ঢাকা | মঙ্গলবার | ২১ জানুয়ারি, ২০২০ | ৮ মাঘ, ১৪২৬ | ২৫ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ত্রিদেশীয় সিন্ডিকেট নির্ধারণ করে দিচ্ছে পেঁয়াজের দাম
    এনবিএস | Tuesday, December 10th, 2019 | প্রকাশের সময়: 12:43 pm

    ত্রিদেশীয় সিন্ডিকেট নির্ধারণ করে দিচ্ছে পেঁয়াজের দামত্রিদেশীয় সিন্ডিকেট নির্ধারণ করে দিচ্ছে পেঁয়াজের দাম

    আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে আসার সাথে সাথেই এর পাইকারি দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। যে জাতের পেঁয়াজ যেখান থেকেই আমদানি হোক না কেন পাইকারি পর্যায়ে তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে হবে হবে বলে জানিয়ে দিচ্ছে তারা। আর এর জন্য প্রতিবেশি দুই দেশের আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটকে দায়ী করছে তারা।

    নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আমদানির দ্বিগুণ দামে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। আর সে কারণে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লেও এবং পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজ বাজারে ওঠার পরও দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি সংস্থাগুলোর বাজার মনিটরিং, শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃক আমদানিকারকদের জিজ্ঞাসাবাদ, পণ্য আমদানিতে সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার পরও নিয়ন্ত্রণহীন রয়েছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা। তারা সিন্ডিকেট করে পণ্যটির দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছেন। ফলে আমদানি মূল্য অর্ধেক হওয়ার পরও পেঁয়াজ বিক্রির ক্ষেত্রে দ্বিগুণের বেশি দাম রাখার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪২, চাইনিজ পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ ও মিয়নমারের পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে আমদানি করা হচ্ছে। অথচ খুচরা বাজারে প্রতিটি প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, পেঁয়াজের দাম নির্ধারণে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের একটি আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। তারা নিজেরা আলোচনা করে এ অঞ্চলের পেঁয়াজের আমদানি ও পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করছে। এ কারণে বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও এখন কেজিপ্রতি পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শওকত আলী ওয়ারেছি এই আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের অস্তিত্বের বিষয়টি স্বীকার করে সম্প্রতি বলেন, ‘আমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করেছি। তারা আমাকে বলেছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে সে দেশের ব্যবসায়ীরাই মৌখিকভাবে দাম নির্ধারণ করে দেন। এ ক্ষেত্রে এলসিতে একটি অঙ্ক বসানো হয় শুধু। এরপর চুক্তিবদ্ধ দামে বিক্রিত পেঁয়াজের লাভের অংশ সীমান্তের ওপারের ব্যবসায়ীদের কাছে হুন্ডিতে পৌঁছে যায়।’

    সাবেক এই অতিরিক্ত সচিব জানান, এখন ভারত থেকে পেঁয়াজ আনা বন্ধ হলেও মিয়ানমারের সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। ফলে বর্ডার ট্রেডে আনা এসব পেঁয়াজের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিষয়টি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আর এ কারণেই সরকারের নানা উদ্যোগের পরও পেঁয়াজের দাম কমছে না।
    শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল তারা চীনের পেঁয়াজ ৫০, মিসরের ৮০ থেকে ৯০ ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি করছেন। তিনি স্বীকার করেন, খুচরা পর্যায়ে কোনো কোনো জাতের পেঁয়াজ আমদানির প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে সেগুলো আগে বেশি দামে কেনা হয়ে থাকতে পারে বলে এই ব্যবসায়ীর অভিমত।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, ‘আমরা মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজের আমদানি খরচ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছি। তবে মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজটি ব্যবসায়ীরা আনছেন তার আমদানি খরচ কত পড়ছে তা জানা যায়নি। পাশের দেশের এই পেঁয়াজ দেখতে অনেকটা দেশি পেঁয়াজের মতো বলে খুচরা পর্যায়ে দাম বেশি পড়ছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। তবে পণ্যটির প্রকৃত আমদানিমূল্য জানার জন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে।’

    সচিব জানান, মিয়ানমার থেকে এলসিবিহীন বর্ডার ট্রেডে পেঁয়াজ আনার কারণে এর সঠিক দাম সংগ্রহ করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আমদানিকারকদের জিজ্ঞাসা করে যে তথ্য নিচ্ছে তা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কোনো গরমিল পেলেই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করতে ভারত ও মিয়ানমারে পণ্যটির উৎপাদন, মজুদ, রপ্তানির পরিমাণ ও সরবরাহকাল সম্পর্কে তথ্য জানতে চেয়ে দেশ দুটির বাংলাদেশ মিশনে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্য সচিব জানান, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ওই দেশ দুটির পেঁয়াজের উৎপাদন, মজুদ, রপ্তানিযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেলে পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করা সহজতর হয়। এ কারণে ভারত ও মিয়ানমারে এ মৌসুমে পেঁয়াজের উৎপাদন, মজুদ ও রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ, বাজারদর এবং সরবরাহকাল-সংক্রান্ত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির আমদানিকৃত প্রায় ৫ হাজার টন পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে এমন তথ্য দিয়ে সচিব বলেন, এসব পেঁয়াজ দ্রুত খালাস করতেও বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use