ঢাকা | রবিবার | ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৬ | ২১ মুহাররম, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    দেশে প্রতি ২ ঘণ্টায় একজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে
    এনবিএস | Monday, May 27th, 2019 | প্রকাশের সময়: 7:14 am

    দেশে প্রতি ২ ঘণ্টায় একজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছেদেশে প্রতি ২ ঘণ্টায় একজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে

    বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫ হাজার ৪৭৫ জন মা গর্ভজনিত মৃত্যুবরণ করছেন। প্রতিদিন মারা যাচ্ছেন ১৪ থেকে ১৫ জন মা। আর প্রতি দু’ঘণ্টায় মারা যান একজন। বেশির ভাগ গর্ভজনিত মৃত্যুই বাড়িতে হয়। ডেলিভারির ক্ষেত্রে ৫৪ শতাংশ মা বাড়িতে মারা যান। আর রক্তক্ষরণের কারণে মারা যান ৩১ শতাংশ। 

    গতকাল বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনে আয়োজিত ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে মিডিয়া ওরিন্টেশন সভায় স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানান। অবসটেট্রিক্যাল এন্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আগামীকাল ২৮শে মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে-‘মর্যাদা ও অধিকার, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসূতি সেবার অঙ্গীকার।’  

    অনুষ্ঠানে ওজিএসবি’র সভাপতি অধ্যাপক ডা. সামিনা চৌধুরী তার মূল প্রবন্ধে বলেন, মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ দু’টি। একটি হলো রক্তক্ষরণ। এ কারণে মারা যান ৩১ শতাংশ মা। আরেকটি হলো একলামশিয়া (খিচুনি)। এই হার ২৪ শতাংশ। মাতৃমৃত্যুর এই দু’টি কারণ সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধযোগ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে গর্ভপাতের কারণে মাতৃমৃত্যুর হার আগের তুলনায় অনেক হারে বেড়েছে। মাতৃমৃত্যুর পরোক্ষ কারণ যেমন উচ্চরক্তচাপ ডায়াবেটিস নারী সহিংসতা এসবের কারণে

    আগের তুলনায় মাতৃমৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। গর্ভপাতে ৭ শতাংশ, প্রত্যক্ষ ৭ শতাংশ এবং পরোক্ষ ২০ শতাংশ মায়ের মৃত্যুবরণ করছেন। মাতৃমৃত্যুর স্থান চিহ্নিত করে ওজিএসবি’র সভাপতি বলেন, ৫৪ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে বাড়িতে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকে ১৪ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। 

    স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা এই বিশেষজ্ঞ আরও জানান, প্রসব পরবর্তী সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সকল মাতৃমৃত্যুর ৫৫ ভাগ মৃত্যুই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংঘটিত হয়। দেশে বর্তমানে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ১৭২ জন মৃত্যুবরণ করে (এসভিআরএস ২০১৭)। জাতিসংঘের অনুমান অনুযায়ী ২০১৫ সালে এমএমআর প্রতি লাখে জীবিত জন্মে ১৭৬ জন। স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এটা সম্ভব হয়েছে মূলত নিম্নমুখী প্রজনন সক্ষমতা, উন্নততর যত্ন গ্রহণের চর্চা এবং উচ্চতর সেবা গ্রহণের উন্নত সুবিধার ফলে। 

    ডা. সামিনা চৌধুরী বলেন, ৩৭ ভাগ মা বর্তমানে কমপক্ষে চারটি প্রসবপূর্ব সেবা গ্রহণ করে। দেশে এখন প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি করানোর হার ৪৭ শতাংশ। প্রসবের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রসব পরবর্তী সেবা গ্রহণে হার ৩২ শতাংশ। গর্ভধারণ এবং প্রসবজনিত জটিলতায় প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার নারীর মৃত্যু হয় এবং ২৬ লাখ মৃতজন্মসহ ৩০ লাখ নবজাতক অকাল মৃত্যুবরণ করে। বিশ্বে প্রতিদিন ৮৩০ জন মা মৃত্যুবরণ করেন। 

    তিনি বলেন, কোনো দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান এবং আত্ম-সামাজিক অবস্থার প্রতিফলন ঘটে ওই দেশে মাতৃমৃত্যু এবং শিশুমৃত্যুর হারের উপর। ১৯৯৭ সাল থেকে দেশে ২৮শে মে ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস’ পালন করে আসছে ওজিএসবি। সংগঠনটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী বলেন, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্য বিশেষজ্ঞগণের এই সমিতির সদস্য দুই হাজার এবং ১৩টি শাখা রয়েছে। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে অবস্থিত। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমাদের সদস্যরা দেশের মায়েদের সেবা প্রদানে তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম হয়েছে। 

    সদস্যদের পরিচালনায় ঢাকার মিরপুর-১ এবং মিরপুর-১৩ নম্বরে দুটি হাসপাতাল অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সেবা প্রদান করছে। ওজিএসবি প্রতিবছর নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করে থাকে। সেখানে মায়েদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অপারেশন করা হয়ে থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সায়বা আক্রার বলেন,  আমাদের সচেতন হতে হবে। তাহলে মাতৃমৃত্যুর হার কমে আসবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. লায়লা আঞ্জুমান বানু, অধ্যাপক ডা. ফেরদৌসী বেগম, অধ্যাপক ডা.ফারহানা দেওয়ান, অধ্যাপক ডা. রওশন আক্তার প্রমুখ।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail