ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২২ অক্টোবর, ২০২০ | ৬ কার্তিক, ১৪২৭ | ৪ রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার

  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ২ শিরোনাম » বিশ্বব্যাপী পাট ও পাটশিল্পের সম্ভবনা নস্যাতের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ানোর আহবান


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ৩১) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প
    এনবিএস | Friday, August 21st, 2020 | প্রকাশের সময়: 3:05 pm

    গল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ৩১) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্পগল্প: ডেঞ্জেরাস মামাতো বোন (পর্ব ৩১) – Romantic Bangla story – বাংলা প্রেমের গল্প

     

    আগের পর্ব গুলো পরতে ক্লিক করুন:–  পর্ব

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

     

     

     

    পর্ব ৩১

     

    লেখক: এসএ শাহিন আলম

     

     

    হটাৎ কে যেন আমাকে পিছন থেকে টান মারলো। আমি তরীকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হলাম। পিছনে তাকিয়ে দেখি, রিমি দাঁড়িয়ে আছে। ইসসস, তাড়াহুরোয় দরজা লাগাতে ভুলে গেছি। রিমি আমার দিকে কিছুক্ষণ রাগী লুক নিয়ে তাকিয়ে থেকে ঠাস করে একটা চড় মারলো। আমি ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলাম। রিমি চড়টা এত জোরে মেরেছে আমার চাপার ২টা দাঁত পর্যন্ত হিলে গেছে।
    শুধু চড় মেরেও রিমি ক্ষান্ত হলো না। সেই সাথে আমার মাথার বড় বড় চুল টেনে ধরে মুখটা তার কাছে নিয়ে আসলো। আমি কিছু বলার আগেই রিমি ঝাঝালো গলায় বলল,
    .
    — বিয়ের আগে এসব কি শুরু করেছিস, হ্যা.? কেউ দেখে ফেললে তো মুখে থু-থু দিবে। (রিমি)
    .
    আমি ঝাটকা দিয়ে রিমির থেকে নিজেকে ছাড়ালাম। রাগী গলায় বললাম,
    .
    — তাতে তোর কি.? আমি আমার বউয়ের সাথে যা ইচ্ছা তাই করবো। তুই আমাকে বাঁধা দেওয়ার কে.? (আমি)
    .
    আমার কথা শুনে রিমি মুখ বাকিয়ে তাচ্ছিল্যের হাসি দিল। তারপর মুখ ভেটকে বলল,
    .
    — এ্যাহ, বউ রে… ঢং দেখলে বাঁচি না। শোন, তোদের বিয়ের এখনো অনেক দেরি আছে। তাই স্বপ্ন দেখা বন্ধ কর। আর হ্যা, লুচ্চামি একটু কম কর। আমরা এখানে পাত্রী দেখতে এসেছি। (রিমি)
    .
    রিমির কথার প্রত্ত্যুতরে আমি কিছু বলতে যাওয়ার আগেই তরী আমাকে থামিয়ে দিল। তারপর তরী রিমির মুখোমুখি গিয়ে দাঁড়ালো। চোখ-মুখ কুচকে রিমিকে বলল,
    .
    — শাহিনকে নিয়ে তোমার এত না ভাবলেও চলবে। তাকে নিয়ে ভাবার জন্য আমি আছি। আর হ্যা, নেক্সট টাইম শাহিনের গা'য়ে হাত তুলবে না বলে দিলাম। (তরী)
    .
    — হাত তুললে কি করবে.? শাহিন আমার ভাই। তাই ওকে আমি মারবো, কাটবো, দরকার হলে উল্টো করে ঝুলিয়ে পিটাবো। তুমি কথা বলার কে.? তুমি উড়ে এসে জুড়ে বসেছো তাই কথা একটু কম বলবে। না হলে তোমার কানের নিচেও তবলা বাজাবো। (রিমি)
    .
    — কি.? এত বড় কথা.! আমি তোমাকে আমার বন্ধু ভাবতাম আর তুমি আমাকে হুমকি দিচ্ছো.! শাহিন তুমি রিমিকে কিছু বলবে না.? (তরী)
    .
    — ওর কথায় কান দিও না। ওর মাথায় সমস্যা আছে। (আমি)
    .
    — আমার না, এই সাদা বকটার মাথায় সমস্যা আছে। ওকে ডাক্তার দেখাইস। আর এসব ফালতু রোমান্স বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি নিচে আয়। সবাই ওয়েট করছে। (রিমি)
    .
    কথাটা বলে রিমি চলে গেল। আমিও রিমির পিছে পিছে যেতে লাগলাম। পিছন ফিরে একবার তরীর দিকে তাকিয়ে দেখি, সে রাগে সাপের মত ফোঁসফোঁস করছে। আমি মনে মনে আল্লাহ কে ডাকছি। যাতে তরী রাগের মাথায় উল্টাপাল্টা কিছু করে না বসে। তাহলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।
    .
    একটুপর তরী একদম নতুন বউয়ের মত সেজেগুজে, মাথায় ইয়া বড় ঘোমটা দিয়ে, আমাদের সামনে উপস্থিত হল। তরীর হাতে চা'য়ের ট্রে। তরী একে একে সবাইকে সালাম করে চা দিল। তরীর হাতে বানানো চা খেয়ে সবাই তার প্রসংশা করলো। শুধু রিমি আর রিপা বাদে। রিমি চা'য়ে চুমুক দিয়ে মুখ কুচকে বলল,
    .
    — চা একদম ফালতু হয়েছে। মনে হচ্ছে শরবত খাচ্ছি। (রিমি)
    .
    পাশ থেকে রিপাও রিমির সাথে তাল মেলালো। মুখ উল্টিয়ে বলল,
    .
    — চা'য়ে আরেকটু চিনি দিলে ভাল হত। কড়াও হয়নি। (রিপা)
    .
    রিমি আর রিপার কথা শুনে আমার গা জ্বলে উঠলো। এরা দু'জন মনে হয় আমার বিয়ে ভেঙেই শান্ত হবে। সবার সামনে পেত্নী দু'টোকে কিছু বলতেও পারছি না।
    রিমি তরী'কে আরো কিছু বলতে যাবে তার আগেই বাবা রিমি'কে থামিয়ে দিল। রিমিকে চোখ পাকিয়ে বলল,
    .
    — আস্তে আস্তে শিখে নিবে। এটা নিয়ে এত কথা বলার দরকার নেই। (বাবা)
    .
    বাবার ভয়ে রিমি আর কিছু বলল না। আমি হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।
    চা দেওয়া শেষে মা তরী'কে কিছু প্রশ্ন করলো আর তরী সব প্রশ্নের উত্তর দিল। আমাদের সব আত্মীয় স্বজন তরীর প্রসংশায় পঞ্চমুখ.! তরী আচার-আচরণ, চালচলন, আদব-কায়দা সবার পছন্দ হয়েছে। আমাদের বিয়েতে কারো কোন আপত্তি নেই। সবাই আমাদের দু'জনের জন্য দোয়া করলো। মা রিমিকে বলল,
    .
    — রিমি, আঙটি টা দে তো। (মা)
    .
    — কিসের আঙটি, আম্মু.? (রিমি)
    .
    — কিসের আঙটি মানে.? আরে, এ্যাঙ্গেজমেন্টের আঙটি। সকালবেলা তুই যে দেখার জন্য নিলি সেটা। (মা)
    .
    — উফফ, আম্মু… আঙটি টা তো ভুলে বাড়িতে রেখে এসেছি। (রিমি)
    .
    — কি.? রেখে এসেছিস.? (চোখ বড় বড় করে)
    .
    — স্যরি, আম্মু.! তাড়াহুরোয় আনতে ভুলে গেছি। (মুখ গোমড়া করে)
    .
    রিমির চেহেরা দেখে যে কেউ বলবে, রিমি আঙটি টা ভুলক্রমে রেখে এসেছে কিন্তু আমি ভালোভাবেই জানি রিমি ইচ্ছা করেই আঙটি টা নিয়ে আসে নি। রিমিকে যে কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না। মেয়েটা আমার বিয়ে ভাঙার জন্য আর কত নিচে নামবে.? সবচেয়ে বড় কথা রিমি আমার বিয়ে ভেঙে কি পাবে.? এই প্রশ্নটার উত্তর এখনো খুজে পেলাম না।
    .
    এদিকে,
    রিমির কথা শুনে তো মা রেগে আগুন। মা রিমিকে ধমক দিয়ে বলল,
    .
    — তোকে যে কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না। এতটা কেয়ারলেস কেন তুই.? একটা কাজও ঠিকভাবে করতে পারিস না। আঙটি ছাড়া বিয়ে পাকা করবো কিভাবে.? (রেগে)
    .
    — থাক, বেয়ান সাব আপনি আর রাগারাগি করিয়েন না। আঙটি না পড়ালেও চলবে। আপনাদের মুখের কথাই যথেস্ট। (তরীর মা)
    .
    অতঃপর, আঙটি না পড়িয়েই আমার আর তরীর বিয়ে পাকা হলো। তারপর আমরা কিছুক্ষণ গল্পগুজব করার পর তরীর মা আমাদের খেতে ডাকলো। তরী নাকি আজ নিজে হাত সবকিছু রান্না করেছে। আমরা সবাই ডাইনিং টেবিলে বসলাম। রিমি আমার ডান পাশে আর রিপা আমার বাম পাশে বসলো। ডাইনিং টেবিল নানা পদের খাবার দিয়ে সাজানো। তবে বেশির ভাগ-ই আমার পছন্দের খাবার। আমার জিভে জল চলে এল। তরী আমাদের সবাইকে খাবার বেড়ে দিল। আমরা খাওয়া শুরু করলাম।
    .
    খাবার মুখে দিতেই সবাই বাহ্, বাহ্ বলে তরীর প্রসংশা করতে লাগলো। রান্নাটা সত্যি-ই দারুণ হয়েছে। তরী যে এত ভালো রান্না করতে পারে আমার জানা ছিল না। মনে হচ্ছে, আমি অমৃত খাচ্ছি।
    .
    কিন্তু রিমি আর রিপার মুখটা কালো হয়ে আছে। তারা খাবার নাড়াতে নাড়াতে কি যেন ভাবছে। নিশ্চয় কোন প্ল্যান করছে। আমার ধারণাটাই সত্যি হলো। রিমি আমাদের সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলল,
    .
    — রান্না খুব একটা ভালো হয় নি। (রিমি)
    .
    — হ্যাঁ আপু, ঠিক বলেছো। তরকারিতে লবণ আর ঝালটা একটু বেশি হয়ে গেছে। (রিপা)
    .
    — সারাদিন সাঁজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে রান্না তো খারাপ হবেই। এখনি যেই অবস্থা দেখছি না জানি বিয়ের পর কি করবে। বেচারা আমার ভাইটাকে না খেয়ে দিন কাটাতে হবে। (রিমি)
    .
    — রিমি, কি হচ্ছে এসব.? রান্না তো ঠিকই হয়েছে। সবকিছু পরিমাণ মত দেওয়া আছে। (মা)
    .
    — কই আমার কাছে তো ঠিক মনে হচ্ছে না। তরীর রান্না খেয়ে আমার বমি বমি পাচ্ছে।
    .
    — রিমি, এবার কিন্তু মাইর খাবি। বেশি কথা না বলে চুপচাপ খা। (বাবা)
    .
    রিমির কথা শুনে বাবা ধমক দিয়ে বলল। তাতেও কোন কাজ হলো না। রিমি এবার গর্জে উঠে বলল,
    .
    — এরকম ফালতু খাবার আমি খাব না। তোমাদের ভালো লাগছে, তোমরা খাও। (রিমি)
    .
    কথাটা বলে রিমি প্লেটে থাকা খাবারের মর্ধ্যে হাত ধুয়ে বাইরে চলে গেল। পিছন পিছন রিপাও গেল। রিমির এমন ব্যবহারে আমরা সবাই অবাক হলাম। রান্না তো ঠিকই আছে তবু্ও রিমি এমন করলো কেন.?
    .
    আমি আড় চোখে তরীর দিকে তাকালাম। তরী মুখ ভার করে দাঁড়িয়ে আছে। চোখের কোণে পানি চিকচিক করছে। আমার তাকানো দেখে তরী সাথে সাথে চোখের পানি মুছে হাসার চেষ্টা করলো। তরীর মন খারাপ করাটা স্বাভাবিক। রান্না ভালো হওয়ার পরও কেউ যদি বলে রান্না খারাপ হয়েছে তাহলে তো মন খারাপ হবেই।
    .
    খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমি আর বড় মামা তরীদের বাড়ির আশপাশটা ঘুরতে গেলাম।
    অন্যদিকে,
    তরী সকলের চোখ ফাকি দিয়ে রিমিকে টানতে টানতে তার রুমে নিয়ে গেল। তারপর ধাক্কা দিয়ে রিমিকে বিছানায় বসালো। তরী রুমের দরজা আটকিয়ে একটা চেয়ার নিয়ে রিমির মুখ বরাবর বসলো। তারপর রিমিকে ধমক দিয়ে বলল,
    .
    — তুমি আমার সাথে এমন করছো কেন.? (তরী)
    .
    — কি করেছি.? (রিমি)
    .
    — রান্না ভালো হওয়ার পরও কেন বলেছো রান্না ভালো হয় নি.? (তরী)
    .
    — যা সত্যি তাই বলেছি। রান্নাটা সত্যি-ই ভালো হয় নি। (রিমি)
    .
    — ঠিক আছে মানলাম কিন্তু তুমি আমাদের বিয়ে ভাঙতে চাইছো কেন.? (তরী)
    .
    — পাগলের মত কি সব বলছো। আমি কেন তোমাদের বিয়ে ভাঙতে যাব.? (রিমি)
    .
    — একদম নাটক করবে না। শাহিন আমাকে সব বলেছে। (তরী)
    .
    — তা কি বলেছে.? (রিমি)
    .
    — বলেছে, তুমি নাকি আমাদের বিয়েটা হতে দিবে না। (তরী)
    .
    — ইশশ, বড্ড দেরি করে বলেছে তোমাকে। আগে বললে হয়তো তুমি কিছু করতে পারতে কিন্তু এখন আর কিছু করতে পারবে না। (রিমি)
    .
    — মানে.? (ভ্রু-কুঁচকে)
    .
    — মানে আমি সত্যি-ই তোমাদের বিয়েটা হতে দিব না। (রিমি)
    .
    রিমির কথা শুনে তরী প্রচন্ড রেগে যায়। রাগে তরী হাত কাচলাতে থাকে। তরীর এমন অবস্থা দেখে রিমি বেশ মজা পায়। সে মুচকি মুচকি হাসতে থাকে। এতে তরী আরো রেগে যায় এবং রাগের মাথায় রিমির গালে ঠাস করে একটা চড় মারে.!
    .
    চলবে….. ??????

     

    পরের পর্ব গুলো পরতে nbs24.org সাথেই থাকুন 

     

     

    নতুন পর্ব পেতে চোখ রাখুন nbs24.org-এর পাতায়

     একটি সত্য ঘটনা ।। বাংলা ভূতের গল্প ।। Bangla horror Story

    বাংলা ভূতের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    শাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০২ , +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use