ঢাকা | শুক্রবার | ২৭ নভেম্বর, ২০২০ | ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ | ১১ রবিউস সানি, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦


  • ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ছুটিতে আসা মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সহসাই কাজে ফেরা হচ্ছে না
    এনবিএস | Friday, November 6th, 2020 | প্রকাশের সময়: 9:59 am

    ছুটিতে আসা মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সহসাই কাজে ফেরা হচ্ছে নাছুটিতে আসা মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সহসাই কাজে ফেরা হচ্ছে না

    অনলাইন ডেস্ক-  দুই মাসের ছুটি নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন দেলোয়ার হোসেন। সে অনুযায়ী এপ্রিলের মাঝামাঝি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু এর মধ্যে মহামারীর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। সে থেকেই কর্মহীন অবস্থায় বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। আবার মালয়েশিয়ায় যে কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি, সেটিও চুক্তিভিত্তিক। উপরন্তু দেশে আসার পর থেকে কোম্পানির কাছ থেকে কোনো অর্থ পাননি তিনি।

    একই সংকটে আছেন প্রায় আট বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মরত মো. ফারুক। গত জানুয়ারি মাসের শেষ নাগাদ ছুটিতে এসেছেন তিনি। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে অনুমতি না থাকায় যেতে পারছি না। কোম্পানি থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যেতে পারব। কিন্তু কবে সব ঠিক হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীকে দেয়া সাম্প্রতিক এক স্মারকলিপির তথ্য অনুযায়ী, ২৫ হাজারেরও বেশি মালয়েশিয়া প্রবাসী শ্রমিক এ মুহূর্তে ছুটিতে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তবে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণজনিত মহামারীর কারণে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে এ প্রবাসীদের পক্ষে এখন আর কর্মস্থলে ফিরে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ নিষেধাজ্ঞা শেষে কবে তারা ফিরতে পারবেন, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। অন্যদিকে মালয়েশিয়া সরকারের বিদেশী নাগরিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে জারীকৃত আদেশের (রিকভারি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা আরএমসিও) মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে এ মুহূর্তে মালয়েশিয়া প্রবাসী যেসব শ্রমিক ছুটিতে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, তাদের কর্মস্থলে ফিরতে আপাতত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব জানান, কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসী কর্মীদের এ মুহূর্তে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, বিদেশীদের জন্য মালয়েশিয়ার সীমান্ত বন্ধ। সরকার বিদেশী কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেবে না, যদি না তাদের অভিবাসন বিভাগের অনুমতি না থাকে।

    এদিকে মালয়েশিয়ায় বিদেশী শ্রমিক প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ছুটিতে দেশে আসা বেশকিছু শ্রমিকের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছে। সোমবার মালয়েশিয়ায় ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী শ্রমিকদের একটি অংশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমবেত হয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের কাছে তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

    এ সময় পররাষ্ট্র সচিবও তাদের কাছে বিদেশী শ্রমিকদের প্রবেশের বিষয়ে মালয়েশিয়ার চলমান নিষেধাজ্ঞার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রমিক প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এরই মধ্যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি এবং মালয়েশিয়ায় নতুন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হলে দেশে এসে আটকে পড়া শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাওয়ার বিষয়টি দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছে। সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতাদের অনুরোধের ভিত্তিতে শ্রমিকদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও মালয়েশিয়ায় তাদের প্রবেশাধিকার দেয়া হবে বলে সেদেশের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে।

    করোনার কারণে বাংলাদেশ ছাড়াও অন্য যেসব দেশের নাগরিকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, সেসব দেশের মধ্যে রয়েছে—ভারত, পেরু, কলম্বিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, চিলি, ইরান, পাকিস্তান, তুরস্ক, জার্মানি, ইরাক, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, সৌদি আরব ও রাশিয়া। তাছাড়া এসব দেশ থেকে কোনো মালয়েশীয় নাগরিক নিজ দেশে ফেরার পর তাদেরও ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

    এর আগে জুনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেয় প্রায় ৫০০ জন মালয়েশিয়া প্রবাসী। সে আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা রুবেল ভুঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ সরকার যদি মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে, তাহলে আমরা কর্মহীন হয়ে পড়ব না। মালয়েশিয়া প্রবেশের অনুমতি এলে সরকার যাতে সবাইকে দ্রুত সময়ে ফিরে যেতে সহায়তা করে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    প্রসঙ্গত, মহামারীর কারণে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ হয় মার্চে। পরবর্তী সময়ে জুলাইয়ে শর্তসাপেক্ষে ট্রানজিট যাত্রী ও মালয়েশিয়ার রেসিডেন্স পারমিটধারী, পেশাজীবী, শিক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ জুলাই ঢাকা-কুয়ালালামপুর ও কুয়ালালামপুর হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে কমার্শিয়াল ফ্লাইট চালু করে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস। পরে বিভিন্ন সময়ে এয়ার এশিয়া, মালিন্দ এয়ার, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটে ফ্লাইট চালু করে, যাত্রীর অভাবে এসব ফ্লাইটের অধিকাংশই এখন বন্ধ রয়েছে। 

    বণিক বার্তা


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use