ঢাকা | শনিবার | ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ | ১২ মাঘ, ১৪২৬ | ২৯ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    দূষিত পানি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াছে, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা
    এনবিএস | Sunday, December 15th, 2019 | প্রকাশের সময়: 10:10 am

    দূষিত পানি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াছে, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থাদূষিত পানি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াছে, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা

    ডায়রিয়া, কলেরা, জন্ডিস, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস, কিডনি, লিভারসহ নানা জটিল ও প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ২০১০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার বিষয়ে সরকার ঘোষণা দিয়েছিলো।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বছরে আড়াই কোটি মানুষ পানিবাহিত রোগের কারণে অকালমৃত্যুর শিকার হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন ১০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানির ঘাটতি রয়েছে। রাজধানীতে প্রতিদিন ২২০ থেকে ৩০০ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন। গত তিন দশকে ভূগর্ভস্থ পানির জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়নি। বর্তমানে সারাদেশে বছরে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ পানি সংকটে ভুগছে।

    জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর গ্রামাঞ্চলে শতকরা ৮৭ ভাগ মানুষের পানীয় ও সুষ্ঠু পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থা নেই। এ জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতি পাঁচটি রোগের মধ্যে চারটিই সৃষ্টি হয় বিশুদ্ধ পানি এবং পয়ঃনিস্কাশনের অভাব থেকে। তাই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে গড়ে প্রতিদিন ২৫ হাজার মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। কেবল বিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন পানি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পানিবাহিত রোগ এবং এ কারণে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যেতে পারে বলে মত দিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে প্রতি ৫ জনে ৩ জন নিরাপদ খাবার পানি পায় না। স্বল্পমাত্রায় পানি সরবরাহ ও অপ্রতুল স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এসব দেশে ৮০ শতাংশ রোগব্যাধি হয়ে থাকে।

    আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান বলেন, পানিতে মিশে থাকা কেমিক্যাল, ভারী ধাতু, মরিচা, সিসা, ক্যাডমিয়ামসহ বিভিন্ন দূষিত পদার্থ শুধু ফোটানোর মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়। পানিতে কোন পদার্থ মিশে আছে আগে তা শনাক্ত করতে হবে। এরপর পৃথকভাবে পরিশোধনের ব্যবস্থা নিতে হবে। জীবাণুভেদে পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য পৃথক ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হয়।

    জারের পানিও বিশুদ্ধ নয় :বিশেষজ্ঞদের মতে- পানিতে ক্ষারের গ্রহণযোগ্য মাত্রা ৬ দশমিক ৪ থেকে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে যেসব পানির জার জব্দ করেছে, তা পরীক্ষা করে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষারের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সংশ্নিষ্টরা জানান, সারাদেশে আড়াইশ’র মতো পানির বৈধ প্লান্ট রয়েছে। এর বাইরে হাজার হাজার পানির প্লান্ট অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। সঠিক মাত্রায় পরিশোধন না করা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই ওইসব প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিকের জারে করে পানি সরবরাহ করছে। এসব পানি জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি বলে মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ প্রোগ্রামের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, পানিতে মিশে থাকা বিষাক্ত কেমিক্যাল, ভারী ধাতু, মরিচা, সিসাসহ বিভিন্ন দূষিত পদার্থ কেবল ফোটানোর মাধ্যমে দূর করা যায় না। ব্যাকটেরিয়াসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংসের জন্য পানি সঠিক মাত্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ফোটাতে হয়। কিন্তু সঠিক তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট সময় ধরে পানি ফোটানোর বিষয়টি সবার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই পানি ফোটালেও ঝুঁকি থেকে যায়। ফোটানোর পর পানি থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর হলেও ক্লোরিনের পরিমাণ কমে না। এমনকি পাত্রে রাখা ফোটানো পানিতে আবার ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। তাই ফোটানো ছাড়াও বিভিন্নভাবে পানি বিশুদ্ধ করা যায়। এ ক্ষেত্রে উন্নতমানের পরিশোধন যন্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

     


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use