ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৩ জুলাই, ২০১৯ | ৮ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৯ জিলক্বদ, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    শেরপুরের গারো পাহাড়ে যত্রতত্র চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন
    এনবিএস | Wednesday, June 26th, 2019 | প্রকাশের সময়: 6:42 am

    শেরপুরের গারো পাহাড়ে যত্রতত্র চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনশেরপুরের গারো পাহাড়ে যত্রতত্র চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

    মুগনিউর রহমান মনি – 

    শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে যত্রতত্র চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার অন্তত ১০টি স্থানের পাহাড়ি ছড়া, খাল ও নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে দিনরাত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। যেনো বালু লুটপাটের মহোৎসব চলছে। সেই সাথে বনের গাছপালা ও পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করে প্রতিদিন ট্রাক, ট্রলি ভর্তি করে এসব বালু দেশের বিভিন্ন যায়গায় বিক্রি করছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। বন ও পরিবেশের ক্ষতি হলেও এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই কারোরই। প্রভাবশালী মহল হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেও সাহস দেখায় না কেউ। এদিকে যত্রতত্র অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কারণে লোকসানের মুখে পড়েছে বালুমহাল ইজারাদাররা।     

    সরেজমিনে দেখা গেছে, গারো পাহাড়ের সোমেশ্বরী, মহারশি, কালঘোষা, ভোগাই চেল্লাখালী নদীসহ বিভিন্ন নদী ও ছড়ায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। শ্রীবরদী উপজেলার কর্ণঝোড়া, বাবেলাকোনা, ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচা, ছোটগজনী, রামেরকুড়া, বাকাকুড়া, ফুলহারী, গান্ধিগাঁওসহ অন্তত ১০টি স্পটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় নদীর তীরবর্তী এলাকার বসতি, শাল গজারি বনের গাছপালা ও আবাদি জমি ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। সেই সাথে দিনরাত শ্যালো মেশিনের বিকট আওয়াজের কারণে বন্যপ্রাণী ও পাখিসহ পাহাড়ি পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। কিছু এলাকার গ্রামীণ সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া উপজেলার সন্ধ্যাকুড়ায় মহারশি নদীর সেতু, বাকাকুড়া  ব্রীজসহ কয়েকটি  ব্রীজ-কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

    গারো পাহাড়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং ইরি-বোরো মওসুমে নদীর ওজানে বাধ দেয়ায় বালু উত্তোলন করতে না পেরে লোকসানের মুখে পড়েছে সওদ বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী ইজারাদার আসাদুজ্জামান স্বপনসহ বালুমহালের ইজারাদারগণ। ইজারাদার আসাদুজ্জামান স্বপন জানান, অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা বালু উত্তোলন করে কমদামে তা বিক্রি করায় তাঁদের বালু অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিনি জানান, গতবছর ঝিনাইগাতীর সোমেশ্বরী নদীর তাওয়াকুচা এলাকায় ৬.৫১ একর জমির বালুমহাল ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় ইজারা নিয়ে মাত্র ৬০ লাখ টাকার বালু বিক্রি করতে পেরেছিল। এবছর ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী নদীর ফাখরাবাদ বালু মহাল ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ইজারা নেওয়া হলেও অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে তাঁদের বালু অবিক্রিত রয়ে যাচ্ছে। এবারও তিনিসহ (স্বপন) অন্যরা লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন। এ বালু মহালটি ইতিপূর্বে ছামিউল ফকির মাত্র ১লাখ ৮৩ হাজার টাকায় লীজ নিয়ে আদালতে একটি রীটের দোহাই দিয়ে ১৪ বছর ধরে বালু উত্তোলন করায় সরকার প্রায় ৬ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। 

    সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ওই ছামিউল ফকিরের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা হয় এবং তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন রীট নিষ্পত্তির ভিত্তিতে সওদ বিল্ডার্সকে ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বালু মহাল ইজারা দিলে সওদ বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান স্বপন হাইকোর্টে ছামিউল ফকিরের রীটের নিষ্পত্তি চাইলে আদালতের নির্দেশে তা নিষ্পত্তি হয়। বালু মহাল ইজারাদার স্বপন আরো জানান, গতবছর তাওয়াকুচায় বালুমহাল ইজারা নিয়ে ৬০ লাখ টাকা লোকসান গুনে জেলা প্রশাসনের কাছে সুবিচার না পেয়ে মহামান্য হাইকোর্টে রীট করা হয়েছে। যা শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও মহারশী নদীর ফাখরাবাদে বালু মহাল ইজারা পেয়েছি কিন্তু অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে এবারও আমাদের লোকসান গুনতে হবে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কেউ আর বালু মহাল ইজারা নিতে আসবে না। 

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গান্ধিগাঁও, ভালুকা, পশ্চিম বাকাকুড়া গ্রামের একাধিক নারী পুরুষ জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় বনের ক্ষতিসহ তাঁরা নিজেরাও ক্ষতির মুখে পড়েছে।

    কাংশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনার উল্লাহ জানান, বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাহাড়ের বিভিন্ন ছড়া ও নদী থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন করছে। এতে করে সংরক্ষিত গজারি বন, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

    অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইলিছুর রহমান বলেন, বনবিভাগে লোকবল কম থাকায় রাতের বেলায় গহীন বনে অভিযান চালানো অনেকটাই অসম্ভব। তবে দিনের বেলায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি শ্যালো ইঞ্জিন জব্দও করা হয়েছে। বর্তমানে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। 

    এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ জানান, আমাদের কাছে অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর এলেই আমরা তা বন্ধ করে দিচ্ছি। 

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে কেউ ছাড় পাবে না।


    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মাছুদ রানা ও সুজন সারওয়ার
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail