ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ | ৩০ কার্তিক, ১৪২৬ | ১৬ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    বিপ্লব জাগ্রত ও সাফল্যমন্ডিত হোক
    এনবিএস | Thursday, November 7th, 2019 | প্রকাশের সময়: 5:44 am

    বিপ্লব জাগ্রত ও সাফল্যমন্ডিত হোকবিপ্লব জাগ্রত ও সাফল্যমন্ডিত হোক

    – মোঃ মিজানুর রহমান –

    দেশ স্বাধীনের পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর সীমাহীন ব্যর্থতা, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারনে নব্য স্বাধীন দেশ দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে পতিত হয়। এই দেশের সম্পদ তখন পার্শ^বর্তী দেশে পাচার হয়ে যায়। দেশ তখন পরিণত হয়েছিল চোরের খনির দেশ, চাটার দলের দেশ, রক্ষীবাহিনীর দেশ, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন আর গুমের দেশ। কিন্তু কারো কথা বলার কোন অধিকার ছিলনা। তাই দেশ স্বাধীনের পর প্রথম শাসকগোষ্ঠী কর্তৃকই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূ-লুণ্ঠিত হয়। একটু সমালোচনাও সহ্য না করে তা কঠোর হস্তে দমন করতো তৎকালীন সরকার। গণমাধ্যমে যাতে সব খবর না আসে সেজন্য সরকার নিয়ন্ত্রিত ৪ টি পত্রিকা বাদে সব প্রত্রিকা বন্ধ করে দেন সেসময়ের শাসকগোষ্ঠী। শাসকপ্রধান ক্ষমতা চিরদিন নিজ হাতে কুক্ষিগত করে রাখার জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেন; এমনকি তার নিজ রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ-কেও বিলুপ্ত করে ‘বাকশাল’ গঠন করেন এবং নিজে বাকশাল নেতা বনে যান-সেই সাথে সব আওয়ামীলীগ নেতারা বাকশাল নেতা হয়ে যান। ঘোষণা দেন দেশে শুধু একদল এই বাকশালই থাকবে আর কোন দল থাকবে না। এসবের কারনে নব্য স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। দেশের মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দেয় এবং অরাজকতার সৃষ্টি হয়। সৃষ্ট অসন্তোষ ও অরাজকতায় পরিবার পরিজনসহ নিহত হন তৎকালীন শাসকপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান (তার দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া) এবং ক্ষমতায় আসেন তারই বিশ^স্ত বিশ^াসঘাতক খন্দকার মোশতাক। বেঈমান খন্দকার মোশতাকের শাসনের সময় অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলায় অরাজকতা মাৎস্যানালয়ে রূপ নিয়েছিল। অতঃপর খন্দকার মোশতাককে পুতুল সরকার করে, জিয়াউর রহমানকে বন্দী করে খালেদ মোশাররফ কর্তৃত্ববাদ হয়ে উঠেন। কর্নেল তাহেরও ক্ষমতার জন্য প্রভাব খাটাতে থাকেন। ফলে দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে অসন্তোষের যেনো আর কোন সীমাই ছিলনা। আইন, বিচার, মানবাধিকার আর সুশাসনের অভাবে উদ্ভুত এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেশজনতা এবং সিপাহী-সেনারা সঠিক নেতৃত্বহারা ও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। এর মাঝেই দেশজনতা এবং সিপাহী-সেনারা ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদে মুখরিত হয়েছিলেন এবং বন্দীদশা থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে আনলেন ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর। সেই সাথে মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়াউর রহমানকে ঐক্যবদ্ধ সিপাহী-জনতা ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করলেন এবং ৭ নভেম্বর হলো “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস”। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সর্বোপরি মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে যা যা করণীয় তার সবটুকুই করেছিলেন-যেনো তখন থেকেই মূলতঃ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনা সুপ্রষ্ফুটিত হয়েছিল-দেশ দুর্ভিক্ষ থেকে ইমারজিং টাইগারে পরিণত হয়েছিল। বিশ^সম্প্রদায়ের মধ্যে বাংলাদেশ সর্ম্পকে ইতিবাচক ধারণা জন্মেছিল।

    …………….কিন্তু  স্বাধীনতার এতো বছর পর দেশের আপামর জনসাধারণ ভাবছেন আজ আমরা কোন অবস্থানে। যেখানে পাশর্^বর্তী দেশের সাথে আমাদের দেশের সরকার প্রধান চুক্তি সম্পাদিত করলে দেশের কোন অর্জন থাকে না, দেশের জনগণ চুক্তির কিছুই জানতে পারেননা বরং সব বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। যেমন সম্প্রতি চুক্তির কিছু বিষয় এখানে উল্লেখ্য-দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বাংলাদেশের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা চুক্তির বিষয়ে কোন শব্দ উচ্চারণ না করেই আমাদের দেশেই উৎপত্তি ফেনী নদীর পানি ভারতকে দেওয়ার চুক্তি হলো, আরো একটি চুক্তি হলো বাংলাদেশের উপকূলে ভারত পর্যবেক্ষণ রাডার স্থাপন করবে-এতে বাংলাদেশের উপর ভারতের খবরদারি বেড়ে যাবে তো যাবেই, তাতে বাংলাদেশের কোন লাভই নেই-বরং এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দ্বারা ভারত সমুদ্র উপকূল নিয়ন্ত্রণে নিবে-এভাবে সব চুক্তিই ভারতের স্বার্থে করা হয়েছে। আর এসব বিষয়ে দেশপ্রেমিকরা লেখলে বা বললে নির্যাতন, হত্যার শিকার হতে হয়। যেমন বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার দেশপ্রেম থেকে সম্প্রতি ভারতের সাথে চুক্তির বিষয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস লেখার ফলে ক্ষমতাসীন দলের লালিত পালিত সংগঠন ছাত্রলীগ দ্বারা ক্যাম্পাসের হলে তাদের গঠিত ও পরিচালিত টর্সার সেলে নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়ে হত্যার শিকার হন। অথচ যেখানে ক্যাম্পাসে লেখা-পড়ার পরিবেশ বিদ্যমান থাকার কথা সেখানে ছাত্রলীগ দ্বারা ভয়-ভীতি দেখে দমানো, অসভ্য র‌্যাগিং, বিভৎস্য টর্সার সেল বিদ্যমান। এই দৃশ্য শুধু বুয়েটে নয় সকল পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে বিরাজমান। সময়ান্তে প্রতীকী হলো শুধু বুয়েট ও আবরার। শুধু আবরারকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হননি ছাত্রলীগ, টর্সার করে হত্যা করে আবরারকেই ফাঁসাতে তাকে শিবির বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছিল-যা পারেন নাই। বরং উল্টো দেশব্যাপী ছাত্রলীগের মুখোশ উন্মোচিত হলো। কিছু হলেই দেশে জামাত-শিবির বা বিরোধী দল করেছে বলে চালিয়ে দেওয়ার এই প্রবণতা আজ ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য আওয়ামী ভ্রাতৃ-প্রতীম বা অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনে আওয়ামীলীগ থেকে এসেছে-ফলে প্রকৃত অপরাধী বেঁচে যায়। দেশে কিছু হলেই আওয়ামীলীগ বিরোধী দলের কাজ বলে চালিয়ে দেয় এবং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদিকে নিয়ে যায়। জোর-জুলুম করে সবকিছু নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু জনগণ সব বুঝেন এবং নেতিবাচক মন্তব্যও করেন। যেমন-আবরারের পরিবারের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের সমবেদনামূলক দেখা করতে না দিয়ে প্রশাসন কর্তৃক বাধা দিয়েছেন ; অপরদিকে ক্ষমতাসীন প্রধান তার সরকারী বাসভবনে আবরারের পরিবারকে ডেকে সাক্ষাৎ করেছেন আর সাথে সাথে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপি’র গুম হয়ে যাওয়া নেতা এম ইলিয়াস আলী’র পরিবারের সাথে ক্ষমতাসীন প্রধানের সেই সাক্ষাতের চিত্র ও মন্তব্য। নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর পরিবারও ক্ষমতাসীন প্রধানের সরকারী বাসভবনে দেখা করতে গেলে তিনি বলেছিলেন, ‘বিষয়টি দেখবো’। আজ কতো বছর হলো কি দেখবেন বা দেখলেন তা জনগণের উপলব্ধির ……। কেননা, এবারও আবরারের পরিবারকে তিনি বলেছেন, ‘তিনি বিষয়টি দেখবেন’। যা জনগণের কাছে মরীচিকার দৃষ্টিভ্রম মনে হয়েছে। তাই তারা ফেসবুকে ক্ষমতাসীন প্রধানের সাথে ইলিয়াস আলী ও আবরার পরিবারের দুই ছবি পাশাপাশি রেখে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।

    ঘটনা ঘটলেই ‘বিরোধী দল’ করেছে বলে চালিয়া যাওয়ার এই প্রবণতা আওয়ামী জোটের অন্যান্য দলগুলোর মধ্যেও রোগ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই ছাত্রলীগকে তারা এমন বেপরোয়া করে গড়েছে যে গত ২০১৮ সালের মাঝামাঝিতে (মীম ও রাজিব নামের দু’জন ছাত্র-ছাত্রী রাজধানীতে বাসচাপায় নিহত হন) যখন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা মীম ও রাজীব হত্যা নিয়ে আন্দোলন করছিল সারা দেশে তখন প্রশাসনের সাথে ছাত্রলীগকে লাঠি দিয়ে ‘হেলমেট বাহিনী’ বানিয়ে রাস্তায় নামিয়ে পিটিয়ে সাধারণ ছাত্রদের দমন করেছিল। প্রশাসন যেনো তাদের (ছাত্রলীগদের) অপকর্ম মেনে নিয়েছিল-যা ছাত্রলীগের বেপরোয়াকে আরো উস্কে দিয়েছিল। সরকার ও প্রশাসনের এমন ছত্রছায়া পেয়েই ছাত্রলীগ আজ অধিকতর বেপরোয়া হয়েছে। এতটাই বেপরোয়া হয়েছে যে, ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী ও ভীতির পরিবেশ রেখে বিরোধী ছাত্র সংগঠনদেরকে নিবু নিবু স্তিমিত করে রেখেছে। যারই ফলস্বরপ ছাত্রলীগের টর্সার সেল সৃষ্টি আর সেইসব টর্সার সেলে আবরার হত্যা-যা মিডিয়ায় প্রকাশিত।

    সরকারের প্রশ্রয়ে ও ছত্রছায়ায় সরকারী দলের লোকজনের ও আওয়ামী ধ্বজাধারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, অনিয়ম যেনো সীমাহীন এবং আকাশছোয়া। নরসিংদী আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি তামান্না নুসরাত বুবলী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয় থেকে এবার বিএ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও ৪ সেমিস্টারের ১৩ টি পরীক্ষার মধ্যে একটিতেও অংশগ্রহণ না করেও ৮ জন ছাত্রীর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিয়ে নিচ্ছেন আর তিনি তখন ঢাকায় বসবাস করছেন-প্রশাসন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাকের ডগার উপরে তা চালিয়ে গেছেন-যা নাগরিক টিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে-প্রশাসন যেনো এক্ষেত্রে অন্ধ-বধির-চলনক্ষমহীন ছিলেন, তারা দেখে না দেখার ভান করে দুর্নীতি, অনিয়মকে উস্কে দিচ্ছেন অথচ বিএনপি একটি যৌক্তিক কর্মসূচি ঘোষণা দিলেই এই প্রশাসনরা ঘরে-বাইরে কোথা বিএনপি নেতা-কর্মীদের থাকতে দেন না বরং গ্রেফতার করে রিমান্ড-জুলুম, নির্যাতন চালান ও জেলে পাঠান। 

    সরকারী ক্রয়খাতে এক বালিশের দাম ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা, এক টিনের দাম এক লাখ টাকা, এক পর্দার দাম ৩৭ লাখ টাকা-ভাবা যায় কোন আজব সমাজে দুর্নীতির কারখানায় বসবাস করছে দেশের জনগণ। আর এইসব প্রশাসন বা সরকারী কর্মকর্তারা দুর্নীতি করার সাহস পাচ্ছে এই কারনে যে, ভোটের সময় এইসব প্রশাসন বা কর্মকর্তারাই তো বে-নামে রাতে আধারে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে যোগসাজসে ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতে ও ৩০ ডিসেম্বর দিনে ক্ষমতাসীনদের আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে জালিয়াতি করে ক্ষতাসীনদের ক্ষমতায় বসিয়েছেন-যেখানে প্রকৃত ভোটারদের কোন বালাই ছিল না এবং যেতেও দেওয়া হয়নি ভোটকেন্দ্রে। তবুও কেউ কেউ সাংবিধানিক অধিকার বলে জোর করে ভোট দিতে গেলে আওয়ামী ক্যাডার দ্বারা বলা হয়েছে আপনার ভোট দেওয়া হয়েছে বাড়ী যান। আওয়ামীদের দুর্নীতির টাকা-পয়সা-সম্পদ এতই বেশী হয়েছে যে, ক্যাসিনো কেলেঙ্কারীর মধ্য দিয়ে তা বেড়িয়ে আসছে। ক্যাসিনোর এক গডফাদার বলেছেন, ক্যাসিনোর টাকা তো অনেকেই পেয়েছেন, শুধু আমি কেন….? তার মানে সরকারের আরো রাঘব-বোয়ালরা এর সাথে জড়িত। ক্যাসিনোর আরেক গডফাদার যুবলীগ সভাপতি সর্ম্পকে ক্ষমতাসীন প্রধান বলেছেন, তার বিষয় আমি দেখবো। আর এটা নতুন নয় এর আগে নায়ারনগঞ্জের অরেক গডফাদার শামীম ওসমান সর্ম্পকে সংসদে দাড়িয়ে ক্ষমতাসীন প্রধান বলেছিলেন, ওসমান পরিবারের পাশে আমি আছি।……আর দুর্নীতি যে বাংলাদেশে এখন কি অবস্থায় তার থলের বিড়াল যেনো কিছুটা বের হয়ে আসছে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারীর মাধ্যমে, দুর্নীতির আরো অনেক খাত আছে ক্ষসতাসীনদের……..। বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে ভিসি ও ছাত্রলীগদের যোগসাজসে দুর্নীতির টাকা ভাগাগাগির এমন ঐতিহাসিক কু-চিত্র উঠে এসেছে যে-ফলে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদচ্যুত করতে বাধ্য করা হয়েছে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভিসি পরীক্ষা ছাড়া ছিলিপের মাধ্যমে ছাত্রলীগ নেতাদের ভর্তি করিয়েছেন সে দুর্নীতির চিত্রও গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। যেনো রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ ক্ষমতাসীনদের ও তাদের প্রশ্রয়দের দুর্নীতির সীমাহীন মহাকাশ চিত্র। জনগণ আরো অবলোকন করেছেন ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় দুর্নীতির চিত্র শুধু এই নয়। সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক এর চার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি-যা তৎকালীন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন ‘এ সামান্য টাকা’। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি ও ব্যাংকের ভল্ট থেকে স্বর্ণ গায়েব, শেয়ার বাজারের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া-উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বছরে বছরে বাজেট বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা ডাকাতি করে নেওয়া। আর এসব চুরি-ডাকাতি অব্যহত রাখার জন্যই ২০১৮ তে ২৯ ডিসেম্বর  রাতে ও ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা পর্যন্ত জনগণের অধিকার ‘ভোটাধিকার’ ডাকাতি করে লুট করে নিয়ে ছিল মেরে ক্ষমতাসীনদের আবার ক্ষমতা বসিয়েছেন ধ্বজাধারী কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন ক্যাডাররা ইত্যাদি-ইত্যাদি। যেনো চুরি-ডাকাতির শেষ নেই-দুর্নীতি ও লুটপাট আজ পুকুর চুরি নয়; সীমাহীন সাগর-মহাসাগর চুড়ি-ডাকাতি। আর এসব বিষয়ে যেনো কেউ কথা বলতে না পারে তাই গুম-অপহরণ, জেল-জুলুম, নিপীড়ন, অবলীলায় দুঃশাসন ও প্রশাসন দ্বারা ভীতি দেখানোই আবিষ্ট নিমগ্ন ক্ষমতাসীন। 

    ….. আর এসব নিয়ে এবং দেশ-জনতার নিরাপত্তা, মানবাধিকার, ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষে যিনি অবিরাম আপোসহীন সংগ্রাম করেছেন এবং এসবের বিষয়ে আজো অনমনীয় আপোসহীন যিনি-তাঁকে সাজানো এক মামলায় রায় দিয়ে বন্দী করে রেখেছেন। সেই মামালার ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা তিঁনি (বেগম খালেদা জিয়া) হাত দিয়ে স্পর্শই করেননি এবং সেই টাকা তছরুপই হয়নি-সেই অনুদানের ২ কোটি টাকা আজ বেড়ে গিয়ে ৬ (ছয়) কোটি টাকার বেশী হয়েছে। অথচ ক্ষমতাসীন প্রধানের নামে ছিল একটি হত্যা মামলাসহ ১৫ টি মালমা-যার দুর্নীতির টাকার পরিমান ছিল প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা-তাঁর মামলাগুলো ক্ষমতায় থেকে বিচার না করেই তুলে নিয়েছেন। আর বেগম খালেদা জিয়ার উপর নির্যাতন চালাচ্ছেন এবং সঠিক সুচিকিৎসার অভাবে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন আজ সংকটাপন্ন। দেশের ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মোস্ট সিনিয়র সিটিজেন তিঁনি-জামিন যোগ্য হলেও তাঁর জামিন দেওয়া হচ্ছেনা। তাই জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার এ লড়াইয়ের জন্য জনগণ তাঁকে উপাধি দিয়েছেন-“মাদার অব ডেমোক্রেসি” অর্থাৎ “গণতন্ত্রের মা”। তাই, আজ বাংলাদেশের জনগণ বলেন, “বাংলাদেশ মানেই খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়া মানেই বাংলাদেশ”। বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখোমুখি রেখেই ক্ষমতাসীনরা ক্ষান্ত নন ; তাঁর দল বিএনপি’র লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের নামে অগণিত মামলা দিয়েছেন এবং ধরে ধরে জেলে দিচ্ছেন। যেনো ক্ষমতাসীনরা সমস্ত ষড়যন্ত্র, অপকৌশল ও দুঃশাসন চালিয়ে বিএনপিকে বিধ্বস্ত করতে চেষ্টায় অবিরত রয়েছেন। কিন্তু এতে বিএনপি’র জনসমর্থন আরো রেড়েছে এবং বিএনপি আজো ভাঙ্গে নাই। ক্ষমতাসীনদের সমস্ত ষড়যন্ত্র, অপকৌশল ও দুঃশাসন মোকাবেলা করে বিএনপি-কে সংগঠিত ও জনসম্পৃক্ত করে শক্তিশালী করে মানুষের নিরাপত্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র, সুবিচার, সুশাসন ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষে-দেশ ও দেশের জনগণকে দুর্বিনীত দুঃশাসনের হাত থেকে রক্ষা করার লক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মুক্তিযোদ্ধা ও নব্বই এর গণঅভ্যুত্থানের সফল নেত্রী, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মা, আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য বড় সন্তান গণতন্ত্রকামী মানুষের অগ্রসৈনিক, অন্যায়-অবিচার-অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষের মূর্ত প্রতীক, তারুণ্যের অহংকার, দেশের জনগণের আশা-ভরসার কান্ডারী জননেতা তারেক রহমান অবিরত কাজ করে যাচ্ছেন ।

    কেননা, দেশজনতাও ভালো করেই জানেন আজ দেশে নেই নিরাপত্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র, সুবিচার, সুশাসন। চারদিকে চলছে শাসকগোষ্ঠীর অবিচার, অনিয়ম আর একক কর্তৃত্ববাদের দুঃশাসন। ফলে, জনগণের মাঝে বিবেক প্রবলভাবে নাড়া দিচ্ছে। জনগণ আজ সংগঠিত হওয়ার প্রয়োজন বোধ করছেন। জনগণ মনে করতেছেন সংগঠিত ও প্রতিবাদমূখর না হলে আগ্রাসন আর দুঃশাসন থেকে রেহাই নেই তাদের। জনগণ এও ভাবতেছেন অধিকার আদায়ের জন্য সংগঠিত ও প্রতিবাদমূখর হয়ে সাফল্য পেতে হলে আপাদমস্তক পাশে প্রয়োজন সেই সংগঠনের যে সংগঠন ক্ষমতাসীনদের সমস্ত অত্যাচার-নির্যাতন, মামলা-হামলা, জেল-জুলুম, রিমান্ড, নিপীড়ন সহ্য করে মানুষের নিরাপত্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, ভোটাধিকার তথা গণতন্ত্র, সুবিচার, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণ ভাবছেন-তাদের প্রয়োজন সেই নেতৃত্ব ও সংগঠন, যে নেতৃত্ব ও সংগঠনের ছায়াতলে এসে একাকার হয়ে একবোধে শামিল হবে অধিকার লড়াইয়ের আন্দোলনে। জনগণ অবলোকন করতেছেন-বাংলাদেশের ঘরে ঘরে প্রতিটি মানুষের মনে ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, ডাকাতি-লুটপাট আর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লব-ধ্বণিত শুরু হয়েছে। তাই জনগণ ভাবছেন- অধিকার  আদায়ে আজ “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস”-এ তাদের (জনগণের) মাঝে তুমুল ‘বিপ্লব জাগ্রত হওয়া আশু প্রয়োজন এবং তা সাফল্যমন্ডিত করা প্রয়োজন’।

    লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail