ঢাকা | রবিবার | ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ | ১৯ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    স্বপ্নবাজদের প্রিয় ক্যাম্পাস বুয়েট রক্তাক্ত
    এনবিএস | Tuesday, October 8th, 2019 | প্রকাশের সময়: 5:16 pm

    স্বপ্নবাজদের প্রিয় ক্যাম্পাস বুয়েট রক্তাক্তস্বপ্নবাজদের প্রিয় ক্যাম্পাস বুয়েট রক্তাক্ত

    মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ।।

    যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে, স্বপ্ন দেখাতে ভালবাসে এবং সেই স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভালোবাসে তারা তাদের সিদ্ধান্তে এসে প্রথমেই পছন্দ করে একজন বড় আর্কেটিক হবে। আর সেই মেধাবী ছাত্রের প্রথম এবং প্রিয় ক্যাম্পাস হচ্ছে বুয়েট। যে ক্যাম্পাস ঘিরে শিশুকাল থেকেই বুঝতে শেখার পর এই স্বপ্ন দেখে। এই ক্যাম্পাসে একদিন পা রাখব এখান থেকে একজন প্রকৌশলী হয়ে বের হব এবং মানুষের মতো মানুষ হবো।

    এই তো গত ২০ অক্টোবর আমার ছেলে মুস্তাকিম হোসেন রনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে রেখে বুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম। তিতুমীরে সকালের নাস্তা করেছিলাম। তারপরে একটি সাইনবোর্ড আটকে গেল চোখ, সেই সাইনবোর্ড হল শেরেবাংলা হল সেখানে গিয়ে একটি ছবি তুললাম তারপর অনেকক্ষণ তাকিয়ে দেখলাম।

    আজ সকালে প্রেসক্লাবের দিকে যাচ্ছিলাম সকাল ১১ টায়। হাতিরঝিলে অপ্রত্যাশিত পিছন থেকে একটি সিএনজি ধাক্কা দিল মুহূর্তেই চোখে মুখে অন্ধকার দেখলাম পড়ে গেলাম ১৫ থেকে ২০ হাত দূরে। ডান হাত কেটে রক্তাক্ত হলো, বাম পা ডান হাত পা জোর চাপা ব্যথার যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলাম। পথচারীরা ধরে হাতিরঝিলের একটি চেয়ারে বসে কিছুক্ষণ পর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেল। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঘরে এসে যখন আমার যন্ত্রণার মধ্যে কাঁকড়াচ্ছিলাম।

    তখন খবরে দেখতে পেলাম একটি লাশ। গতকালকে যে ছেলেটি বুয়েট ক্যাম্পাসে হেটে বিরিয়েছে আ সে প্রিয় ক্যাম্পাস বুয়েটে তার হল শেরেবাংলা হলের সিড়িতে মরে পড়ে আছে। রাত দুটো থেকে আড়াই টার মধ্যে তাদের সহপাঠী তাকে ডেকে এনে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। কি অপরাধ ছিল তার কেউ জানে না। তার ফেসবুকে দেখছিলাম সেখানে ছিল অগাধ দেশ প্রেম ছিল-মানবতা ছিল-মানুষের জন্য ভালোবাসা ছিল।

    অনেক স্বপ্ন ছিলো তার চোখে মুখে। অথচ সেই স্বপ্নকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করল, একটি নিষ্পাপ ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করল তারা কারা ? কেন এই হত্যা কান্ড ?? হত্যাকারীদের বিচার কি হবে ??? হত্যাকারীরা যে দলেরই হোক না কেন তাদেরকে খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা হবে কি ????

    আজকে যে ছেলেটি প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার কথা ছিল। যার মা-বাবা অনেক কষ্ট করে অনেক স্বপ্ন দেখে ছেলেকে ভর্তি করেছিল বুয়েটে, আজকে সেখান থেকেই ছেলে বের হলো লাশ হয়ে। কেন ? কেন ?? ছেলের লাশ গ্রহণকালে মা-বাবা হৃদয়ে রক্তক্ষরণ আর যে যন্ত্রনা চলছিল তা কি রাষ্ট্র উপলব্ধি করতে পারবে ?

    সৃষ্টির সেরা সেই মানুষগুলো এভাবে মানুষকে কিভাবে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে কি করে ? কয়েক বছর আগে বিশ্বজিতের কথা আপনাদের হয়তো কারো মনে নেই সেই বিশ্বজিৎকে রাস্তায় কুপিয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আজও সেই হত্যার বিচার পায়নি। আর এই বিচার না পাওয়ার কারণে অজস্র বিশ্বজিতরা এভাবে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করছে। আমরা নীরব নিথর অবাক হয়ে চেয়ে আছি, কিছুই করতে পারছি না।

    হয়তো আজ আমাকেও সিএনজি অপ্রত্যাশিত আঘাত না করে ট্রাক-বাস আঘাত করলে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হতো। একটি সোনালি স্বপ্ন-একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ হয়তো শেষ হয়ে যেত। আল্লাহর অশেষ রহমতে সকলের দোয়ায় বেঁচে গেছি। কিন্তু যে ছেলেটির অনেক স্বপ্ন ছিল কোনো দুর্ঘটনা নয় অপ্রত্যাশিত কোনো ঘটনা নয়, তাকে পরিকল্পিতভাবে তার হল থেকে বের করে তাকে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে তার কি হবে। যারা এই নির্মম নৃশংস কাজটি করেছে তারাও তো এই প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবী ছাত্র।

     কিন্তু শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের সংকীর্ণতায় আবদ্ধ হয়ে আজকে তারা কোথায় গিয়ে পৌঁছে গেছে ? তাদের বিবেক, তাদের মানবতা, তাদের মনুষ্যত্ব আজকে কোথায় ? তারা আজকে মানুষ হয়েও অমানুষের মত যে নির্মম আচরণ করছে তাদের প্রতি আমাদের করুণা হয়। আজকে তাদেরকে যারা তৈরি করেছে তারা কি একবারও ভেবেছে আজকে যে ছেলেটি নৃশংসভাবে নির্মমভাবে হত্যা হয়েছে সেই ছেলের তালিকায় তার ছেলেকে থাকতে পারতো। তার নিজের ছেলের যদি এভাবে নির্মম নৃশংস ভাবে হত্যা হতো তখন তিনি কি করতেন তারা ?

    ফাহাদের জন্য আমাদের অনেক কান্না। আসুন সবাই মিলে প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আসে। যেখানে আছি সেখান থেকেই তার জন্য চিৎকার করে বলি, ও! এখন থাম, এভাবে আর একটি হত্যাকাণ্ড আমরা দেখতে চাই না। আমরা আর একটি রক্তাক্ত লাশ দেখতে চাই না। আমরা মানবতার বাংলাদেশ দেখতে চাই। আমরা মানুষের বসবাসের বাংলাদেশে যেতে চাই। কবি নির্মল সেরে ভাসায় 'স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই'।

    আল্লাহ ফাহাদকে শহীদি মর্যাদা দান করুক এবং সে তার স্ট্যাটাসে দেশপ্রেমের ঐতিহাসিক নিদর্শন রেখে গেছে, সত্য উচ্চারণ করেছে। আজকে আমরা যারা নীরব রয়েছি, এই নীরবতা হয়তো আমাদেরকে একদিন ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে পৌছে দেবে। হয়তো সেদিন আমরা ইচ্ছা করলেও ফিরে আসতে পারবো না। ফাহাদ তার জীবন দিয়ে আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছে, প্রতিবাদ করার যে শিক্ষা, মনুষ্যত্বের যে শিক্ষা, দেশপ্রেমের যে শিক্ষা আসুন সবাই শিক্ষা গ্রহণ করে এগিয়ে যাই। দেশটাকে ভালবাসি, দেশটাকে রক্ষা করি।

    (লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি)


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail