ঢাকা | মঙ্গলবার | ১২ নভেম্বর, ২০১৯ | ২৮ কার্তিক, ১৪২৬ | ১৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা, অযৌক্তিক বলছেন বিশ্লেষকরা
    এনবিএস | Saturday, October 12th, 2019 | প্রকাশের সময়: 4:46 pm

    বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা, অযৌক্তিক বলছেন বিশ্লেষকরাবিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা, অযৌক্তিক বলছেন বিশ্লেষকরা

    সবশেষ অর্থবছরে যা গুণতে হয়েছে, বেসরকারি ৮৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীতে। এক বছরের ব্যবধানে এই খরচ বেড়েছে, ৪০ শতাংশের বেশি। এধরনের খরচকে অযৌক্তিক বলছেন বিশ্লেষকরা।

    কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়া নিয়েছে ৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডিজেল চালিত কেন্দ্র এপিআর এনার্জি; পৌনে ৫শ কোটি। এছাড়া, শীর্ষতালিকায় সামিটের বেশ কয়েকটি কেন্দ্র।

    ঢাকার কেরানিগঞ্জে ৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এপিআর এনার্জির মালিকানাধীন এই কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসে মাস ছয়েক আগে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যবহৃত হয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ ক্ষমতা। অর্থাৎ প্রায় সারাবছরই একরকম অলস বসে ছিলো কেন্দ্রটি। কিন্তু তার বিপরীতে সরকারের কাছ থেকে শুধু ভাড়া বাবদ নিয়েছে প্রায় পৌনে ৫শ কোটি।

    সাড়ে ৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বৈত জ্বালানির সামিট মেঘনাঘাটও এই সময়ে নিয়েছে ৩শ ৯০ কোটি টাকা। অথচ সেখান থেকেও সরকার বিদ্যুৎ কিনতে পেরেছে সক্ষমতার মাত্র ৯ শতাংশ। অলস বসিয়ে রেখে ভাড়া পরিশোধের এই তালিকায় সামিটের আরো কয়েক প্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে, ৮৬টি বেসরকারি ভাড়াভিত্তিক এবং স্বাধীন কেন্দ্রের বিপরীতে কেবল ভাড়া হিসেবে দিতে হয়েছে ৮ হাজার ৯শ কোটি টাকা।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকার যখন টাকা দেয় তখন সেখানে অপচয় বলতে কিছু নেই। বিদ্যুতের দামকে সুবিধাজনক করার জন্যই বিদ্যুৎ বিভাগকে ৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম তামিম বলেন, বেশি দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে যে ভতর্‚কিটা আছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি খরচ দেওয়াতেও কিন্তু ব্যয় কম হয়। তো বেশি ক্যাপাসিটি রাখাটা জরুরি। তবে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা পরিকল্পনা করে হয়নি।

    বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র দেড়শর বেশি। যেখান থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিদ্যুৎ কেনা বাবদ খরচ হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এরমধ্যে, কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ দেয়া হয়েছে নয় হাজার কোটি। আর অলস বসিয়ে টাকা গোণার এই হার এক বছরে বেড়েছে ৪০ শতাংশ বা পৌনে তিন হাজার কোটি। অথচ, একই সময়ে সেই সব কেন্দ্রগুলোর প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর বা ক্ষমতার ব্যবহার কমেছে ৮ শতাংশ।

    পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলেন, শীতকালে আমাদের চাহিদা নেমে যাচ্ছে ৫ হাজার মেগাওয়াটেরও নিচে। আর সেটাই গরমকালে হয় ১৩ হাজার। এইযে তিনগুনের যে তফাৎ, আমাদের কিন্তু ১৩ হাজার টার্গেট করেই বানাতে হচ্ছে। যার কারণে গড়ে প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর কমে আসছে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলম বলেন, যখন বিদ্যুৎ উদপাদন করার আর প্রয়োজন নেই, তারপরেও অব্যাহতভাবে তেল বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়েছি। সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও তাদের ক্যাপাসিটি খরচ দিয়ে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে।
    বর্তমানে মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৯ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিপরীতে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা গেছে পৌনে ১৩ হাজার।

    প্রত্যাশা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারায় এবং বিদ্যুৎ বিক্রি করতে না পারার কারণে প্রতি বছরই গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের লোকসান। যা সংকটে ফেলছে সরকারের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বাস্তবায়নকে।  চ্যানেল টোয়েন্টিফোর


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail