ঢাকা | শনিবার | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৬ আশ্বিন, ১৪২৬ | ২১ মুহাররম, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    সাউথ এশিয়া মনিটরের তথ্য মতে, ভারতে গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে পারে কাশ্মীর ও আসামে বিজেপির কর্মকাণ্ড
    এনবিএস | Tuesday, September 10th, 2019 | প্রকাশের সময়: 1:46 pm

    সাউথ এশিয়া মনিটরের তথ্য মতে, ভারতে গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে পারে কাশ্মীর ও আসামে বিজেপির কর্মকাণ্ডসাউথ এশিয়া মনিটরের তথ্য মতে, ভারতে গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে পারে কাশ্মীর ও আসামে বিজেপির কর্মকাণ্ড

    পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, আসামে ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেন্স (এনআরসি) বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে দেশে ‘রক্তপাত ও গৃহযুদ্ধ’ বেঁধে যেতে পারে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) মমতার রাজ্যে এনআরসি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে বলে তিনি এই অতিরঞ্জিত মন্তব্য করেছেন – এমন চিন্তা থেকে এই কথা নাকচ করে দেয়াটা ভুল হবে।খবর সাউথ এশিয়া মনিটরের।

    অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক হুমকি থেকে ভারতকে মুক্ত করার এজেন্ডা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি, কিন্তু তাদের রাজনীতি নিজেই সম্ভবত দেশে একটা অস্থিরতা তৈরি করতে যাচ্ছে। মোদি সরকার দেশে এক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন, সেটা এরই মধ্যে আসাম এবং জম্মু ও কাশ্মীরে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। এই দল ও তাদের সরকার যেন তাদের নিজেদের আশঙ্কার শিকার নিজেরাই হয়েছে।

    অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে বিজেপির যে মনোভাব, সেটা শুধু আসামে সীমাবদ্ধ নয়। ১৯৯৫ সালে নিজেদের সম-আদর্শের দল শিব সেনাকে সাথে নিয়ে মুম্বাই থেকে বাংলাভাষী মুসলিমদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। দিল্লী থেকেও বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের বের করে দেয়ার একই দাবি করেছে দলটি। পশ্চিম বঙ্গ থেকে ‘বহিরাগতদের’ বের করে দেয়ার জন্য এখন বিজেপি যে দাবি করছে, এর স্বল্পমেয়াদি কারণ হয়তো ২০২১ সালের রাজ্য নির্বাচন। তারা আসামের মতো এখানেও ভোটারদের মধ্যে মেরুকরণের চেষ্টা করছে। বিজেপি এখন সারা ভারতেই এনআরসির মতো একটা নাগরিক তালিকার দাবি করছে, যেটা সম্ভবত হবে ন্যাশনাল পপুলেশান রেজিস্টার হিসেবে। শুধু দিল্লীতে নয়, তারা অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাস্ট্র ও কর্নাটকেও এটা তৈরির দাবি করছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সবগুলো রাজ্য এনআরসি ধরনের একটি তালিকা তৈরির পক্ষে।

    এই ধারণা সঠিক নয় যে, আসামের উগ্র জাতীয়তাবাদী মানসিকতা সেক্যুলার মানসিকতা থেকে পরিচালিত, এবং ধর্মের উর্ধে সকল বহিরাগতকে (পড়ুন বাংলাদেশী) এখানে একই দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। বরং রাজ্যের বিজেপি সরকার হতাশ হয়েছে কারণ বহু বাংলাভাষী হিন্দু এনআরসি থেকে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কিছু বেসরকারি হিসেব মতে, যারা বাদ পড়েছে, তাদের প্রায় অর্ধেই হিন্দু বাঙালি। সে কারণে বিজেপি এনআরসি তালিকা রিভিউ করার দাবি তুলছে।জম্মু ও কাশ্মীরে যদি রাজ্যের অধিবাসীদের সুরক্ষার ব্যবস্থাকে একতরফাভাবে প্রত্যাহার করা হয়ে থাকে, তাহলে আসামেও আমলাতন্ত্র, নির্বাহী বিভাগ এবং প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোইয়ের অধীনস্থ সুপ্রিম কোর্ট সেখানকার নাগরিকত্বের অধিকার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। আসামের এনআরসি থেকে যে ১৯ লাখ লোক বাদ পড়েছে, তাদের কাছে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা ভাগাভাগির কোন অর্থ নেই কারণ তাদের নাগরিকত্বটাই সন্দেহের মধ্যে পড়ে আছে। কল্পনা করে দেখুন প্রায় দুই মিলিয়ন মানুষ তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য রাজ্যের এক মাথা থেকে অন্য মাথায় দৌড়াদৌড়ি করছে। তাদেরকে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ স্বরূপ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে বলা হচ্ছে, যেখানে দেশের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে তাদের স্কুল পাশ বা স্কুল ত্যাগের কাগজপত্র দেখাতে পারেন না। তবে, জম্মু ও কাশ্মীরে যেমনটা হয়েছে, আসামেও তেমনি দেখা যাচ্ছে যে, হঠাৎ করে যারা রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছে, তাদের প্রতি দেশের সহ-নাগরিকদের বিন্দুমাত্র সহানুভূতি নেই। দেশের উপর যেন একটা মানসিক অসারতা ভর করেছে, যেখানে নাগরিকরা তাদের সহ-নাগরিকদের কোন যন্ত্রণাকেই অনুভব করতে পারছেন না। আর সে কারণেই সরকারের দাবির ব্যাপারে যেন যুক্তি তৈরি হয়েছে যে, এরা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠি এবং তাদেরকে স্থায়ী নজরদারিতে রাখতে হবে এবং তাদের কখনও বিশ্বাস করা যায় না। সে কারণে কাশ্মীরের প্রায় ৯০ লাখ মানুষের উপর এক মাস ধরে ষাঁড়াশি অভিযান চালানো হলেও জনগণের নৈতিকতার কোন হেরফের হয়নি। মনে হচ্ছে সরকার আসামের যে ১৯ লাখ বাদ পড়া মানুষকে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে, সেটাই যেন তাদের জন্য অনেক কিছু। যদিও দেশের বাকি নাগরিকদের সবাই জানেন যে, বিচারিক প্রক্রিয়া কতটা যন্ত্রণাদায়ক, সেখানে সবকিছু কতটা জটিল, ব্যয়বহুল ও ধীরগতির।

    আসাম ও মুসলিম প্রধান কাশ্মীর উপত্যকা– উভয় জায়গাতেই স্থানীয় সম্প্রদায় নিজেদেরকে সাংবিধানিক ও আইনি নিরাপত্তার ব্যর্থতার শিকার হিসেবে দেখছে। একই সাথে নিজেদের সহ-নাগরিকদের মধ্যেও তারা একটা আবেগহীন আচরণের বহিপ্রকাশ দেখছেন। যদি এমন কোন নেতা বেরিয়ে আসেন, যিনি এই ক্ষুব্ধ জনগোষ্ঠির নড়বড়ে মানসিকতায় নাড়া দিতে পারেন, তাহলে পরিস্থিতি সহজেই সহিংস হয়ে উঠবে।

    অ্যাডলফ হিটলারের সময়ে ক্ষোভ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, সেটা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ওয়াল্টার ল্যাঙ্গার লিখেছিলেন, “এটা শুধু উন্মাদ হিটলার নয় যে জার্মান উন্মাদনা তৈরি করেছিল, বরং জার্মান উন্মাদনার কারণে হিটলারের সৃষ্টি হয়েছিল”। আজকের ভারতের জন্য তার ব্যাখ্যাটা অত্যন্ত উপযুক্ত। ভারতের সম্মিলিত অশুভ নাগরিক শক্তিই যে বর্বর ও নির্দয় রাষ্ট্রক্ষমতা সৃষ্টি করেছে, সেই শক্তিই আজ দেশের নাগরিকদের উপর চড়াও হয়েছে।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail