ঢাকা | মঙ্গলবার | ২০ আগস্ট, ২০১৯ | ৫ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৮ জিলহজ্জ, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ছিলো ৫৮ কোটি হয়ে গেলো ১২০
    এনবিএস | Saturday, May 11th, 2019 | প্রকাশের সময়: 2:50 pm

    ছিলো ৫৮ কোটি হয়ে গেলো ১২০ছিলো ৫৮ কোটি হয়ে গেলো ১২০

    ঢাকার বাসিন্দাদের মান-অভিমান প্রশমনসহ অবসাদ কাটাতে অভিনব এক প্রকল্প হাতে নেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পের নাম ‘গোস্বা নিবারণী পার্ক’ নির্মাণ। শুরুতে এটি প্রশংসিত হলেও গত ১৬ মাসেও আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি; নির্মাণকাজে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। প্রকল্প বাস্তবায়নে শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৬ মাস ধরে পুরো ওসমানী উদ্যানকে টিন দিয়ে ঘিরে রাখা হলেও প্রকল্পের কাজে অগ্রগতি কতটুকু এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

    এরই মধ্যে শুরুতে এ প্রকল্পে ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও দুই দফায় তা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১২০ কোটি টাকা দাঁড়াচ্ছে। ব্যয় বৃদ্ধির এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব তৈরি করে ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে মন্ত্রনালয়ে। ২০১৮ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর গুলিস্তান পার্শ্ববর্তী ওসমানী উদ্যানে গোস্বা নিবারণী পার্কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, নাগরিকদের মধ্যে অনেক সময় রাগ, মান-অভিমান, গোস্বা হয়ে থাকে।

    এ পার্কে এলে তাদের সেই গোস্বা থাকবে না। মান অভিমান প্রশমনে ভূমিকা রাখবে এই পার্ক। জল সবুজের ঢাকা প্রকল্পের আওতায় ওসমানী উদ্যানে ২৯ একর জায়গার ওপর প্রায় ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ পার্ক নির্মাণ করার কথা বলা হয় শুরুতে। মেয়রের তৎকালীন ভাষ্যমতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সময় লাগার কথা ছিল ১০ মাস। যে জলসবুজ প্রকল্পের আওতায় এ পার্কের কাজ, সেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের জুনে। সেই হিসাবে কাজটির মেয়াদ কাগজে-কলমে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। জানা যায়, প্রথমে গোস্বা নিবারণী পার্ক নির্মাণ প্রকল্পের বাজেট ছিল ৫৮ কোটি টাকা।
    এরপর প্রকল্প ব্যয় এক দফায় বাড়িয়ে ৮৬ কোটি টাকা করা হয়। সর্বশেষ, আরেক দফায় এ প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ১২০ কোটি টাকা করে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে মন্ত্রনালয়ে। ইতিমধ্যে প্রথম বরাদ্দের টাকাও তুলে নেওয়া হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-১) মোহাম্মদ সফিউল্লাহ সিদ্দিক ভূঁইয়া বলেন, বর্ধিত বাজেট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পার্কটিকে দৃষ্টিনন্দন করতে সর্বশেষ বেশকিছু পরিকল্পনা এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তিনি জানান, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামানও বলছেন কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক।

    তিনি জানান, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও কাজ শেষ হতে আরও কিছু সময় লাগবে। আশা করা যায়, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। ডিএসসিসি সূত্রমতে, প্রকল্পের মেয়াদ নতুন করে বাড়ানো হবে। যতদূর জানা গেছে, এটি ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে। নগর ভবন সূত্র জানায়, পার্কটিতে মিউজিক সিস্টেম, বসার জন্য পৃথক জোন, শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসহ বড় পর্দায় টেলিভিশন দেখার সুবিধা যুক্ত হচ্ছে এই পার্কে। এ উদ্যানে যে লেক রয়েছে, সেটি অধিকতর দৃষ্টিনন্দন করা হবে। লেকে থাকবে প্যাডেল বোট। এছাড়া পার্কের মধ্যে চা, কফি, স্যান্ডউইচ ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে ভলিবল খেলার কোর্ট; হারানো দিনের গান শোনার ব্যবস্থা।

    এছাড়া ওয়াকওয়েসহ ক্লান্ত পথিকদের জন্য থাকবে সুপেয় পানির ব্যবস্থা। পার্কটির চারদিক উন্মুক্ত রাখা হবে। এছাড়া পার্কটিতে ৩৫০টিরও বেশি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা থাকবে। জিম ও যোগব্যয়ামের ব্যবস্থাও যোগ হবে এতে। থাকবে লাইব্রেরি ও নগর মিউজিয়াম। মিউজিয়ামে টিকিটের বিনিময়ে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া পার্কে এলইডি স্থাপন করে ঐতিহ্য সম্বলিত বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ সিস্টেম ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকবে; থাকবে উন্নতমানের লেজার শোর ব্যবস্থা। সরেজমিনে পার্কটি ঘুরে দেখা গেছে এতে শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশাল এলাকা জুড়ে। যদিও মাত্র পাঁচ থেকে ছয়জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে।

    সূত্র জানায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির অন্য প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরাও এ পার্কে রাতযাপন করেন। পার্কটির পশ্চিমাংশের কিছু কাজ করা হলেও অন্যসব পরিকল্পনায় এখনও হাতই দেওয়া হয়নি। বিশাল অংশ জুড়ে পায়েল্ডিংয়ের কাজ শেষে কিছু পিলার স্থাপন করা হয়েছে। কিছু শ্রমিককে দেখা গেছে পিলার স্থাপনের কাজ করছেন। সিটি করপোরেশনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে কাজের অগ্রগতি কম। কবে নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে, তা কেউই বলতে পারছেন না।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনও প্রাথমিক অবস্থার কাজ চলছে। ভবন তৈরির জন্য একপাশে কিছু পাইলিংয়ের কাজ শুধু সম্পন্ন হয়েছে। তারা বলছেন, পুরো পরিকল্পনার কাজ শেষ করতে অন্তত আরও দেড় বছর সময় লাগবে। সিটি করপোরেশন থেকে সহযোগিতা করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঢিলেমির কারণেই কাজের অগ্রগতি কম বলে মনে করেন তারা। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কাজের ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারেনি। এ প্রকল্পের জন্য ওসমানী উদ্যানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারছে না। সূত্র : আমাদের সময়।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail