ঢাকা | শুক্রবার | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৫ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৯ মুহাররম, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব কোরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট শিং চর্বি হাড় দিয়ে
    এনবিএস | Saturday, August 17th, 2019 | প্রকাশের সময়: 2:49 pm

    হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব কোরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট শিং চর্বি হাড় দিয়েহাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব কোরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট শিং চর্বি হাড় দিয়ে

    ঘুরে দেখা গেছে রাজধানীর, হাজারীবাগ, গুলাশান, মহাখালী, পুরান ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেয়া পশুর বিভিন্ন অঙ্গ বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন কসাই, পথশিশু, পরিচ্ছন্নকর্মী ও ফেরিওয়ালারা। উচ্ছিষ্ট বর্জে্যর মধ্যে রয়েছে হাড়, শিং, অণ্ডকোষ, নাড়িভুড়ি, মূত্রথলি, পাকস্থলী ও চর্বি।

    হাড়, মাথা, দাঁত বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি, আর শুকনো হাড়ের কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা। কেজি হিসেবে পশুর অণ্ডকোষ ও লিঙ্গ ২৫ থেকে ৪০ টাকা, শিং ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চর্বি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, রক্ত ৮ থেকে ১৫ টাকা।

    ব্যবসায়ীদের দাবি, কোরবানির পশুর বর্জ্য রপ্তানি করেই হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। দরকার সরকারের সহায়তা। সাভার চামড়া শিল্প এলাকায় প্লট পেলে অপ্রচলিত পণ্যের তালিকায় শীর্ষ রপ্তানিকারক হতে পারবে বাংলাদেশ।

    আরো জানান, হাড় ওষুধের ক্যাপসুলের কাভার, সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। সারা বছর ধরে বিভিন্ন বাজার থেকে এগুলো সংগ্রহ করা হলেও, তা জমে ওঠে কোরবানির ঈদে।

    জানা গেছে, কারখানাগুলোয় প্রথমে হাড় শুকিয়ে গুঁড়ো করা হয়। হাড়ের গুঁড়ো ক্যাপসুলের আবরণ তৈরির কাজে ব্যবহার হয়। পাশাপাশি হাড় ও হাড়ের গুঁড়ো বিদেশে রপ্তানি করা হয়। গরু, মহিষ ও ছাগলের শিং ভারতে রপ্তানি হয়। শিং দিয়ে বিভিন্ন কারু পণ্য তৈরি করা হয়। সাবান তৈরিতে ব্যবহার হয় চর্বি। রক্ত শুকিয়ে পোল্ট্রি, পাখির খাবার তৈরি হয়।

    এছাড়া মাথার হাড় মেলামাইন তৈরিসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। পশুর শিং দিয়ে তৈরি হয় চিরুনি, বোতাম, এক্স-রে ফিল্ম, ক্যামেরার ফিল্ম, ঘর সাজানোর শো-পিছ। পুরান ঢাকার হাজারীবাগের হাড্ডিপট্টিতে পশুর এসব বর্জ্য কেনার জন্য ৩০ থেকে ৪০টি ভাঙ্গারির দোকান রয়েছে। সে দোকানে গরু-মহিষের হাড় ছাড়াও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বেচাকেনা চলে। প্রতিটি অন্ডকোষের রপ্তানিমূল্য ৪ থেকে ৬ ডলার।

    এছাড়া জানা যায়, টানা ১২ ঘণ্টা চুলার আগুনে পশুর অপ্রচলিত চর্বি জ্বালিয়ে বের করা হয় তেল। কোরবানির পশু থেকে সংগ্রহ করা এসব কমার্শিয়াল ফ্যাট বিভিন্ন কল-কারখানার কাজে ব্যবহার করা হয়। চামড়ার আরতদারদের ফেলে দেয়া চামড়ার টুকরো কাজে লাগাচ্ছেন এসব ব্যবসায়ীরা। আগুনে জ্বালিয়ে পাওয়া তরল পদার্থ থেকে তৈরি হয় সিরিজ কাম্প।

    স্থানীয় হাজারীবাগের মেসার্স আরিফ ব্রাদার্স নামে আড়তের মালিক শুকুর মিয়া বলেন, হাড় ওষুধ কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হবে। প্রতি টন ২৩ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। নিজেরই হাড় গুঁড়ো করার মেশিন আছে জানিয়ে শুকুর বলেন, দেশে প্রায় ১৫০টি ওষুধ কোম্পানি ও হারবাল প্রতিষ্ঠান প্রতিমাসে ৩০ থেকে ৪০ কোটি ক্যাপসুল তৈরি করে। বেশ কিছু কোম্পানি গুঁড়া করা হাড় থেকে ক্যাপসুলের সেল তৈরি করে। এতে প্রতি মাসে টনের পর টন পশুর হাড় প্রয়োজন হয়।

    জাপান, কোরিয়া, চীন, জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাদ্য সুসেড রুলসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার পশুর অন্ডকোষ দিয়ে তৈরি হয়। চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েক জেলার ব্যবসায়ীরা অন্ডকোষ কিনে বিদেশে পাঠান। সারাদেশে পশুর বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ৩০ থেকে ৩৫টির মতো কারখানা রয়েছে, যেখানে হাড় গুঁড়ো করা হয়।

    এদিকে চামড়াশিল্প ব্যবসায়ীদের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে গরু প্রায় ৪০ লাখ। ছাগল, ভেড়া ও মহিষ প্রায় ৭০ লাখ। গরু প্রতি গড়ে ১৫ কেজি করে হাড় হলে ৪০ লাখ গরু থেকে ৬০ কোটি কেজি হাড় হবার কথা। যা ৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হলে চারশ’ আশি কোটি টাকা হয়। যদিও সব গরুর হাড়ই যে বিক্রি করা হচ্ছে বা যাচ্ছে তা নয়। তবে এই সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবকে চারভাগের একভাগে নিয়ে আসলেও কোটির বেশি।

    বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম বলেন, বর্জ্য থেকে উৎপাদিত এসব পদার্থ বিভিন্ন কারখানায় কাজে লাগে। শুধু দেশেই নয়, বিশ্ব বাজারে যাচ্ছে এসব অপ্রচলিত পণ্য। গরুর প্রজনন অঙ্গ অত্যান্ত দামি ঔষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এক-একটি অঙ্গ ছয় থেকে সাত ডলারে বিক্রি হয়। পশুর বর্জ্য রফতানি করেই হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। অনেকই জানে না পশুর প্রজনন অঙ্গ রফতানি করে বৈদাশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। বাহিরে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে পশুর প্রজনন অঙ্গ। এছাড়া পশুর চর্বি চাহিদা দেশ ও দেশের বাহিরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

    সরকার চাইলে এই শিল্পখাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বৈদাশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই শিল্পখাতে ১৮০ কোটি টাকা বৈদাশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সরকারে সাথে এ ব্যাপারে অনেক বার বসেছি কিন্তু সরকার কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এ বিষয় আমি অনেক বার বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের কর্তৃপক্ষে কাছে দৃষ্টি আর্কষন করেছি। কিন্তু তারা এব্যাপারে তেমন কোন সাড়া দেয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রনালয় এব্যাপারে যদি সোচ্চার হতেন তাহলে ব্যাপক পরিমাণ বৈদাশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হতাম।

    তিনি বলেন, চামড়া শিল্প নগরিতে যদি ছোট ছোট প্লট করে সারা দেশের অপ্রচলিত পণ্য গুলো একখানে করা যেত এবং রফতানির জন্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আমাদের এক হাজার কোটি টাকা আয় কারা সম্ভব। তিনি বলেন, পশুর বর্জ্য-হাড়, শিং, চামড়া, ভুড়ি, অন্ডকোষ, মূত্রথলি, চর্বি, রক্ত সবই রপ্তানিযোগ্য। অধিকাংশই রপ্তানি হয় চীন, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে। 


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail