে ৮২, জগন্নাথপুরে ৫০টি প্রকল্পে ৮২, দোয়ারাবাজারে ২৩টি প্রকল্পে ৮৩ ও ছাতক উপজেলায় ৭টি প্রকল্পের ৮৪ শতাংশ কাজ শেষে হয়েছে।

    অন্যদিকে পাউবো ৮০ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্নের দাবি করলেও ৭০ শতাংশের বেশি কাজ হয়নি বলে জানিয়েছে হাওড় নিয়ে কাজ করা সংগঠন পরিবেশ ও হাওড় উন্নয়ন সংস্থা। সংগঠনের সভাপতি কাসমির রেজার মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অগ্রগতির সঙ্গে বাস্তব অবস্থার কোনো মিল নেই। সুনামগঞ্জের ৩৭টি হাওড়ের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ঘাস লাগানোসহ অন্যান্য কাজ এখনো বাকি আছে। নির্ধারিত সময়ে বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়ায় ২৭টি হাওড়ের বোরো ফসল আগাম বন্যার হুমকির মুখে রয়েছে। আর কৃষকদের অভিযোগ, গণশুনানি না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করায় অনেক অযোগ্য লোক পিআইসির সদস্য ও সভাপতি হয়েছেন। তাদের কারণেই বাঁধ নির্মাণের কাজ সময়মতো শেষ হয়নি। বাঁধের কাজ সময়মতো শুরু হলে শেষও হতো। কিন্তু শুরুই করা হয়েছে দেরিতে। এখন তাড়াহুড়ো করে দায়সারা কাজ করা হবে, যা বৃষ্টি এলেই ধুয়ে যাবে। বন্যার পানিতে দুর্বল বাঁধ টিকবে না।

    এবার বাঁধের কাজ দেরিতে শুরু হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি বলে দাবি পাউবো সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়ার জানান, মাত্র দেড় মাসে যে পরিমাণ কাজ শেষ হয়েছে তা অবিশ্বাস্য। আশা করি অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে।

    আর সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও হাওড়ে বাঁধ নির্মাণ তদারকিতে গঠিত জেলা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জানান, সার্বিকভাবে বাঁধের কাজ ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail