ঢাকা | মঙ্গলবার | ২১ জানুয়ারি, ২০২০ | ৮ মাঘ, ১৪২৬ | ২৫ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
  • Review News


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    কুড়িগ্রামে অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ বিপর্যয় 
    এনবিএস | Sunday, January 12th, 2020 | প্রকাশের সময়: 5:27 pm

    কুড়িগ্রামে অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ বিপর্যয় কুড়িগ্রামে অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ বিপর্যয় 

    নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কুড়িগ্রামে অবাধে গড়ে উঠছে ইটভাটা। এসব অনুমোদনহীন ইটভাটার কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে একরের পর একর কৃষি জমি। অনুমোদন দিতে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিরুদ্ধে। এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। যেন দেখার কেউ নেই। 

    জানা যায়, কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলায় ১২০টির মতো ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে ৪১টি ইটভাটার লাইসেন্স রয়েছে। ১৭টির মতো ভাটা হাইকোর্ট থেকে অনুমোদন নিয়ে চালু করেছে। বাকিগুলো নামকাওয়াস্তা আবেদন করেই অবৈধভাবে করছে ইটের ব্যবসা। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন। ফসলী জমি ও ঘন জনবসতি এলাকায় গড়ে তুলেছে ইটভাটাগুলো। ফলে একরের পর একর ফসলি জমির ক্ষতির পাশপাশি মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটেছে। জনবসতি এলাকায় গড়া তোলা ইটভাটার ধোঁয়ায় দেখা দিয়েছে শ^াস কষ্ট, ফুঁসফুঁস, চর্ম, হাঁপানি, যক্ষ্মাসহ নানান রোগীর আধিক্য। স্থানীয়দের অভিযোগ ইটভাটার কারণে উৎপাদন হারিয়েছে আবাদিজমিসহ ফলফলাদির গাছ। তবে বৈধ কোন কাগজপত্র ছাড়াই জেলায় বহু ইটভাটার তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। জনবসতিতে গড়ে তোলা অবৈধ ইটভাটাগুলোর অপসারণের দাবি স্থানীয়দের।

    সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রয়েছে মাত্র দেড় হতে দু কি.মিটারের মধ্যে ৮টি ইটভাটা। এদের অনেকের বৈধ কাগজপত্র নেই। কথা হয় এমএআর ব্রিকস’র মালিক আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন,২০১১সালে স্থাপিত হয়ে বৈধভাবেই তার ভাটা চলছে। চলতি মৌসুমে তিনি হাইকোর্টে রিট করে ভাটার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তার কাগজপত্রে দেখ াযায়, ইট পোড়ানোর লাইসেন্স দেয়া হয় ২০১৫ সালের ১জানুয়রি পর্যন্ত। এরপর সে আর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নিয়মনীতি না মেনেই চালিয়ে যাচ্ছেন ইট পোড়ানোর কাজ। গত বছর হাইকোর্টে রিট করে ডিসেম্বর হতে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইট পোড়ানোর অনুমোদন নেয়। 

    এএসবি ইটভাটা ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আবারো নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভাটায় ছোট চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কিভাবে পেলো এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,এটা অফিসেই ভালো বলতে পারবে। 

    সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রয়েছে মাত্র দেড় হতে দু কি.মিটারের মধ্যে ৮টি ইটভাটা। এদের অনেকের বৈধ কাগজপত্র নেই। কথা হয় এমএআর ব্রিকস’র মালিক আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন,২০১১সালে স্থাপিত হয়ে বৈধভাবেই তার ভাটা চলছে। চলতি মৌসুমে তিনি হাইকোর্টে রিট করে ভাটার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তার কাগজপত্রে দেখ াযায়, ইট পোড়ানোর লাইসেন্স দেয়া হয় ২০১৫ সালের ১জানুয়রি পর্যন্ত। এরপর সে আর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নিয়মনীতি না মেনেই চালিয়ে যাচ্ছেন ইট পোড়ানোর কাজ। গত বছর হাইকোর্টে রিট করে ডিসেম্বর হতে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইট পোড়ানোর অনুমোদন নেয়। 

    এএসবি ইটভাটা ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আবারো নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভাটায় ছোট চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কিভাবে পেলো এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,এটা অফিসেই ভালো বলতে পারবে। 

    এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভাটার মালিক ও ম্যানেজার বলেন, জেলায় প্রায় ১৩৮টি ইটভাটা রয়েছে। যাদের একভাগেরও লাইসেন্স নেই। শুধু আবেদন করেই ভাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় আর প্রশাসনের লোকদের উৎকোচ দিয়ে ভাটা চালাতে হচ্ছে।  

    এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভাটার মালিক ও ম্যানেজার বলেন, জেলায় প্রায় ১৩৮টি ইটভাটা রয়েছে। যাদের একভাগেরও লাইসেন্স নেই। শুধু আবেদন করেই ভাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় আর প্রশাসনের লোকদের উৎকোচ দিয়ে ভাটা চালাতে হচ্ছে।  

    ভাটার পাশ^বর্তি এলাকার স্থানীয় মজিবর,হাকিম,মুকুল মিয়া,রহিমা বেগম,বুলবুলি আকতারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ইটভাটার কারণে এলকায় বৃদ্ধ,শিশুরা বেশি করে শ^াস কষ্টে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়াও ফুঁসফুঁস, চর্ম, হাঁপানি, চোখের রোগ বাড়ছে। তারা আরো বলেন,ইটভাটার কারণে বাড়িগুলোতে কমে গেছে ফলফলাদির গাছ এবং আবাদী জমি কমে যাবার পাশাপাশি কমছে ফসলের পরিমানও। ইটভাটার ধুলাবালু, কালো ধোয়ায় বাড়িঘর নষ্ট হয়ে যায়।

    জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ানুল হক দুলাল অভিযোগ করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের হয়রানির জন্যই ইটভাটার মালিকরা লাইসেন্স করতে বিলম্ব হচ্ছে। 

    জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন স্বীকার করেন, নিয়মনীতি না মেনেই অনেক ইটভাটা রয়েছে। হাইকোর্টের মাধ্যমে অনুমোদন নিলেও মালিক পক্ষরা সেই শর্ত মানছেন না। এই বিষয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযানের মাধ্যমে জরিমানা হচ্ছে অবৈধ ইটভাটাগুলোতে। 


     

    Space For Advertisement

    (Spot # 14)

    Advertising Rate Chart

    আপনার মন্তব্য লিখুন...
    Delicious Save this on Delicious

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০১৯

    উপদেষ্টা সম্পাদক : এডভোকেট হারুন-অর-রশিদ
    প্রধান সম্পাদক : মোঃ তারিকুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া,
    সহযোগী সম্পাদক : মোঃ মিজানুর রহমান, নগর সম্পাদক : আব্দুল কাইয়ুম মাহমুদ
    সহ-সম্পাদক : মৌসুমি আক্তার ও শাহরিয়ার হোসেন
    প্রধান প্রতিবেদক : এম আকবর হোসেন, বিশেষ প্রতিবেদক : এম খাদেমুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ রাকিবুর রহমান ও সুজন সারওয়ার
    সিলেট ব্যুরো প্রধান : ফয়ছল আহমদ
    -------------------------------------------
    ৩৯, আব্দুল হাদি লেন, বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    আসাক আলী, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    ভারত অফিস : সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use