ঢাকা | সোমবার | ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২ পৌষ, ১৪২৬ | ১৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    স্মার্টফোন ও কম্পিউটার শিশুদের কি দরকার?
    এনবিএস | Sunday, December 1st, 2019 | প্রকাশের সময়: 4:31 pm

    স্মার্টফোন ও কম্পিউটার শিশুদের কি দরকার?স্মার্টফোন ও কম্পিউটার শিশুদের কি দরকার?

    গল্প-উপন্যাস, কবিতার বই বা ক্লাসের পাঠ্য বই পড়তে, ভিডিও গেম বা কার্টুন দেখতে স্মার্টফোন নামক ক্ষুদে অ্যান্ড্রয়েড গেজেট, ট্যাব, ল্যাপটপ-কম্পিউটার এসব আপনার সোনামণি শিশুর হাতে তুলে দিয়েছেন তো? আজকালকার বাবা-মা’রা বেশি ডিজিটাল। তারা শিশুর হাতে স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন ঠিকই। আপনি যদি এখনো না দিয়ে থাকেন তবে এখনই দিবেন কি দিবেন না, এই নিয়ে নিশ্চয়ই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও উদ্বিগ্ন? কারণ, এসেছে নতুন ডিজিটাল সময়। উন্নত দেশের মতো নতুন বাংলাদেশেও এসেছে ডিজিটাল যুগ। 

    ক’দিন বাদে আপনার শিশুও ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় নামবে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির এই প্রতিযোগিতায় তাকে টিকতে হবে। নিশ্চয় আপনিও এসব ভাবছেন? শিশুদের হাতে স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার শিক্ষা নিয়ে আপনার মতো অনেকেই এরকম উদ্বিগ্ন। ওদিকে দেশ-বিদেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন, ‘স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সংক্রান্ত সমস্যা আর থাকবে না। শিক্ষা বিষয়ক সব সমস্যার সমাধান দেবে স্মার্টফোন অ্যান্ড্রয়েড গেজেট ও কম্পিউটার। আমাদের শিশুদের মেধা বিকশিত করবে এই অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও কম্পিউটার।’ এ সুযোগে স্মার্টফোন গেজেট ব্যবসায়ীরা একটা মোক্ষম যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন। 

    শিশুদের হাতে স্মার্টফোন গেজেট তুলে দিতে তাদের প্রচারণা আরও জোরদার করেছে। শ্লোগান দিচ্ছে ‘শুরুতেই লাভ’। তাই আর দেরী নয়। এখনই শুরু করুন। আপনার সোনামণির হাতে স্মার্টফোন গেজেট-কম্পিউটার তুলে দিন। যতো তাড়াতাড়ি শুরু করবেন ততো তাড়াতাড়ি সুফল পাবেন। স্মার্টফোন-কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘বাজারে যেসব প্রোগ্রাম বেরিয়েছে সেগুলো শিশুদের ভবিষ্যত উন্নতি লাভে দারুণ সম্ভাবনাপূর্ণ।’ সত্যিই কি তাই? সম্ভবত না। কারণ?

    সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকেন্দ্রে আপনার শিশু যা শিখতে পারে অ্যাপস বা সফটওয়্যার কি সেসব শিক্ষা দিতে পারে? অ্যাপস বা সফটওয়্যার সত্যিকার অর্থেই কি কোনো শিক্ষা সংক্রান্ত সাহায্য করতে পারে? সমালোচকদের দৃঢ় জবাব- না। তা পারে না। অ্যাপস-সফটওয়্যার ওটা পারবেও না। ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুরো শিষ্টাচার, আচরণ, বাস্তবতা এসব শিক্ষা দেবার ক্ষমতা অ্যাপস বা সফটওয়্যারের নেই। আর তাই, শিশুদের হাতে স্মার্টফোন-কম্পিউটার দেয়া মানেই তাদেরকে ভুল পথে তাড়িত করা। 

    ‘স্মার্টফোন-কম্পিউটার আসলে শিক্ষামূলক মানবিক অগ্রগতি চাপা দিয়ে রাখে।’ বিজ্ঞানী জেইম হেইলির গবেষণার সারাংশ এটা। জেইম হেইলি মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের শিক্ষা বিষয়ক প্রখ্যাত মনস্তাত্ত্বিকদের অন্যতম। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তার গবেষণা গ্রন্থ ‘ফেইলিউর টু কানেক্ট’। এই গ্রন্থে তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, স্মার্টফোন-কম্পিউটার শিক্ষামূলক অ্যাপস-সফটওয়্যার থেকে উদ্ভূত সমস্যা খতিয়ে দেখতে হবে। ব্যাপারটা আরও নিকট থেকে দেখতে হবে। কারণ শিশুদের হাতে স্মার্টফোন-কম্পিউটার তুলে দিলে কতটা লাভ হবে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না গেলেও কি চলবে? বিষয়গুলো এখন আরও একান্তভাবে নিরীক্ষণের সময় এসেছে।

    বিজ্ঞানী হেইলির এই যুক্তি-মন্তব্যের মধ্য দিয়েই বোঝা যায়, তিনি শিশুদের হাতে স্মার্টফোন-কম্পিউটার তুলে দেবার ঘোর বিরোধী মোটেও নন। বরং বাচ্চাদের প্রযুক্তিগত প্রেরণা দেবার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। থিসিস প্রকাশের আগে হেইলি টানা তিন বছর স্কুলে-স্কুলে গিয়ে শিশুদের সঙ্গ দিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাই শিশুদের হাতে স্মার্টফোন-কম্পিউটার দেয়া প্রসঙ্গে তার মানসিকতার কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এখন এ ব্যাপারে একটা সাদামাঠা মন্তব্য ছুঁড়েছেন- ‘সাত বছরের কম বয়সী শিশুর হাতে স্মার্টফোন-কম্পিউটার দেয়ার কোনো মানে নেই। সত্যি সত্যিই কোনো দরকার নেই।’

     তবে এ কথা ঠিক, অনেক বাবা মা-ই ভাবেন দোলনার শিশুটাকে এ মুহুর্তেই যদি স্মার্টফোন-কম্পিউটারের সামনে বসানো যেতো, হামাগুড়ি দেয়া সোনামণির নরম হাতে যদি স্মার্টফোনের টাচ স্ক্রীনে যদি টাচ করতে দেয়া যেতো কিংবা মাউস ধরিয়ে দেয়া যেতো। তাহলে আগেভাগেই যাদু মানিক শিশুটা ডিজিটাল জগতের সবকিছু শিখে ফেলতো। ক’দিন বাদে তো শিখতেই হচ্ছে। এমন আহলাদি অলস ভাবুক বাবা-মা’র উদ্দেশ্যে হেইলির ব্যাঙ্গাত্বক মন্তব্য- ‘ধ্যাৎ! এসব বাবা-মা স্মার্টফোন বা ট্যাবের স্ক্রিনে ও কি-বোর্ডে প্রচুর পরিমাণে শিশুদের লালা ঝরাতে দিচ্ছেন।’ হেইলি ব্যাখ্যা করে বোঝান: ‘সাত বছর বয়সের পর স্মার্টফোন-কম্পিউটার নিয়ে শিশুদের গেম খেলায় কোন সমস্যা নেই। সাতের উর্ধ্ব বয়সী শিশুরা স্মার্টফোন-কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিটা পোক্ত করতে পারে। 

    এছাড়া স্মার্টফোন, গেজেট-কম্পিউটারে শিশুদের আর কোনো লাভ নেই। স্মার্টফোন-কম্পিউটারে শিশুর বাস্তব জীবনের কোনো বিকাশ ঘটে না।’ তবু সাত বছর উর্ধ্ব বয়সী শিশুদের স্মার্টফোন-কম্পিউটার থেকে দূরে রাখা যাবে না। হেইলি উল্লেখ করেন-‘শিশুরা এক নাগাড়ে খুব বেশিক্ষণ গেম খেলায় মেতে থাকতে পারে। যেমন- প্রতিযোগিতায় উদ্বুদ্ধকারী গেম, অ্যাকশনধর্মী কার্টুন। এসব ডিজিটাল ভার্চুয়াল পণ্য থেকে সাবধান! এগুলো ডিজিটাল আসক্তি তৈরি করে বা নেশা ধরায়। 

    কারণ হিসেবে হেইলি যুক্তি দেখান, স্মার্টফোন-কম্পিউটারে এসব গেম আর বিনোদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিশুদের পঞ্চাশ শতাংশই ঝরে পড়ে। একসময় স্মার্টফোন-কম্পিউটারের আসল শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের আগ্রহ কমে যায়। স্মার্টফোন-কম্পিউটারের প্রতি বিরক্তি জন্মে। সৃষ্টিশীল মেধা বিকশিত হতে পারে না।

    বিজ্ঞানী হেইলি এজন্য বাবা-মাকেই দোষী সাব্যস্ত করেছেন। আজকালকার বাবা-মা সাধারণ একটা স্মার্টফোন, পিসি বা ট্যাবের উপর খুব বেশি বিশ্বাস রাখেন। দৈনন্দিন খাবার খাওয়াতে কান্না থামাতে, ঘুমুতে, শিশুকে রেখে অন্য কাজে ব্যস্ত হতে তারা স্মার্টফোনকে ম্যাজিক বা অলৌকিক শক্তি মনে করেন। অলৌকিক শক্তিতে শক্তিশালী করার কথা ভেবেই বাবা-মা’রা শিশুদের জন্য স্মার্টফোন-কম্পিউটার কেনেন। তারপর একনাগাড়ে অ্যাপস ডাউনলোড করেন। 

    প্রযুক্তি বাজার থেকে সফটওয়্যার কেনেন। বিশেষ করে মার্কিনীরা যেনো দেখতে চায়, যন্ত্র সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে। মার্কিনীরা এটা বিশ্বাস করেই ফেলেছে। তবুও ভালো, শিশুরা অ্যাপস-সফটওয়্যারের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। যুগের সেরা আধুনিক মানব হচ্ছে তা কিন্তু নয়। বাবা-মা’র উচিত, এ ব্যাপারে চোখ-কান খোলা রাখা। জেনে রাখা দরকার, যারা অ্যাপস বা সফটওয়্যার তৈরি করেছেন, তারা কিন্তু শিশুদের মেধা বিকাশের ব্যাপারে সবজান্তা নন। হেইলি জানান, ‘আমি অ্যান্ড্রয়েড কোম্পানি থেকে কনসালটেন্সি কাজের অফার পেয়েছিলাম। প্রত্যাখান করেছি এসব নীতিকথা ভেবেই।’

    উল্লেখ্য, বাজারের শিক্ষামূলক অ্যাপস ও সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানীগুলো বিক্রি বাড়াতে এখন একদম ছোট বাচ্চাদের টার্গেট করেছে। তাই ‘ল্যাপওয়্যার’ প্রোগ্রামকে সমালোচকরা ‘ড্রোলওয়্যার’ বলে ব্যাঙ্গ করেছেন। কারণ এসব অ্যাপস বা সফটওয়্যার বিক্রির জন্য টার্গেট করা হয় মাত্র নয় মাস বয়সী শিশুদের। আর কে না জানে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত ‘নলেজ অ্যাডভান্সমেন্ট জাম্প স্টার্ট বেবি’ নামক সফটওয়্যার প্রোগ্রামটা বিক্রি হয় পঞ্চাশ হাজার কপি। সম্প্রতি ওই একই সফটওয়্যার ‘জাম্প এহেড বেবি’ নাম দিয়ে ব্রিটেনের বাজারে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিক্রিটা মন্দ হবে না।

    এই সফটওয়্যারের প্রোডিউসার হচ্ছেন ভিরনা হারভি। তিনি বলেন, ‘এটা এমন এক অ্যাপস প্রোগ্রাম, কেবল নির্দিষ্ট পয়েন্টে ক্লিক করলেই শিশুতোষ ধাঁধার বইয়ের রুপান্তর ভেসে ওঠে পর্দায়। যাতে রয়েছে শরীরের নানান অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিচিতি। কাপড়-চোপড়, পোশাক-আশাকের নাম। আর রয়েছে সাধারণ গেম।’ এর অর্থ ছাপানো কাগজের বই-পুস্তকের আসন দখল করেছে অ্যাপস? তা কিন্তু নয়। আমাদের এই প্রকাশনার উদ্দেশ্য হচ্ছে বাবা-মা অবসরে শিশুদের নিয়ে স্মার্টফোনে বা কম্পিউটারে বসবেন। এই প্রোগ্রাম বাবা মা-ই ব্যবহার করবেন। 

    তবুও প্রশ্ন থেকে যায়। সত্যি সত্যিই শিশুদের কি এমন প্রোগ্রাম দরকার রয়েছে? হেইলি বলেন- ‘না। অন্তত আমি তা মনে করি না। বরং মনে করি, শিশুরা এর দ্বারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আহত হচ্ছে।’ অ্যাপস ও সফটওয়্যার ব্যবসায়ী ভিরনা হারভি বলেন অন্যকথা- ‘যেসব বাবা-মা এসব কিনতে চান, আমরা চাই তারা কিনুন। লাইন ধরে কিনুন। শিশুদের শিক্ষামূলক সফটওয়্যারের একজন বিক্রেতা হিসেবে আমি খুবই উচ্ছসিত। 

    আমাদের অ্যাপস, সফটওয়্যার কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়, এ কথা স্পষ্ট করে বলতে পারি। তাছাড়া অপ্রাসঙ্গিক কোন অভিযোগ আমরা এখনো পাইনি। আপনি না কিনলে না-ই কিনবেন। না কিনলে আপনার বাচ্চা স্কুলে গিয়ে ভাল ফলাফল করবে না, এমন পরামর্শ তো আমরা দেই না। আমরা কখনই বলি না যে, আমাদের অ্যাপস-সফটওয়্যার শিশুদের উৎপাদনমূখী জীবনের নেতৃত্ব দেবে। যদি বলতাম, তবে সেটাই হতো অপ্রাসঙ্গিক।’

    অ্যাপস-সফটওয়্যার ‘জাম্প এহেড’কে ব্রিটেনের অভিভাবক সংস্থা ‘পিন’ (প্যারেন্টস ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক) কট্টর সমালোচনা করেছে। পিন শিশুদের স্মার্টফোন-কম্পিউটার ব্যবহার প্রসঙ্গে গাইড বই প্রকাশ করেছে। সে গাইডে বলা হয়েছে, জাম্প এহেড শিশুদের দুঃসাহসিক জ্ঞান বাড়ায় ঠিক। তবে তাতে ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। এজন্য সেটা এড়িয়ে চলা উচিত। 

    তবে পরিত্যাগ করতে পারলে সবচেয়ে ভাল। পিন অবশ্য শিক্ষামূলক অ্যাপস-সফটওয়্যার আর শিশুদের ওপর প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে এখনও সন্দিহান। তবে তাদের মতামত হচ্ছে, পুরোপুরি স্মার্টফোন-কম্পিউটার শিক্ষিত একটা পরিবারে যদি হাঁটতে না জানা কোনো শিশু থাকে, এই অ্যাপস-সফটওয়্যার সেই শিশুটার জন্য কতটা মূল্যবান হতে পারে? অন্যক্ষেত্রে বিশেষ করে অশিক্ষিত, অল্প শিক্ষিত, অসম্পূর্ণ শিক্ষিত পরিবারে? কিংবা এমন স্বচ্ছল পরিবার রয়েছে যারা স্মার্ট গেজেট ও পিসির বাস্তব ব্যবহারে অজ্ঞতা বা ডিজিটাল আপডেট নয়, তাদের জন্য এরূপ স্মার্টফোনের অ্যাপস ও কম্পিউটারের সফটওয়্যার আসলেই বিরক্তিকর এক বাজে জিনিস। এ প্রসঙ্গে হেইলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাম্প স্টার্ট এর বিরূপ সমালোচনা করেছেন। তার মন্তব্য, একটা নির্দিষ্ট বয়সে শিশুর প্রকৃতিগত শিক্ষা দরকার।

    তা থেকে শিশুদের ফিরিয়ে রাখা কিংবা অন্যদিকে তাড়িত করা একটা অমানবিক, অনৈতিক কাজ। শুধুমাত্র তথ্য প্রযুক্তিগত মেধা বিকাশের জন্য শিশুটাকে ঠেলা-ধাক্কা দেয়া মোটেই উচিত নয়। শিশুকে জোর করে যন্ত্রের মধ্যে ঢোকানো বড়দের উচিত নয়। কারণ, আজ যে শিশু স্মার্টফোন অ্যান্ড্রয়েড গেজেট, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করছে, এক সময় সে আপন মনে হাঁপিয়ে উঠবে। ত্যাক্ত-বিরক্ত হয়ে যাবে। এই শিশু যদি পরিণত বয়সে পৌঁছার পর স্মার্টফোন-কম্পিউটার ব্যবহার অব্যাহত রাখে তবে তো খুব ভাল কথা। অন্যথায় স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার শুধু মাল্টিমিডিয়া আর টিভি বিনোদনের মতোই সীমাবদ্ধ হবে। এতে খুব একটা লাভ নেই।

    তবুও অ্যান্ড্রয়েড গেজেট, স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ ও কম্পিউটার। এসব মোটেই মন্দ নয়। অন্তত তুলনামূলক টিভির চেয়ে লেটেস্ট। কেবল বিপথে তাড়িত হলেই অবশ হয়ে যায় শিশুদের মেধা ও মনন।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Paper

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Webmail