ঢাকা | মঙ্গলবার | ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ | ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    প্রধানমন্ত্রীকেই কেন সবকিছু সামলাতে হবে?
    এনবিএস | Thursday, November 21st, 2019 | প্রকাশের সময়: 10:51 am

    প্রধানমন্ত্রীকেই কেন সবকিছু সামলাতে হবে?প্রধানমন্ত্রীকেই কেন সবকিছু সামলাতে হবে?

    লবনের গুজব, পেঁয়াজের গুজব, চালের দাম বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের বাজারে গুজব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা, আবরার হত্যার পর বুয়েট (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) পরিস্থিতি, নুসরাত হত্যা, নতুন সড়ক আইন অর্থাৎ সবকিছুই সামাল দিতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। যেখানেই সংকট, যেখানেই অচলাবস্থা, যেখানেই সমস্যা সেখানেই তাঁকে সামনে আনা হয়। হ্যাঁ, অবশ্যই তিনি সম্মুখে আসবেন। কিন্তু যখন আমরা আর পারছি না কেবল তখনই। সবরকম কর্মকা-ের দায় প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে কেন এ প্রশ্নতো সম্মুখে চলে এসেছে। সাধারণ মানুষের ঠোঁট চেপে ধরে রাখবেন কতক্ষণ? আমরা ইচ্ছা করেই যেন, সকল সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে থাকি।

    এই প্র্যাকটিস দীর্ঘদিন ধরেই চলে এসেছে। আগের পিরিয়ডের চেয়ে যেন এখন বেশি। এটা এখন যেন চরম পর্যায়ে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সরকার পরিচালনায় আমরা সহযোগিতা করবো। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই তাঁকে নিতে হয়। কিন্তু দেশিয় অনাকাক্সিক্ষত উটকো ঝামেলা সৃষ্টি করছি আর পরবর্তীকালে সেই ‘বোঝা’র সমাধান তাঁকে বের করতে হচ্ছে। এ কারণেই মানুষের মুখে প্রশ্ন, তাহলে দল এতো এতো মানুষের কী দরকার? কী প্রয়োজন আছে এতো মাথার?

    যত করেই বলা হোক না কেন, গুজব ছড়িয়ে ফায়দা লুটছে একটি মহল। ৩০ টাকার পেয়াজ ২৫০ টাকা, ৩৫ টাকার লবন ১০০টাকা, ৩২ টাকার চাল ৪২ টাকা করেছে ওরা। সুতরাং কোনো ভাল জবাব নেই। আর কোনো জবাব দিয়েই কিন্তু সন্তুষ্ট করা অসম্ভব মানুষকে। এদেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে নানাভাবে এটা সত্য। লন্ডন থেকে ষড়যন্ত্র করা হয়। দেশি-বিদেশি চক্রান্ত নতুন নয়। তা তো কঠিন হাতে মোকাবেলা করতে হবে। শুধু আইন কঠোর হলেই হবে না, প্রয়োগ কঠোর হতে হবে। যার জন্য যে কাজটি প্রযোজ্য তাকেই সেটি করতে হবে। অন্যকে দিয়ে নয়।

    বলছিলাম গুজবের কথা। ঢাকাসহ সারাদেশে গত সোম ও মঙ্গলবার লবন কেনার হিড়িক পড়েছিল। এর আগের দিনও এই গুজব ছড়ানো হয়। গুজবের শুরু কিন্তু রোববার থেকেই। এরপর পোক্ত হল এটি সোমবার। প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে সফররত। মঙ্গলবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন ডাকা হল। গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হলো। সংবাদ সম্মেলনে কথা বললেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় থেকেই এ সংবাদ সম্মেলন। কিন্তু এটি সোমবার কেন করা হলো না এ প্রশ্নও উঠেছে। যাকগে, মোদ্দা কথা ‘গুজবে কান না দেওয়ার’ পরামর্শ দেওয়া হয়।

    শেষপর্যন্ত আমরা কী দেখলাম? দেখলাম যে, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘লবণের দাম বাড়াতে একশ্রেণির ব্যবসায়ী গুজবের সুযোগ নিচ্ছেন। যাঁকে জেল দেওয়ার দরকার, তাঁকে জেল দিন, যাঁকে জরিমানা করা দরকার, তাঁকে জরিমানা করুন। লবণের দাম যেন ঠিক থাকে।’ কিন্তু কঠিন এই কাজটি কে করবেন তা তাৎক্ষণিক পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। অনেকেই সিন্ডিকেট ইস্যু খুঁজছেন। আমলারা সিন্ডিকেট খুঁজছেন। পেঁয়াজের দাম বাড়ছে, মন্ত্রীরা বলছেন, সিন্ডিকেট করেছে। লবণের দাম বাড়ছে, আমলারা বলছেন, সিন্ডিকেট করছে। কিন্তু সেই সিন্ডিকেটের লেজটি স্পর্শ করা হয়নি। কেন? কেন ওদের খুঁজে বের করা হয় না? এই তাজা প্রশ্নতো সাধারণ মানুষের।

    ২০১৯-এ নতুনদের বেশি সংখ্যায় মন্ত্রিসভায় আসার মধ্য দিয়ে একই দল ক্ষমতায় থাকলেও সরকার পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গিতেও একটা বড় পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা করা অমূলক নয়। নতুন মন্ত্রী হয়েও যদি দক্ষতা, সততায় নতুন কিছু কেউ করে দেখাতে পারেন সেটাই বরং অনেক বেশি ইতিবাচক হবে জাতির জন্য। তারই একটা শুভ সূচনা হয় এই মন্ত্রিসভার মাধ্যমে। নতুনরা এসেছেন, তারা অবশ্যই তাদের চিন্তায়, পরিকল্পনায়, কাজে ভিন্ন কিছু দৃষ্টান্তস্থাপন করবেন। নতুনদের মধ্যে ভালো কিছু করে মানুষের কাছে নিজেদের যোগ্যতর হিসেবে উপস্থাপনেরও একটা আগ্রহ থাকার কথা। কারণ, পুরনোরা বেশি সংখ্যায় থাকলে মনে হতো আগের নিয়মেই সরকার চলেছে। অর্থাৎ আগের মতোই চিন্তা-ভাবনা, কাজের পদ্ধতি এবং আগের কিছু অনিয়ম থাকলে সেগুলোও রয়ে গেছে। 

    কিন্তু কোথায় যেন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সরকার পরিচালনায় অভিজ্ঞতা দরকার হয়, নতুনদের অভিজ্ঞতা কম। বিষয়টি বিবেচনায় নিলে দেখা যায়, মন্ত্রিত্বের জন্য অভিজ্ঞতা খুব জরুরি কিছু নয়। কারণ মন্ত্রিত্বের পূর্ব অভিজ্ঞতা খুব বেশি রাজনীতিকের থাকে না। বরং আমরা দেখেছি, আগের মন্ত্রিসভার বিতর্কিত একাধিক চরিত্র বাদ দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবারও প্রমাণ করেছেন, বিতর্কিতদের বাদ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁর সদিচ্ছা রয়েছে। এবারো সম্ভবত এখনই বিতর্কিতদের বিষয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। যদিও তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। এটুকু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।

    পরিশেষে বলতে চাই, এটা আমরা অবশ্যই জানি যে, জনগণের সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করার মূল কারণ, কোনো লোভ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে কোনোভাবেই দেশপ্রেম থেকে দমানো যায় না। পৃথিবীর ইতিহাসে যে কয়জন সৎ, মানবতাবাদী, গণতন্ত্রপ্রেমী, মহান রাষ্ট্রনায়ক বা সরকারপ্রধান জন্মগ্রহণ করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা তাঁদের মধ্যে অন্যতম। মানব কল্যাণের অগ্রদূত, বাঙালির সভ্যতা-সংস্কৃতিতে জাগ্রত তিনি। রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় অসাধারণ দক্ষ জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রকৃত অর্থেই দেশরত্ন। তাই, এ সরকারের প্রতি জনগণের চাওয়া হলোÑ সামাজিক শান্তি-নিরাপত্তা, নারীর নিরাপত্তা, সুশিক্ষামূলক ব্যবস্থা, সুপরিবেশ, গণতান্ত্রিক অধিকারের বিষয়গুলোই যেন প্রাধান্য পায়। আমরা জানি, শীতে সাধারণ সর্দিজ্বরই বেশি হয়। কিন্তু গরমকালে সর্দিজ্বর বেশি হলে বুঝতে হবে এটা খারাপ রোগ। তাই এর চিকিৎসা প্রয়োজন। নাকি?


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail