ঢাকা | সোমবার | ২১ জুন, ২০২১ | ৭ আষাঢ়, ১৪২৮ | ১০ জিলকদ, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৩ শিরোনাম » পরীমনিকে ধর্ষণ চেষ্টা: একে একে বেড়িয়ে আসছে অমি’দের গোপন সব কীর্তিকলাপ


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্যর আড়ালে লুকিয়ে ছিল কার মুখ
    এনবিএস | Sunday, May 23rd, 2021 | প্রকাশের সময়: 1:34 pm

    ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্যর আড়ালে লুকিয়ে ছিল কার মুখ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্যর আড়ালে লুকিয়ে ছিল কার মুখ

    অনলাইন ডেস্ক-  ছোটবেলা থেকেই বই পড়তে ভীষণ ভালবাসত মেয়েটি। যেখানে যা পেত গোগ্রাসে পড়ে ফেলত। মাত্র দশ বছর বয়স তাঁর, কিন্তু এর মধ্যেই ক্ষুধিত পাষাণ থেকে ডাকঘর, নৌকাডুবি থেকে জীবনস্মৃতি, ছিন্নপত্র, রাজর্ষি, বৌঠাকুরাণীর হাট, শারদোৎসব থেকে গল্পগুচ্ছের নানা লেখা – পড়া হয়ে গেছে সব। যিনি এত সুন্দর গল্প-কবিতা লিখতে পারেন, না জানি কত সুন্দর মনের মানুষ তিনি! এমনই এক মুগ্ধতা মেশানো কল্পনা নিয়েই সদ্যকিশোরী সেই মেয়ে চিঠি লিখল রবিঠাকুরকে৷ আর কী আশ্চর্য, উত্তরও এল সেই চিঠির! কিশোরী পাঠিকার ভণিতাহীন সরল উচ্ছ্বাস বড় ভালো লেগেছিল সাদা দাড়ির শান্ত সমাহিত সেই প্রৌঢ় মানুষটির। একটু একটু করে পত্রমিতালি গড়ে উঠল অসমবয়সী এই দুজন মানুষের মধ্যে। সে এক অন্যরকম বন্ধুত্ব। কত যে মজার কথা লিখত দুজনে চিঠিতে। সাহিত্যের কথাও আসত ঘুরেফিরে। এমনই এক চিঠিতে কিশোরী সেই মেয়ে লিখে বসল অন্তরলালিত এক গোপন ইচ্ছের কথা। লিখল, “আপনাকে দেখতে আমার খু-উ-উ-উ-উ-উ-উ-ব ইচ্ছে করে।”

    গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ, শান্তিনিকেতনের আশ্রম-পিতা রবীন্দ্রনাথ, তাঁকে এমন অকপট চিঠি লেখার সাহস সঞ্চয় করা নেহাত মুখের কথা নয়। কিন্তু সেই ধন্যি মেয়ের অসাধ্য ছিল না কিছুই। সেই আশ্চর্য মেয়ে, রাণু অধিকারী, ইতিহাস যাকে চেনে লেডি রাণু মুখার্জি নামে।

    রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে রাণুর প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে শান্তিনিকেতনে। কিশোরী রাণুর বয়স তখন ১৪। এর কিছুদিন আগেই মারণরোগ কেড়ে নিয়েছে কবির বড় মেয়ে মাধুরীলতাকে। সন্তানশোকে বিমর্ষ রবীন্দ্রনাথ স্নেহে-প্রেমে আঁকড়ে ধরলেন রাণুকে। তাঁদের সেই বিধি-ভাঙা অন্যরকম সম্পর্ক এগিয়ে চলল তথাকথিত সামাজিকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে।


    একের পর এক চিঠি, তাতে দুজনেই উজাড় করে দিয়েছেন নিজেদের সবটুকু। বয়সের যে এত ব্যবধান, কিন্তু তা কখনও অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়নি সেই স্নেহ-প্রীতির সম্পর্কে। সেসময়কার এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ রাণুকে লিখছেন- ”খুব বেদনার সময় তুমি যখন তোমার সরল এবং সরস জীবনটি নিয়ে খুব সহজে আমার কাছে এলে এবং এক মুহূর্তে আমার স্নেহ অধিকার করলে তখন আমার জীবন আপন কাজে বল পেলে”

    এই কাজ, বলাবাহুল্য আর কিছুই নয়, সাহিত্যসাধনা৷ শোক কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন তখন রবীন্দ্রনাথ। দশহাতে লিখছেন। কবিতা তো আছেই, পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, সাহিত্যিক চিঠি- লেখার যেন বান ডেকেছে। তাঁর এই আশ্চর্য কর্মদক্ষতায় সেদিন চমকে উঠেছিল বহু লোক। খোঁজার চেষ্টাও চলেছিল এই বিপুল কর্মযজ্ঞের প্রেরণাবিন্দুটিকে। সেই ইন্সপিরেশন যে আর কেউ নয়, সেই প্রগলভ কিশোরী পাঠিকা রাণু স্বয়ং, সেকথা লুকোননি রবীন্দ্রনাথ। বরং সরস ভঙ্গিতে নিজেই বহুবার, বহু জায়গায় উল্লেখ করে গেছেন রাণুর প্রসঙ্গ।

    ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী প্রকাশ পায় ১৮৮৪ সালে। ঠিক সেবছরই এপ্রিলের মাঝামাঝি আত্মহত্যা করেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী, কাদম্বরী দেবী। বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রতি নতুন বউঠান কাদম্বরীর আগ্রহ দেখেই একদিন মহাজন পদকর্তাদের মতো রাধাকৃষ্ণ প্রেম’কে বিষয় করে কবিতা লেখায় মন দিয়েছিলেন কিশোর রবি। ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখে ফেলেছিলেন আস্ত একটা পদাবলী। সেই শেষ। নতুন বউঠানের স্মৃতিতে বহু কবিতা লিখলেও ভানুসিংহ নামের আড়ালে আর কখনও কবিতা লিখতে দেখা যায়নি রবীন্দ্রনাথকে৷

    তবে কবিতায় না হলেও, আশ্চর্যজনকভাবে আবার ফিরে এসেছিলেন ভানুসিংহ। কাদম্বরী’র মৃত্যুর প্রায় ৪৬ বছর পর, ১৯৩০ সাল নাগাদ প্রকাশ পেল ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পত্রাবলি’। ব্যক্তিগত চিঠিপত্রের সে এক আশ্চর্য সম্ভার। চিঠিও যে সাহিত্য হয়ে উঠতে পারে, সে তো ‘ছিন্নপত্র’ প্রকাশের সময় থেকেই দেখিয়ে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু এই চিঠিগুলো তার থেকে অনেক আলাদা। ব্যক্তিগত আবেগের এই প্রবল অনুরণন এর আগে রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে এমনভাবে দেখা গেছে কি?

    লেডি রাণু মুখার্জির চেহারার সঙ্গে কাদম্বরী দেবীর চেহারার না কি মিল ছিল খুব! তেমনই লম্বাটে মুখের ছাঁদ, টানা টানা নাক-চোখ… সেই সাদৃশ্যই কি তবে প্রৌঢ় রবিকে আরও একবার উদ্বেল করেছিল! মনে পড়ে গেছিল, কবেকার বিস্মৃতি-স্রোতে হারিয়ে যাওয়া আর এক প্রিয় মানুষের মুখ!

    এইসময়কার এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ রাণু’কে লিখছেন- “তুমি আমাকে রবি বাবু বলে ডেকো না, ওটা সবার জন্য। তুমি আমাকে ভানু দাদা বলতে পারো, যদিও ভানু নামটি খুব সুখশ্রাব্য নয়, তবুও একসময় আমি ওই নামটি নিজেকে দিয়েছিলাম।”

    রাণুর হাত ধরেই ভানুর এই পুনর্জন্ম, তাতে সন্দেহ নেই৷ কিন্তু সে কি শুধুই ধ্বনিমিলের খাতিরে? আলোচকেরা বলেন, রাণু আর ভানু- নামদুটোর উচ্চারণগত সাদৃশ্য আছে বটে, কিন্তু তা নিছকই বাইরের কথা। প্রৌঢ় কবির ভিতরে রাণুই আবার জাগিয়ে তুলেছিল জীবনরসে ভরপুর, উদ্দাম, উচ্ছল এক নবীনকিশোরকে, যাকে বহুবছর আগে এক বসন্ত সন্ধ্যায় শোক-সন্তাপের অন্ধকারে হারিয়ে ফেলেছিলেন কবি।

    ‘বিসর্জন’ নাটকটি ভ্রাতুষ্পুত্র সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন তার রবিকাকা অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৯০ এ ‘বিসর্জন’ যখন মঞ্চস্থ হয়, তখন তরুণ রবীন্দ্রনাথ সেজেছিলেন ‘রঘুপতি’… ১৯২৩ সালে এম্পায়ার থিয়েটারে আবার মঞ্চস্থ হয় ‘বিসর্জন’। এবার আর রঘুপতি নয়, তরুণ জয়সিংহের ভূমিকায় মঞ্চে উঠে এলেন ৬২ বছরের রবীন্দ্রনাথ। বিপরীতে অপর্ণা হয়েছিলেন রাণু নিজেই। সে যাত্রা রঘুপতি সেজেছিলেন দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। আর রাজার ভূমিকায় ছিলেন কবি-পুত্র রথীন্দ্রনাথ।

    সেবছরই শিলং-এ বেড়াতে গিয়ে কবিকে পথে-পথে দেখা গেল বছর সতেরোর এক উচ্ছল তরুণীর সঙ্গে। কে সেই তরুণী? এ ব্যাপারে ইতিহাস একেবারে নীরব। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলে সে মেয়ের ধরণধারণ, সাজপোশাক অনেকটা যেন রাণুর মতো। কে বলবে অসমবয়সী দুজন? কবির সঙ্গিনীর কাছে তিনি যে ‘সাতাশ’ বছরের নব্যযুবক। রসিকতায় কম যান না ৬২ র চিরতরুণ কবিও। উত্তরে তিনি না কি বলেছিলেন, “সাতাশ’কে লোকে ‘সাতাশি’ শুনবে, বরং ‘ছাব্বিশ’ ভাল! “

    অমিত্রসূদনের মতো একাধিক আলোচক বারবার বলেছেন ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্য আসলে রাণুরই প্রতিমূর্তি। লাবণ্যর রূপ থেকে পরিবার, সব বর্ণনাই যেন হুবহু মিলে যায় রাণু অধিকারীর সঙ্গে। লাবণ্য’র বাবার মতো রাণুর বাবা ফণীভূষণ অধিকারীও ছিলেন অধ্যক্ষ, কাশীর হিন্দু কলেজে পড়াতেন। রাশভারী, গম্ভীর, বইমুখো মানুষ তিনিও। লাবণ্যর রবীন্দ্রানুরাগ, সেও যেন রাণুরই ছায়ায়। আর উপন্যাসের শেষে অমিত-লাবণ্য’র প্রেমের ইতি ঘটেছিল লাবণ্য’র বিবাহে। অমিত তখন কেটি’তে আচ্ছন্ন। বাস্তবেও কি ঠিক তেমনটাই ঘটেনি রাণু আর ভানুর জীবনে?

    এই সময় থেকেই না কি কথা চালাচালি শুরু হয়েছিল শান্তিনিকেতনে। সেসব গুজবে প্রভাবিত হন রাণুর মা সরযূবালা দেবী নিজেও। প্রবল রবীন্দ্র-অনুরাগী মা-ই চাইলেন তাঁর একমাত্র মেয়েকে রবীন্দ্র-বলয় থেকে সরিয়ে নিতে। এই জোর করে তৈরি করা দূরত্বে আপত্তি ছিল রবীন্দ্রনাথের। রাণু যেখানেই যাক রাণুর সাথে তার রবিদাদার যোগাযোগ না থাকলে রাণুর অস্তিত্ব-সংকট দেখা যাবে, এমন ভয়ও পেয়েছিলেন। পরে কী ভেবে কে জানে নিজেই গুটিয়ে যান। একের পর এক চিঠি লিখেও আদরের ভানুদাদার কাছ থেকে সাড়া পেত না রাণু। ততদিনে ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো প্রভাব ফেলেছে রবীন্দ্রমানসে। কিন্তু অতশত রাণু বুঝবে কেন! প্রবল অভিমান নিয়ে ১৯২৫ সালে এক চিঠিতে ১৮ বছরের সদ্যযুবতি রাণু লিখলেন ৬৩ বছরের রবীন্দ্রনাথকে- “আমি কাউকেই বিয়ে করবো না– আপনার সঙ্গে তো বিয়ে হয়ে গেছে। ভানুদাদা, আপনি হয়তো মানবেন না কিন্তু আমি মানি… মনে মনে জানব যে একদিন আমি ভানু দাদার সমস্ত আদর পেয়েছি”

    এ প্রতিজ্ঞা স্থায়ী হয়নি রাণুর জীবনে। এ চিঠি লেখার কিছুদিনের মধ্যেই রাণুর বিয়ে হয়ে যায় বিশিষ্ট শিল্পপতি রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের ছেলে স্যার বীরেন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সেই উচ্ছল কিশোরী রাণু অধিকারী পরিচিত হয়ে ওঠেন লেডি রাণু মুখার্জি নামে। সেই বিয়েতে নববধূর জন্য এক আশ্চর্য উপহার পাঠিয়েছিলেন কবি। কবির ঢেউ খেলানো চুলের প্রতি ভারী মোহ ছিল রাণুর। তাই বিয়ের রাতে সোনার কাসকেটে সাজিয়ে নিজের মাথার কয়েকগুছি চুল রাণুকে উপহার স্বরূপ পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কবি।

    গানের গলা ভালো ছিল না রাণুর। তাই রবীন্দ্রনাথ চাইতেন রাণু ছবি আঁকা শিখুক। সে সময়ে শান্তিনিকেতনে নেভেস্কোপস্কি নামে এক শিল্পী এসেছিলেন। তিনি ছিলেন চেকোশ্লোভাকিয়ার আর্টিস্ট। রবীন্দ্রনাথের আগ্রহে ভদ্রলোক রাণুর প্রতিকৃতি আঁকেন। শান্তিনিকেতনের সেই দিনগুলোয় রবিদাদার কথা মতো রাণুকে যেতে হত সুরেন করের কাছে, ছবি আঁকা শিখতে। ভানুদাদার সেই ইচ্ছেই ক্রমে ডানা মেনে রাণুর মধ্যে। ধীরে ধীরে তাঁকেও টানতে শুরু করে রং-তুলি ক্যানভাসের জগৎ। শিল্পকলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন আজীবন, ছবি সংগ্রহের নেশাও পেয়ে বসেছিল এককালে। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও সামলেছেন দীর্ঘদিন।

    দাম্পত্য-সঙ্গী হিসাবে বীরেন্দ্রনাথ মন্দ ছিলেন না। কিন্তু তাঁর উপস্থিতিই কি একটু একটু করে দূরে ঠেলে দিয়েছিল রাণুর ভানুদাদাকে। বহুকাল আগে রাণুকে লেখা এক চিঠিতে এমন কিছু কথাই তো লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। লিখেছিলেন, “তোমার নিমন্ত্রণ আমি ভুলব না- হয়তো তোমাদের বাড়িতে একদিন যাব, কিন্তু তা’র আগে তুমি যদি আর-কোনো বাড়িতে চলে যাও? সংসারে এই রকম করেই গল্প ঠিক জায়গায় সম্পূর্ণ হয় না।”

    রাণুও কি ভুলতে পেরেছিলেন তাঁর ভানুদাদাকে। জীবনের শেষদিকে একটা আশ্চর্য চিঠিতে ৯৪ বছরের এক একাকী প্রৌঢ়া তাঁর হারিয়ে যাওয়া সেই ভানুদাদার উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন- ‘আমার পনেরো বছর বয়েসের শরীর তোমার চোখে ছিল ভরা পূর্ণিমা, তুমি সেকথা জানিয়েছ তোমার একটি গানে, ওই গানেই বলেছ আমি যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন তুমি আমার ঘুমের সুবাস পাও। সে গন্ধ তোমার কাছে প্রথম আষাঢ়ের কেতকী ফুলের সৌরভের মতন। ভানুদাদা, পৃথিবীর আর কোনও পুরুষ কখনও আমার ঘুমের সুগন্ধ পায়নি!’

    সমস্ত রকম জাগতিক চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে যে প্রেম, কবিগুরুর প্রতি তেমনই এক অতিমানবিক ভালোবাসা ছিল লেডি রাণু’র। তাই দূরত্ব এলেও পারস্পরিক অনুভবের পথে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি কখনও। কবির শেষ বয়সে অসুস্থতার সময়ও তাঁর ভানুদাদার পাশে নিঃশব্দে এসে দাঁড়িয়েছিলেন রাণু। শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও এমনই আশ্চর্য অটুট ছিল এই দুই অসমবয়সী মানুষের স্নেহ-প্রীতি-বন্ধুত্বের মায়াপাশ। বাইরের পৃথিবীর চোখরাঙানিকে হেলায় হারিয়ে দুজনে থেকে গেছেন দুজনের মনের কাছাকাছি…

    এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : news@nbs24.org, thenews.nbs@gmail.com

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use