ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৬ আগস্ট, ২০২০ | ২২ শ্রাবণ, ১৪২৭ | ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৪ শিরোনাম » জাহেদানে গাড়ির পাশে একটি সাউন্ড বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে : আইআরজিসি


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২৩) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প
    এনবিএস | Monday, July 27th, 2020 | প্রকাশের সময়: 7:43 pm

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২৩) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্পগল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ২৩) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প

     

    আগের পর্ব গুলো পরতে ক্লিক করুন:–  পর্ব

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

     

     

     

    পর্ব ২৩

     

    লেখক: এসএ শাহিন আলম

     

     

    আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে রিমির দিকে তাকালাম। রিমি নিঃশব্দে মাথা নিচু করে কাঁদছে। কিছক্ষণ কাঁদার
    পর নাক টেনে বলল,
    .
    — আমি কি আত্মহত্যা করে ভুল কিছু করেছি.? আমার মরে যাওয়াই উচিত ছিল। আমাকে বাঁচালি কেন.? (রিমি)
    .
    রিমির কথা শুনে চোখ বড়বড় করে তাকালাম। প্রচন্ড রাগ উঠলো আমার। রিমি বলে কি.! মরে যাওয়াই ভাল ছিল মানে.? আমি ঠাস করে রিমির গালে চড় মারলাম। চড় খেয়ে রিমি আরো জোরে জোরে কাঁদতে লাগলো।
    .
    আমি রিমির গাল দু'টো শক্ত করে চেপে ধরে রিমির মুখটা কাছে নিয়ে আসলাম। কড়া গলায় বললাম,
    .
    — তুই মরে গেলে আমরা মনে হয় খুব ভালো থাকতাম, তাই না.? কোন ধারণা আছে তোর, আমরা সবাই তোকে কত ভালবাসি.!
    কিন্তু তুই আমাদের সবার এত ভালবাসার বিনিময়ে সবাইকে কষ্ট দিয়ে মূর্খের মত সুসাইড করতে গিয়েছিলি। মাথামোটা একটা.! (আমি)
    .
    কথাগুলো বলে রিমিকে ছেড়ে দিলাম। রিমির থেকে কিছুটা দূরে সরে বসলাম। রিমি আমার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকালো। আমি কিছু সময় চুপ থেকে নরম স্বরে বললাম,
    .
    — মামি যখন মারা যায় তখন তোর ঠিকমত বোঝার বয়স ও হয় নি। খুব কান্না করছিলি তুই। মা তোর কান্না দেখে সবার অমতে তোকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। আদর, যত্ন, ভালবাসা দিয়ে ছোট থেকে এত বড় করে। মা তোকে এত পরিমাণে ভালবাসে যে আমার-ই মাঝে মাঝে হিংসে হয়। জানিস, মা তোকে আমার চেয়েও কয়েকগুন বেশি ভালবাসে.! অথচ তুই আমার মা কে কাঁদালি, কষ্ট দিলি। তোর জন্য মা সারারাত চোখের পাতা এক করে নি। বারবার আল্লাহ'র কাছে ফরিয়াদ করে জানিয়েছে, তুই যাতে সুস্থ হয়ে যাস। সত্যি বলতে, তোর মত স্বার্থপর মানুষ খুব কমই আছে যারা ভালবাসার মূল্য দিতে জানে না। মাত্র ২ মাসের ভালবাসার জন্য তুই সুসাইড করতে গিয়েছিলি কথাটা ভেবেই আমার হাসি পাচ্ছে। এত বোকা কেন তুই.? আমরা যে তোকে এত বছর ধরে ভালবেসে আসছি সেটার কি কোন মূল্য নেই.? সব ছেড়ে মহারাণী প্রেমে শহীদ হতে গেছে। (আমি)
    .
    একনাগাড়ে কথাগুলো বলে আমি রিমির দিকে তাকালাম। রিমি মাথা নিচু করে ঠোঁট বাকিয়ে নিঃশব্দে কাঁদছে। আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে অন্যদিকে তাকালাম। রিমির মৃদু স্বরে কান্নার আওয়াজ আমার কানে এসে লাগছে। সত্যি বলতে, আমার এখন সত্যি সত্যি রিমিকে মেরে ফেলতে ইচ্ছা করছে। এত বড় একটা কান্ড ঘটিয়ে এখন ন্যাকা কান্না জুড়ে বসেছে। মেজাজটাই খারাপ করে দিয়েছে।
    .
    আমি রিমিকে আরো কিছু বলতে যাব তখনি আচমকা রিমি আমাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। আমার পিঠে মুখ ঠেকিয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো। আমি রিমিকে টেনে পিছন থেকে সামনে নিয়ে এলাম। রিমি আমার বুকে মুখ গুজে দিল।
    .
    প্রচুর পরিমাণে কান্না করছে রিমি। রিমির চোখের আর নাকের পানিতে আমার শার্ট ভিজে একাকার। আমি বিরক্ত হলাম খুব। রিমি কে আমার থেকে ছাড়াতে গিয়েও ছাড়াতে পারলাম না। বাধ্য হয়ে ধমক দিয়ে বললাম,
    .
    — এসব ঢংয়ের কান্না বন্ধ কর, রিমি। মেজাজ কিন্তু খারাপ আছে। ছাড় আমাকে.! (আমি)
    .
    রিমি এবার আরো শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আমার বুকে নাক, মুখ ঘষতে লাগলো। ধমক খেয়ে রিমির কান্নার বেগ কিছুটা কমে গেছে। এখন শুধু হেঁচকি দিচ্ছে আর নাক টানছে। আমি কেন জানি রিমির উপর আর জোড়াজুড়ি করতে পারলাম না। রাগটাও ধরে রাখতে পারছি না। রিমি জড়িয়ে ধরাতে আমার রাগী, অশান্ত মনটা ধীরে ধীরে মোমের মত গলে যাচ্ছে। মনের অজান্তেই আমি রিমির মাথায় হাত বুলাতে লাগলাম। রিমি মাথা তুলে আমার দিকে তাকালো। নাক টেনে কান্নাভেজা গলায় বলল,
    .
    — আমাকে ক্ষমা দে, শাহিন। আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আর কক্ষনো এমনটা করবো না। প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করে দে.! (রিমি)
    .
    — তুই ছোট বাচ্চা না যে ভুল করার পর বারবার ক্ষমা করে দিবো। যথেষ্ট জ্ঞান-বুদ্ধি হয়েছে তোর। কিন্তু তারপরও মূর্খের মত কাজ করিস। (আমি)
    .
    রিমি আমার বুক থেকে মুখ তুলে দুই হাত দিয়ে আলতো করে আমার গাল দু'টো চেপে ধরলো। শান্ত চোখে শীতল গলায় বলল,
    .
    — এবারের মত ক্ষমা করে দে, প্লিজ.! আর কক্ষনো তোদের কষ্ট দিবো না। তুই যদি আমাকে ভালবেসে থাকিস তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবি। (রিমি)
    .
    রিমি এমনভাবে কথাটা বলল বলল যে, ওর উপর থাকা রাগটুকু ভ্যানিং হয়ে গেল। তাছাড়া রিমির মত মিষ্টি মেয়ের উপর বেশিক্ষণ রেগে থাকাও যায় না। আমি রিমির মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম,
    .
    — ঠিক আছে, এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম। পরের বার যদি এমন কিছু করিস বা করার চেষ্টা করিস তাহলে মেরে চামড়া ছাড়িয়ে নিবো.! (আমি)
    .
    রিমি আমাকে আবার জড়িয়ে ধরলো। আমার গলায় চুমু দিয়ে হাসিমুখে বলল,
    .
    — আমি জানতাম তুই আমাকে ক্ষমা করে দিবি। তুই খুব ভালো, উম্মাহ্.! (রিমি)
    .
    রিমি আমার গালে চুমু দিল। আমি বিরক্ত হলাম খুব। চোখ পাকিয়ে বললাম,
    .
    — এসব কারণেই তোর বয়ফ্রেন্ড তোকে ছেড়ে গেছে। তোর ক্যারেক্টারের ঠিক নেই। সামনে যাকে পাস তাকেই জড়িয়ে ধরে কিস করিস.! (আমি)
    .
    — আমি তো শুধু তোকেই জড়িয়ে ধরি আর মাঝে-মর্ধ্যে ২-১ টা কিস করি। (রিমি)
    .
    — জড়িয়ে ধরবি কেন.? আমি কি তোর বয়ফ্রেন্ড লাগি.? (রেগে)
    .
    রিমি আমাকে ছেড়ে দিয়ে ধাক্কা মেরে দূরে সরিয়ে দিল। ঝাড়ি দিয়ে বলল,
    .
    — যা… আর তোকে জড়িয়ে ধরবো না। তোকে জড়িয়ে না ধরলে আমি মরে যাবো না, হু। (রিমি)
    .
    কথাটা বলে রিমি অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল। সাপের মত ফোসফোস শব্দ করে রাগতে লাগলো সে। আমি সামান্য হেসে রিমি কে আলতো করে জড়িয়ে ধরলাম। রিমি ঝড়ের বেগে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল। দাঁত কিড়মিড় করে বলল,
    .
    — এখন আবার আমাকে জড়িয়ে ধরিস কেন.? তোর হবু বউ তরী কে জড়িয়ে ধরতে পারিস না.? নাকি তরী জড়িয়ে ধরতে দেয় না.? (রিমি)
    .
    আমি রিমির কথা গা'য়ে মাখলাম না। কথায় কথা বাড়বে। তারপর শুরু হবে ঝগড়া। আর এখন ঝগড়া করার বিন্দুমাত্র মনমানসিকতা নেই। এমনিতেই খুব ক্লান্ত আমি। সারারাত ঘুমাতে পারি নি। আমি চুপ থাকলাম খানিকক্ষণ। রিমি ভ্রুঁ নাচিয়ে বলল,
    .
    — কথা বলছিস না কেন.? তরী তোকে জড়িয়ে ধরতে দেয় না.? (রিমি)
    .
    রিমির প্রশ্নের জবাব দিলাম না। উল্টো রিমির লম্বা চুলের একগোছা টান দিয়ে বললাম,
    .
    — আমার কথা বাদ দে। তোর বয়ফ্রেন্ডের কি যেন নাম বললি.? ও হ্যা মনে পড়েছে। শোভনের ফোন নাম্বার আর বাড়ির এ্যাড্রেসটা দে তো। (আমি)
    .
    রিমি ভ্রু-কুঁচকে আমার দিকে তাকালো। চোখে মুখে ভয় এবং সংশয়। কিছু একটা গোপন করতে চাইছে রিমি। একটু দম নিয়ে কাঁপাকাঁপা গলায় রিমি বলল,
    .
    — শোভনের নাম্বার আর এ্যাড্রেস নিয়ে কি করবি তুই.? (রিমি)
    .
    — ওর বারোটা বাঁজাবো। যার জন্য তোর এমন অবস্থা হয়েছে তাকে তো আর এমনি এমনি ছেড়ে দিতে পারি না। শালার এমন অবস্থা করবো যে সারাজীবন তোর পা'য়ের নিচে পরে থাকবে। কুকুরের মত লেজ নাড়িয়ে তোর পিছে ঘুরঘুর করবে। (আমি)
    .
    — থাক, ওসব করতে হবে না। যা হবার তা হয়ে গেছে। (রিমি)
    .
    — কি বলিস, এত সহজে ছেড়ে দিবো.? (অবাক হয়ে)
    .
    — তাহলে কি করতে চাস বল.? জোর করে শোভনের সাথে আমার বিয়ে দিবি.? (রিমি)
    .
    — হ্যাঁ, দরকার হলে তাই করবো। তোকে কষ্ট দিবে আর আমি সেটা চেয়ে চেয়ে দেখবো তা হবে না। (আমি)
    .
    রিমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। আমার কাছে এসে আলতো করে হাত ধরে শান্ত গলায় বলল,
    .
    — শোভন আমাকে ভালবাসে না, শাহিন। এতদিন আমার সাথে ভালবাসার অভিনয় করেছে। শুনেছি, কয়েক দিন পর শোভন বিয়ে করবে। তাছাড়া শোভনের জন্য আমার মনে আর কোন জায়গা নেই। তুই আর এই বিষয়টা নিয়ে বাড়াবাড়ি করিস না। আমি শোভন কে চিরদিনের মত ভুলে যাবো। যে আমাকে ধোকা দিয়েছে তাকে ভুলে যাওয়াই ভাল। (রিমি)
    .
    — যাক দেরি করে হলেও নিজের ভুলটা বুঝেছিস। শোন, চেহেরা দেখে ভালবাসলে পরিণতি এমন-ই হবে। শোভন দেখতে নিশ্চয় সুন্দর তাই তার প্রেমে পরেছিলি। ফলাফল সুন্দর করে ছ্যাকা খেলি। (আমি)
    .
    রিমি কিছু বলল না। মুখ ভার করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি রিমির এমন হুতুম পেঁচার মত চেহেরা দেখে বেশ মজা পেলাম। রিমি কে খোঁচা দিয়ে বললাম,
    .
    — খুব তো বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে নাচানাচি করছিলি। এখন কি হলো.? (আমি)
    .
    — আমার ব্রেকআপ হওয়াতে তুই মনে হয় খুশি হয়েছিস, তাই না.? (রেগে)
    .
    — শুধু খুশি না অন্নেককক খুশি হয়েছি। সেই সাথে আনন্দ লাগছে খুব। তোর একটু শিক্ষার দরকার ছিল। সবসময় বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে এটা-ওটা, হেন-তেন, যেই-সেই, হাবিজাবি বলে বেরাতি আর বস্তা বস্তা প্রসংশা করতি। আমার তো মাঝে মাঝে মনে হতো, পুরো দুনিয়ায় তোর-ই শুধু বয়ফ্রেন্ড আছে। এখন সেসব কোথায় গেল.? আর এক হিসেবে শোভন ঠিকই করেছে। তোর মত পেন্তীকে বিয়ে করলে শোভনের জীবনটা তেজপাতা হয়ে যেত। (আমি)
    .
    রিমি চোখ গরম করে আমার দিকে তাকালো। প্রচন্ড রেগে গেছে সে। আমি রিমির রাগটাকে আরো বাড়ানোর জন্য বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে খ্যাক্ খ্যাক্ করে হাসতে লাগলাম। রিমি সত্যি সত্যি আরো রেগে গেল। চোখ-মুখ অগ্নিবর্ণ ধারণ করে আমার দিকে তাকালো। আমি রিমির এমন রূপ দেখে খুব মজা পেলাম। কিন্তু মজাটা বেশিক্ষণ টিকলো না। রিমি হটাৎ আমাকে ধাক্কা দিয়ে বেডে শুইয়ে দিল। তারপর আমার বুকের উপর বসে সর্বশক্তি দিয়ে আমার গলা টিপে ধরলো। আমার দম বন্ধ হয়ে আসতে লাগলো।
    .

    চলবে….. ??????

     

    পরের পর্ব গুলো পরতে nbs24.org সাথেই থাকুন 

     

     পর্ব ২৪ পরতে এখানে ক্লিক করুন  – পর্ব ২৪ 

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

    Follow and like us:
    0
    20

    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use