ঢাকা | শুক্রবার | ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ | ৬ বৈশাখ, ১৪২৬ | ১৩ শাবান, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও সংবাদ
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Space For Advertisement (Spot # 2) - Advertising Rate Chart


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ঝুলে আছে রমনা বটমূলে বোমা হামলার বিচার
    এনবিএস | Saturday, April 13th, 2019 | প্রকাশের সময়: 3:35 pm

    ঝুলে আছে রমনা বটমূলে বোমা হামলার বিচারঝুলে আছে রমনা বটমূলে বোমা হামলার বিচার

    বৈশাখ এলেই মনে পড়ে ২০০১ সালের সেই মর্মান্তিক ঘটনা। রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে উগ্র মৌলবাদীদের বোমা হামলায় নিহত হন ১০ জন৷ এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার মধ্যেআপিলের শুনানি হাই কোর্টে থমকে থাকায় জন্য বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

    অপরদিকে সাক্ষীরা ঠিকমত হাজির না হওয়ায় ওই ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে ঢিমেতালেয় হয় ১৪ বছর পর। তবে মৃত্যদণ্ প্রাপ্ত আট আসামীর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে থমকে আছে অনেকদিন ধরে। আর বিস্ফোরক আইনের মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া ঝুলে আছে ১৮ বছর ধরে। কবে এই মামলার বিচার কাজ শেষ হবে তা কিছুই বলা যাচ্ছে না। বিচারিক আদালত ২০১৪ সালের ২৩ জুনরমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

    ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মাওলানা আবদুল হাই ও মাওলানা শফিকুর রহমান। এর মধ্যে সিলেটে গ্রেনেড হামলার মামলার মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে, মাওলানা আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন ও মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

    মামলাটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এসব ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় মামলার পেপার বুক করার নির্দেশ দেন। এরপর এই মামলার পেপার বুক প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু একপর্যায়ে মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হলে পরে তা ডেথ রেফারেন্স শুনানি হয় এমন একটি বেঞ্চে কার্যতালিকায় আসে। সেটি এখনও শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ। আসামীপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, এ মামলার আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি রাষ্ট্রপক্ষের গাফিলতির কারণে বিলম্ব হচ্ছে। এ অভিযোগ অস্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, আদালত পরিবর্তনের কারণে হাইকোর্টে মামলাটি থমকে আছে।

    এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল বলেন, গত বছরের শুরুতে হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন পর্যায়ে ছিল। এরপর ওই কোর্টের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ার বর্তমান কোর্টের কার্যতালিকায় আসে মামলাটি।মামলাটি এখন নতুনভাবে আবার শুনানি হবে। আশা করা যায় এ বছরের মধ্যে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।রমনার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় চার্জ গঠন করা হয় ২০০৯ সালে। আদালত প্রথম সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। এরপর থেকে ধীরগতির চক্রে পড়েছে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম। ২০১৫ সালের ২২ মার্চ থেকে সাক্ষীদের প্রতি সমনের পাশাপাশি ওয়ারেন্ট জারি করে আসছেন আদালত। গত দুই বছরে দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। ওই মামলার চার আসামি এখনো পলাতক।

    মামলাটির বিচারকাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকার বিষয়ে ঢাকার মহানগর রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু বলেন, একটি মামলা নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় বারবার সমন দেওয়া সত্ত্বেও সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে আসছে না। এতে বিচার বিলম্ব হচ্ছে। গত বছর এই সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গণমাধ্যমের কাছে এই মামলার বিচার নিষ্পত্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। বিচার কবে নিষ্পত্তি হবে তা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন। নিম্ন আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া হত্যা মামলা হাইকোর্টে নিষ্পত্তি হচ্ছে না। আর বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলা কবে নিষ্পত্তি হবে তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের পহেলা বৈশাখের দিন ভোরে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের ঘটনাস্থলে দুটি বোমা পুঁতে রাখা হয় এবং পরে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে তা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে একটি এবং ১০-১৫ মিনিট পর আরেকটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিরীহ সাত ব্যক্তি প্রাণ হারান এবং ২০-২৫ জন আহত হন। পরে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। এতে ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

       


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail