ঢাকা | বুধবার | ২৮ জুলাই, ২০২১ | ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ | ১৭ জিলহজ, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৪ শিরোনাম » আফগানিস্তানের পরিস্থিতি বিপজ্জনক, নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি ভারতীয় দূতাবাসের


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    ২৪ বছর ধরে ৫ লক্ষ কিলোমিটার দৌড়ে হারানো ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা
    এনবিএস | Wednesday, July 14th, 2021 | প্রকাশের সময়: 3:33 pm

    ২৪ বছর ধরে ৫ লক্ষ কিলোমিটার দৌড়ে হারানো ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা

    অনলাইন ডেস্ক – ২৪ বছর কেটে গেছে। হারানো ছেলেকে ফিরে পেতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি করেননি বাবা। এই দীর্ঘ সময়ে মোটরবাইকে চেপে প্রায় ৫ লক্ষ কিলোমিটার পথ চষে ফেলেছেন। হাজার হাজার মানুষকে ছেলের ছবি দেখিয়েছেন। দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন, আততায়ীদের হাতে মরতে মরতে বেঁচেছেন। অবশেষে ছেলের দেখা পেলেন। সে তখন ২ বছরের ছোট্ট শিশুটি নেই, ২৪ বছরের যুবক হয়ে গেছে। কিন্তু বাবার চোখ চিনতে ভুল করেনি। বাবা-ছেলের পুনর্মিলনের ছবি দেখে আপ্লুত বিশ্ববাসী।

    ঘটনা চিনের। শানডং প্রদেশে গুও গ্যাংটাং তাঁর ছেলেকে হারিয়েছিলেন ১৯৯৭ সালে। তখন তাঁর ছেলের বয়স ছিল ২ বছর। বাড়ির সামনে খেলা করছিল শিশুটি। সেখান থেকে তাকে অপরণ করে দু’জন। তারপর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় পাচারকারীদের কাছে। সেই ছেলেকেই গ্যাংটাং ফিরে পেয়েছেন ২৪ বছর পরে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টও মিলে গেছে।

    চিনের এই ঘটনা যে কোনও সিনেমার গল্পকে হার মানিয়ে দেবে। গ্যাংটং নিজের মুখেই বলেছেন কীভাবে বছরের পর বছর পাগলের মতো খুঁজে বেরিয়েছেন ছেলেকে। সন্তানহারা বাবার কাতর আকুতি নাড়িয়ে দিয়েছিল পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদেরও। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এগিয়ে এসেছিল গ্যাংটংকে সাহায্য করতে।

    ছেলে বেঁচে আছে এই ধারণাই মনে গেঁছেছিল গ্যাংটংয়ের। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ছেলে পাচার হয়ে গেছে তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু ছেলে যে বেঁছে আছে এই বিশ্বাস তাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছিল। তাই ছেলেকে ফিরে পাওয়ার ইচ্ছাশক্তিও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। কোথায় খোঁজেননি তিনি! প্রায় ২০টি প্রদেশ মোটরবাইকে চেপে চষে ফেলেছিলেন। দোকান-বাজার, হোটেল, শপিং মল, অফিস, বাড়ি, হাসপাতাল, বস্তি এলাকা সম্ভাব্য সবরকম জায়গায় খোঁজ করেছেন। 

    আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব যে যেমন বলেছেন সেখানে গিয়ে খোঁজ করেছেন। ছেলের ছবি দেওয়া প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাইকে চেপে ঘুরে বেড়িয়েছেন দিনরাত। গ্যাংটং বলছেন, এই ২৪ বছরে অন্তত ১০টি মোটরবাইক খারাপ হয়েছে তাঁর। দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বহুবার। পাঁজরের হার ভেঙেছে, হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে, এমনকি দুষ্কৃতীদের কবলেও পড়েছেন। ফ্লাইওভারের নীচে রাত কাটিয়েছেন। টাকা শেষ হয়ে গেলে ভিক্ষে করেছেন। কিন্তু ছেলের খোঁজ থামাননি। সেই চেষ্টা সফল হয়েছে এতদিনে।

    পুলিশ জানিয়েছে, চিনে শিশু পাচারের ঘটনা সাঙ্ঘাতিকভাবে বেড়ে গেছে। ২০১৫ সালেই অন্তত ২০ হাজার শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটেছিল চিনে।  গ্যাংটংয়ের ছেলেকে অপহরণ করেছিল এক দম্পতি, তাদের নাম ট্যাং ও হু। যুবতী ট্যাং বাড়ির সামনে থেকে শিশুটিকে তুলে নিয়ে স্টেশনে পৌঁছয়। সেখানে অপেক্ষা করছিল হু। 

    এরপরে দুজনে বাচ্চাটিকে নিয়ে অন্য প্রদেশে পালিয়ে যায়। তারপর বিক্রি করে দেয়। পুলিশ জানাচ্ছে, শিশু পাচারের এমন চক্র চিনের অনেক প্রদেশেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আইনের কড়াকড়ি, গ্রেফতারির পরেও থামেনি। গ্যাংটংয়ের মতোই আরও অনেক বাবা-মা তাঁদের সন্তানদের হারিয়েছেন। তাঁরাও খুঁজে চলেছেন হন্যে হয়ে। এখবর জানিয়েছে দ্য ওয়াল


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use