ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৮ জানুয়ারি, ২০২০ | ১৪ মাঘ, ১৪২৬ | ২ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    মসজিদে শিশুদের আসতে বাধা না দিয়ে উৎসাহ দিন
    এনবিএস | Monday, December 9th, 2019 | প্রকাশের সময়: 1:48 pm

    মসজিদে শিশুদের আসতে বাধা না দিয়ে উৎসাহ দিনমসজিদে শিশুদের আসতে বাধা না দিয়ে উৎসাহ দিন

    নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাতিরা নামাজের সিজদার সময় নবী করিম (সা.)-এর ঘাড়ে উঠে বসতেন। নবী করিম (সা.) তখন সাবধানে তাদের নামিয়ে নামাজ শেষ করতেন। এ কারণে অনেক সময় সিজদায় সময় বেশি ব্যয় হতো, তবুও রাগ দেখাতেন না, দু'র্ব্যবহার করতেন না।

    সম্প্রতি প্রত্যন্ত এলাকার এক মসজিদের ইমাম সাহেব মেসেজ করেছেন, ‘আপনাকে সালাম, আমি নোয়াখালী জেলার একটা গ্রামের মসজিদের ইমাম। বহুদিন আগে আপনার ফেসবুক আইডিতে একটা পোস্ট পড়েছিলাম বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসা বিষয়ে। আপনার সেই পোস্ট পড়ার পর আমিও চিন্তা করেছিলাম বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসার জন্য কিছু একটা করার।

    তারপর আমি মসজিদে জুমার নামাজে ঘোষণা করলাম, ১২ বছরের নিচে যত বাচ্চা মসজিদে আসবে প্রত্যেক ওয়াক্তে ২টি করে চকলেট আমার পক্ষ থেকে পাবে। আর আমি চকলেট দেওয়ার সময় লিখে রাখব, যে যত বেশি চকলেট পাবে সপ্তাহের শেষ দিন এশার নামাজের পর তাকে পুরস্কৃত করা হবে।

    আমি যখন এই ঘোষণা দিয়েছিলাম, তখন আমি ভেবেছি, এতে আ'হামরি একটা সাড়া পাবো না। কিন্তু আল্লাহতায়ালার ইচ্ছা অপরিসীম, এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই গড়ে ১০ থেকে ২০ জন বাচ্চা প্রতিনিয়ত মসজিদে আসা শুরু করল। প্রথম সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ৫৮টি চকলেট পেয়েছিল ৮ বছরের সালেহ নামে একটা ছেলে, তাকে পুরস্কৃত করেছিলাম শুধুমাত্র একটা জ্যামিতি বক্স দিয়ে।

    আমি বাচ্চাদের বলে দিয়েছিলাম, তোমরা শুধু মসজিদে নামাজ পড়তে আসবে না, তোমরা মসজিদে আসবে, খেলবে, দৌড়াদৌড়ি করবে, হাসাহাসি করবে। আর এতে কিছু মুরুব্বি মুসল্লির গা জ্বা'লা শুরু হয়ে গেল। তারা যেমন বাচ্চাগুলোর ওপর ক্ষি'প্ত হলো, তেমনি ক্ষি'প্ত হলো আমার ওপরও।

    আমি সোজাসুজি বলে দিলাম, দরকার হলে আমি শুধু ধৈ'র্যশীল নামাজি ও বাচ্চাদের ইমামতি করব। বাকিরা অন্য মসজিদ দেখতে পারেন। কারণ আমি এই এলাকার সন্তান, আমি জানি পরবর্তী প্রজন্ম নামাজি না হলে কী ভ'য়ঙ্ক'র হবে এলাকার পরিস্থিতি। আমার বড় শক্তি ছিল আমার কমিটির অধিকাংশ লোকজন আমার এই আয়োজনে সঙ্গী ছিলেন।

    কিন্তু এত চকলেট দেওয়ার সাধ্য আমার ছিলো না। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ পিস চকলেট এভারেজ লাগতো। আমার মসজিদের কমিটিতে কিছু যুবক ছিল, আমি তাদের সঙ্গে আলোচনা করলাম। দু’জন ভাই আমার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করল এবং তারা চকলেটের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে বলে আমাকে আশ্বস্ত করল। পরের সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি চকলেট পেয়েছিল ৬ বছরের একটা মেয়ে। অবাক করার মতো বিষয়! তার বাবা সব সময় তাকে নিয়ে আসতেন মসজিদে। তাকে পুরস্কৃত করা হয় ভালোমানের একটা অ্যালার্ম ঘড়ি দিয়ে।

    আমার মসজিদে এখন গড়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ জন বাচ্চা উপস্থিত হয় এবং অনেক কাতারের পাশের অধিকাংশ মুসল্লি বাচ্চা থাকে, প্রথমদিকে যেরকম হাসাহাসি, দৌড়াদৌড়ি হতো এখন আর ওরকম হয় না। তারা এখন চুপচাপ দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে। এখন শুধু চকলেট দেওয়া হয় না। আমার কমিটির লোকজন অনেক ভালো কিছু দেওয়ার চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে, মাঝে মাঝে কলম দেওয়া হচ্ছে, বিভিন্ন জিনিস বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন লোকজন দিচ্ছেন।

    সবশেষে সৌদি প্রবাসী এক ভাই ফোন করে জানিয়েছেন, পরের সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি যে চকলেট পাবে তাকে একটা বাইসাইকেল দেওয়া হবে।

    আমার মসজিদে এখন বাচ্চাদের অভাব নেই। যদি পেছনে বাচ্চারা হাসাহাসি করে তাহলে এখন আর কোনো মুরুব্বি বাচ্চাদের সঙ্গে দুর্ব্য'বহার করে না। তাদের মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় না। মসজিদের অধিকাংশ মুসল্লি বাচ্চাদের প্রচণ্ড ভালোবাসে, আসলে তাদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে। আপনিও শুরু করতে পারেন আপনার এলাকার মসজিদে এমন আয়োজন, আর আপনি পেতে পারেন কেয়ামত পর্যন্ত সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব।
    চকলেট বা উপহার দেওয়া একমাত্র পদ্ধতি নয়। আদর ও প্রশ্রয় নীরবেও হতে পারে। উত্তম আচরণও হতে পারে। ‘

    মোটকথা, শিশুদের মসজিদে স্বাগত জানানো বয়স্ক মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব। অনেক মসজিদে প্রচুর জায়গা আছে। সেখানে বাগান, শিশুদের জন্য কিছু দোলনা, খেলার সামগ্রী ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।

    তুরস্কের বহু মসজিদে এমন লেখা আছে, যদি আপনার মসজিদে নামাজের সময় শিশুদের কলরব না শোনা যায়, তাহলে আপনার দেশের ধর্মীয় ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

    আপনি যখন আগামী দিন কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন, তখন আজকের শিশুরাই মসজিদে আপনার কাতারগুলোজুড়ে অবস্থান করবে। যারা আজ দুষ্টুমি করে বলে আপনি তাদের মসজিদে আসতে দিতে চান না। তাদের আদর দিন, উৎসাহ দিন, উপহার দিন। আপনার কথা স্মরণ করবে। ইনশাআল্লাহ, আপনার জন্য দোয়া করবে, আপনি কবরে থেকেও সওয়াব পেতে থাকবেন।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : nbs.news@hotmail.com, news@nbs24.org

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use