ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৬ আগস্ট, ২০২০ | ২২ শ্রাবণ, ১৪২৭ | ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৪ শিরোনাম » ‘ইহুদিবাদী ইসরাইল অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে বৈরুতে বিস্ফোরণের কারণে’


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২২) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প
    এনবিএস | Saturday, July 25th, 2020 | প্রকাশের সময়: 3:56 pm

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২২) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্পগল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২২) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প

     

    আগের পর্ব গুলো পরতে ক্লিক করুন:–  পর্ব

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

     

     

    পর্ব ২২

     

    লেখক: এসএ শাহিন আলম

     

     

    আমি কিছুক্ষণ রিমির দিকে তাকিয়ে থেকে হুট করে রিমির গলা টিপে ধরলাম। রিমিকে আজ মেরেই ফেলবো। পেন্তীটা অনেক জ্বালিয়েছে। রিমি এমনিতেই অসুস্থ ছিল তার উপর গলা টিপে ধরাতে চোখ-মুখ উল্টে দিয়েছে। আমার থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে।
    .
    কয়েক সেকেন্ড পর আমি নিজে থেকেই রিমিকে ছেড়ে দিলাম। ছাড়া পেয়ে রিমি জোরে জোরে কাঁশতে লাগল। চোখে পানি এসে গেছে। সেই সাথে ভয়ে একদম চুপসে গেছে। জড়সড় ভাবে বসে আছে। আড় চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছে আবার চোখ নামিয়ে নিচ্ছে। আমি একটু চুপ থেকে শান্ত গলায় বললাম,
    .
    — আত্মহত্যা করতে কেন চেয়েছিলি.? (আমি)
    .
    রিমি কিছু বলল না। মাথা নিচু করে বসে রইলো। আমার প্রচন্ড রাগ উঠলো। আমি চিৎকার করে বললাম,
    .
    — কথা বলছিস না কেন.? বোবা হয়ে গেছিস নাকি.? বল কেন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলি। (আমি)
    .
    আমার চিৎকার শুনে রিমি চমকে উঠে আমার দিকে তাকালো। এমনিতেই ভয় পেয়ে ছিল এবার মনে হয়
    আরো ভয় পেয়েছে। কিন্তু রিমির মুখ থেকে কোন কথা বের হলো না। এদিকে, আমার চিৎকার শুনে ডাক্তার আর নার্স ছুটে এলো। সাথে মা-বাবা সহ অন্যরাও এলো। ডাক্তার আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
    .
    — চিৎকার করছেন কেন.? কোন সমস্যা.? (ডাক্তার)
    .
    — কিছু না, ডাক্তার। এমনি। (রিমি)
    .
    — হাসপাতালে অকারণে চিৎকার চেঁচামেচি করবেন না। আর রোগীর সাথে উত্তেজিত হয়ে কথা না বলে ধীরেসুস্থে কথা বলুন। (ডাক্তার)
    .
    কথাগুলো বলে ডাক্তার একটু থামলেন। আমাকে দেখিয়ে রিমিকে বললেন,
    .
    — ইনি নিশ্চয় আপনার হাজবেন্ট, তাইনা.? (ডাক্তার)
    .
    ডাক্তারের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম। বলে কি.! মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি.? রিমি আমার দিকে চোখ বড়বড় করে তাকালো। শুধু রিমি না, পরিবারের সবাই ফুটবলের মত ইয়া বড় বড় চোখ করে আমার দিকে তাকালো। আমি কিছু বলার আগেই ডাক্তার আবার বললেন,
    .
    — দেখুন, স্বামী-স্ত্রী'র মর্ধ্যে ঝগড়াঝাঁটি, মারামারি, মনোমালিন্য এসব সাধারণ বিষয়। কিন্তু তাই বলে আপনি সুসাইড করতে চাইবেন.! এটা কিন্তু ঠিক করেন নি। আপনার এমন অবস্থা দেখে আপনার হাজবেন্ট কত কষ্ট পেয়েছে জানেন.? বেচারার দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। এদিক সেদিক দৌঁড়াদৌড়ি করে অনেক কষ্টে আপনার জন্য রক্ত জোগাড় করেছে। (ডাক্তার)
    .
    ডাক্তারের কথা শুনে রিমি আমার দিকে শান্ত চোখে তাকালো। কিছু বলতে গিয়েও বলল না। কিন্তু আমি এবার আর চুপ থাকতে পারলাম না। তাগাদা দিয়ে বললাম,
    .
    — ডাক্তার এই মেয়েটা আমার বউ নয়, আমার মামাতো বোন। (আমি)
    .
    আমার কথা শুনে ডাক্তার সাহেব বড় রকমের ধাক্কা খেলেন। চোখ-মুখ কুচকে আমার দিকে তাকালেন। উনি হয়তো এমন কথা আশা করেন নি। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে উনার হাসি মুখটা ফাটা বেলুনের মত চুপসে গেল। তড়িঘড়ি করে নিজেকে সামলে বললেন,
    .
    — স্যরি, এক্সট্রিমলি স্যরি.! আমি ভেবেছিলাম আপনারা দু'জন স্বামী-স্ত্রী.! (ডাক্তার)
    .
    — না, সেরকম কিছু নয়। (আমি)
    .
    — আসলে গতকাল রাতে আপনি এমন ব্যবহার করছিলেন যে, আমি উনাকে আপনার স্ত্রী ভেবে বসেছি। প্লিজ, কিছু মনে করবেন না। (ডাক্তার)
    .
    — না, ঠিক আছে। (আমি)
    .
    ডাক্তার আর কিছু না বলে মাথা নিচু করে চলে গেলেন। আমি পাশে তাকাতেই দেখি, পরিবারের সবাই আমার দিকে চাতক পাখির মত চেয়ে আছে। আমি বাবাকে বললাম,
    .
    — এভাবে তাকিয়ে আছো কেন.? (আমি)
    .
    — কিছু না, এমনি। (বাবা)
    .
    — ওহ, তোমরা সবাই একটু বাইরে যাও। রিমির সাথে কিছু কথা আছে। (আমি)
    .
    — না, তোমরা যাবে না। শাহিন আমাকে মারবে.! (ভয়ে ভয়ে)
    .
    — তোকে মারবো না তো কি আদর করবো.? অনেক জ্বালিয়েছিস তুই.! (রেগে)
    .
    — শাহিন.! বাবা, যা হবার হয়েছে। তুই আর মাথা গরম করিস না। না হলে রাগের মাথায় রিমি আবার হয়তো কোন অঘটন ঘটিয়ে বসবে। (মা)
    .
    — সেরকমটা আর হতে দিচ্ছি না। ওর আত্মহত্যার করার শখ আমি চিরদিনের মত মিটিয়ে দিব.! তোমরা বাইরে যাও। (আমি)
    .
    — না, আম্মু। তোমরা কোথাও যাবে না। এই বান্দরটা সত্যি সত্যি আমাকে মেরে ফেলবে.! (কান্নার সুরে)
    .
    — শুধু মারবো না, মেরে চামড়া ছিলে নিব.! (শক্ত গলায়)
    .
    — শাহিন, ওকে আর ভয় দেখাস না। বেচারি এমনিতেই অসুস্থ। (মা)
    .
    — তোমাদের যেতে বললাম না.? আমার মাথা গরম করবে না বলে দিলাম। (আমি)
    .
    মা আর কিছু বলল না। সবাই চলে গেল। যাওয়ার আগে মা রিমিকে ইশারা করে বলে গেল, 'আমি যদি কিছু করি তাহলে যেন চিৎকার করে ডাক দেয়।'
    .
    আমি রিমির পাশে গিয়ে বসলাম। রিমিকে দেখে বড্ড মায়া লাগছে। কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারছি না। ভয়ে মুখটা একদম চুনোপুটির মত হয়ে আছে। জড়সড় হয়ে বসে আছে। বারবার লম্বা ঢোক গিলছে। পাশের জানালা দিয়ে আসা মৃদু বাতাসে রিমির ঘন চুলগুলো দোল খাচ্ছে। এমন একটা সাংঘাতিক অবস্থাতেও রিমিকে অপূর্ব লাগছে। আমি কেন জানি রাগটাকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। রিমির মায়াভরা চেহেরা দেখে সব ভ্যানিশ হয়ে গেল। আমি কিছুক্ষণ চুপ থেকে শান্ত গলায় বললাম,
    .
    — গতকাল তোকে যখন ঐ অবস্থায় দেখলাম, বিশ্বাস কর আমার দেহ থেকে প্রাণ বেরিয়ে গিয়েছিল। আমি কিভাবে যে তোকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি সেটা শুধু আমি-ই জানি। এমন একটা কান্ড ঘটানোর আগে তোর আমাদের কথা মনে পড়ে নি.? এত স্বার্থপর কেন তুই.? আমরা কত কষ্ট পেয়েছি জানিস.! আমরা কি আজ পর্যন্ত তোকে কোনদিন কষ্ট দিয়েছি.? (আমি)
    .
    কথাগুলো বলতে বলতে আমার চোখে পানি এসে গেল। আমার চোখে পানি দেখে রিমিও কেঁদে দিবে এমন অবস্থা। রিমি আমার কাছে এসে চোখের পানি মুঝে দিতে যাবে তার আগেই তাকে দূরে সরিয়ে দিলাম। চোখের পানি মুছে কড়া গলায় বললাম,
    .
    — নিজের ইচ্ছায় কষ্ট দিয়ে এখন দরদ দেখাতে হবে না। (আমি)
    .
    রিমি কিছু বলল না। আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে মাথা নিচু করে নিল। আমি বললাম,
    .
    — আত্মহত্যা করতে কেন চেয়েছিলি.? (আমি)
    .
    রিমি এবারও কিছু বলল না। আমার প্রচন্ড রাগ উঠলো। আমি জোরে ধমক দিয়ে বললাম,
    .
    — কথা বলছিস না কেন.? বলবি নাকি মাইর খাবি.? (আমি)
    .
    আমার ধমক শুনে রিমি কেঁপে উঠলো। শুকনো মুখ করে আমার পানে তাকালো। চোখের কোণায় পানি চিকচিক করছে। কাঁপাকাঁপা গলায় বলল,
    .
    — এমনি। কোনো কারণ নেই। (রিমি)
    .
    — একদম মিথ্যা বলবি না। ভালই ভালই বল বলছি। মেজাজ কিন্তু এমনিতেই গরম আছে.! (রেগে)
    .
    — বললে তুই আমাকে মারবি। (কান্নার সুরে)
    .
    — না বললেও মারবো। তাই বলে দে। (আমি)
    .
    রিমি কিছু সময় ঝিম মেরে বসে রইলো। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
    .
    — মাস দু'য়েক আগে শোভন নামে একটা ছেলের সাথে আমার পরিচয় হয়। অফিসের একটা প্রজেক্টর কাজে এখানে এসেছিল সে। শপিংমলে আমাদের প্রথম দেখা হয়। শোভন ওর মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনতে চাইছিল কিন্তু কোন কালারের কিনবে ভেবে পাচ্ছিল না। আমি ওর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। সে আমার কাছে হেল্প চায়। আমি ওর মা'র জন্য একটা শাড়ি পছন্দ করে দেই। তারপর সে আমার কাছে ফোন নাম্বার চায়। আমিও দিয়ে দেই কারণ শোভনকে আমার ভালো লেগেছিল। ব্যস, তারপর থেকে আমাদের কথা হতে থাকে। কিছুদিন এভাবে চলার পর শোভন আমার সাথে দেখা করতে চায়। আমি দেখা করি আর সেদিন-ই সে আমাকে প্রপোজ করে। আমি অমত করি নি। কারণ এই কয়দিনে আমিও শোভনকে ভালবেসে ফেলি। (রিমি)
    .
    — তাহলে আত্মহত্যা করতে চাইছিলি কেন.? তোর লাইফ তো হাসিখুশি ছিল। (আমি)
    .
    রিমি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল,
    .
    — আমি হাসিখুশি ছিলাম না রে। ভিতরে ভিতরে মরে যাচ্ছিলাম। তোরা কেউ সেটা দেখিস নি। শোভনের অফিসের কাজ শেষ হলে সে চলে যায়। আমাদের নিয়মিত ফোনে কথা হতে থাকে। সবকিছু ভালই চলছিল কিন্তু কিছুদিন আগে শোভন ফোন করে বলে, সে আর সম্পর্কটা সামনে আগাতে চায় না। সে তার মা-বাবার পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করবে। বিশ্বাস কর, আমি এটা মেনে নিতে পারি নি। শোভনকে আমি সত্যি-ই খুব ভালবাসি। আমি শোভনের সাথে শেষবারের মত দেখা করতে চাই। শোভন রাজি হয়। আমরা দেখা করি এবং শোভন কে হাতজোড় করে বলি, সে যাতে তার পরিবার কে একটু বোঝায়। তখন শোভন বলে, তার পরিবার নাকি আমার মত এতিম মেয়েকে ছেলের বউ হিসেবে মেনে নিবে না। তাছাড়া শোভন নাকি আমার সাথে এতদিন টাইমপাস করেছে, আমাকে ভালবাসে না। আমি এসব শুনে খুব কষ্ট পাই। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। শোভন আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। (রিমি)
    .
    একনাগাড়ে কথাগুলো বলে রিমি থামলো। আমি ভ্রু-কুঁচকে বললাম,
    .
    — তাহলে এজন্যই তুই আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলি.? (আমি)
    .
    — হুমম, আমি শোভন কে খুব ভালবাসি.! ওকে ছাড়া বাঁচবো না তাই এসব করেছি। (রিমি)
    .
    আমি মুখ টিপে সামান্য হাসলাম। তরীর কথায় তাহলে সত্যি হলো। প্রেমঘটিত সমস্যার কারণেই রিমি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। সত্যি বলতে, রিমির এসব ছেলেমানুষি দেখে বড্ড হাসি পাচ্ছে। কিন্তু হাসতে পারছি না। এমন সিচুয়েশনে হাসা ঠিক হবে না।
    .
    আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে রিমির দিকে তাকালাম। রিমি নিঃশব্দে মাথা নিচু করে কাঁদছে। কিছক্ষণ কাঁদার পর নাক টেনে বলল,
    .
    — আমি কি আত্মহত্যা করে ভুল কিছু করেছি.? আমার মরে যাওয়াই উচিত ছিল। আমাকে বাঁচালি কেন.? (রিমি)
    .
    রিমির কথা শুনে চোখ বড়বড় করে তাকালাম। প্রচন্ড রাগ উঠলো আমার। রিমি বলে কি.! মরে যাওয়াই ভাল ছিল মানে.? আমি ঠাস করে রিমির গালে চড় মারলাম। চড় খেয়ে রিমি আরো জোরে জোরে কাঁদতে লাগলো।

     

    চলবে….. ??????

     

    পরের পর্ব গুলো পরতে nbs24.org সাথেই থাকুন 

     

     পর্ব ২৩ পরতে এখানে ক্লিক করুন  – পর্ব ২৩ 

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

    Follow and like us:
    0
    20

    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use