ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৬ মে, ২০২০ | ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ | ২ শাওয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    জনপ্রতিনিধি করেন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা
    এনবিএস | Friday, November 8th, 2019 | প্রকাশের সময়: 11:32 am

    জনপ্রতিনিধি করেন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসাজনপ্রতিনিধি করেন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা

    হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার নির্বাচিত হন বিপুল ভোটে। যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার তিনি। কিন্তু এসবের আড়ালে তিনি বেনাপোল সীমান্তে অবৈধ অস্ত্রের কারবারে যুক্ত। সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের এ জনপ্রতিনিধি অস্ত্র চোরাচালানের বড় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। বেনাপোলের পুটখালী আর ভারতের চব্বিশ পরগনার আংরাইল গ্রাম, দু’পাড়েই সক্রিয় রয়েছে তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা। সম্প্রতি অস্ত্র চোরাচালানকারী দলের সদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা পুলিশ এসব তথ্য জানতে পারে। 

    ঢাকার গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গত সোমবার ঢাকার মিরপুর থেকে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ হাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ওরফে হাবিব মেম্বারের বিষয়ে তথ্য দেয় সে। তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। হাফিজুরকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে বেনাপোল সীমান্তের অস্ত্র চোরাকারবারিরা। এই হাফিজুর হচ্ছে হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ওরফে হাবিব মেম্বারের সিন্ডিকেটের সদস্য। সে ঢাকায় একটি গ্রুপের কাছে অস্ত্র পৌঁছে দিতে এসে ধরা পড়ে।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, হাফিজুর সীমান্তে অস্ত্র কারবারের বিষয়ে বেশকিছু তথ্য দিয়েছে। সে জানিয়েছে, অস্ত্র চোরাচালানোর মূল হোতা হাবিব মেম্বার। তার নির্দেশেই ঢাকায় সে ৪টি অস্ত্র নিয়ে এসেছিলো। এই চক্রের অবৈধ অস্ত্র বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে সরবরাহ করা হয়েছে। ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বেনাপোলে সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিজিবির কঠোর নজরদারিতে অস্ত্র চোরাচালানিরা কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। এরপরও হাবিব মেম্বারের সিন্ডিকেট কৌশলে অস্ত্র চোরাচালান করে আসছিলো।
    অবশ্য যশোরের পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাদিউজ্জামান বলেন, সীমান্ত এলাকায় বাড়ি হওয়ায় হাবিব মেম্বার ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা করতেন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ হুন্ডির মামলা রয়েছে। কিন্তুমেম্বার হাবিব যে অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত, তা তিনি জানতেন না। তিনি আরও বলেন, হাবিব মেম্বার নিয়মিত পরিষদে আসেন না। তিনি কোথায় আছেন, তাও তিনি জানেন না। গ্রেপ্তার হওয়া হাফিজুর জানিয়েছে, হাবিব মেম্বারের অন্যতম সহযোগী জিল্লুর রহমান। তাদের সঙ্গে বিহারের অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিহারের ওই গ্রুপের কাছ থেকে অস্ত্র কেনা হয়। এরপর কলকাতার অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে তা নিয়ে আসা হয়। ওই এলাকার চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্যরা অস্ত্র ও গুলি সীমান্ত এলাকায় লুকিয়ে রাখে। উত্তর চব্বিশ পরগনার আংরাইল গ্রাম ও বনগ্রাম এলাকায় এসব অস্ত্র রাখা হয়। এরপর ক্রেতা পেলে তা বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।

    ডিবির উত্তর বিভাগের এডিসি মহরম আলী বলেন, হাফিজুর জানিয়েছে, হাবিব মেম্বারের সিন্ডিকেট বিহারের সিন্ডিকেটের কাছ থেকে একটি অস্ত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় কেনে। পরে কলকাতার সিন্ডিকেটের হাতবদল হতে প্রতি অস্ত্রে আরও ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। এরপর তা বাংলাদেশের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর কাছে উচ্চ দামে বিক্রি হয়। ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০১৮ সালে ঢাকা থেকে ডাকাত গ্রুপের কয়েক সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর হাবিব মেম্বারের গ্রুপের সন্ধান পান তারা। এক বছর ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে বিহার-আংরাইল-পুটখালী রুটে অবৈধ এই অস্ত্র সিন্ডিকেটের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

    ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, বিহার-আংরাইল-পুটখালী রুটে অস্ত্র চোরাকারবারি সিন্ডিকেটে কলকাতায় দায়িত্বে রয়েছে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগ্রামে। জাহাঙ্গীর মূলত বেনাপোলের হাবিব মেম্বারের হয়ে বিহারের গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। জিজ্ঞাসাবাদে হাফিজুরও জানিয়েছে, ভারত থেকে একটি অস্ত্র চোরাচালান করতে জাহাঙ্গীরকে ৩০ হাজার টাকা করে দিতে হয়। হাবিব মেম্বারের হয়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে জিল্লুর রহমান যোগাযোগ রক্ষা করে। ডিবি-উত্তর বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান জানিয়েছেন, হাফিজুরকে গ্রেপ্তারের পর উত্তর চব্বিশ পরগনার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর নামে যে নাম এসেছে, তা তারা ভারতের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাবেন।

    বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর জানিয়েছে, সে এক সময় হাবিব মেম্বারের কর্মচারী হিসেবে গরু চোরাচালান করতো। কিন্তু সীমান্তে কড়াকড়িতে সেই বাণিজ্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এরপরই ভিন্নপথে অস্ত্র চোরাচালান শুরু হয়। বেনাপোলের পুটখালী গ্রাম সীমান্তে ইছামতী নদী। ওই নদীর ওপারেই চব্বিশ পরগনার আংরাইল গ্রাম। সিন্ডিকেটের ওপারের সদস্যরা আংরাইল গ্রামে অস্ত্র মজুদ করে রাখে। সেগুলো প্লাস্টিকের কাগজে বিশেষভাবে মোড়ানো হয়। সুযোগ বুঝে ওই নদীতে গোসলের ফাঁকে প্লাস্টিক প্যাঁচানো অস্ত্র নদীপথে সাঁতার কেটে পুটখালী অংশে পৌঁছে দেয় ওপারের সদস্যরা। এ ছাড়া পুটখালী গ্রামের ভেতর দিয়ে অন্য পথেও কৌশলে অস্ত্র চোরাচালান হয়। ডিবি-উত্তর বিভাগের এডিসি মহরম আলী জানিয়েছেন, হাফিজুরের তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের মামলার অন্যতম আসামি হাবিব মেম্বার ও জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা গেলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। 

    Follow and like us:
    0
    20

    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use