ঢাকা | সোমবার | ২১ জুন, ২০২১ | ৭ আষাঢ়, ১৪২৮ | ১০ জিলকদ, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৩ শিরোনাম » পরীমনিকে ধর্ষণ চেষ্টা: একে একে বেড়িয়ে আসছে অমি’দের গোপন সব কীর্তিকলাপ


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ৩০ বছর আগে বাকীতে খাওয়া আইসক্রীমের দাম পরিশোধ করলেন এক ব্যক্তি
    এনবিএস | Thursday, May 6th, 2021 | প্রকাশের সময়: 4:58 pm

    ৩০ বছর আগে বাকীতে খাওয়া আইসক্রীমের দাম পরিশোধ করলেন এক ব্যক্তি৩০ বছর আগে বাকীতে খাওয়া আইসক্রীমের দাম পরিশোধ করলেন এক ব্যক্তি

    অনলাইন ডেস্ক- প্রায় ৩০ বছর আগের ঘটনা, স্কুলের ছুটির পর বন্ধুদের সাথে মালাই আইসক্রীম খান সিলেটের তানভীর শাহরিয়ার রিমন। পকেটে টাকা না থাকায় বাকীতেই  খেতে দিয়েছিলো সেই আইসক্রীম বিক্রেতা। পরে মনে না থাকায় সেই টাকা আর পরিশোধ করা হয়নি রিমনের । তবে মনের মধ্যে জমে থাকা পাপবোধ ভাবিয়েছে রিমনকে। অনেক খোঁজাখুজির পর, বাল্য বন্ধুদের সহায়তায় খোঁজ পাওয়া গেছে সেই আইসক্রীম বিক্রেতার, তবে এর মাঝে কেটে গেছে ৩০ টা বছর। রিমনের ভাষায়, ‘বুকে জমে যাওয়া বরফটা গলে গিয়েছে, এখন বুকটা হালকা লাগছে’।

    এই ঘটনার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন সিলেটের স্বনামধন্য এই ব্যবসায়ী। আমাদের সময়. কমের পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক পোস্টটি দেয়া হলো:

    প্রায় দুসপ্তাহ আগে সিলেট থেকে আমার সাবেক রেস্টুরেন্ট কর্মী আলামিনের ফোন পাওয়ার পর ৩০ বছর আগে মালাই আইসক্রিম বাকিতে খেয়ে টাকা দিতে না পারার যে কষ্ট তা আবার নতুন করে বুকে বরফের মতো জমে গিয়েছিল । আলহামদুলিল্লাহ গতকাল সেই বরফটা গলেছে । খুব হাল্কা লাগছে বুকটা ।

    আমার ফেসবুক পোস্ট পড়ে ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার ৩০ বছর আগের কয়েকজন বাল্যবন্ধুরা নেমে পড়েন সেই আইসক্রিম বিক্রেতার খোঁজে । ওই সব বন্ধুদের একজন অস্ট্রেলিয়ায় থাকে । সেই আমাকে প্রথমে বলে-চিন্তা করিস না, বল্টু মামার খোঁজ নিয়ে দিচ্ছি ।

    -বল্টু মামা ? উনার নাম কি বল্টু মামা ছিল ?
    -ক্যান তোর মনে নাই, আমার বন্ধুটি পাল্টা জিজ্ঞেস করে ।
    -না রে, স্পষ্ট কিছুই মনে নাই । সব ঝাপসা ঝাপসা মনে আছে । আইসক্রিম বাকিতে খেয়েছি এটা মনে আছে । তারপর আর টাকা দিতে মনে ছিলনা । বাবার বদলির চাকরির সুবাদে ব্রাক্ষনবাড়ীয়া ছেড়ে চলে যাই ছোটবেলায় । বড় হয়ে বার কয়েক উনার কথা ভেবেছি । কিন্তু আলামিনের ফোন আমাকে অস্থির করে তুলেছে । তুই যেমনে পারিস হেল্প কর ।
    এর মাঝে আরেক বাল্য বন্ধু যে বর্তমানে ঢাকায় থাকে (আমার সাথে ফেসবুকে যু্ক্ত হয়েছে মাস তিনেক হলো ) আমাকে ইনবক্স করল ৩/৪ দিন আগে । বল্টু মামার খোঁজ পাইছি । এখন আর আইসক্রিম বেচেননা উনি । তবে মুরি চানাচুর বেচেন । বুড়া হয়ে গেছেন । নাসিরনগরে থাকেন । আমি মোবাইল নাম্বার নিয়ে তোকে দিচ্ছি ।
    নাম্বারের জন্য অপেক্ষা শুরু হয় আমার । নাম্বার তো আর আসেনা । অবশেষে গতকাল সেই নাম্বার পেলাম ।
    নাম্বার পেয়েই মামা কে ফোন দিলাম ।
    -বল্টু মামা ?
    -হ কইতাছি ?
    -মামা আমারে চিনবেন না । আমি আপনাকে চিনি । আপনি আইসক্রিম বিক্রি করতেন স্কুলের সামনে ।
    -হ বেচতাম তো । ইতা তো বউত দিন আগর কথা । (মামা চুনারুঘাটের ভাষায় কথা বলতে থাকেন )
    -জি মামা । ৩০ বছর আগে আপনি আমাকে আইসক্রিম খেতে দিছিলেন বাকিতে । সেই টাকাটা আর আপনাকে দিতে পারিনাই মামা । ছোট ছিলাম । অত কিছু বুঝতাম না মামা ।
    -হাছা কইতাছনি ? আমি মনে করতাম পারতাছিনা । বাবারে আমারতো দাবি নাই ।
    -মামা , দাবি নাই জানি । তারপরও মামা আমি আপনাকে একটু ঈদ উপহার দিতে চাই ।আপনার বিকাশ নাম্বারটা কী দেবেন ?
    -কিতারলাইগ্গা রে বাবা । আমি তো কইলাম আমার দাবী নাই। ।
    -মামা, লক্ষ্মী মামা আমার । একটা বিকাশ নাম্বার দেন মামা ।
    -আইচ্ছা আমার ছেলের সাথে কথা কইলাও ।
    মামা তার ছেলেকে ফোনটা দেন ।
    -ভাই কি নাম আপনার ?
    -প্রশান্ত দাশ ।
    প্রশান্ত দাদাকে আমি ঘটনা খুলে বললাম। । দাদা আমাকে তার বিকাশ নাম্বার দিলেন ।
    আমি তার বিকাশ নাম্বারে বল্টু মামার জন্য ঈদ উপহার পাঠালাম ।
    একটু পরই প্রশান্ত দাদা ফোন দিলেন ।
    -দাদা, বাবায় খুব খুশী অইছন । আফনার লাইগ্যা দোয়া করবা কইছইন ।
    -প্রশান্ত দা, আপনি মামাকে বলবেন, একদিন মুরি চানাচুর খাইতে আসব কিন্তু ।
    আমি খুশী মনে ফোন কেটে দিই । এই পুরা ঘটনা গাড়িতে বসে অবজার্ভ করছিল আমার ব্যক্তিগত গাড়ীর চালক ইব্রাহিম ।
    -স্যার, এতো বছর আগের কথা আপনার মনে আছে ? মানুষ তো কালকের কথাই ভুলে যায়, ইব্রাহিম বলে ।
    -ইব্রাহিম, আমিও প্রায় ভুলেই গেছিলাম । তবে দুসপ্তাহ আগে একটা ঘটনার মধ্য দিয়ে আলামিন আমাকে মনে করিয়ে দিছে । আমার কোনো ক্রেডিট নাই । সব ক্রেডিট আলামিনের ।
    যে আমার বুকে জমাট বেধে যাওয়া বরফ গলাতে নিজের অজান্তেই সাহায্য করেছে সেই আলামিনকে ফোন করে একটা ধন্যবাদ দেয়া দরকার । আমি আলামিনকে ফোন দিই ।
    -আলামিন তুমি জাননা, তুমি খত বড় উফখার খরছো আমার ।
    -কিতা খরছি স্যার ?
    -তুমি আমার বুকর উফরে তাকি এখটা বড় পাথ্থর নামাই দিছ।
    -ই কিতা খইন স্যার ।
    -অয়বা । হাসা খইয়ার ।
    তারপর তার পালমুনারি স্টেনসিস রোগের চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু কথা বার্তা হয় ।
    আলামিনের সাথে কথা শেষ করে হঠাৎ করেই আমার মন ফুরফুরে হয়ে যায় । এই ফুরফুরে মেজাজে একটা গীতি কবিতার কয়েকটা লাইন খুব মনে পড়ে যায় । আমি গুনগুন করতে থাকি-
    ❝ দেখো আলোয় আলো আকাশ,
    দেখো আকাশ তারায় ভরা
    ভরে থাকুক আমার মুঠো,
    দুই চোখে থাকুক ধারা… ❞
    আমি অনুভব করি, আনন্দে আমার দুই চোখ ভিজে উঠছে…!

     


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use