ঢাকা | রবিবার | ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ | ৯ রবিউস-সানি, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    চামড়ায় দেয়া লবণের মজুদ যথেষ্ট, দামও হাতের নাগালে
    এনবিএস | Sunday, August 11th, 2019 | প্রকাশের সময়: 1:30 pm

    চামড়ায় দেয়া লবণের মজুদ যথেষ্ট, দামও হাতের নাগালেচামড়ায় দেয়া লবণের মজুদ যথেষ্ট, দামও হাতের নাগালে

    চীন থেকে লবণ আমদানি করার কারণে দেশের লবণ মিলগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেশীয় লবণ রয়েছে। ফলে লবণের দাম রয়েছে হাতের নাগালে। ফলে এ বছর কোরবানির পশুর চামড়ার জন্য ব্যবহার করা লবণের কোনো ঘাটতি হবে না বলে জানিয়েছেন দেশের লবণ সংশ্লিষ্টরা।

    তবে লবণ চাষীরা বলছেন, চায়না লবণ আমদানির কারণে দেশীয় লবণ উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বিদেশি লবণ আমদানি বন্ধ করতে হবে।

    এখন পর্যন্ত লবণের যে দাম ও সরবরাহ রয়েছে তাতে সন্তুষ্ট চামড়া ব্যবসায়ীরা। এই ধারা শেষ পর্য‌ন্তু অব্যাহত থাকবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

    তবে তারা কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলছেন, তারা যেন চামড়ায় চায়না লবণ ব্যবহার না করেন। এতে চামড়ার মান কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়।

    বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, কোরবানির মৌসুমে প্রায় এক লাখ টন লবণের প্রয়োজন হয় অন্য বছরের তুলনায় এ বছর এখনো লবণের সরবরাহ ও দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

    তিনি বলেন, লবণের দাম এখন ৮শ থেকে ৮৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি বস্তা (৭৫ কেজি) লবণ। এখন পর্যন্ত এ বছর লবণের দাম তেমন বাড়েনি। আমরা আশা করি শেষ পর্যন্ত এর ধারাবাহিকতা থাকবে।

    তবে ভিন্নমত প্রকাশ করে হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও চামড়া ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, আগের তুলনায় লবণের দাম একটু বেশি। অনেক সময় সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়।

    তিনি বলেন, যেহেতু চামড়া নষ্ট হয়ে যায়। ভাল মানের চামড়া পাওয়া যায় কম। তাই সঠিক সময়ে চামড়ায় লবণ দেয়ার জন্য লবণের দাম কমানো সরবরাহও নিয়মিত রাখা উচিত।

    কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের সংগঠন বলছে, প্রতিটি বড় চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ১০ থেকে ১২ কেজি, মাঝারি চামড়ায় ৭ থেকে ৮ কেজি ও ছোট চামড়ায় ৫ থেকে ৬ কেজি লবণ লাগে।

    ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে দুই ধরনের লবণ পাওয়া যায়, দেশিয় এবং ভারতীয়। সবাইকে দেশীয় লবণ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। কারণ এতে চামড়ার মান ভালো থাকে। ভারতীয় লবণে ইউরিয়া থাকায় চামড়ার রং ও মান নষ্ট করে ফেলে।

    লালবাগের পোস্তা এলাকার একজন পাইকারি লবণ বিক্রেতা জানান, পর্যাপ্ত লবণ মজুদ আছে। বর্তমানে দামও কম। ২০১৮ সালে ৭৫ কেজির বস্তা প্রতি দাম ছিল প্রায় ১ হাজার টাকা। এবছর প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা দরে। তবে ঈদের দিন থেকে হয়তো দাম সামান্য কিছু বাড়তে পারে।

    বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে লবণের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ টন। এ বছর লবণ উৎপাদন হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন। ফলে অন্তত ৮ লাখ টন লবণের ঘাটতি রয়েছে।

    তবে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে সাধারণত লবণের চাহিদা থাকে প্রায় ১ লাখ টন। বর্তমানে মিল গেটে যে পরিমাণ লবণ আছে, তা এই চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি বলে জানায় সমিতি।

    এবার কোরবানির চামড়ার জন্য লবণের কোনো ঘাটতি তো হবেই না বরং প্রয়োজনের তুলনায় আরো অনেক বেশি উদ্বৃত রয়েছে বলে জানিয়েছেন লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির।

    তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, চায়না লবণের দাপটে দেশিয় লবণ কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। বাজারে বিক্রি হচ্ছে না। ফলে প্রত্যেকটা মিলে লবণ অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। চামড়ার জন্য যেই লবণ ব্যবহার করা হয় সেই লবণের বস্তা (৭৫ কেজিতে এক বস্তা) ৫৮০ থেকে ৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লবণের সরবরাহ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। কিন্তু বিক্রি একেবারে নেই।

    তিনি বলেন, কোরবানির সময় লবণের চাহিদা থাকে ১ লাখ টনের মত। কিন্তু সারা বছর প্রায় আড়াই লাখ টন লবণের চাহিদা থাকে। এই পরিমাণ লবণ শুধু চামড়ায় ব্যবহার হয়ে থাকে।

    চায়না লবণের আমদানি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে নুরুল কবির বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত লবণ রয়েছে। তবু আমদানি করা হচ্ছে। অথচ এতে বিসিকের কোনো নজরদারি নেই। দেশিয় লবণ চাষীদের রক্ষায় বিদেশি লবণ আমদানি বন্ধ করতে হবে।

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। এ বছর ১ কোটি ১০ লাখ পশু কোরবানি হতে পারে। যেখানে গত বছর কোরবানি হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ পশু।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail