ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৬ আগস্ট, ২০২০ | ২২ শ্রাবণ, ১৪২৭ | ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪১ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৪ শিরোনাম » জাহেদানে গাড়ির পাশে একটি সাউন্ড বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে : আইআরজিসি


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    যে শহরে মানুষের চেয়ে বিড়ালই বেশি!
    এনবিএস | Thursday, July 30th, 2020 | প্রকাশের সময়: 5:55 am

    যে শহরে মানুষের চেয়ে বিড়ালই বেশি!যে শহরে মানুষের চেয়ে বিড়ালই বেশি!

    অনলাইন ডেস্ক –  সিরিয়ার বিদ্রো'হী নিয়'ন্ত্রিত কাফর নাবল শহরে মাসের পর মাস সিরিয় এবং রুশ সৈন্যদের বো'মাবর্ষ'ণের পর সেখানে এখন মানুষের চেয়ে বিড়ালের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে।

    বিবিসির মাইকেল টমসন গিয়েছিলেন ঐ প্রায় ভুতু'ড়ে শহরে। তিনি বলছেন, কাফর নাবলের অবশিষ্ট মানুষ এবং বিড়ালেরা কঠি'ন এই দুঃস'ময়ে এক অপরকে কিছুটা হলেও স্ব'স্তি দিচ্ছে।সংবাদদাতা যেদিন সেখানে ছিলেন, সেদিন আরেক দফা বো'মা হাম'লা শুরু হয় ঐ শহরে।

    শহরের বাসিন্দা ৩২ বছরের সালাহ জার বাঁ'চার জন্য তার বাড়ির ইট-পাথরের টুকরো ভর্তি বেজমেন্টের কোনায় একটি টেবিলের নীচে আশ্র'য় নেন ।শুধু তিনিই নন, তার সাথে একই টেবিলের তলে তাকে ঘি'রে ছিল ৬/৭টি বিড়াল। সালাহর মতো তারাও ছিল আ'তঙ্কি'ত, স'ন্ত্র'স্ত।

    সালাহ বললেন, ‘বিড়ালগুলো সাথে থাকলে কিছুটা ভর'সা পাই। বো'মা যখন শুরু হয় ভ'য় যেন একটু কম লাগে।’সালাহর এই শহর কাফর নাবলে একসময় ৪০ হাজার লোকের বসবাস ছিল। এখন সেই সংখ্যা কমতে কমতে বড় জোর ১০০।কিন্তু এই শহরে এখন বিড়ালের সংখ্যা মানুষের চেয়ে অনেকগুণ বেশি। সংখ্যা ধারনা করা কঠি'ন, তবে অবশ্যই তা কয়েকশ। কয়েক হাজারও হতে পারে।

    সালাহ জানালেন এত মানুষ পা'লিয়ে গেছে যে শহরটি এখন প্রায় জনশূন্য।

    ‘খুবই কম মানুষ এখন এই শহরে। বিড়ালগুলোকে দেখাশোনা করার জন্য তো কিছু মানুষ দরকার। তাদের খাবার দিতে হয়, পানি দিতে হয়। সুতরাং যে সব বাড়িতে এখনও মানুষ রয়েছে, বিড়ালগুলো সেসব বাড়িতে গিয়ে ভি'ড় করছে।’সালাহ জানালেন মানুষ আছে এমন প্রতিটি বাড়িতে এখন কমপক্ষে ১৫টি করে বিড়াল রয়েছে।

    ফ্রেশ এফএম নামে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনের রিপোর্টার হিসাবে কাজ করেন সালাহ।

    সম্প্রতি বো'মায় রেডিও স্টেশনটির মূল স্টুডিওটি ধ্বং'স হয়ে গেছে। কিন্তু ভা'গ্যক্র'মে ট্রা'ন্সমিটারটি তার কদিন আগে কাছের একটি শহরে সরিয়ে নেওয়া হয়।এই রেডিও স্টেশন থেকে খবর, শ্রোতাদের সাথে ফোন-ইন, কৌতুক অনুষ্ঠান প্রচারের পাশাপাশি বিমান হাম'লার আগাম বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

    স্থানীয়দের কাছে এই রেডিও স্টেশনটি যেমন জনপ্রিয়, শহরের বিড়ালদের কাছেও তেমনই প্রিয়।বেশ কিছুদিন ধ'রেই কয়েক ডজন বিড়াল স্টেশনটির ভবনটিকে তাদের ঘর বানিয়েছে।

    রেডিও’র প্রতিষ্ঠাতা রায়েদ ফারেসকে ২০১৮ সালের নভেম্বরে ইসলামপ'ন্থীরা হ'ত্যা করে। কিন্তু মৃ'ত্যুর আগে তিনি এই বিড়ালগুলোকে খাওয়ানোর জন্য কিছু পয়সা রেখে গিয়েছিলেন।‘অনেক বিড়ালের জন্ম হয়েছে এই ভবনে। সেগুলোর মধ্যে সাদা এবং বাদামি ছোপের একটি বিড়ালকে খুবই ভালবাসতেন রায়েদ। তিনি যেখানে যেতেন, বিড়ালটি তার সাথে থাকতো। বিড়ালটিকে পাশে নিয়ে ঘুমাতেন তিনি।’

    তার বি'ধ্ব'স্ত বাড়িটি থেকে সালাহ যখন বাইরে এলেন, সাথে সাথে তাকে ঘি'রে শুরু হয়ে যায় একগাদা বেড়ালের তারস্বরে মিয়াউ-মিয়াউ ডাক।
    সবজায়গাতেই একই ঘটনা ঘটে।‘কখনো কখনো আমরা যখন রাস্তায় হাঁটি, ২০ থেকে ৩০টি বিড়াল আমাদের সাথে হাঁটতে থাকে। তাদের কোনো কোনোটি আমাদের সাথে বাড়িতে ঢু'কে পড়ে।’

    সন্ধ্যের পর এই শহরের নানা কোনা থেকে শোনা যায় কুকুরের ডাক। এরাও রাস্তাতেই থাকে। তাদের এখন আর ঘর নেই, ক্ষু'ধা'র্ত।ফলে রাতের বেলা শোয়ার জায়গা এবং খাবার নিয়ে শুরু হয়ে যায় রাস্তার বিড়াল এবং কুকুরদের মধ্যে প্রতিযো'গিতা, রে'ষারে'ষি।

    সালাহ বললেন, আকৃতিতে ছোটো হলেও কুকুর ও বিড়ালদের ঐ ল'ড়া'ইতে শেষ পর্যন্ত বিড়ালরাই জে'তে।‘অবশ্যই বিড়ালরাই জেতে। তাদের সংখ্যাতো অনেক বেশি।’

    এই বিড়ালগুলো একসময় গৃহপালিতই ছিল। বাড়িতে আয়েশে থাকতো । কিন্তু এপ্রিলে সরকারি সৈন্যরা শহরের দখ'ল নেওয়ার চেষ্টায় বো'মাব'র্ষণ শুরু করলে মানুষজন পালা'তে শুরু করে। পেছনে ফেলে যায় তাদের বিড়ালগুলো।এখন নতুন প্রভু, নতুন আশ্র'য় খুঁ'জ'তে হচ্ছে তাদের।

    সালাহ যদিও জানেনা যে আগামিকাল তিনি বেঁ'চে থাকবেন কিনা। কাল তার খাবারের জোগা'ড় হবে কিনা, কিন্তু ঘরের বিড়ালগুলোর জন্য কিছু না কিছু তাকে জোগাড় করতেই হয়।

    ‘আমি যখনই খাই, ওরাও খায়। সেটা সবজি হোক, নুডলস হোক বা শুকনো রুটি হোক। অমি মনে করি আমাদের উভয়ের জন্য সময়টা অত্যন্ত খারাপ, আমরা উভয়েই দুর্বল হয়ে পড়েছি, সুতরাং আমাদের উচিৎ পরস্পরকে সাহায্য করা।’বো'মায় মানুষের পাশাপাশি বিড়ালগুলোও মাঝে-মধ্যেই জখ'ম হয়। লোকজন তাদের চিকিৎসার সবরকম চেষ্টা করে।

    ‘আমার এক বন্ধুর বাড়িতে একদিন বো'মায় একটি বিড়ালের সামনের পায়ের থাবার কিছু অংশ উ'ড়ে যায়। আমরা দ্রু'ত তাকে ইদলিবে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছিলাম। এখন সে হাঁটতে পারে।’

    প্রেসিডেন্ট আসাদের সৈন্যরা কাফর নাবল থেকে বেশিদূর নয়। যে কোনদিন হয়তো তারা এই শহরটির নিয়'ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। তখন এই বিড়ালগুলোর কি হবে – তা নিয়ে সালাহ উ'দ্বে'গের মধ্যে থাকেন।

    ‘আমরা একসাথে আমাদের সু-সময়, দুঃ'সময় পার করছি। এক বিছানায় শুই। খাবার ভাগ করে খাচ্ছি। ওরা এখন আমাদের জীবনের অংশীদার হয়ে গেছে।’তিনি বলেন যদি তাকে এই শহর থেকে পা'লাতে হয়, তাহলে চেষ্টা করবেন সাথে করে যতগুলো সম্ভব বিড়াল সাথে নিয়ে যেতে।

    যু'দ্ধের এই ভ'য়াব'হতা আর ব'র্বর'তার মধ্যে সিরিয়ার এই শহরে মানুষ এবং এই পশুগুলোর মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তা সহজে ভা'ঙ্গার নয়।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

    Follow and like us:
    0
    20

    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use