ঢাকা | সোমবার | ২৫ মে, ২০২০ | ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ | ১ শাওয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    তিন মাসে কোটিপতি বাড়ল ৯৪৩ জন, ব্যাংকের হিসাবে সংখ্যা ৭৬ হাজার
    এনবিএস | Saturday, October 5th, 2019 | প্রকাশের সময়: 11:13 am

    তিন মাসে কোটিপতি বাড়ল ৯৪৩ জন, ব্যাংকের হিসাবে সংখ্যা ৭৬ হাজারতিন মাসে কোটিপতি বাড়ল ৯৪৩ জন, ব্যাংকের হিসাবে সংখ্যা ৭৬ হাজার

    দেশে অস্বাভাবিক হারে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। চলতি বছরের (২০১৯) মার্চ মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ২৮৬টি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ৭৫ হাজার ৩৪৩টি। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে কোটি টাকার হিসাব বাড়ল ৯৪৩টি। ১০ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৯ সালের মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৬৩৬ জন। এ হিসাবে গত ১০ বছরে ৫৬ হাজার ৬৫০ জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নতুন করে কোটিপতির তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, কেউ অবৈধভাবে বেনামে একাধিক হিসাবে টাকা রাখলে তাদের শনাক্ত করা কঠিন। কাজেই কোটিপতি হিসাবের প্রকৃত সংখ্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। এ ছাড়া দেশের এমন অনেক কোটিপতি রয়েছে যাদের ব্যাংকে কোটি টাকা নেই কিন্তু কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। তাদের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তালিকায় স্থান পায়নি বলেও মনে করছেন তারা।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা যেটা দেখাচ্ছে বাস্তবে কোটিপতির সংখ্যা আরও বেশি। অন্যদিকে দেশে আয় বৈষম্য বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী আমাদের দেশের আয় বৈষম্য অতিমাত্রায় ধরে নেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, কোটিপতিদের বড় একটি অংশ কালো টাকার মালিক। এ কালো টাকার সুবাধে সমাজে একটি বিশেষ শ্রেণি ধনী হয়ে যাচ্ছে। অন্য শ্রেণি পেছনে পড়ে যাচ্ছে, তারা গরিব থেকেই যাচ্ছে। জানা যায়, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণ প্রবাহের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ কোটিপতিদের দখলে। অর্থাৎ ৪০ শতাংশ আমানতকারী মোট ঋণ প্রবাহের ৭০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছেন। সুতরাং কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যার চেয়ে কোটিপতি ঋণ গ্রহীতার সংখ্যা বেশি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ১৩০টি। ২০১৮ সালে ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা বেড়ে ছিল ৭৫ হাজার ৩৪৩টি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা। আর ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
    প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ১০ বছরে ৪০ কোটি টাকারও বেশি আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা ছিল ৩১৪টি। ২০০৯ সালে ৪০ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা ৫০টি। এখন রয়েছেন ৩৬৪টি। গত ১০ বছরে ১৭৫ জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ৩৫ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ৩৫ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৯টি। ২০০৯ সালে এ তালিকায় ছিল ৪৪টি।

    জুন শেষে ৩০ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা ৩০৭টি। ২৫ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা ৫২২টি। ২০ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা বর্তমানে ৯০৯টি। ১৫ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা হিসাব সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৬টি। ১০ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা ব্যক্তির হিসাব সংখ্যা ২ হাজার ৯৩০টি। ৫ কোটি টাকার ওপরে আমানত রাখা ব্যক্তির হিসাব সংখ্যা ৮ হাজার ৫৩০টি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতির ক্রমাগত উন্নতি হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবে ধনীর সংখ্যা বেড়েছে। মানুষের অর্থ বাড়ায় বেশি পরিমাণে ভোগ করছে। এটা খুবই ইতিবাচক।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রতিবেদনগুলোয় কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা রয়েছে তবে কোটিপতিদের হিসাব নয়। সুতরাং কোটিপতির সংখ্যা লেখাটা ভুল। যেহেতু কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা দেওয়া আছে সুতরাং এসব হিসাব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের থাকতে পারে এমনকি একই ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি ছিলেন মাত্র পাঁচজন। ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে এই সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়ায়। ১৯৮০ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৮ জনে। এরশাদ সরকারের পতনের সময় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৯৪৩ জন। ১৯৯৬ সালের জুনে কোটিপতি ছিলেন ২ হাজার ৫৯৪ জন। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৬২ জনে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৮৮৭ জনে। ২০০৮ সালে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ১৯ হাজার ১৬৩ জন। সময়ের আলো

    Follow and like us:
    0
    20

    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use