ঢাকা | শুক্রবার | ২৩ আগস্ট, ২০১৯ | ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ | ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    রেনুর সন্তানদের জীবনকে দুর্বিষহ করছে স্বজন আর কিছু গণমাধ্যম
    এনবিএস | Tuesday, July 30th, 2019 | প্রকাশের সময়: 9:50 pm

    রেনুর সন্তানদের জীবনকে দুর্বিষহ করছে স্বজন আর কিছু গণমাধ্যমরেনুর সন্তানদের জীবনকে দুর্বিষহ করছে স্বজন আর কিছু গণমাধ্যম

    রাজধানীর বাড্ডায় গণপি'টুনিতে নি'হত তাসলিমা বেগম রেনুর দুই শি'শু সন্তানের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছেন স্বজন আর কিছু গণমাধ্যম।

    সাংবাদিকতার নীতিমালা অগ্রাহ্য করে শি'শু দুটির বেদনা খুঁচিয়ে বের করার চেষ্টা যেমন চলছে, তেমনি স্বজনরা এমন সব কাজ করছেন, তা তাদের শি'শু মনে ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

    শি'শু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আর গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা-হারা ছেলে মেয়ে দুটিকে সামলে উঠতে আপাতত তাদের সময় দেওয়া উচিত। তাদের আদর দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু বীভৎস সেই স্মৃ'তি সামনে চলে আসে, এমন কিছু করা উচিত নয়। এতে করে তাদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    গত ২০ জুলাই বাড্ডার একটি স্কুলে পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয় রেনুকে। চার বছরের মেয়ে শি'শু তুবাকে ভর্তির জন্য খোঁজ নিতে ওই স্কুলে গিয়েছিলেন এই মা। কিন্তু পদ্মা সেতু নিয়ে চলা উদ্ভট গুজবে বিশ্বা'স করে ‘ছেলেধ'রা’ সন্দেহে তাকে বেদম পি'টুনি দেয় উত্তেজিত জনতা।

    মৃ'ত্যুর পর রেনুর জীবনের কাহিনি সামনে আসে। জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটা এই নারীর ১১ বছরের ছেলে তাসিন আল মাহিন ছাড়াও আছে চার বছরের তুবা।

    পরদিন একাধিক গণমাধ্যম রেনুর মহাখালীর বাড়িতে গিয়ে তুবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছে। তার তার মুখ ‘আমা'র মা নাই’ বক্তব্য ছুঁয়ে যায় মানুষকে। এরপর প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো গণমাধ্যম তুবাকে নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মেয়েটির বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছে।

    স্বজনরাও পিছিয়ে নেই। প্রধান আ'সামি হৃদয়ের রি'মান্ড শুনানিতে ১১ বছরের শি'শু মাহিনকে নিয়ে গেছেন তারা। সেখানে মাকে পি'টিয়ে হ'ত্যার বর্ণনা শুনেছে মাহিনের ছোট্ট মন। আর ডুকরে কেঁদেছে সে।

    শুক্রবার আরেক কাজ করেছেন স্বজনরা। তুবাকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেন তারা। সেখানেও মায়ের কথা ওঠার পর শি'শুটি কা'ন্নায় ভেঙে পড়ে।

    ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক মফিজুর রহমান ঢাকা'টাইমসকে বলেন, ‘তুবাকে নিয়ে যেসব প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে, সেগুলোর কোনো মানে হয় না। শি'শুটির মুখে মায়ের কথা শুনতে চাওয়াটা ম'র্মা'ন্তিক। শি'শুদের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো আরও খা'রাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এটা সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতার বি'রুদ্ধে। সাংবাদিকতায় এ ধরনের বাজারমুখী প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। যারা জ্যেষ্ঠ, তাদের উচিত যথাযথ দিক-নির্দেশনা দিয়ে কর্মীদের পাঠানো।’

    ‘একইভাবে শি'শুদের যারা আ'দালত বা প্রেসক্লাবে নিয়ে যাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য হয়তো সৎ থাকতে পারে, কিন্তু তারা জানে না ছোটবেলার গভীর ক্ষত তাদের মনোজগতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।’

    ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘যখন শি'শুদের মাকে মে'রে ফেলা হয়েছে সেটাতো তারা প্রত্যক্ষদর্শী না। এই শি'শুকে কোর্ট কাচারি দেখানোটা অবান্তর। শুধুমাত্র সহানূভূতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে শি'শুদের এভাবে প্রচারণা করলে তার মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোই পাল্টে যেতে পারে। মানসিক বিকাশেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।’

    ছোটবেলার বীভৎস ঘটনা বা গভীর আ'ঘাত বারবার মনে করিয়ে দিলে শি'শুর মানসিক জগতে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানান মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তাজুল ইস'লাম। তিনি ঢাকা'টাইমসকে বলেন, ‘শি'শুদের সামনে মায়ের মৃ'ত্যুর খবর বারবার মনে করিয়ে দেওয়া মানে বারবার তার মাকে মে'রে ফেলা হচ্ছে।’

    ‘কারণ, আমাদের প্রিয়জনকে হারালে তাদের স্মৃ'তিটুকু মনে করে বেঁচে থাকি। সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যদি ব্যাঘাত ঘটিয়ে প্রতিদিনই নতুনভাবে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেই শি'শু ‘ট্রমাটাইস চাইল্ডহুডের’ মধ্যে বেড়ে ওঠে। ফলে বড় হয়ে সে অধিক রূঢ় হয়ে অ'ত্যাচারী মনোভাবের হয়ে উঠতে পারে বা একেবারে অসহায় হয়ে চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে।’

    ‘সব জায়গায় শি'শু বা নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপিত করার মানসিকতা অনেক পুরনো। এখানেও বিচারের দায়ে শি'শুকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে ঘটনার ভয়াবহতা মনে করিয়ে মানসিক আ'ঘাত দিয়ে সামাজিকভাবে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা চলছে।’

    ‘এগুলো শি'শুটির আত্মম'র্যাদা বিকাশে প্রভাব ফেলবে। ফলে পরবর্তী জীবনে শি'শুটিকে সমাজবিরোধী কাজ করতেও প্ররোচিত করতে পারে। তাই উপকার করার উদ্দেশ্যে হলেও যারা তাদের অনুভূতি নিয়ে এমন হেলাফেলা করছে তাদের সতর্ক হওয়া উচিত এখনই।’

    শি'শুদের নিয়ে কতটা সতর্কতার সঙ্গে সংবাদ উপস্থাপন করতে হয়, সেটির উদাহরণ গত বছর দেখিয়েছে থাইল্যান্ড। ওই বছরের জুলাইয়ে একটি গুহায় ১৭ দিন আ'ট'কে থাকা কিশোরদের গণমাধ্যমের সামনে আনার সময় ঘটেছিল অ'ভিনব ঘটনা। আট দিন পর তাদের গণমাধ্যমের সামনে আনা হয়। কিন্তু কোনো সংবাদিককে তার ইচ্ছামতো প্রশ্ন করতে দেওয়া হয়নি। তারা আগে চিকিৎসকদের কাছে প্রশ্ন জমা দিয়েছেন। চিকিৎসকরা বাছাই করেছেন, কোন প্রশ্ন কিশোরদের মনে প্রভাব ফেলবে না। এরপর তারা সেই প্রশ্ন করেছেন কিশোরদের।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail