ঢাকা | শুক্রবার | ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩ কার্তিক, ১৪২৬ | ১৮ সফর, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ফেরত আসা প্রবাসীদের ডাটাবেজ চালু হচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যে
    এনবিএস | Monday, October 7th, 2019 | প্রকাশের সময়: 1:38 pm

    ফেরত আসা প্রবাসীদের ডাটাবেজ চালু হচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যেফেরত আসা প্রবাসীদের ডাটাবেজ চালু হচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যে

    ফেরত আসা প্রবাসীদের নিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ডাটাবেজ চালু হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় একটি সফটওয়্যার করা হচ্ছে। সেখানে ফেরত আসা প্রতিটি প্রবাসীর নাম ঠিকানাসহ কতদিনের জন্য এসেছেন, কত বছর পর এসেছেন, কতবার এসেছেন, একেবারে চলে এসেছেন কিনা এসব তথ্য থাকবে।

    এর ফলে সরকার সহজেই ফেরত আসা প্রবাসীদের সঠিক ডাটাবেজ তৈরি করতে পারবে। একইসঙ্গে ফেরত আসা কর্মীদের পুনর্বাসন কাজও সরকার নির্ভুলভাবে করতে পারবে।

    প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে ফেরত আসা কর্মী বা প্রবাসীদের সঠিক কোনো ডাটা সরকারের কাছে নেই। তাই এলক্ষ্যে সরকার একটি রূপকল্প বাস্তবায়ন করছে। এতে সহায়তা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। প্রতিষ্ঠানটি একটি সফটওয়্যার তৈরি করে দেবে। যেখানে ফেরত আসা সব প্রবাসীর তথ্য থাকবে। যা নিয়ন্ত্রণ করবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    বর্তমানে সরকারের কাছে ফেরত আসা প্রবাসীদের কিছু তথ্য আসে, সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন থেকে। এতে সামান্য কিছু তথ্য পাওয়া যায়। বিশাল পরিসরে তথ্য সংরক্ষণের জন্য সরকার এ উদ্যোগটি নিয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটির গত জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে এটি সম্ভব হয়নি। ফলে তারা দুই মাস সময় বেশি নিয়েছে। সে হিসেবে নভেম্বরে চালু করার কথা, তারপরও একটু সময় বেশি ধরে সেটি ডিসেম্বর ধরা হয়েছে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাস কল্যাণ ডেস্ক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে মোট ৩৪ হাজার ২১২ জন কর্মী দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে নারী কর্মী রয়েছেন ১১৮২ জন। আর সেপ্টেম্বর মাসে এসেছেন ৮ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী ছিলেন ২৫০ জন। যার বেশির ভাগ এসেছেন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

    এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (অভিবাসী কল্যাণ অনুবিভাগ) অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, এ পর্যন্ত কতজন প্রবাসী দেশে ফেরত এসেছেন তার সঠিক পরিসংখ্যান দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার ফেরত আসা প্রবাসীদের হিসাব রাখতে একটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই সফওয়্যারটি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যে এর কার্যক্রম চালু করতে পারবো। এ বিষয়ে শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক হবে। সেখানে সফটওয়্যারে কী কী কার্যক্রম হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) গত জুলাই মাসে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় সময় বাড়াতে হয়েছে। যেহেতু সফটওয়্যারের কাজ এটি কেনা, এটি সেট করা, সেখানে কী কী বিষয় থাকবে, তথ্য প্রদানকারী কিভাবে তথ্য দেবেন। এই বিষয়গুলো সরকারসহ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ফেরত আসা বন্ধে ক‚টনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। এছাড়া দেশে ফিরেছেন বলে যারা অভিযোগ করছেন তাদের প্রত্যেকটি অভিযোগই আমরা যাচাই-বাছাই করছি। তবে আমরা বিষয়টি মাথায় নিয়েছি, এখন যাচাই-বাছাই চলছে। সফটওয়্যারটি আইওএম তৈরি করে দিলেও নিয়ন্ত্রণ করবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ থেকে অভিবাসী হয়ে এপর্যন্ত কতজন গেছেন আর কতজন ফেরত এসেছের এর কোনো সঠিক ডাটা সরকার বা কারো কাছে নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ জনশক্তি রফতানি ব্যুরো (বিএমইটি) অভিবাসীদের স্মার্টকার্ড দেওয়ার সুবাদে এখন অভিবাসী হওয়ার একটা ডাটা পাওয়া গেলেও কতজন ফেরত এসেছে তার কোনো হিসাব পাওয়া যায় না। তবে সরকার ফেরত আসা কর্মীদের ডাটা তৈরিতে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় একটি সফটওয়্যার তৈরির বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যেখানে ফেরত আসা কর্মীদের হিসাব, কোন জেলার, কোন দেশ থেকে এসেছেন সেগুলো থাকবে। এই কাজটি সরকার যত দ্রæত করবে ততো সবার জন্য ভালো।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) আওতায় ফেরত আসা কর্মীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছে ব্র্যাক। আমরা ফেরত আসা কর্মীদের বিমানবন্দরে খাবার দেওয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা, কাউন্সিলিং করা এবং পরিবারে লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে থাকি।

    ব্র্যাকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০০৮ থেকে ২০১৯ এর সেপ্টেস্বর পর্যন্ত ১০/১১ বছরে সাড়ে ৫ লাখ অভিবাসী পাসপোর্ট ছাড়া বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন। তারা সবাই এক কাপড়ে চলে এসেছেন। সবচেয়ে বেশি এসেছেন সৌদি আরব থেকে, প্রায় ২ লাখ। এর মধ্যে নারী কর্মী রয়েছেন ৮ থেকে ১০ হাজার। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছেন দেড় লাখ। মালয়েশিয়া থেকে এসেছেন ৯০ হাজার এবং ওমান থেকে এসেছেন ৩০ হাজার। এছাড়া কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, মালদ্বীপ, জর্ডান, লিবিয়া, সিঙ্গাপুর, লেবানন থেকেও ফেরত এসেছেন।

    জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত অভিবাসীর মোট সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ১৭ হাজার ৮৪ জন। এরমধ্যে নারী কর্মী গেছে ৭১ হাজার ৯৪৫ জন। সবচেয়ে বেশি অভিবাসী হয়েছেন সৌদি আরবে। দেশটিতে গত আট মাসে গেছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭১ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী রয়েছেন ৪৪ হাজার ৭১৩ জন। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন ২ লাখ ১৬২ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী এক হাজার ৭০৮ জন। ওমানে গেছেন ৪৭ হাজার ৭৮৭ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী ৭ হাজার ৯২৭ জন, কাতারে গেছেন ৪১ হাজার ৯৯৮ জন। এর মধ্যে নারী ২ হাজার ৫২৩ জন। সিঙ্গাপুরে গেছেন ৩৩ হাজার ৬৫ জন। এর মধ্যে নারী ৭৫ জন। জর্ডান গেছেন ১২ হাজার ৭০১ জন। এর মধ্যে নারী ১২ হাজার ১২৩ জন। লেবাননে গত আট মাসে মোট কর্মী গেছেন ৩ হাজার ৪১৫ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী এক হাজার ১২২ জন। 


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail